ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

যশোরের মনিরামপুরে খালে প্লাস্টিকের বস্তায় মিলল বৃদ্ধের মরদেহ


যশোরের মনিরামপুরে খালে প্লাস্টিকের বস্তায় মিলল বৃদ্ধের মরদেহ

যশোরের মনিরামপুরে খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে রঞ্জন মন্ডল (৬০) নামের এক বৃদ্ধের বস্তাবন্দি মরদেহ। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার মশিয়াহাটীর হেলারঘাট এলাকার একটি খাল থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত রঞ্জন মন্ডল ছিলেন কালিচরণপুর গ্রামের মৃত হরিপদ মন্ডলের পুত্র।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে কয়েকজন ব্যক্তি মাছ ধরার উদ্দেশ্যে হেলারঘাট এলাকায় গেলে তারা খালের মধ্যে একটি প্লাস্টিকের বস্তা ভাসতে দেখতে পান। সন্দেহ হলে তারা বস্তার কাছে গিয়ে দেখেন, ভেতরে একটি মানুষের মরদেহ রয়েছে। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে স্থানীয় লোকজনের ভিড় জমে যায়।

আরও পড়ুন: দিনাজপুরে শিশুর পায়ুপথে বাতাস দেওয়ার অভিযোগে দোকানি গ্রেপ্তার

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন মনিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক, মনিরামপুর থানার ওসি মো. আবু সাঈদ এবং নেহালপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জসহ পুলিশের একটি দল, যারা মরদেহটি উদ্ধার করেন।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরনে ছিল কালো প্যান্ট, হলুদ শার্ট ও সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি। মরদেহের চোখে পাওয়ারের চশমা, পায়ে চকোলেট রঙের স্যান্ডেল এবং ডান হাতে তামার আংটি ছিল। তল্লাশির সময় শার্টের পকেট থেকে একটি কলম ও ডায়েরি উদ্ধার করা হয়।

মনিরামপুর থানার ওসি মো. আবু সাঈদ জানিয়েছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: সৈয়দপুরে শিল্প সাহিত্য সংসদের আয়োজনে লালন সংগীতের আসর অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলা হযরতের দর্শন সমসাময়িক বিশ্ব পরিস্থিতিতে জরুরি: কনফারেন্সে বক্তাদের মতামত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


আলা হযরতের দর্শন সমসাময়িক বিশ্ব পরিস্থিতিতে জরুরি: কনফারেন্সে বক্তাদের মতামত

সমসাময়িক বিশ্ব পরিস্থিতিতে আলা ইমাম আলা হযরতের সংস্কার ও দর্শন আজকের দিনে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। বক্তারা আলা হযরত কনফারেন্সে মতামত প্রকাশ করেন যে, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে রাজধানীর বিএমএ অডিটরিয়ামে ইমামে আযম ও আলা হযরত গবেষণা পরিষদের আয়োজনে আলা হযরত ইমাম আহমদ রেযার ১০৮ তম ওফাত বার্ষিকী উপলক্ষে অধ্যক্ষ সৈয়দ মুহাম্মদ অসিয়র রহমান আলকাদেরীর সভাপতিত্বে একুশে পদকপ্রাপ্ত, পিএইচপির চেয়ারম্যান সুফি মুহাম্মদ মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের চেয়ারম্যান শায়খুল হাদিস কাজী মুহাম্মদ মুঈন উদ্দিন আশরাফী। প্রধান বক্তা ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের নির্বাহী চেয়ারম্যান আল্লামা আবুল কাশেম নুরী এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন পীর মুফতি মোস্তাক আহমদ ওয়েসী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাইখুল হাদীস কাজী মুহাম্মদ মুঈন উদ্দীন আশরাফী বলেন, ইন্টোরিম সরকার এবং বর্তমান সরকারের আমলে যেভাবে তৌহিদী জনতা নাম দিয়ে মাজারে ধারাবাহিক হামলা চলছে, তা দেশের ৮০ পার্সেন্ট সুফিবাদী গোষ্ঠীকে হতাশ করেছে। তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, সুফিবাদীরা কি ধ্বংসাত্মক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অভ্যস্ত নয়? তিনি আক্ষেপ করে বলেন, দেশে যে অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তা আল্লাহর অলি, দরগাহ মাজারে হামলার বিচার না করার একটি অশনিসংকেত। হামলাকারীদের যত দ্রুত বিচার করা হবে, ততই দেশের মঙ্গল বয়ে আনবে। নারায়ে তাকবীর স্লোগান দিয়ে মাজারে হামলা ও কবর থেকে লাশ তুলে আগুন দিয়ে পোড়ানো তৌহিদী জনতা এটি কি নতুন ধর্মের নাম কিনা, তা জানতে চান তিনি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে সুফি মিজান বলেন, বর্তমানে ইসলাম শিক্ষা অপরিহার্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসলামের সঠিক শিক্ষা না থাকার কারণে মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া ছেলে-মেয়েরা মাদকাসক্ত ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। বিদেশ থেকে আমদানি করা নব্য ফেরকা এসব ধ্বংসের জন্য অনেকাংশে দায়ী। কঠিন এই সময়ে আলা হযরতের মতো মহামনীষীর পথ ও জীবন-কর্ম অনুসরণ জঙ্গিবাদের কবর রচনা করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। আলা হযরত যেভাবে ইসলামের বাণী পৌঁছে দিয়ে সারা বিশ্বে মানবতার হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন, তা আমাদেরকেও অনুসরণ করতে হবে।

