ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ


বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ

বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণা কলেজটিকে মুখরিত করে তুলেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে।

নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে শাখাভিত্তিক নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন এবং তাদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের শখ, ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও প্রত্যাশার কথাও শোনা হয়।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এইচ. এম. হাসান জাকির নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন। তিনি উল্লেখ করেন, এ. পি. জে. আবদুল কালামের উক্তি "মানুষ যেটা ঘুমিয়ে দেখে, সেটা স্বপ্ন নয়; মানুষ যেটা জেগে দেখে, সেটাই স্বপ্ন"। শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখতে এবং তা বাস্তবায়নে নিয়মিত পড়াশোনা করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি সময় ভাগ করে কীভাবে পড়াশোনা করতে হবে, সে বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শও দেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের একে একে তাদের শখ ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের কথা শোনেন।

আরও পড়ুন: বাকৃবির বেগম খালেদা জিয়া হলের একটি লিফট চালু

নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ অ্যাডভোকেট, কেউ পাইলট, কেউ নার্স, কেউ সমাজসেবক, আবার কেউ ব্যবসায়ী হওয়ার স্বপ্নের কথা জানান। এক শিক্ষার্থী বলেন, পড়াশোনা শেষ করে তিনি অ্যাডভোকেট হতে চান এবং তার শখ বই পড়া। অন্য এক শিক্ষার্থী জানান, ইন্টারমিডিয়েট শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। তার শখ ভ্রমণ করা।

ইংরেজি বিভাগের লেকচারার মো. ইমদাদুল হক নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস করার এবং সময়ের সঠিক ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুমানা পারভিন নবীন শিক্ষার্থীদের বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান শামসুন্নাহার নবীন শিক্ষার্থীদের কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি নিয়মিত ক্লাস, পড়াশোনা ও সিটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কলেজের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের মূল্যবান ও মানসম্মত পাঠদান করবেন বলে জানান। নিয়মিত পড়াশোনার মাধ্যমে ভালো ফলাফল করার জন্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন।

আরও পড়ুন: ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তি নিয়ে সুখবর দিলেন সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু

এরপর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফরিদা ইয়াছমিন নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে নবীনদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, "তোমরা এই কলেজে ভর্তি হয়ে আমাদের ধন্য করেছ। এখন ভালো ফলাফল করে তোমরাই নিজেদের ধন্য করবে।"

তিনি বলেন, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান। প্রতিবছর এ কলেজের শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। একসময় বোর্ড, বুয়েট, মেডিকেল ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এ কলেজের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করেছে উল্লেখ করে তিনি সেই সুনাম পুনরুদ্ধারে শিক্ষার্থীদের আন্তরিক প্রচেষ্টার আহ্বান জানান। পাশাপাশি কলেজের নিয়ম-কানুন ও শৃঙ্খলা মেনে চলার জন্য শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা দেন।

কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর তছমিনা বেগম চৌধুরী নবীন শিক্ষার্থীদের বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, "তোমরা আজ থেকে এই কলেজের শিক্ষার্থী। উচ্চমাধ্যমিকের সময়টা খুবই সামান্য। চোখের পলকে সময় চলে যাবে।" তাই সময়ের সঠিক ব্যবহার, নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে কলেজের নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা ও সুস্থ থাকার পরামর্শ দেন।

নবীন শিক্ষার্থীদের একজন বলেন, "বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে পড়ার স্বপ্ন ছিল। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।"

আরও পড়ুন: জাবি ক্যাম্পাসে পাখির নিরাপত্তায় বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ

অন্য এক নবীন শিক্ষার্থী বলেন, "আমার পরিবার হয়তো আমাকে এত দূর পড়তে দিতে চাইত না। কিন্তু এখানে পড়ার ইচ্ছা ছিল, তাই ভর্তি হয়েছি।"

নবীন শিক্ষার্থী ফারহানা আখি বলেন, "আজকের দিনটা খুবই ভালো কেটেছে। নতুন অনেকের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। তাদের কথাগুলো ভালো লেগেছে। শিক্ষকদের দিকনির্দেশনাগুলো শুনে একটু ভয়ও লাগছে—এখানে মানিয়ে নিতে পারব তো? অনেক আশা নিয়ে কলেজে ভর্তি হয়েছি। খুব আনন্দ লাগছে।"

