ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাওরবাসীর স্বপ্ন পূরণে উড়াল সেতু নতুন দিগন্তের সূচনা করবে: কামরুল এমপি


হাওরবাসীর স্বপ্ন পূরণে উড়াল সেতু নতুন দিগন্তের সূচনা করবে: কামরুল এমপি

সুনামগঞ্জ, ১৮ আগস্ট, ২০২৬: সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর-জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেছেন, জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা উড়াল সেতুটি হাওরবাসীর জীবনমান ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বর্তমান সরকার হাওরাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। তারই ফলশ্রুতিতে হাওরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের বাস্তবায়নের জন্য উড়াল সেতু নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। বর্ষাকালে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া গ্রামগুলোর যোগাযোগ সহজ করার পাশাপাশি এই প্রকল্প স্থানীয় শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

আজ মঙ্গলবার জামালগঞ্জের ঐতিহাসিক সাচনা বাজার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক দূষণ রোধে আলোচনা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

হাওর অঞ্চলের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ও গ্রামীণ ভৌত অবকাঠামো জোরদার করার লক্ষ্যে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে ‘হাওর এলাকায় উড়াল সড়ক ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা উড়াল সেতুর আনুষ্ঠানিকভাবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রাণী মোদকের সভাপতিত্বে ও জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান আজিজের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক ফেরদৌস আহমেদ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুল হক।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), সুনামগঞ্জের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের প্রকৌশলী, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ হাওরবাসী উৎসবে মেতে ওঠেন। প্রকল্পটির কাজ দ্রুত শেষ হলে জামালগঞ্জ ও ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যকার যোগাযোগে নতুন গতি আসবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থিতায় প্রভাবশালী মন্ত্রীর সমর্থন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থিতায় প্রভাবশালী মন্ত্রীর সমর্থন

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : ফ্রান্সের প্রভাবশালী বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানাঁ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মধ্য-ডানপন্থী প্রার্থী এদুয়ার ফিলিপকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে নিজে নির্বাচনে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এর ফলে, ২০২৭ সালের নির্বাচনের জন্য হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলিপের অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে।

এখন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর উত্তরসূরি নির্বাচনের জন্য মাত্র কিছু মাস বাকি রয়েছে। সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ দায়িত্ব পালন করার পর মাখোঁ আর প্রার্থী হতে পারবেন না। এমন অবস্থানে বাম, মধ্য ও ডানপন্থী প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে তৎপর হয়ে উঠেছেন। শেষ পর্যন্ত এই লড়াইটির স্থল হতে পারে উগ্র ডানপন্থীদের সাথে মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

প্রসঙ্গত, প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ সংবাদটি জানিয়েছে।

মাখোঁর ঘনিষ্ঠ শিবিরের আরেক মধ্যপন্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল আতালও নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করছেন। এই পরিস্থিতিতে, মাখোঁপন্থী ঘরানার অতিরিক্ত প্রার্থী ভোট ভাগ করে দিতে পারেন। ফলে, চতুর্থবারের চেষ্টায় উগ্র ডানপন্থী নেত্রী মেরিন ল্য পেন প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে যাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত দারমানাঁ মাখোঁ সরকারের বাজেটমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বর্তমানে বিচারমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। এক সময়ে তাকেও সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ভাবা হয়েছিল। তবে তিনি এখন ফিলিপকে সমর্থন দিয়েছেন।

আঞ্চলিক দৈনিক লা ভোয়া দ্য নোর-এর মঙ্গলবারের সংখ্যায় দারমানাঁ বলেন, ‘প্রার্থীর সংখ্যা বাড়িয়ে জনস্বার্থ রক্ষা করা যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছি। ফরাসি জনগণের জন্য সামাজিক পরিস্থিতিও কঠিন। তাই আমি বিভাজন আরও বাড়াতে চাই না। আমি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব না। বরং এদুয়ার ফিলিপকে সমর্থন করব। আশা করি, অন্যরাও একই কাজ করবেন।’

