সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৩১ পি.এম
ফরিদপুর, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ফারুক আহাম্মদ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের পরিদর্শন করেছেন।
আজ সোমবার দুপুরে, পরিদর্শনের সময় তিনি কলেজের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং কলেজের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আসিফ উল আলম, উপাধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. খান মোহাম্মদ আরিফ, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. ওবায়দুর রহমান, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আজমল হোসেনসহ কলেজের অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও শিক্ষকরা।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, অধ্যাপক ডা. ফারুক আহাম্মদ পূর্বে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দখলকৃত পশ্চিম তীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও ঐতিহাসিক শহর হেবরনে ইসরায়েলি বাহিনীর প্রবল হামলা ও সর্বাত্মক লকডাউনের কারণে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিজেদের বাড়িঘর ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। এই চরম মানবিক সংকটের মধ্যেও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সামাজিক বন্ধন নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও স্বনামধন্য উদ্যোক্তারা বাস্তুচ্যুত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে নিজেদের ঘরের দরজা খুলে দিয়েছেন।
গত শুক্রবার হেবরনের ফারশ আল-হাওয়া এলাকায় এক সামরিক চেকপোস্টে দুই ফিলিস্তিনির হামলায় দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর থেকেই শহরটিতে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। এর ফলে শহরজুড়ে কারফিউ ও কঠোর অবরোধ আরোপ করা হয়েছে, যা হেবরন ও এর আশপাশের প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনির ওপর প্রভাব ফেলেছে। ইসরায়েলি সেনা ও উগ্র ডানপন্থী মন্ত্রীদের নির্দেশে হেবরনের বিভিন্ন এলাকায় তিনতলা ভবন ও শিল্প স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই আকস্মিক সামরিক আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেকই শিশু, ১৮ বছরের কম বয়সী, যার মধ্যে রয়েছে ৮১ জন গর্ভবতী নারী এবং ২০৪ জন প্রবীণ নাগরিক। আকস্মিক এই হামলায় ঘরছাড়া ফাহদ আহমারো নামের এক ব্যক্তি জানান, “আমরা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই সঙ্গে নিয়ে বের হতে পারিনি। আমাদের জমানো অর্থ, সব আসবাবপত্র এবং জরুরি নথিপত্র বাড়িতেই রয়ে গেছে। পরিস্থিতি এতই ভয়াবহ যে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে পরিবারের নারী ও শিশুদের বের করে আনার পর আর ফিরে যেতে পারিনি।”
হেবরনের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। সরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাত এবং সুশীল সমাজের সমন্বয়ে একটি বিশেষ ক্রাইসিস গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সদস্য রিয়াদ খামিস আল জাজিরাকে জানান, হেবরনের মানুষ বরাবরই তাদের সামাজিক সংহতি এবং উদারতার জন্য পরিচিত। করোনা মহামারী কিংবা এর আগের যেকোনো সংকটেও শহরটির মানুষ সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আজ যখন প্রতিবেশীরা চরম বিপদে, তখন সবাই এক হয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
মানবিক এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার মোহাম্মদ আল-রুজুব হেবরনের কাছের শহর দুরাতে অবস্থিত নিজের খালি অ্যাপার্টমেন্টগুলো বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। তার দেখাদেখি আরও অনেকেই নিজেদের ঘরবাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়ের জন্য ছেড়ে দিয়েছেন। বর্তমানে আল-রুজুব তার নিজের অ্যাপার্টমেন্টেই ৩০ জন শিশুসহ তিনটি বড় পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “আমাদের অবশ্যই মানুষের মর্যাদার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আজ আমরা এই ভালো মানুষগুলোকে আশ্রয় দিচ্ছি, কিন্তু কাল হয়তো আমাদেরও অন্যের আশ্রয়ের প্রয়োজন হতে পারে। আমরা সবাই একই দখলদারিত্বের শিকার এবং সমানভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।”
এদিকে হেবরনের ওপর ইসরায়েলি অবরোধের কারণে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শহরটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এবং স্কুলগুলো অনলাইনে ক্লাস চালাতে বাধ্য হয়েছে। এমনকি ফাওয়ার শরণার্থী শিবিরসহ বেশ কিছু এলাকা পুরোপুরি অবরুদ্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ জরুরি চিকিৎসা বা মৌলিক প্রয়োজন মেটানোর জন্যও বাইরে বের হতে পারছেন না। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, ইসরায়েলে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এবং উগ্র ডানপন্থী ভোটারদের সন্তুষ্ট করতেই প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার হেবরনে এই নৃশংস সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১২ই ফেব্রুয়ারির গণভোটের ৭১ শতাংশ জনরায় এবং ঐতিহাসিক 'জুলাই সনদ'-কে যথাযথ মূল্যায়ন ও সম্মান প্রদর্শন করা আবশ্যক। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারের মতো পরিণতি ভোগ করতে হবে যদি এই গণরায় ও জুলাই সনদ নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা করা হয়, এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী জেলা আমীর ইসহাক খন্দকার।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাটখিল উপজেলার উদ্যোগে চাটখিল পৌরবাজারে একটি কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসহাক খন্দকার এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে দেশের বর্তমান সংকটাপন্ন পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, 'বর্তমানে সারা দেশে বিদ্যুৎ, গ্যাস, তেল, পানি ও সারের তীব্র সংকট চলছে। সরকার জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়ে দুর্নীতির রাজ্য গড়ে তুলেছে। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জনগণ শিগগিরই এই সরকারকে লাল কার্ড দেখিয়ে বিদায় করবে।' তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন যে, দায়িত্বশীল পদে আসীন থেকে অনর্গল অসঙ্গতিপূর্ণ ও অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য প্রদান বন্ধ করতে হবে এবং বিশ্বদরবারে জাতির সম্মান ও মর্যাদা বজায় রাখতে সতর্ক হয়ে কথা বলার তাগিদ দেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সাম্প্রতিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জামায়াত নেতা ইসহাক খন্দকার আরও বলেন, 'যারা রাজপথে নেমে রক্ত দেয়নি বা সংকটের সময় দেশে উপস্থিত ছিল না, তারা কখনোই জুলাই আন্দোলনের প্রকৃত চেতনা ও জনগণের ত্যাগের মর্যাদা বুঝতে পারবে না।' তিনি দেশের সার্বিক শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি জনগণের এই আট দফা দাবি পূরণ না করা হয় এবং জুলাই সনদ নিয়ে কোনো ধরনের চক্রান্ত করা হয়, তবে আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে সরকার পতনের এক দফার সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু করা হবে।
