বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৮ পি.এম
উত্তর নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যার এক সপ্তাহ অতিক্রান্ত হলেও, বিভিন্ন হাইড্রোবিদ্যুৎ প্রকল্পের আন্ডারগ্রাউন্ড পাওয়ারহাউস এবং সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিক ও কর্মচারীদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না উদ্ধারকারীরা। ভোটেকোশি নদীসহ উত্তরের বিভিন্ন নদ-নদীতে নেমে আসা কাদা, পাথর ও মারাত্মক ধ্বংসাবশেষের কারণে বিশাল এই অবকাঠামোগুলোর প্রবেশপথ সম্পূর্ণরূপে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। সময়ের সাথে সাথে ভেতরে আটকে থাকা ব্যক্তিদের বেঁচে থাকার আশা যেমন ক্ষীণ হয়ে আসছে, তেমনি দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের ক্ষোভ ও হতাশা চরম আকার ধারণ করেছে।
সরকারি হিসাব ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন, নেপাল (আইপিপিএএন)-এর তথ্যানুসারে, বন্যাকবলিত এলাকার বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে এখন পর্যন্ত ৯৪৭ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তবে ঠিক কতজন সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকা পড়েছেন এবং কতজন ঢলের তোড়ে ভেসে গেছেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সবচেয়ে মর্মান্তিক ও আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ৬০ মেগাওয়াটের ‘উপার ত্রিশুলি-৩এ’ এবং ২১৬ মেগাওয়াটের ‘উপার ত্রিশুলি-১’ প্রকল্প এলাকায়। উপার ত্রিশুলি-৩এ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎকেন্দ্রে অভিজ্ঞ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদসহ প্রায় ৪২ জন কর্মী আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে স্বজনদের কোনো খোঁজ না পেয়ে নিখোঁজ কর্মীদের পরিবার কাঠমান্ডু ও প্রকল্প কার্যালয়গুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন। অনেকেই অভিযোগ করছেন, সরকার ও প্রকল্প কর্তৃপক্ষ শুরু থেকে উদ্ধার অভিযানে প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি ও পানি নিষ্কাশনের আধুনিক পাম্প ব্যবহারে চরম ব্যর্থতা দেখিয়েছে। নিখোঁজ কর্মীদের স্বজনদের দাবি, ভূগর্ভস্থ পাওয়ারহাউস কাঠামোটি যেহেতু এখনো অক্ষত রয়েছে, তাই ভেতরে সুপেয় পানি খেয়ে বা বিকল্প উপায়ে শ্রমিকদের জীবিত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। তবে উদ্ধারকাজে জরুরি কারিগরি টিম দেরিতে মোতায়েন করায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
২১৬ মেগাওয়াটের উপার ত্রিশুলি-১ প্রকল্প থেকে সর্বাধিক ৫৫৭ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যদিও সেখান থেকে আড়াই শতাধিক মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া ৩৭ মেগাওয়াটের উপার ত্রিশুলি-৩বি প্রকল্পে ১৯১ জন, ১১১ মেগাওয়াটের রসুয়াগাধি প্রকল্পে ৯৩ জন এবং ২০ মেগাওয়াটের লাংটাং খোলা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে অন্তত ৪১ জন আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দল, নেপালি সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং পোখরা থেকে আনা বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে অনুসন্ধানের কাজ চালানো হচ্ছে। ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার কারিগরি দলগুলোও সুড়ঙ্গের ভেতরের কাদা এক্সকাভেটর দিয়ে সরিয়ে পথ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর একটি দল উপর থেকে গর্ত করে সুড়ঙ্গের ভেতরে প্রবেশের বিকল্প পথ খোঁজার চেষ্টা করছে।
আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার অভিযানে নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং বেসরকারি প্রকল্পগুলোর সাথে সরকারের সমন্বয়হীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে। বেশ কয়েকটি জায়গায় স্বজন ও কোম্পানির কর্মকর্তাদের মধ্যে হাতাহাতি ও বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়েছে। কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে যে, উদ্ধারকাজে শুরুতেই নিজস্ব কারিগরি বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করা উচিত ছিল, যা করতে বেশ কয়েক দিন দেরি হয়ে গেছে। বর্তমানে সড়ক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এবং দুর্গম পার্বত্য ভৌগোলিক অবস্থার কারণে অনেক স্থানে প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ৩২ মাস পর শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে দলে ফিরেছেন সাবেক অধিনায়ক ও অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা। ইংল্যান্ড সফরের জন্য ঘোষিত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলে তিনি জায়গা পেয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ওয়ানডে খেলেছিলেন শানাকা।
শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে সিরিজের দলে শানাকার সঙ্গে প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়েছেন আনক্যাপড লেগস্পিনার সচিন্দু কলম্বাগে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের দলে থাকা পেসার মিলান রত্নায়েকে ও প্রমোদ মধুশান এবার বাদ পড়েছেন।
শানাকার প্রত্যাবর্তনে শ্রীলঙ্কার মিডল অর্ডারে অভিজ্ঞতার সংযোজন হচ্ছে। ৭১টি ওয়ানডে খেলা এই অলরাউন্ডার ৪৩ ম্যাচে দলের নেতৃত্বও দিয়েছেন।
ইংল্যান্ড সফরে শ্রীলঙ্কার দুই ফরম্যাটের অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন কুশল মেন্ডিস। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—দুই দলের সহ-অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন চারিথ আসালাঙ্কা।
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন আসালাঙ্কা। গল গ্ল্যাডিয়েটর্সের শিরোপাজয়ী অভিযানে ৩৮.৫০ গড়ে ৩৮৫ রান করেছেন তিনি। তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৫৩.৩৮, সঙ্গে ছিল চারটি অর্ধশতক।
টি-টোয়েন্টি দলে আরও সুযোগ পেয়েছেন এলপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক লাহিরু উদারা। টুর্নামেন্টে ৪৩৪ রান করা এই ব্যাটারের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একমাত্র ম্যাচ ছিল ২০২৩ সালের হাংঝু এশিয়ান গেমসে।
এ ছাড়া অলরাউন্ডার জনিথ লিয়ানাগে ও দুই হাতে বল করতে সক্ষম স্পিনার থারিন্দু রত্নায়েকেও টি-টোয়েন্টি দলে রাখা হয়েছে।
শ্রীলঙ্কার ইংল্যান্ড সফর আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর টি-টোয়েন্টি সিরিজের মাধ্যমে শুরু হবে। সাউদাম্পটন, কার্ডিফ ও ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। চেস্টার-লে-স্ট্রিট, লিডস ও দ্য ওভালে হবে ওয়ানডের ম্যাচগুলো।
ওয়ানডে দল: কুশল মেন্ডিস (অধিনায়ক), চারিথ আসালাঙ্কা, পাথুম নিসাঙ্কা, কামিল মিশারা, কামিন্দু মেন্ডিস, জনিথ লিয়ানাগে, পাভান রত্নায়েকে, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুনিথ ভেল্লালাগে, মহীশ থিকশানা, দুশমন্ত চামিরা, এশান মালিঙ্গা, আসিথা ফার্নান্দো, দিলশান মাদুশাঙ্কা।
টি-টোয়েন্টি দল: কুশল মেন্ডিস (অধিনায়ক), চারিথ আসালাঙ্কা (সহ-অধিনায়ক), পাথুম নিসাঙ্কা, কামিল মিশারা, লাহিরু উদারা, কামিন্দু মেন্ডিস, জনিথ লিয়ানাগে, দাসুন শানাকা, দুনিথ ভেল্লালাগে, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মহীশ থিকশানা, থারিন্দু রত্নায়েকে, দুশমন্ত চামিরা, এশান মালিঙ্গা, নুয়ান থুশারা, বিনুরা ফার্নান্ডো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালীগঞ্জে ঘোষিত পরিমাণের তুলনায় অধিক সার মজুত রাখার কারণে উপজেলা প্রশাসন দুই ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেছে।
বুধবার দুপুরে জামালপুর ইউনিয়নের দোলান বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে এই জরিমানা কার্যকর করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার এই জরিমানা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সার বিতরণে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সরকার মনিটরিং কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছে। এরই অংশ হিসেবে দোলান বাজারের প্রকাশ ট্রেডার্স এবং মেসার্স এস এস করপোরেশনের বিক্রয়কেন্দ্র ও গুদামে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় দেখা যায়, উক্ত প্রতিষ্ঠান দুটিতে ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে বেশি সার মজুত রয়েছে। স্টক রেজিস্ট্রারে ঘোষিত পরিমাণের সঙ্গে বাস্তবে মজুত থাকা সারের পরিমাণের মধ্যে বড় ধরনের গরমিল ধরা পড়ে।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬-এর ৬ ধারায় প্রতিষ্ঠান দুটিকে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার।
জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেছেন প্রকাশ ট্রেডার্সের মালিক নির্মল দাস (৬০) এবং মেসার্স এস এস করপোরেশনের মালিক শরীফ ভুঁইয়া (৩৪)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো চার শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, এবং বাকি একজন মারা গেছে ময়মনসিংহে।