একজন অভিভাবক বলেন, "মেয়ের স্বপ্ন ছিল এই কলেজে পড়া। আলহামদুলিল্লাহ, তাকে এখানে ভর্তি করাতে পেরেছি। আশা করছি, সে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করে ভালো ফলাফল করবে এবং ভবিষ্যতে উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। এটাই আমাদের সবার প্রত্যাশা।"

নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনকে ঘিরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। নবীনদের প্রাণচাঞ্চল্যে পুরো কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

আরও পড়ুন: ইবিতে ১৮তম জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের ১৯ সিভিল জজকে সংবর্ধনা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়াডাঙ্গায় মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ ও কীটনাশক বিক্রির দায়ে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


চুয়াডাঙ্গায় মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ ও কীটনাশক বিক্রির দায়ে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

চুয়াডাঙ্গা, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আলমডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন অনিয়মের কারণে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করেছে। জরিমানার মধ্যে রয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ ও কীটনাশক বিক্রির দায়।

আজ রোববার দুপুরে, আলমডাঙ্গা উপজেলার হাটবোয়ালিয়া বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান।

জানা যায়, রোববার বেলা ১১ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত হাটবোয়ালিয়া বাজার এলাকায় অভিযানের সময় মো. বাবুল বিশ্বাসের বিশ্বাস বীজ ভান্ডারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া, মিষ্টি জাতীয় সামগ্রীর উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ না দেওয়ার কারণে মো. জিয়া উদ্দিনের জিয়া ফল ও মিষ্টান্ন ভান্ডারকে আট হাজার টাকা এবং মো. সাহিবুল ইসলামের সিরাজ মিষ্টান্ন ভান্ডারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনটি দোকানের বিরুদ্ধে মোট ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযানের সময় বাজারে মূল্য তালিকা হালনাগাদ করা এবং নির্ধারিত ও যৌক্তিক মূল্যে পণ্য ক্রয়-বিক্রির নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এ সময় জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা সালমা জাহান নিপা এবং জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রিয়াজ মাহমুদসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৬ দিনে ভর্তি ১০৪ ডেঙ্গু রোগী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৬ দিনে ভর্তি ১০৪ ডেঙ্গু রোগী

খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতি ঘটছে। সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৬ দিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। রোগীর চাপ মোকাবেলার জন্য ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা সংখ্যা ৫টি থেকে ২৫টি করা হলেও, তাতেও সংকুলান হচ্ছে না। কিছু রোগীকে হাসপাতালের বারান্দায় চিকিৎসা নিতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে ৬ জন, জুনে ৪ জন, জুলাইয়ে ১৫ জন এবং আগস্টে ৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। সেপ্টেম্বরের ২৬ দিনে ভর্তি হওয়া ১০৪ জন রোগীসহ চলতি বছরে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেওয়ার সংখ্যা ২০৪ জনে পৌঁছেছে।

হাসপাতাল সূত্র জানাচ্ছে, আগস্ট মাসে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য মাত্র পাঁচটি শয্যা নির্ধারিত ছিল। সেপ্টেম্বর মাসে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকায় আরও ২০টি শয্যা বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ২৫টি শয্যা ডেঙ্গু রোগীদের জন্য রয়েছে। তবে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় এসব শয্যায় জায়গা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অন্যান্য রোগীসহ প্রতিদিন গড়ে ১২০ থেকে ১৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপরও বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শাকিলা আফরোজ বলেন, "বর্তমানে হাসপাতালে রোগীর চাপ অনেক বেশি। পাশের উপজেলা থেকেও অনেকে এখানে চিকিৎসা নিতে আসছেন। চিকিৎসকসহ প্রয়োজনীয় জনবল কম থাকায় রোগীদের সেবা দিতে তাঁদের কষ্ট হচ্ছে।"

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ ময়না জানান, প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৫ জন রোগী ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। তিনি বলেন, "মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো না গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।"

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক ও জনবল সংকটের মধ্যেও রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পৌরসভা, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

এদিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লেও পৌর এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন। পৌরসভার স্থায়ী বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম বলেন, "চলতি মৌসুমের শুরু থেকে মশক নিধনে তেমন কার্যক্রম চোখে পড়েনি। বিভিন্ন ড্রেন, নালা ও মশার প্রজননস্থল অপরিষ্কার থাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।"

রমেশ মন্ডল নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, "শুধু ওষুধ ছিটালে হবে না। ড্রেন-নালা পরিষ্কার, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নিয়মিত কার্যক্রম চালাতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে জনসচেতনতামূলক প্রচার বাড়ানো দরকার।"