২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মাখোঁর প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ফিলিপ বর্তমানে নরম্যান্ডির ল্য হাভরের মেয়র। জনমত জরিপ অনুযায়ী, উগ্র ডানপন্থীদের মোকাবিলায় মধ্যপন্থীদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফিলিপের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি দারমানাঁকে ‘খাঁটি রাজনৈতিক প্রতিভা’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারের ‘অগ্রভাগের নেতা’ হবেন বলেও মন্তব্য করেন।

নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে দারমানাঁ বলেন, মধ্যপন্থী শিবির বর্তমানে মেরিন ল্য পেন এবং কট্টর বামপন্থী নেতা জ্যাঁ-লুক মেলঁশোঁর পিছনে ‘তৃতীয় অবস্থানে’ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। ফলে দ্বিতীয় দফার ভোটে মধ্যপন্থীদের থাকার সম্ভাবনা নেই।

বামপন্থী শিবিরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ আবারও নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেন বলে জল্পনা চলছে। সেপ্টেম্বরে সোশ্যালিস্ট নেতা ‘ইউনিটি, নিউ ওয়ার্ল্ড, নিউ লেফট’ নামে একটি বই প্রকাশ করবেন।

এক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। দৈনিক ল্য মন্ডে গত সপ্তাহের শেষে জানিয়েছে, মাখোঁর নেতৃত্বাধীন এলিসি প্রাসাদ উদ্বিগ্ন যে ফিলিপ বা আতাল—কেউই ল্য পেনকে পরাজিত করতে পারবেন কি না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোর্নু আরও কার্যকর প্রার্থী হতে পারেন কি না, তা নিয়েও সেখানে ভাবা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তৃষাকে দেওয়া বিজয়ের ‘স্যালুট’ ঘিরে তুমুল বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


তৃষাকে দেওয়া বিজয়ের ‘স্যালুট’ ঘিরে তুমুল বিতর্ক

 

অভিনেতা থেকে রাজনীতির মাঠে পা রেখে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন সি জোসেফ বিজয়, ভক্তদের কাছে যিনি ‘থালাপতি বিজয়’ নামে পরিচিত।

রাজনীতিতে আসার পরও তাকে ঘিরে বিতর্কের কোন কমতি নেই। বিশেষ করে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে তার কথিত সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা গুঞ্জন রয়েছে।

এবার ভারতের স্বাধীনতা দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানে বিজয় ও তৃষার কথিত স্যালুট বিনিময়কে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবির নতুন করে সরব হয়েছে।

গত ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসের সরকারি অনুষ্ঠান ঘিরে নতুনভাবে আলোচনায় আসে বিজয়-তৃষার নাম। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের এটিই ছিল প্রথম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। চেন্নাইয়ের ফোর্ট সেন্ট জর্জে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৃষা।

হলুদ শাড়ি ও সবুজ ব্লাউজে অনুষ্ঠানের সামনের সারিতে বসেছিলেন তৃষা, তাঁর পাশে ছিলেন বিজয়ের বাবা এস চন্দ্রশেখর ও মা শোভা চন্দ্রশেখর।

বিজয় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর জিপে চড়ে প্যারেড পরিদর্শন ও আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করছিলেন। সেই সময় সামনের সারির অতিথিদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তৃষা উঠে দাঁড়িয়ে তাকে স্যালুট জানান। প্রত্যুত্তরে বিজয়ও তৃষাকে স্যালুট করেন।

যদিও এটিকে সরাসরি ‘স্যালুট বিনিময়’ বলা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, কারণ তৃষার আশপাশে থাকা বিজয়ের পরিবারের সদস্য ও সমর্থকরাও তখন মুখ্যমন্ত্রীকে স্যালুট জানাচ্ছিলেন।

কিন্তু সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ফের আলোচনায় আসে বিজয়-তৃষার সম্পর্কের পুরনো গুঞ্জন।

ঘটনাটি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছে তামিলনাড়ুর প্রধান বিরোধী দল ডিএমকের দলীয় মুখপত্র ‘মুরাসোলি’। এক সম্পাদকীয়তে ঘটনাটিকে ‘লজ্জাজনক দৃশ্য’ ও ‘অশ্লীলতা’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

