ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইয়ামালের দাড়ি থেকে গাভির গোলাপি চুল, বিশ্বকাপ জিতলে এবার প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা


ইয়ামালের দাড়ি থেকে গাভির গোলাপি চুল, বিশ্বকাপ জিতলে এবার প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে এখন ভাসছে স্পেন। তবে শিরোপা উদযাপনের সাথে সাথে আলোচনায় উঠে এসেছে দলের কয়েকজন ফুটবলারের মজার প্রতিশ্রুতিও। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে বিশ্বকাপ জিতলে নানা ধরনের কাণ্ড করার কথা দিয়েছিলেন লা রোজার খেলোয়াড়রা। এবার সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা এসেছে।

সবচেয়ে আলোচিত প্রতিশ্রুতিটি দিয়েছিলেন স্পেনের ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়া। তিনি বিশ্বকাপ জিতলে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের মুখের ট্যাটু নিজের শরীরে আঁকানোর কথা জানিয়েছিলেন। ইউরো ২০২৪ জয়ের পর চুল লাল করে আলোচনায় এসেছিলেন কুকুরেয়া, তবে এবার বিশ্বকাপ জয়ের পর তাঁর নতুন চ্যালেঞ্জ আরও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বকাপ জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে মজা করেন দে লা ফুয়েন্তে। তিনি বলেন, "ট্যাটু করানোর বয়স তাঁর আর নেই, তবে তাঁর খেলোয়াড়রা দেওয়া কথা রাখেন এবং প্রতিশ্রুতি পূরণ করবেন বলেই তিনি বিশ্বাস করেন।" মজার ছলে কোচ পরামর্শ দেন, ট্যাটু করলে এমন জায়গায় করানো ভালো, যেখানে খুব সহজে দেখা যাবে না।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

ইয়ামালের দাড়ি এবং গাভির পিঙ্ক চুলের কথাই উল্লেখ করা হয়েছে। কুকুরেয়ার মতো আরও কয়েকজন স্প্যানিশ তারকাও বিশ্বকাপের আগে নিজেদের নিয়ে মজার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপজয়ী লামিনে ইয়ামাল জানিয়েছেন, শিরোপা জিতলে তিনি দাড়ি-গোঁফ বড় করবেন। অন্যদিকে ফেরান তোরেসের প্রতিশ্রুতি ছিল ন্যাড়া হয়ে যাওয়ার।

মাঝমাঠের দুই তারকা পেদ্রি ও গাভিও পিছিয়ে ছিলেন না। পেদ্রি চুল ব্লন্ড করার কথা দিয়েছিলেন, আর গাভি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ জিতলে চুলে পিঙ্ক রং করবেন।

বিশ্বকাপ জয়ের পর এখন সমর্থকদের নজরে রয়েছে—কে আগে নিজের দেওয়া কথা রাখেন। শিরোপা জয়ের আনন্দের সাথে এসব মজার মুহূর্ত স্পেনের উদযাপনে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।

আরও পড়ুন: নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের দাবি জানালো নিসচার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমির উদ্দিন সরকারের মতো ডেডিকেশন অনেকের মধ্যেই নেই: প্রধান বিচারপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


জমির উদ্দিন সরকারের মতো ডেডিকেশন অনেকের মধ্যেই নেই: প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার যে পড়াশোনা ও ডেডিকেশন নিয়ে কোর্টে সাবমিশন করতেন, তা বর্তমান সময়ের অনেক আইনজীবীর মধ্যে দেখা যায় না।

সোমবার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে সদ্য প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এই বক্তৃতা দেন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, ওয়ান ইলেভেনের সময় গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে অন্যরকম সরকার কায়েম করার যে চেষ্টা কুশীলবরা করেছিল, সেই পথে বাধার পাহাড় হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন জমির উদ্দিন সরকার।

