বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:৪০ পি.এম
বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগন টেলিভিশনে নতুন ভূমিকায় আসছেন। জনপ্রিয় ক্রাইম শো ‘ক্রাইম পেট্রোল’-এর নতুন মৌসুম ‘ক্রাইম পেট্রোল—ক্রাইম কা কারেন্ট সিজন’-এর সঞ্চালক হিসেবে তাকে দেখা যাবে।
র এক প্রতিবেদন। নতুন মৌসুমটি সপ্তাহে চার দিন—সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার প্রচারিত হবে। অমিতাভ বচ্চন সঞ্চালিত ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-র পরেই দর্শকরা দেখতে পাবেন অজয় দেবগনের ‘ক্রাইম পেট্রোল’ অনুষ্ঠানটি।
এই অনুষ্ঠানটি সনি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশন ও সনি লাইভে প্রচার হবে। এবারের মৌসুমে বাস্তব অপরাধের ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত বিভিন্ন গল্প উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব, মানুষের বদলে যাওয়া আচরণ, তাৎক্ষণিক স্বীকৃতি পাওয়ার প্রবণতা এবং আধুনিক জীবনের চাপ কিভাবে মানুষের সিদ্ধান্ত ও আচরণকে প্রভাবিত করছে, সেদিকেও নজর দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানের প্রচারণামূলক ভিডিওতে অজয় দেবগনকে সরাসরি দর্শকদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গেছে।
সেখানে তিনি বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মানুষের দ্রুত বদলে যাওয়া আবেগের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, কখনো কখনো রাগ, হতাশা কিংবা আবেগের বশে মানুষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতে পারে, যার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে।
শুধু অপরাধের ঘটনা তুলে ধরাই নয়, বরং দর্শকদের সচেতন ও সতর্ক করাও নতুন মৌসুমের অন্যতম লক্ষ্য। অজয় দেবগন দর্শকদের ভয় না পেয়ে চারপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকার বার্তা দেবেন।
২০০৩ সালে শুরু হওয়া ‘ক্রাইম পেট্রোল’ ভারতের অন্যতম পরিচিত ক্রাইমভিত্তিক টেলিভিশন অনুষ্ঠান।
বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিনেতা ও উপস্থাপক অনুষ্ঠানটির বিভিন্ন সংস্করণ সঞ্চালনা করেছেন। তাদের মধ্যে অনুপ সোনি দীর্ঘদিন এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং দর্শকদের কাছে ‘ক্রাইম পেট্রোল’-এর অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।
এবার সেই পরিচিত ফরম্যাটে যুক্ত হচ্ছেন অজয় দেবগন। সিনেমায় পুলিশ ও অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে তার পরিচিতির কারণে ‘ক্রাইম পেট্রোল’-এ তার উপস্থিতি নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
এদিকে অজয় দেবগনের হাতে রয়েছে আরও একটি বড় প্রকল্প। তার অভিনীত ‘দৃশ্যম: দ্য কনক্লুশন’ সিনেমাটি ২ অক্টোবর ২০২৬ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে। ছবিতে বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রে আবারও ফিরছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যকে পৈশাচিক হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার এড়াতে শ্মশানে লুকিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হয়নি অভিযুক্ত মুগ্ধ দাসের। পুলিশি ধাওয়ার মুখে শ্মশানের কেয়ারটেকারের কাছে খুনের দায় স্বীকার করে আশ্রয়ের আকুতি জানিয়েছিল সে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।
পুলিশ কমিশনার জানান, হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন আলামত ও প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৩ আগস্ট ভোরে মুগ্ধ দাসের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মুগ্ধ দৌড়ে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে মাহিগঞ্জ-দখীগঞ্জ শ্মশানে আশ্রয় নেয়।
ক্লান্ত মুগ্ধ শ্মশানের কেয়ারটেকার বিদ্যুৎ দাসের কাছে গিয়ে আকুতি জানিয়ে বলে, ‘দাদা— আমাকে একটু পানি দাও, আমাকে একটু আশ্রয় দাও; আমি তো গণপতি স্যারসহ চারজনকে খুন করেছি। পুলিশ আমাকে গ্রেপ্তার করতে আসছে।’
তবে কেয়ারটেকার বিদ্যুৎ তাকে আশ্রয় দিতে অস্বীকার করেন এবং তৎক্ষণাৎ পিছু ধাওয়া করা পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