সম্পাদকীয়তে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কোনো সরকারি পদ বা আনুষ্ঠানিক প্রটোকল না থাকা সত্ত্বেও কেন একজন অভিনেত্রীকে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের প্রথম সারিতে মুখ্যমন্ত্রীর মা-বাবার পাশে বসানো হলো এবং কেন প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ও ওই অভিনেত্রীর মধ্যে এমন দৃশ্য দেখা গেল।

অভিনেত্রীর নাম উল্লেখ না করে সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ‘স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনকারী মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের মর্যাদা ধুলোয় মিশে গেছে। এমনকি যারা তাঁকে ভোট দিয়েছেন, তারাও কোনো লজ্জা বা সংকোচ ছাড়া একজন অভিনেত্রীকে সামনের সারিতে বসানো এবং দুজনের একে অপরকে স্যালুট করার এই দৃশ্য সহ্য করতে পারছেন না। এমন একজন ব্যক্তি, যিনি মনে করেন এই ধরনের অশ্লীলতা ও কুৎসিত বিষয়কে প্রকাশ্যে ও নির্লজ্জভাবে করে ন্যায্যতা দেওয়া যায়, তিনিই আজ তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন।’

সম্পাদকীয়তে আরো দাবি করা হয়েছে, ‘এমনকি বিজয়ের ভক্তরাও স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে একজন অভিনেত্রীকে নিয়ে আসা এবং তাকে স্যালুট করা মেনে নিতে পারছেন না।’

তবে এখন পর্যন্ত এই সমালোচনার কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি বিজয়ের রাজনৈতিক দল টিভিকে।

বিজয়-তৃষাকে ঘিরে বিতর্ক অবশ্য এবারই প্রথম নয়। চলতি মাসের শুরুতে কাবেরী নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে বিজয় সরকারের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে তাঞ্জাভুরে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে ডিএমকে। সেখানে বিরোধী দলীয় নেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের সমালোচনা করে বক্তব্য দেওয়ার সময় ডিএমকে সমর্থকদের একাংশ ‘তৃষা, তৃষা’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

এবং তখন বক্তব্য থামিয়ে মুচকি হেসে উদয়নিধি বলেছিলেন, ‘অন্য কোথাও পানি পৌঁছাক আর না পৌঁছাক, ওইখানে যেন পানি ঠিকমতো পৌঁছায়।’

তৃষার নাম সরাসরি উল্লেখ না করলেও উদয়নিধির এই দ্ব্যর্থবোধক মন্তব্য ঘিরে তুমুল সমালোচনা হয়। পরদিন তাকে বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হলেও হাইকোর্টের নির্দেশে প্রায় চার ঘণ্টা পর মুক্তি দেওয়া হয়।

বলা দরকার, বিজয়ের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে বহু নায়িকার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তিনি। তবে তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে তার অনস্ক্রিন রসায়ন বরাবরই আলাদা আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ২০০৪ সালের ব্লকবাস্টার তামিল সিনেমা ‘গিল্লি’-তে প্রথমবার একসঙ্গে অভিনয় করেন। সিনেমাটি ব্যাপক সাফল্য পাওয়ার পর তামিল চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় অনস্ক্রিন জুটি হিসেবে পরিচিতি পান বিজয়-তৃষা।

এরপর তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব। প্রায় ১৪ বছর পর ২০২৩ সালে লোকেশ কানাগারাজের ‘লিও’ সিনেমায় আবার একসঙ্গে দেখা যায় তাদের। সিনেমার শুটিং ও প্রচারণার সময় থেকেই তাদের অফস্ক্রিন সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। যদিও বিজয় কিংবা তৃষা কেউই কখনো প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি। বরাবরই নিজেদের ভালো বন্ধু বলে দাবি করেছেন দুজন।