একই সময়ে, হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৯৭ শিশু। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া চার শিশুর মধ্যে নিশ্চিতভাবে কোনো শিশুর মৃত্যু হামে আক্রান্ত হয়ে হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৮৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯টি। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৮৩ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ছয়জন শিশুর মৃত্যু হয়।
এছাড়া, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ২৩১।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৪৪৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩৪ জন। এই সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার ১৮৪ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার অত্যাধুনিক ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু করেছে ভিএফএস গ্লোবাল।
বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল করার উদ্দেশ্যে ঢাকায় একটি অত্যাধুনিক ভিসা আবেদন কেন্দ্র উদ্বোধন করেছে ভিএফএস গ্লোবাল।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বনানীতে নতুন এই কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত মান্যবর কিম জি-জুন এবং ভিএফএস গ্লোবালের দক্ষিণ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার ইউমি তালওয়ার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের দূতাবাসের অন্যান্য বিশিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
ইউমি তালওয়ার মন্তব্য করেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু করা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের ভ্রমণকারীদের ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার অভিজ্ঞতা উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রশস্ত, আধুনিক ও কেন্দ্রীয়ভাবে অবস্থিত এই কেন্দ্র আবেদনকারীদের জন্য আরামদায়ক ও সুবিধাজনক পরিবেশ নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষিত গ্রাহকসেবা প্রতিনিধিরা আবেদনকারীদের পুরো প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে সহায়তা করবেন।
’
নতুন এই কেন্দ্র চালুর ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা আবেদনকারীরা অনলাইনে পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে ঢাকায় এসে সহজেই তাদের আবেদন জমা দিতে পারবেন। এ বিষয়ে ভিএফএস গ্লোবাল জানিয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর ও নিরাপদ সেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত নতুন কেন্দ্রটি কোরিয়ার ভিসা আবেদনকারীদের জন্য আরও উন্নত, সহজ ও কার্যকর আবেদন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।
প্রসঙ্গত, ভিএফএস গ্লোবাল ২০১১ সাল থেকে দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্র সরকারের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সেবা দিয়ে আসছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি পাঁচটি দেশে ৭টি নিবেদিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা সেবা পরিচালনা করছে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, প্রযুক্তির উন্নয়ন, গ্রহণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে তারা দায়িত্বশীল পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং নৈতিকতা ও টেকসই কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেয়। বিশ্বের ৭১টি সরকারের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে ভিএফএস গ্লোবাল ১৬৯টি দেশে ৪ হাজার ২০০টিরও বেশি আবেদন কেন্দ্র পরিচালনা করছে। ২০০১ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি ৫৫ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি আবেদন দক্ষতার সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত করেছে।
কোথায় ও কখন আবেদন করবেন
ঢাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্রটি বি অ্যান্ড টি নেহালিয়া টাওয়ারের ২য় তলা, প্লট-৮০, ব্লক-বি, কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩-এ অবস্থিত। কেন্দ্রটির অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত।
ভিসা আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ফি, অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং এবং অন্যান্য সেবা সম্পর্কে সর্বশেষ ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য আবেদনকারীদের দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস এবং ভিএফএস গ্লোবালের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