সংগঠনের আহ্বায়ক উপাধ্যক্ষ মুফতি আবুল কাশেম মুহাম্মদ ফজলুল হকের উপস্থাপনায় আলোচনা করেন মুফতি মাহমুদুল হাসান কাদেরী, মুফতি হাফেজ মুনিরুজ্জামান কাদেরী, পীর মহিউদ্দিন লতিফী, খাজা আরিফুর রহমান তাহেরী, পীর হাফেজ মাওলানা মুফতি শাহ মুহাম্মদ সাইফুজ্জামান, মাও. আনম মাসউদ হোসাইন আল ক্বাদেরী, অধ্যক্ষ আবু জাফের মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, মাও. মোশাররফ হোসেন হেলালী, পীর গিয়াস উদ্দীন তাহেরী, ড. মাসুম বাকি বিল্লাহ, অ্যাডভোকেট মাহবুব উল আলম আশরাফী, মাওলানা আব্দুর রহমান আলক্কাদেরী, পীর জিহাদ উদ্দীন নুরী, আবদুল মালেক বুলবুল, ড. মুহাম্মদ নাসির উদ্দীন, অধ্যাপক ড. এমদাদুল ইসলাম, মুহাম্মদ আবদুল হাকিম, মাওলানা ইকরাম হুসাইন, অধ্যাপক আহমদ রেযা, পীরজাদা মাহবুব উল্লাহ হামিদী, অ্যাডভোকেট ইকবাল হাসান, মাওলানা নাজমুস সাদাত ফয়েজী, মাওলানা জালাল উদ্দীন আহমদ আখঞ্জী, পীর আতাউল মোস্তফা, আবুল হোসেন, কাজী মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন নুরী প্রমুখ।

সভাপতি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমান যুব সমাজ যেভাবে ঈমান-আক্বিদা বিসর্জন দিয়ে ব্যক্তি ভক্ত হয়ে পথভ্রষ্ট হচ্ছে, ইমাম আলা হযরতের লিখনীগুলো সামনে রাখলে এবং গভীরভাবে স্টাডি করলে নিজেকে রক্ষা করার সুযোগ তৈরী হতো। প্রথিতযশা আলেমরা যেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বক্তব্য দেন, তা পর্যবেক্ষণ ও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ না করে হুট করে মন্তব্য ছুড়ে দেওয়া মূর্খতার পরিচায়ক। অথচ আলা হযরতের নিকট যখন কোন ফতোয়া তালাশ করা হতো বা জানতে চাওয়া হতো, তিনি গভীরভাবে ব্যাখ্যা করে তা সমাধান বা সঠিক পথ বলে দিতেন। ‘চতুর্দশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ইমাম আহমদ রেযা খান বেরলভির (রাহ.) দর্শন ও গবেষণা আজ প্রতিটি মানুষের জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। ইমাম আলা হযরত সমাজ ও রাষ্ট্রকে শান্তিময় বিশ্ব গড়ার, মানবতার মুক্তির জন্য আমরণ কাজ করে অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ইসলামের মৌলিক বিষয়ের ওপর যখনই আঘাত এসেছে, তাৎক্ষণিক লেখনি ও বক্তব্যের মাধ্যমে বাতিলের ওপর কুঠারাঘাত করতে সময়ক্ষেপণ করেননি ইমাম আহমদ রেযা খান বেরলভি।’ প্রতিটি মুহূর্তে তিনি বাতিলের বিরুদ্ধে কলম চালিয়েছেন।

কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান আল আজহারী, অধ্যক্ষ আবদুস সাত্তার, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইকবাল, মাওলানা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবু হানিফ, মোহাম্মদ হোসেন, অধ্যক্ষ আবু নাসের মুহাম্মদ মুসা, কাজী মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন নুরী, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান সরকার, মুহাম্মদ ইমরান হুসাইন তুষার, অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান, কাজী মোবারক হোসাইন ফরায়েজী, মুফতি মাহমুদুর রহমান চিশতী, সৈয়দ মুহাম্মদ মাঈনুদ্দীন হেলাল, মুফতি শহীদুল্লাহ্ জিহাদী, অ্যাডভোকেট নুরুল হুদা আনছারী, মুফতি ইয়াকুব হোসাইন আলকাদেরী, মাওলানা হাফেজ মুঈন উদ্দিন, মোস্তাক আহমদ আশরাফী, মাওলানা ফরহাদুল ইসলাম বুলবুলি, মাওলানা মুঈন উদ্দিন আল কাদেরী, মারুফ বিল্লাহ আশেকী, মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ মজুমদার, মুফতি ইদ্রিস হুসাইন, অধ্যক্ষ আহমদ আলী হেলালী, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সাইফ, মুফতি শেখ মোহাম্মদ বোরহান উদ্দীন প্রমুখ।

শেষে মিলাদ-কিয়াম এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুফিবাদ চলচ্চিত্রকে কী দিতে পারে: আধ্যাত্মিক পরিবর্তনের সম্পর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


সুফিবাদ চলচ্চিত্রকে কী দিতে পারে: আধ্যাত্মিক পরিবর্তনের সম্পর্ক

চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দৃশ্যমান জগতকে ধারণ করা হয়; কিন্তু যখন এটি শুধুমাত্র দৃশ্যমানতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তখন এটি মানবসত্তার সত্যে পৌঁছাতে পারে না।

অন্যদিকে, সুফিবাদ জানায় যে, যা দৃশ্যমান, তার আড়ালে অর্থের আরেকটি স্তর বিদ্যমান এবং মানুষ তার প্রকাশিত সত্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এই দৃষ্টিকোণ থেকে, সিনেমা ও সুফিবাদের সম্পর্ক কেবল পর্দায় ধর্মীয় প্রতীক উপস্থাপনের চেয়ে অনেক গভীর স্তরে স্থাপন করা যেতে পারে। সিনেমাকে তৈরি করার আগে সুফি চিন্তাধারা মানুষের, সময়ের, জগতের এবং সত্যের প্রতি একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে। সম্ভবত আসল প্রশ্নটি হলো, সিনেমায় সুফিবাদকে কীভাবে উপস্থাপন করা যায়, বরং সিনেমাটি সুফি দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্বকে দেখতে পারে কি না।

‘সুফিবাদ’ শব্দটি উচ্চারণ না করেও সুফিবাদ চর্চা করা সম্ভব। সুফিযাত্রা আমাদের কাছে উপস্থাপিত আধুনিক বিশ্বের ব্যক্তিগত বিকাশের ধারণার মতো নয়। এর পথিকৃৎ কেবল নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণকারী একজন ব্যক্তি হয়ে ওঠেন না। তাকে হয়তো নিজের জানা বিষয়গুলো ভুলে যেতে হয়, নিজের অভিপ্রায়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ঔদ্ধত্যকে চিনতে হয় এবং পৃথিবীকে তার প্রাপ্ত সম্পত্তি হিসেবে নয়, বরং একটি অস্থায়ী আশ্রয়স্থল হিসেবে দেখতে শুরু করতে হয়।