এসময় আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, জমির উদ্দিন সরকারের মতো, পরিমার্জিত ও প্রজ্ঞাবান রাজনীতিক খুবই কম রয়েছে। তার জীবনী অনুকরণ এবং অনুসরণের জন্য তরুণ আইনজীবীদের প্রতি তিনি পরামর্শ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারপতি ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনসহ সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর পূর্তি, নিহতদের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর পূর্তি, নিহতদের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কারণে ঘটে যাওয়া হতাহতের ঘটনায় নিহতদের স্মরণে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

এক বছর পূর্ণ হওয়ার পরেও, কালো দিনটির স্মৃতি ভুলতে পারেননি স্বজনহারা পরিবার, অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। প্রিয়জন হারানোর গভীর বেদনা আজও তাড়া করে বেড়াচ্ছে নিহতদের স্বজনদের।

ঘটনার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণ এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় সোমবার (২০ জুলাই) মাইলস্টোন স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

গত বছর এই দিনে, মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনার স্মৃতি স্মরণ করতে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

কর্মসূচির প্রথম দিনে, স্কুলের ১৬টি শাখায় একযোগে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকতা বা বাইরের অতিথিদের উপস্থিতি ছাড়াই সহপাঠীদের ভালোবাসা ও আবেগে পালন করেছেন মাইলস্টোন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মাইলস্টোন স্কুলের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর জানান, দুর্ঘটনার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে নিহত ও আহতদের স্মরণে আমরা দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করছি। প্রথম দিনে স্কুলের ১৬টি শাখায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। যদিও দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে আহত শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা করা হয়েছে, আজকের কর্মসূচিতে কোনো অভিভাবককে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এটি মূলভাবে শিক্ষার্থীদের নিয়েই আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, গত তিন দিন ধরে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে নিহত শিক্ষার্থীদের যেসব স্থানে দাফন করা হয়েছে, সেখানে শিক্ষকদের পাঠানো হয়েছে। তারা অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে দোয়া ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাস ছাড়া মাইলস্টোনের অন্যান্য শাখায় সাধারণ কর্মসূচি পালন হবে। দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে থাকছে দুটি প্রধান আয়োজন।

সকাল ১০টা থেকে দুর্ঘটনাস্থলের ভবনের সামনে নির্মিত স্মৃতিবেদিতে অভিভাবকসহ সাধারণ মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। একই সঙ্গে বিএনসিসি ও স্কাউটদের অংশগ্রহণে সশস্ত্র গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানটি দুপুর পর্যন্ত চলবে।

এ আয়োজনে বাইরের কোনো অতিথি থাকবেন না। স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং নিহত ও আহত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাই এতে অংশ নেবেন।

এছাড়া, মঙ্গলবার বিকেল ৩টা থেকে দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে আলোচনা, স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এ আয়োজনে মূলত অভিভাবকরা উপস্থিত থাকবেন। সেখানে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার স্মৃতি এবং নিজেদের অনুভূতি তুলে ধরবেন।

এক বছর পেরিয়ে গেলেও মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির ক্ষত এখনো গভীর। স্মরণ, দোয়া ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মৃতিকে বুকে ধারণ করে দিনটি পালন করছেন তাদের সহপাঠী, শিক্ষক ও স্বজনরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘যবিপ্রবিকে আদর্শ গ্রিন ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলা হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০০ পি.এম