চার সদস্যকে হত্যার দায় স্বীকার করে মূল দুই অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। একই সাথে শ্মশানের কেয়ারটেকার বিদ্যুৎ ও সীমান্ত দাস আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ আরও নিশ্চিত করেছে, জবানবন্দিতে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। গ্রেপ্তার দুজনের ডোপ টেস্ট ও ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার রাতে তারা ইয়াবা সেবনের জন্য হাফ-ওয়াল পরিবেষ্টিত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদ বেছে নেয়। ভোরে গণপতি চক্রবর্তী ছাদে হাঁটতে গিয়ে তাদের দেখে ধমক দিলে জানাজানির ভয়ে তারা গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে। শব্দ শুনে ছাদে উঠে আসা স্ত্রী প্রীতিলতা ও মেয়ে আগামীকেও একইভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।
পরবর্তীতে নিচে নামলে ছোট ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী তাদের চিনে ফেলে প্রশ্ন করায় তাকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
পৈশাচিক এই হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা ক্লান্ত হয়ে ঘরে থাকা খেজুর ও শসা খায়, গোসল করে এবং চুরি করা টাকা ও স্বর্ণ পরীক্ষা করে দেখে। ঘটনাকে ডাকাতির রূপ দিতে ঘরে ভাঙচুর চালানো হয় এবং সিসিটিভি ক্যামেরা থাকার সন্দেহে প্লায়ার্স দিয়ে বাড়ির প্রধান বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তারা পালিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, ভুক্তভোগী গণপতি চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। নিহত পরিবারের সদস্য হিসেবে তার স্ত্রী প্রীতিলতা, স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা মেয়ে আগামী এবং জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র প্রিয়ম চক্রবর্তী একই সাথে নৃশংসতার শিকার হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে গুলিতে নিহত বাংলাদেশি প্রবাসী এমডি ইউসুফ রাজুর জানাজা বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে আগামীকাল শুক্রবার তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরিবারের স্বজন ও কমিউনিটির পক্ষ থেকে জানাজায় অংশ নিয়ে মরহুমের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জানাজার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ দিন বাদ মাগরিব ব্রুকলিনের বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টার জামে মসজিদে এমডি ইউসুফের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। মসজিদটির ঠিকানা ১০৫ কোর্টেলিউ রোড, ব্রুকলিন, নিউইয়র্ক। বিজ্ঞপ্তিতে জানাজার সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ২৩ আগস্ট রাতে ব্রুকলিনের ব্রাউনসভিল এলাকায় একটি পিজ্জা শপে কর্মরত অবস্থায় গুলিতে নিহত হন ৪৪ বছর বয়সী এমডি ইউসুফ। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রকওয়ে অ্যাভিনিউয়ের American Best Wings and Pizza-তে রাত ১২টার পর এই ঘটনা ঘটে। গুলিতে ইউসুফ মাথায় আঘাত পান এবং পরে হাসপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। একই ঘটনায় ৩৯ বছর বয়সী আরেক কর্মী পায়ে গুলিবিদ্ধ হন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলাকারী রেস্টুরেন্টের ভেতরে ঢুকে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। তদন্তে ৩১ বছর বয়সী জেসাস আকোস্তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তিনি এখনো পলাতক এবং তাকে ধরতে অভিযান চলছে।
পুলিশের মতে, ব্রুকলিনের ঘটনার প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর ব্রঙ্কসেও একটি প্রাণঘাতী গুলির ঘটনা ঘটে। সেখানে ১৪৯ গ্রিল অ্যান্ড ডেলিতে ৩৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি গুলিতে নিহত হন। তদন্তকারীরা দুই ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র থাকার কথা বলছেন এবং একই সন্দেহভাজনকে দুই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে খুঁজছেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আকোস্তা এর আগে ২০১৫ সালে ম্যানহাটনের একটি সাবওয়ে স্টেশনে গুলি চালানোর মামলায় সাজা ভোগ করেছেন। প্রায় ১০ বছর কারাভোগের পর চলতি বছরের এপ্রিলে তিনি প্যারোলে মুক্তি পান। তার বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক গ্রেপ্তারের রেকর্ড রয়েছে।
