শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৩ পি.এম
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এর দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত প্রযুক্তি গ্রাম ও কৃষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখার উপসচিব মো. মনিরুজ্জামান, এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং পরিকল্পনা-৩ শাখার গবেষণা অনুসন্ধানী মোহাম্মদ শফিকুল আলম শনিবার ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয় ও প্রযুক্তি গ্রাম পরিদর্শন করেন।
প্রতিনিধি দলটি দিনাজপুর সদর উপজেলার হুগলীপাড়া প্রযুক্তি গ্রামে চলমান গবেষণা ও প্রদর্শনী কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তারা কৃষকের মাঠে আধুনিক ধান উৎপাদন প্রযুক্তির প্রয়োগও সরেজমিনে দেখেন।
এ সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষির সম্ভাবনা, ধান উৎপাদনের সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধান, স্থানীয় কৃষি-জলবায়ু ও মাটির বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ধানের জাত নির্বাচন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরে এলএসটিডি প্রকল্পের আয়োজনে আধুনিক ধান উৎপাদন প্রযুক্তিবিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখার উপসচিব মো. মনিরুজ্জামান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে ছয়টি আঞ্চলিক ধান গবেষণা কেন্দ্র ও স্যাটেলাইট কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে দিনাজপুর একটি।
তিনি আরও বলেন, এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষকদের গতানুগতিক চাষাবাদ পদ্ধতি থেকে বের করে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত করানোই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।
উপসচিব কৃষকদের উদ্দেশে বলেন, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান নিজেদের কাজে লাগানোর পাশাপাশি অন্য কৃষকদের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি জমিতে অতিরিক্ত সার প্রয়োগ না করে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত সার ব্যবহারের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, দিনাজপুরে কার্যালয় স্থাপনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো এ অঞ্চলের উপযোগী সুগন্ধি ও প্রিমিয়াম মানের ধান উৎপাদন করা। তিনি জানান, বাসমতি, জেসমিন এবং খাগড়াছড়ি এলাকায় উৎপাদিত স্টিকি বা আঠালো ধানের মতো আধুনিক জাতগুলোও কৃষক পর্যায়ে পরিচিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষক পর্যায়ে আধুনিক জাতের ধান ও প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার এ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় দিনাজপুরেও উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে কৃষকেরা ধান চাষের বিভিন্ন সমস্যা, উৎপাদন ব্যয়, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন।
এ সময় স্থানীয় কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা দিনাজপুরে স্থায়ী আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের চলমান কার্যক্রম এবং ভূমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।
এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ তুষার এবং ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোছা. সেলিমা জাহান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মায়ের প্রাণ গেল ট্রেনের ধাক্কায়, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়েরাজবাড়ীর পাংশা এলাকায়, শিশুসন্তানকে রক্ষা করতে গিয়ে মনিরা খাতুন (২২) নামক এক নারীর মৃত্যু ঘটেছে ট্রেনের ধাক্কায়। এই ঘটনায় তার ছেলে ইভান (৩) গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছে।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের কানুখালী রেলগেট এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।নিহত মনিরা খাতুন মাছপাড়া এলাকার আজম প্রামাণিকের স্ত্রী এবং ইভান তাদের একমাত্র সন্তান।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় মনিরা খাতুনের মৃত্যু ঘটে।তাদের বাড়ির পাশ দিয়েই রেলপথ চলে গেছে। দুর্ঘটনার সময় শিশু ইভান খেলতে গিয়ে রেললাইনে উঠে যায়। ট্রেন আসতে দেখে ছেলেকে বাঁচাতে মনিরা দ্রুত ছুটে যান। তিনি ইভানকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু নিজেই ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান।এ ঘটনায় শিশুটিও গুরুতর আহত হয়।পরে স্থানীয়রা আহত ইভানকে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাজবাড়ী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় রাজবাড়ী রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেছেন যে, ‘উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে কোনো গ্রুপিং নেই। সরকার যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গ্রহণ করেছে, তার সুফল সঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছানো আবশ্যক। ব্যক্তিগত পছন্দ বা অপছন্দ এখানে মুখ্য নয়। উন্নয়ন কার্যক্রমে যিনি অংশগ্রহণ করবেন, তাকেই স্বাগত জানানো উচিত। উন্নয়নকে ঘৃণা করে অগ্রসর হওয়া সম্ভব নয়।’