এই কারণে চলচ্চিত্রে আধ্যাত্মিক বিকাশ সবসময় ঊর্ধ্বমুখী হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। অপেক্ষা করা, ভিন্ন আঙ্গিকে পুনরাবৃত্তি করা এবং অবশেষে নিজের অসহায়ত্বের মুখোমুখি হওয়া—এসবই এই যাত্রার বিভিন্ন পর্যায় হতে পারে। কোনো চরিত্র যে বদলে গেছে, তা বোঝার জন্য তার মুখ থেকে ‘আমি এখন অন্য একজন মানুষ’—এই কথাটি শোনার প্রয়োজন নেই। যা গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো, প্রধান চরিত্রের ভেতরের যাত্রাপথটি তুলে ধরতে পারা।

চলচ্চিত্র এমন কিছু প্রতীক ব্যবহার করে, যা সুফিবাদের আধ্যাত্মিক দিকটিকে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, আন্দ্রেই তারকোভস্কির ‘Mirror’ ছবিতে প্রকৃতি কেবল মনের কোনো সাধারণ প্রকাশ বা পাঠোদ্ধারের অপেক্ষায় থাকা কিছু প্রতীকের সমষ্টি নয়। পানি, আগুন, বাতাস, মরিচা ধরা ধাতু ও কাদা এমন এক উপস্থিতি লাভ করে, যা এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে যে, মানুষ এই জগৎকে সম্পূর্ণরূপে ব্যাখ্যা করতে পারে। স্মৃতি, স্বপ্ন এবং বর্তমান কোনো স্পষ্ট সীমানা দ্বারা বিভক্ত নয়; অতীত কেবল ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা না থেকে বর্তমানের মধ্যেই পুনরায় আবির্ভূত হয়। অনেকটা সুফিবাদের মতোই। যদিও ‘মিরর’ সরাসরি কোনো সুফি চলচ্চিত্র নয়, এটি ইঙ্গিত দেয় যে, সত্যকে কেবল যুক্তি দিয়ে উপলব্ধি করা যায় না এবং স্মৃতি ও স্বপ্নও মানব অস্তিত্বের অন্তর্গত এক ধরনের জ্ঞান বহন করতে পারে।

চলচ্চিত্রের ভাষায় সুফিবাদকে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হলো তিউনিসীয় পরিচালক নাসের খেমিরের Wanderers of the Desert (১৯৮৪), ‘The Dove's Lost Necklace’ (১৯৯১) এবং ‘Bab'Aziz: The Prince Who Contemplated His Soul’ (২০০৫)। এই তিনটি চলচ্চিত্রেই মরুভূমি কেবল গল্পের পটভূমি নয়, বরং তা আত্ম-অনুসন্ধান এবং অন্তরের বিশ্বাসের দিকে যাওয়ার ক্ষেত্র। বিশেষ করে ‘বাব’আজিজ’-এ এই যাত্রা, গল্পের মধ্যে গল্প, দরবেশ, সংগীত এবং বিভিন্ন সাক্ষাৎ—চলচ্চিত্রটিকে সুফিবাদের কোনো উপদেশমূলক বিবরণে পরিণত না করেই আধ্যাত্মিক রূপান্তরের সুফি পথের চলচ্চিত্রিক প্রতিরূপ তৈরি করে। খেমিরের চলচ্চিত্র সুফিবাদকে ব্যাখ্যা করে না; বরং এর চিন্তাধারাকে আখ্যানের কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসে।