এদিকে ইউসুফের আকস্মিক মৃত্যুতে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোক নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে গিয়ে দাফন করা হবে। মরদেহ দেশে পাঠানোর খরচ এবং পরিবারের সহায়তার জন্য এরই মধ্যে কমিউনিটির পক্ষ থেকে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আজ জানাজা শেষে আগামীকাল ইউসুফের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর কথা রয়েছে। তার মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার ও স্বজনদের পাশে দাঁড়াতে এবং জানাজায় অংশ নিয়ে মরহুমের জন্য দোয়া করতে কমিউনিটির প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন, জুলাই সনদের রূপরেখা বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায়সংক্রান্ত বিল পাসের বিষয়ে নীতিগত আপত্তি জানিয়ে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে জাতীয় সংসদের চলমান তৃতীয় অধিবেশনে কার্যাবলি চলাকালে এই ওয়াকআউটের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংসদ ভবন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আজ রাত আটটার দিকে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনের দিনের নির্ধারিত সূচি মেনে আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি শুরু হয়। এর পরপরই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে জরুরি বিষয়ে কথা বলার আনুষ্ঠানিক অনুমতি চান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
ডেপুটি স্পিকার তাকে কথা বলার সুযোগ দিলে বিরোধীদলীয় নেতা সরকারের গৃহীত বেশ কিছু প্রস্তাবিত বিল ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বক্তব্যে তিনি সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নির্দেশিকা এবং গণভোটের রায় কার্যকরের বিষয়ে আনীত একাধিক বিলের ওপর তীব্র আপত্তি জানান।
বক্তব্য শেষে অনাস্থা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান সংসদ থেকে কক্ষত্যাগের সিদ্ধান্ত জানান। এরপর তার নেতৃত্বে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা একযোগে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করে ওয়াকআউট করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এখনো বেশ দূরে। তবে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নে আগেভাগেই শুরু হয়েছে নির্বাচনি আমেজ। আর সেই আবহে ব্যতিক্রমী প্রচারণা চালিয়ে আলোচনায় এসেছেন সেলুন ব্যবসায়ী ফেরদৌস মিয়া।
মাইক কিংবা মোটরসাইকেলের বহর নয়, চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছার কথা জানাতে ফেরদৌস মিয়া বেছে নিয়েছেন হাতি। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে হাতির পিঠে চড়ে, সঙ্গে ব্যান্ড পার্টি ও ঢাকঢোল নিয়ে বিন্নাটি চৌরাস্তা মোড়ে হাজির হন তিনি।
কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে ফেরদৌস মিয়ার এই ব্যতিক্রমী ‘হাতিযাত্রা’ দেখতে থমকে দাঁড়ান পথচারীরা। কেউ বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকেন, কেউ আবার মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে হাতির পিঠে চড়ে প্রচারণার দৃশ্য। বাজারের আড্ডা থেকে চায়ের দোকান সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন তিনি।
বিন্নাটি বাজারে দীর্ঘদিন ধরে সেলুন ব্যবসা করছেন ফেরদৌস মিয়া। এই পেশার সুবাদে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ গড়ে উঠেছে। সেই পরিচিতির জায়গা থেকেই এবার বিন্নাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।
ফেরদৌস মিয়া বলেন, আমার মা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই ইচ্ছা পূরণ হওয়ার আগেই তিনি মারা যান। মায়ের সেই ইচ্ছাকেই আমি নিজের জীবনের লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছি। অনেকদিন ধরে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি এবং তাদের বিপদে-আপদে পাশে থাকার চেষ্টা করছি। এখন মানুষের দোয়া ও সমর্থন নিয়েই সামনে এগোতে চাই।
হাতির পিঠে চড়ে প্রচারণার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একটু ব্যতিক্রমীভাবে মানুষের কাছে যেতে চেয়েছি। সবাই যেন জানতে পারে, আমি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাই। মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
বাবার স্বপ্নপূরণে পাশে রয়েছেন ফেরদৌস মিয়ার ছেলেরাও। তার ছেলে তোফাজ্জল মিয়া বলেন, আমার দাদির ইচ্ছা ছিল বাবা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন। দাদি মারা গেছেন। তার সেই ইচ্ছা পূরণ করতে আমরাও বাবাকে সমর্থন করছি। আমাদের যেটুকু সামর্থ্য আছে, তা দিয়ে চেষ্টা করব। সাধারণ মানুষও বাবাকে আশ্বাস দিয়েছে।
নির্বাচনের সময় এখনো অনেক দূরে হলেও হাতির পিঠে চড়ে ফেরদৌস মিয়ার এই ব্যতিক্রমী প্রচারণা ইতোমধ্যেই বিন্নাটি ইউনিয়নজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