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে ‘ইউএই এইড’-এর সহযোগিতায় উপকারভোগীদের মধ্যে ফুডপ্যাক (খাদ্যসামগ্রী) বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ বিন কাশেম, পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ গাজী মো. মাহবুবুর রহমান, লামাকাজি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়া, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাজমুল ইসলাম রুহেল, দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খায়রুল আমিন আজাদ, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুমেল আলী, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমির আলী, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলাম সাজুমহ প্রমুখ।
প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পর উপজেলার ৭৫০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফুডপ্যাক বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল বিশ্বের কোটি কোটি ভক্তের দীর্ঘদিনের লালিত একটি স্বপ্ন অবশেষে বাস্তবায়নের পথে। ইতিহাসের প্রথমবারের মতো একই দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে মাঠে নামতে দেখা যেতে পারে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই মহাতারকা—লিওনেল মেসি এবং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে একত্রিত করার এই অসাধারণ উদ্যোগটি গ্রহণ করেছেন আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা ফুটবলার কার্লোস তেভেজ।আর্জেন্টাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘ওলগা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন, "লিও মেসি, ক্রিস্টিয়ানো... আমরা ওদের নিয়ে আসব। আমি নিজেই ওদের আনতে যাব। ওরা আমার হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত রয়েছে।"দলে খেলার সুবাদে রোনালদো ও মেসি—দুজনের সাথেই সতীর্থ হিসেবে মাঠ মাতিয়েছেন তেভেজ। এই ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে, তিনি তার বিদায়ী ম্যাচে ফুটবল ইতিহাসের দুই সেরা তারকাকে একই দলের জার্সিতে মাঠে নামানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসের ঐতিহ্যবাহী ‘লা বোম্বোনেরা’ স্টেডিয়ামে এই ঐতিহাসিক ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বোকা জুনিয়র্সের সভাপতি রোমান রিকুয়েলমের সম্মতিও রয়েছে বলে জানা গেছে।ম্যাচটি আগামী ১২-১৩ অথবা ১৯ ডিসেম্বর আয়োজনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।এই পরিকল্পনাটি শুধুমাত্র মেসি এবং রোনালদোতেই সীমাবদ্ধ নয়। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি, জুভেন্টাস এবং ওয়েস্ট হ্যামের মতো ক্লাবে খেলা তেভেজ তার ক্যারিয়ারের প্রায় ৬০ জন বিশ্বসেরা তারকাকে এই ম্যাচে অন্তর্ভুক্ত করতে চান।তার পরিকল্পিত তালিকায় রয়েছেন, গোলরক্ষক; এডউইন ভ্যান ডার সার, জিয়ানলুইজি বুফন, ডিফেন্ডার; রিও ফার্ডিন্যান্ড, নেমানিয়া ভিদিচ, জর্জিরিও কিয়েলিনি, লিওনার্দো বোনুচ্চি, পাট্রিক ভিয়েরা।যদিও এখনও খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক চূড়ান্ত সম্মতি আসেনি, তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচটিতে তেভেজের ছোটবেলার বন্ধুদের সঙ্গে তার সাবেক তারকা সতীর্থদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। আর এর মাধ্যমে ফুটবল বিশ্ব প্রথমবারের মতো মেসিকে রোনালদোর জন্য গোল তৈরি করতে দেখার সুযোগ পেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে গত দুই দিনে ৩২০৬টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার, অর্থাৎ ৩ সেপ্টেম্বর ও ৪ সেপ্টেম্বর, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এই মামলাগুলো করে।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৯টি বাস, ১০টি কাভার্ডভ্যান, ১৬টি সিএনজি এবং ৭১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৪টি বাস, ১৪টি ট্রাক, ২টি কাভার্ডভ্যান, ১৩টি সিএনজি এবং ১১৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২২৮টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৯টি বাস, ২টি ট্রাক এবং ২৬৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫১২টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৫০টি বাস, ৪১টি ট্রাক, ৩১টি কাভার্ডভ্যান, ৫০টি সিএনজি এবং ১৫৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৪৫টি মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৩টি বাস, ১টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ২৪টি সিএনজি এবং ১০৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৪৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২৫টি বাস, ২২টি ট্রাক, ৪৭টি কাভার্ডভ্যান, ৭২টি সিএনজি এবং ৩৫৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬৬৯টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৫২টি বাস, ১৯টি ট্রাক, ২৩টি কাভার্ডভ্যান, ৫৪টি সিএনজি এবং ২৬১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৩৯টি বাস, ৬টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ২৯টি সিএনজি এবং ৭৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৭৩টি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া, অভিযানের সময় মোট ৮৭৮টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৫০১টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