আব্বাস কিয়ারোস্তামির ‘Taste of cherry’ গল্পে জনাব বদি তেহরানের বাইরের শুষ্ক পাহাড়ি রাস্তায় বারবার একই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালান। তিনি আত্মহত্যা করতে চান এবং এমন একজনকে খুঁজছেন, যে পরে তাকে কবর দেবে। তার গাড়ির ভেতরটা হয়ে ওঠে এক তীব্র স্বীকারোক্তির স্থান, আর বাইরের ঊষর মরুদৃশ্য তার বন্দি মানসিক অবস্থারই এক সম্প্রসারণে পরিণত হয়। তবুও কিয়ারোস্তামি মরুদৃশ্যকে বদির আবেগের প্রতিনিধিত্বকারী একটিমাত্র সরল রূপকে নামিয়ে আনেননি। তিনি তার পথে আসা মানুষের কণ্ঠস্বর, রাস্তার বাঁক, ধুলা এবং জীবনের অন্যান্য সম্ভাবনাকেও ফ্রেমে নিয়ে আসেন। ঠিক যেন একজন মানুষের জীবনযাত্রা।

কিম কি-দুকের ‘Spring, summer, fall, winter and spring’ ছবিতেও হ্রদের ধারের মঠটি ঋতুচক্রের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক পরিবর্তনকে নির্মাণ করে। মঠটির মূল দরোজায় কোনো প্রাচীর নেই এবং এর তীর কোনো রাস্তার সঙ্গে যুক্ত নয়। শৈশব, আকাঙ্ক্ষা, অপরাধবোধ, শাস্তি এবং প্রত্যাবর্তন একই প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সংঘটিত হয়। প্রথম দৃষ্টিতে চলচ্চিত্রটিকে সুফিবাদের সঙ্গে তুলনা করা অর্থহীন মনে হতে পারে, কারণ এর গল্পটি একটি বৌদ্ধ দৃষ্টিকোণ থেকে বলা হয়েছে। তবুও প্রেক্ষাপটটিকে যেভাবে একটি নৈতিক ও আধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে, তা সুফি সংস্কৃতি থেকে অনুপ্রাণিত চলচ্চিত্রকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্মরণ করিয়ে দেয়।

সেমিহ কাপলানোগ্লুর ‘Egg’, ‘Milk’ এবং ‘Honey’ প্রায় একটি অন্তর্মুখী যাত্রার রূপ নেয়। ‘Egg’ গল্পে ইউসুফের কাহিনি কোনো সফল নায়কের উত্থানের মতো নয়। মায়ের মৃত্যুর পর যখন ইউসুফ তার নিজ শহরে ফিরে আসে, সে বুঝতে পারে যে, যে জীবন সে পেছনে ফেলে এসেছে বলে ভেবেছিল, তা থেকে সে আসলে বেরিয়ে আসতে পারেনি। মায়ের মানত পূরণের এই যাত্রা একটি ছোট বাধ্যবাধকতা হিসেবে শুরু হলেও তা অতীত, মৃত্যু এবং আপনজনদের সঙ্গে এক সংঘাতে পরিণত হয়।

‘Grain’-এ আত্ম-অনুসন্ধানকে আরো সুস্পষ্ট এক আধ্যাত্মিক স্তরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের সীমায় পৌঁছানোর পথে এরোল এরিনের সঙ্গে সেমিল আকমানের যাত্রাটি ‘সেয়র-উ সুলুক’-এর এক রূপ ধারণ করে, যা আধুনিক মানুষকে তার নিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে বাধ্য করে।

কেমন চলচ্চিত্র সম্ভব

সুফি সিনেমার প্রথমেই ঐতিহাসিক পোশাকের সহজ বিকল্প থেকে সরে আসা উচিত। দরবেশের পোশাক, সুর, মোমবাতির আলো এবং ঘূর্ণায়মান দরবেশদের ছবি হয়তো একটি আবহ তৈরি করতে পারে, কিন্তু সেগুলো চিন্তার জন্ম দেয় না। সুফিবাদকে আজকের মহানগরীতে, কোনো অফিস টাওয়ারে, পাতাল রেলে, হাসপাতালে অথবা ঋণের বোঝায় জর্জরিত কোনো ব্যক্তির জীবনেও সমানভাবে খোঁজা যেতে পারে। নফস বা অহং শুধু সুফিদের খানকায় কথা বলে না, বৈঠকের টেবিলে, পারিবারিক খাবারে, শৈল্পিক মহলে এবং এমন কোনো ব্যক্তির ভাষাতেও প্রকাশ পেতে পারে, যিনি বিশ্বাস করেন যে তিনি ভালো কাজ করছেন।