এদিকে ২০২৬ সালের শুরুতে বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা সোর্নালিঙ্গম পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। সেই আবেদনে বিজয়ের এক সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগের উল্লেখ ছিল বলেও দাবি করা হয়। যদিও কোনো নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে সেই অভিযোগকে তৃষার সঙ্গে যুক্ত করেন। পরে অবশ্য সঙ্গীতা ওই আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।

এর আগেও গত ১০ মে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু ইনডোর স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তৃষা কৃষ্ণানের উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা হয়েছিল।

কালের কণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই বৈঠকটি মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের সভাপতি মো. মনিরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয় এবং পরে পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের প্রধানগণ তাদের নিজ নিজ কার্যক্রম উপস্থাপন করেন তাদের প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে।

সমাপ্তির শেষ পর্যায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত জুলাইযোদ্ধাদের স্মরণে এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে কমিটির সভাপতি মো. মনিরুল হক চৌধুরী মুনাজাত পরিচালনা করেন।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, মো. ফজলুর রহমান, মো. আবদুল হান্নান, আমীর এজাজ খান এবং রোকেয়া বেগম অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর, অধিদপ্তর ও সংস্থাসমূহের প্রধানগণ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে ইসরাইল বাধা দিচ্ছে: হামাস ও ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৪ পি.এম


গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে ইসরাইল বাধা দিচ্ছে: হামাস ও ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর অভিযোগ

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে ইসরাইলই বাধা দিচ্ছে, এমন অভিযোগ হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করেছে যে, চুক্তির প্রথম ধাপের সম্মত হওয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি থেকে ইসরাইল সরে গেছে এবং তারা এখনো চুক্তি লঙ্ঘন করে চলেছে। এ বিষয়ে তথ্য এসেছে আনাদোলু এজেন্সি ও রয়টার্সের মাধ্যমে।

গত সোমবার (১৭ আগস্ট), মিশরের রাজধানী কায়রোতে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান খলিল আল-হাইয়া ও ফাতাহর ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কারেন্টের নেতা মোহাম্মদ দাহলানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে, গাজার যুদ্ধবিরতি, চুক্তির পরবর্তী ধাপের বাস্তবায়ন, মানবিক সহায়তা এবং অঞ্চলের রাজনৈতিক ও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকের শেষে, আল-হাইয়া ফিলিস্তিনি বিভিন্ন গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা চালান। সে সময় তিনি যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী ও মিসরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক বৈঠকের বিষয় সম্পর্কে তারা অবহিত করেন।

এরপরই, ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর নেতারা ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে গড়িমসি করার অভিযোগ তোলেন। তাদের দাবির ভিত্তিতে, দেখা যায় যে চুক্তির প্রথম ধাপে যেসব বিষয়ের জন্য ইসরাইল সম্মত হয়েছিল, সেগুলোর বেশিরভাগই বাস্তবায়ন করা হয়নি এবং বরং তেল আবিব নতুন নতুন শর্ত আরোপ করতে বিলম্ব করছে।

এদিকে, গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের জন্য কায়রোতে কূটনৈতিক তৎপরতা অনেক জোরদার হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনারও সম্প্রতি আল-হাইয়ার সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন।

মার্কিন প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং গাজার পুনর্গঠন রয়েছে। কিন্তু ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন যে, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত সেনা প্রত্যাহার ও গাজার পুনর্গঠনে সম্মতি দিতে তিনি অস্বীকার করেছেন।

হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা পরিকল্পনাটি নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে ইসরাইলকে আগে হামলা বন্ধ করতে এবং গাজার নির্দিষ্ট এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। ফলে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরবর্তী ধাপের বাস্তবায়ন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অচলাবস্থা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

মোহাম্মদ দাহলানের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কারেন্ট ফাতাহর মধ্যে একটি শক্তিশালী সংস্কারপন্থী গোষ্ঠী। এই সংগঠনটি ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় ফাতাহ নেতৃত্বের বাইরে স্ব-স্বাধীনভাবে আরও কার্যক্রম পরিচালনা করে। গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসন এবং পুনর্গঠন নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা দাহলানের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%