‘যবিপ্রবিকে আদর্শ গ্রিন ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলা হবে’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (যবিপ্রবি) একটি আদর্শ 'গ্রিন ক্যাম্পাস' হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর ব্যক্ত করেছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের “৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি” বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাড়ম্বরে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সোমবার (২০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কমিটির উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক ধরে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর উল্লেখ করেন যে, আমরা জীবনদশায় যে পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহণ করি, তা গড়ে প্রায় ৭০টি গাছ যে অক্সিজেন দেয়, তার সমান। তাই তিনি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে ও প্রকৃতির কাছ থেকে নেওয়া অক্সিজেনের ঋণ শোধ করতে আমাদের প্রত্যেকের জীবনে অন্তত একশটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, যবিপ্রবি কেবল চারা রোপন করছে না, বরং এর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করে ক্যাম্পাসকে একটি আদর্শ ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ হিসেবে গড়ে তুলতেও কাজ করে যাচ্ছে। মূল ক্যাম্পাসের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসকেও আগামীতে ব্যাপকভাবে সবুজায়নের আওতায় আনা হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আসলে কোনো একদিনের বিষয় নয়, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, সারা বছর জুড়ে আমাদের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালু থাকবে। তিনি আরও জানান, যদি আমরা পরিকল্পিত উপায়ে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারি, তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন, তা আমরা অবশ্যই অর্জন করতে পারব।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামফলিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরের পাশে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ‘জিয়া ট্রি’র কর্মসূচির আদলে নিম গাছের চারা রোপনের মাধ্যমে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ এর উদ্বোধন করা হয় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য দ্বারা। এরপর অতিথিবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কমিটির সদস্যরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ফলজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছের চারা রোপণ করেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মরিয়াম জামিলা, ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল আমিন, ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমান, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফারজান নাসরিন, প্রক্টর ড. মো. হামিদুর রহমান, প্রভোস্ট ড. ফারহানা ইয়াসমিন, পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল হক, এফএমবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. মীর মোশাররফ হোসেন, পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কমিটির সদস্য ড. মোহাম্মদ নওশীন আমিন শেখ এবং সদস্য-সচিব সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ রিয়াজুল হকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কমিটির সদস্য ড. মো. সাব্বির হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিমবঙ্গে সব সরকারি কাজে বাধ্যতামূলক হলো বাংলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০২ পি.এম


পশ্চিমবঙ্গে সব সরকারি কাজে বাধ্যতামূলক হলো বাংলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সব প্রশাসনিক কার্যক্রমে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক হতে যাচ্ছে।

সোমবার (২০ জুলাই) রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন। এখন থেকে রাজ্য সরকারের সব স্তরের প্রশাসনিক কাজ বাংলায় পরিচালিত হবে। এমনকি রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের থানাতেও এখন থেকে বাংলা ভাষায় এফআইআর (এফআইআর) করা যাবে।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতায় দেশের প্রথম ভারতীয় ভাষা বিষয়ক শব্দ জাদুঘর ‘মিউজিয়াম অব ওয়ার্ডস’-এর উদ্বোধন করেন। সেখানে তিনি সর্বস্তরে মাতৃভাষার ব্যাপক প্রয়োগ ও প্রসারের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে একটি চিঠিও দেন। যেখানে কেন্দ্র ও রাজ্যের যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইংরেজি পরিহার করে বাংলা ও হিন্দি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সেই বক্তব্যের পরদিনই রাজ্য বিধানসভায় এই বড় ঘোষণা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

বিধানসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রথমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাঠানো চিঠিটি পড়ে শোনান। এরপর তিনি বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গের সব স্তরে বাংলা ভাষাকে বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর করা হচ্ছে। মাঝের এই সময়টুকুতে সরকারি দপ্তরে অনুবাদক নিয়োগসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি শেষ করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ভারত সরকার বা অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাংলা ভাষাতেই চিঠিপত্র আদান-প্রদান করবে। তবে ভারত সরকারের সঙ্গে বিশেষ যোগাযোগের সুবিধার্থে বাংলার পাশাপাশি হিন্দি ভাষাও ব্যবহার করা হবে।

বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, মাতৃভাষাকে সর্বোচ্চ স্তরে কার্যকর করার এই সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপদেশকে স্বাগত জানিয়েই গ্রহন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচনের আগে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলা ভাষা তুলে দেবে বলে বিরোধীদের তোলা সব অভিযোগ ও জল্পনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিল বর্তমান রাজ্য সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%