দ্বিতীয়ত, এই ধরনের সিনেমার উচিত নয় আকুল মানুষের জগৎ তৈরি করা। নিখুঁত মানুষ বলে কিছু নেই। পরিপূর্ণতা কেবল নবীদেরই প্রাপ্য। যা আমাদের মানুষ করে তোলে, তা হলো ভুল করার, তার জন্য অনুশোচনা করার, তা থেকে শিক্ষা নেওয়ার এবং ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুসারে, আমাদের পাপ থেকে পরিশুদ্ধি লাভের ক্ষমতা। সুফিবাদ পরিপূর্ণ মানুষ নিয়ে নয়, বরং নিজের ত্রুটিবিচ্যুতির সঙ্গে সংগ্রামরত ব্যক্তি নিয়ে কাজ করে। অহংকারী গুরু, সন্দেহে পতিত শিষ্য, টাকার কাছে পরাজিত দরবেশ এবং সত্যের সন্ধানে অন্যদের আঘাতকারী ব্যক্তিরা এই জগতের বাইরের কেউ নন।

তৃতীয়ত, চলচ্চিত্রের দর্শকদের বলে দেওয়া উচিত নয় যে তাদের কী বিশ্বাস করতে হবে। সুফি চলচ্চিত্র কোনো ধর্মীয় উপদেশের চলচ্চিত্র নয়। এটি তৈরি উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে দর্শককে দেখার ও অনুভব করার একটি নতুন পথে আমন্ত্রণ জানায়। এর মানে এই নয় যে এটিকে গুরুগম্ভীর, অন্ধকারাচ্ছন্ন বা দুর্বোধ্য হতে হবে। যেমন ধীরগতি নিজেই গভীরতা নয়, তেমনি অস্পষ্টতাও সত্যের নিশ্চয়তা দেয় না। দর্শকের কাছ থেকে গোপন রাখা প্রতিটি তথ্যই রহস্য হয়ে ওঠে না; কখনো কখনো এটি কেবল চিত্রনাট্যের একটি ফাঁক ঢেকে রাখে।

আধ্যাত্মিক পরিবর্তনের জন্য মূল্য দিতে হয়। যদি সিনেমার শেষে প্রধান চরিত্রটি কিছু জ্ঞানগর্ভ কথা শুনে শান্তি খুঁজে পায়, তবে আমরা যা পাই, তা আধ্যাত্মিক বিকাশ নয়, বরং নাটকীয় সুবিধা। প্রকৃত রূপান্তর একজন ব্যক্তির নিজের অহংয়ের সঙ্গে করা বোঝাপড়াকে ভেঙে দেয়। এর ফলে সে হয়তো কোনো পদ, সম্পর্ক, অর্থ বা নিজের সম্পর্কে থাকা অনুকূল ধারণা হারাতে পারে। এই ক্ষতির জন্য সিনেমার কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কখনো কখনো রূপান্তর একজন ব্যক্তিকে সুখী করে না, বরং তাকে আরো খাঁটি করে তোলে।

সুফিবাদ চলচ্চিত্রকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে জিনিসটি দিতে পারে, তা নতুন গল্প নয়, বরং দেখার একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি। এই দৃষ্টিকোণ থেকে মানুষ পৃথিবীর মালিক নয়, বরং এর অতিথি। সময় আর সামনের দিকে এগিয়ে চলা একটি সরলরেখা থাকে না; অতীত বর্তমানে ফিরে আসে, এবং একই স্থানকে ভিন্ন ভিন্ন রূপে পুনরায় অনুভব করা যায়। মৃত্যু গল্পের শেষ নয়, বরং একটি দ্বারপ্রান্ত, যা বেঁচে থাকা মানুষদের জীবনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়। স্বপ্ন বাস্তবতার বিপরীত নয়, বরং এর এক অদৃশ্য রূপ। ভালোবাসা অধিকার করা নয়, বরং আপন করে নেওয়া।

সম্ভবত সুফি চলচ্চিত্র এমন এক চলচ্চিত্র, যা বোঝে যে, একটি চিত্র সবকিছু তুলে ধরতে পারে না। কারণ কিছু সত্য ব্যাখ্যার মাধ্যমে নয়, বরং আমাদের অন্তরে জেগে ওঠা নীরবতার মাধ্যমেই উপলব্ধি করা যায়।