তবে পৌর কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, মশক নিধনে কার্যক্রম চলছে। পৌরসভার সচিব লালু সরদার বলেন, "স্থানীয় সরকার বিভাগ ও পৌরসভার অর্থায়নে গত ৩০ আগস্ট থেকে বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশক নিধনের ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে। নিয়মিত ড্রেনও পরিষ্কার করা হচ্ছে।"

পাইকগাছা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, "ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় পৌরসভার উদ্যোগে মশক নিধন কার্যক্রম চলছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে।"

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম চালাতে হবে। পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নাগরিকদেরও সচেতন করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম রেঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৬২ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


চট্টগ্রাম রেঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৬২ জন গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১টি জেলায় পুলিশ মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ও নিয়মিত মামলায় ৪৬২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ১০ হাজার ৩০২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রেঞ্জ পুলিশ কার্যালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত ৪৬২ জনের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৭৫ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৭৮ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৩১ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৩ জন, কার্যবিধির ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৬০ জন, পরোয়ানামূলে ১০৭ জন এবং সাজা পরোয়ানামূলে ২৪ জন রয়েছেন।

এছাড়া, মাদক মামলায় ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৮৪ জনই মাদকসেবী। পাশাপাশি নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় ৪৭ জন মাদক কারবারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৪৫ জনকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং ২৮ হাজার ১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া ২৬টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ১০ হাজার ৩০২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২৬ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা এবং ২১২ লিটার চোলাইমদ।

পুলিশ জানায়, জনস্বার্থে এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবির ২৯ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


জবির ২৯ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০২২, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২৯ জন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করা হয়েছে। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিনের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মনোনীত শিক্ষার্থীদের আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরে জমা দিতে হবে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক মনোনয়ন ফরম অথবা বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে দেওয়া ফরম নির্দেশনা অনুযায়ী পূরণ করতে হবে।

মনোনীত শিক্ষার্থীদের ফরমের দুই সেট হার্ডকপি জমা দিতে হবে। এর সঙ্গে শিক্ষার্থীর নিজস্ব স্বাক্ষরযুক্ত প্রত্যয়নপত্র, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও মার্কশিট এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দিতে হবে।

সব কাগজপত্র যথাযথভাবে সত্যায়িত করে সংশ্লিষ্ট ইনস্টিটিউটের পরিচালক বা বিভাগীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সফটকপি পিডিএফ আকারে নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০২২-এর জন্য ৭ জন, ২০২৩ সালের জন্য ৭ জন, ২০২৪ সালের জন্য ৭ জন এবং ২০২৫ সালের জন্য ৮ জন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করা হয়েছে। চার বছরের মধ্যে মোট ২৯ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন।

২০২২ সালের তালিকায় সাদ্দাম হোসাইন, রুমানা সিদ্দিকা মারুফা, আয়েশা আক্তার, রোকেয়া পারভিন, মো. বিল্লাল হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রোমা ও মুজতানিবা জাহান মাশরাকা অন্তর্ভুক্ত আছেন।

২০২৩ সালের তালিকায় মো. আনোয়ার শাহ, সারমিন আক্তার, সাদিয়া জান্নাত মিতু, জয় পাল, মোছা. শুমোনা আক্তার, তানজুম আহমেদ নূদী ও তাসনিমা আক্তার রয়েছেন।

২০২৪ সালের তালিকায় আরিফুল ইসলাম, আসমা আক্তার, মুহাম্মদ গোলাম রোহমান শাফি, সাদিয়া খানম, রাগিব শাহরিয়ার রাফি, জান্নাতুন নাহের উর্মি ও মো. মুহিব আহসান চৌধুরী অন্তর্ভুক্ত।

২০২৫ সালের তালিকায় সোমাইয়া তাবাসসুম, ফারিয়া আক্তার ইভা, শানজিদা সারমিন মৌরি, দীপান্বিতা বৈদ্য, আনিকা তাবাসসুম অন্তরা, আভা রহমান ও বিদিশা অধিকারীসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা রয়েছেন।

এদিকে ইউজিসির প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক আবেদন গাইডলাইনে বলা হয়েছে, আবেদন প্রক্রিয়া তিন ধাপে সম্পন্ন হবে। ধাপগুলো হলো—স্টুডেন্ট ইনফরমেশন, একাডেমিক পারফরম্যান্স অ্যান্ড অ্যাটাচমেন্টস এবং রিভিউ অ্যান্ড ফাইনাল সাবমিশন। আবেদনকারীরা চাইলে আবেদনটি ড্রাফট হিসেবে সংরক্ষণ করে পরে সম্পন্ন করতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%