নোয়াখালী জেলা মজলিসে শূরা সদস্য ও চাটখিল উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মহিউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে সমাবেশ পরিচালনা করেন চাটখিল উপজেলা সেক্রেটারি মো. নূর হোসেন রিয়াজ। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য পেশ করেন চাটখিল পৌরসভার আমীর মাওলানা মোহাম্মদ আকতার হোসেন।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন নোয়াখালী জেলা মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মো. ছাইফ উল্যা, বেগমগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা বোরহান উদ্দীন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নোয়াখালী জেলা উত্তর সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
কর্মী সমাবেশে চাটখিল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে আগত জামায়াতে ইসলামী ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্য এবং দেশ ও জাতির ঐক্য, সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করে সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান উপায় এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন, পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নের জন্য পরিচিত এডটেক প্ল্যাটফর্ম ইংলিশ কার্নিভাল বাংলাদেশ কৌশলগত অংশীদারিত্বে যুক্ত হয়েছে।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও সহজতর করা, লেনদেনে বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ক্যাশলেস ব্যবস্থার প্রসার ঘটানো।
আজ এ উপলক্ষে উপায়-এর প্রধান কার্যালয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই অংশীদারিত্বের ফলে শিক্ষার্থীরা পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে আরও সহজতা পাবেন। পাশাপাশি, বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে ডিজিটাল আর্থিক সেবার ব্যবহার বৃদ্ধির পথও প্রসারিত হবে।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইংলিশ কার্নিভালের শিক্ষার্থী নিবন্ধনের জন্য একটি পেমেন্ট গেটওয়ে চালু করা হবে। শিক্ষার্থীদের ক্যাশব্যাক ও বিভিন্ন প্রচারমূলক সুবিধা উপায়ের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। ইংলিশ কার্নিভালের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডরদের কমিশন ও প্রণোদনার অর্থ বিতরণেও সহযোগিতা করবে উভয় প্রতিষ্ঠান।
এই অংশীদারিত্বের আওতায় যৌথ প্রচার কার্যক্রমও পরিচালিত হবে। উপায় থাকবে ‘পেমেন্ট পার্টনার’ হিসেবে, অন্যদিকে ইংলিশ কার্নিভাল বাংলাদেশ থাকবে ‘এডুকেশন পার্টনার’ হিসেবে। এছাড়া যৌথ অনুষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রম, কুইজ ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এসব উদ্যোগে ইংরেজি ভাষার দক্ষতা, ক্যারিয়ার প্রস্তুতি ও আর্থিক সচেতনতার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বর্তমানে ইংলিশ কার্নিভাল বাংলাদেশের নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫ হাজারের বেশি। দেশজুড়ে ৬৪টি জেলায় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করছেন ৩ হাজার ৫০০-এর বেশি ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর। ৫ শতাধিক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ও তাদের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। ইংলিশ কার্নিভালের এই বিস্তৃত নেটওয়ার্কের সঙ্গে উপায়ের ডিজিটাল পেমেন্ট সুবিধা যুক্ত হলে শিক্ষার্থীদের শেখার অভিজ্ঞতা আরও সহজ, কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইংলিশ কার্নিভাল বাংলাদেশের ডিরেক্টর, বিজনেস অপারেশনস মো. হুমায়ুন কবির এবং ম্যানেজার, এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন শিবলী কোরেশী। উপায় থেকে উপস্থিত ছিলেন হেড অব করপোরেট বিজনেস সাজ্জাদ আলম, হেড অব প্রোডাক্ট মোহাম্মদ মামুন রেজা খান, হেড অব মার্কেটিং কাজী শাকিল মাহমুদ, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রমুখ।
উপায় ও ইংলিশ কার্নিভাল বাংলাদেশের এই অংশীদারত্ব দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও গতিশীল করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বাসিন্দা মো. পারভেজ রানা, যিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের কনস্টেবল ছিলেন। তার বয়স ছিল ৩৫ বছর।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত ১০টা ৩৮ মিনিটে রাজধানীর রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি টানা ৯ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে সোনারগাঁ উপজেলার চেঙ্গাকান্দি গ্রামের মাদরাসা মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পর স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
পারভেজ রানা সোনারগাঁ উপজেলার চেঙ্গাকান্দি গ্রামের অধিবাসী। তার বাবার নাম মো. আব্দুল করিম। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার কনস্টেবল নম্বর ছিল ১২৭১৯ এবং বিপি নম্বর ৯৫১৫১৭৪৫২০।
পারিবারিক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর পারভেজ রানা রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আইসিইউতে তার মৃত্যু ঘটে।
তার অকালমৃত্যুর খবর শুনে পরিবার, স্বজন ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকাহত পরিবারের সদস্যরা গভীর দুঃখে আছেন। স্থানীয় স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