মূল : ইবরাহিম ভারেলচি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এনআইসিইউতে নবজাতকের শরীর পুড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এনআইসিইউতে নবজাতকের শরীর পুড়েছে

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এনআইসিইউতে শয্যা না পাওয়ার কারণে নবজাতককে চানখাঁরপুলের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে এনআইসিইউতে ভর্তি হওয়ার কিছু সময় পর আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। নবজাতকের বাবা অভিযোগ করেছেন যে, এতে শিশুটির মাথা, পিঠ ও পায়ের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে আবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শিশুটির বাবা গোলাম রাব্বানী জানান, শনিবার (৭ নভেম্বর) ভোর চারটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার সন্তানের জন্ম হয়। জন্মের পর চিকিৎসকেরা নবজাতককে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) রাখার পরামর্শ দেন। কিন্তু ঢামেক হাসপাতালে এনআইসিইউর কোনো শয্যা খালি না থাকায় হাসপাতালের মতিউর নামের এক ব্যক্তি তাদের চানখাঁরপুলের রয়েল কেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

পরে নবজাতককে ওই হাসপাতালের এনআইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে একজন চিকিৎসক শিশুটিকে ভর্তি করেন। কিছুক্ষণ পর হাসপাতালের ভেতর থেকে চিৎকার শুনতে পান তারা। এ সময় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে শিশুটির শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়।

গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘এনআইসিইউতে অতিরিক্ত তাপের কারণে আমার সন্তানের মাথা, পিঠ ও পায়ের কিছু অংশ পুড়ে গেছে। এরপর দেখি, হাসপাতালটি লোকজনশূন্য হয়ে গেছে। সবাই পালিয়ে গেছেন।’

তিনি জানান, পরে সন্তানকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান। সেখান থেকে শিশুটিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে আবার ঢামেকে নেওয়া হলে তাকে দ্রুত ভর্তি করা হয়। বর্তমানে এনআইসিইউতে তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শিশুটির বাবা গোলাম রাব্বানীর বাড়ি বগুড়ার কাহালু উপজেলার পলি বগুই গ্রামে। বর্তমানে তিনি গাজীপুরে বসবাস করছেন। সেখানে তার বৈদ্যুতিক সামগ্রীর একটি দোকান রয়েছে।

জানা গেছে, শুক্রবার রাতে শিশুটির মা স্বপ্নাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার ভোর ৪টার দিকে তিনি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। নবজাতকটি তাদের দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে তাদের আরেকটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা পাবেন ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা, আবেদন যেভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা পাবেন ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা, আবেদন যেভাবে

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বা গুরুতর আহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত যে কোনো ব্যক্তি বা তার পরিবারের সদস্যরা বিআরটিএ-এর ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে এই সহায়তার টাকা পেতে সক্ষম।

বিআরটিএ-এর সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সহায়তার পরিমাণ সর্বনিম্ন ১ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় যদি কারো মৃত্যু ঘটে, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য অন্যূন ৫ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়া, যদি দুর্ঘটনায় অঙ্গহানি ঘটে বা গুরুতর আহত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে অন্যূন ৩ লাখ টাকা সহায়তা দেয়া হয়। চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ থাকলে অন্যূন ১ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

তবে, এই সহায়তা পেতে আবেদন করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আবেদন করা বাধ্যতামূলক। সড়ক দুর্ঘটনা ঘটার ৯০ দিনের মধ্যে ‘ফরম-৩২’ পূরণ করে চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড বরাবর অথবা বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের (বিএসপি) মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিধিমালা অনুযায়ী, দুর্ঘটনা ঘটার ৯০ দিন পেরিয়ে গেলে আবেদন করার আর কোনো সুযোগ থাকে না।

আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদিত সহায়তার অর্থ আবেদনকারীর ব্যাংক হিসাবে চেকের মাধ্যমে সরাসরি পৌঁছে দেয়া হয়।

যেভাবে আবেদান–

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%