ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

নতুন নামে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ হিসেবে যাত্রা শুরু করল র‍্যাব


নতুন নামে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ হিসেবে যাত্রা শুরু করল র‍্যাব

‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করেছে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব), যা ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যে ঘটেছে।

বাহিনী প্রধান আহসান হাবীব পলাশ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নতুন নাম নিয়ে কার্যক্রম শুরু করার কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, "এসআরবি নামে গেজেট হয়েছে। আমরা র‌্যাবের নাম পরিবর্তন করে এসআরবি নাম দিয়ে সকল কাজ আজ থেকে শুরু করেছি।"

সংবাদ সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্রে বাহিনীটি যে লোগো ব্যবহার করেছে, সেখানে র‌্যাবের পরিবর্তে ‘এসআরবি বাংলাদেশ’ লেখা দেখা যাচ্ছে। তবে লোগোর নকশা অপরিবর্তিত রয়েছে। নতুন লোগো বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্যবহৃত হয়েছে।

আরও পড়ুন: হিন্দু সম্প্রদায় কোনো দলের দাসত্ব করে না: মীর শাহে আলম

গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে র‍্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে পুলিশের অধীনে নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারির পর এটি আইনে রূপ নেয় এবং পরদিনই বাহিনীটি নতুন নামে কার্যক্রম শুরু করে।

২০০৪ সালের ২৬ মার্চ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে গঠিত হয় র‍্যাব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সফলতার পাশাপাশি বাহিনীটির বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে, যার ফলে বিলুপ্তির দাবি ওঠে।

গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর র‍্যাব ও বাহিনীর সাত কর্মকর্তার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি জানায় বিএনপি গঠিত পুলিশ প্রশাসন সংস্কার বিষয়ক কমিটি।

আরও পড়ুন: জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ নার্স রীপা গোমেজের পাশে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

এ ধারাবাহিকতায় সরকার এবার কাঠামোগত ও কর্মপরিধি পুনর্বিন্যস্ত করে বাহিনীটিকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি নামে মাঠে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

এই সৌজন্য সাক্ষাৎটি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্পিকার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ সময় বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে একটি দীর্ঘকালীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জার্মানির পর্যবেক্ষক দলের উপস্থিতি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, জার্মানি এবং বাংলাদেশ উভয়ই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে একে অপরের প্রতি ভ্রাতৃপ্রতিম।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘকাল ধরে শোষণের শিকার হয়েছে। পাকিস্তান আমলে গণতান্ত্রিক বৈষম্য মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পরও দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের অপশাসনে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। গুম, খুন, বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং প্রহসনের নির্বাচনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। সেই প্রেক্ষাপটে দেশে পুনরায় গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

স্পিকার উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য নিজেদের বারবার উৎসর্গ করেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের দীর্ঘ লড়াই কখনো বিঘ্নিত হয়নি।

জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ পনেরো বছরের স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়ে গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হয়েছে। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি এদেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে জার্মান সরকারের সর্বোচ্চ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল জার্মানি-বাংলাদেশের সংসদীয় কমিটি গঠন, মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির প্রসার, অর্থনৈতিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস কূপ অনুসন্ধান এবং সার কারখানা স্থাপনে গুরুত্বারোপ করেন।

স্পিকার এ সময় বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও উপকূলীয় এলাকার গ্যাস ও তেল সম্পদ অনুসন্ধানে জার্মানির বিশেষজ্ঞ দলকে আমন্ত্রণ জানান। তিনি রাষ্ট্রদূতকে জানান, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি জ্বালানির উপর নির্ভরশীল।

এ অনুষ্ঠানে জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ, অর্থের বিনিময়ে পটুয়াখালী বাণিজ্য মেলার দায়িত্ব তাদের হাতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ, অর্থের বিনিময়ে পটুয়াখালী বাণিজ্য মেলার দায়িত্ব তাদের হাতে

বরিশালের পর এবার পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে বাণিজ্য মেলা নিয়ে আপত্তি তুলেছে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটি। মেলার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব এমন একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—যাদের সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ ও মামলা থাকার দাবি করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. কামাল হোসেনের সঙ্গে মৌখিকভাবে কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি মেলা পরিচালনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর না করে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তথ্য-প্রমাণ ও বিভিন্ন নথি তাঁর হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির দাবি, আলোচিত ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আমির হোসেনের বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, আমির হোসেন সিলেটের একটি নিষিদ্ধ মহানগর যুবলীগের পদে ছিলেন এবং আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে সিলেটে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ঘিরে সিলেটে সংঘটিত একটি মামলায় ‘আমির হোসেন খান’ নামের একজনকে আসামি করার তথ্য পাওয়া গেছে।

মেলা আয়োজনের দায়িত্ব কাদের দেওয়া হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. কামাল হোসেন বলেন, “আপনার তথ্য-প্রমাণ দিন। আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব। যদি তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ থাকে, তাহলে আমরা চুক্তি বাতিল করব।”

এদিকে, একটি সূত্র দাবি করেছে, মেলাটি চেম্বার অব কমার্সের কাছ থেকে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান চেম্বারকে অগ্রিম হিসেবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ দিয়েছে। তবে এই অর্থের বাইরে চেম্বার অব কমার্সের কোনো এক কর্মকর্তাকে ব্যক্তিগতভাবে আরও বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়া হয়েছে বলেও সূত্রটি দাবি করেছে। ওই অর্থের বিনিময়েই মেলার দায়িত্ব বিতর্কিত হিসেবে উল্লেখ করা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রটির দাবি।

তবে এ অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির পক্ষ থেকে জনস্বার্থের বিষয়টি উল্লেখ করে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসককেও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা। একই বিষয়ে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপারকেও অবহিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির বক্তব্য, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশা তাদের রয়েছে। বিশেষ করে মেলার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অতীত কার্যক্রম, মামলা এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, চেম্বার অব কমার্সের পক্ষ থেকে তাদের আপত্তির বিষয়টি উপেক্ষা করে বিতর্কিত হিসেবে উল্লেখ করা ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে মেলার দায়িত্ব হস্তান্তর করা হলে তারা আইনগত পথে এগোবে।

সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে তাদের কাছে থাকা নথি, মামলা-সংক্রান্ত কাগজপত্র ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে মহামান্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

তবে সংগঠনটির সদস্যরা মনে করছেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যাওয়ার আগেই পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসন বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এর আগেও জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় দুমকিতে একটি বিতর্কিত মেলা বন্ধ করা হয়েছিল। ওই মেলার বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হলে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে মেলাটি বন্ধের নির্দেশ দেন বলে সংগঠনটির দাবি।

উল্লেখ্য, পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে এর আগেও শিল্প ও বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৫ সালের ২২ মে পটুয়াখালীর ঝাউতলা মাঠে চেম্বারের আয়োজনে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয়। সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ রয়েছে।

এবারের মেলার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কাদের দেওয়া হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা কতটুকু এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসন ও চেম্বার কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নেয়—সেটিই এখন সংশ্লিষ্টদের নজরে রয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর নজরে চেম্বার অব কমার্সের আয়োজনে বাণিজ্য মেলার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি আনা হয়েছে। মেলা আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিভিন্ন পক্ষের উত্থাপিত অভিযোগ ও দাবি সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের মতামত জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এখন দেখার বিষয়, চেম্বার অব কমার্স ওই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানকে মেলার দায়িত্ব দিলে জেলা প্রশাসন মেলার অনুমোদন দেবে কি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী ব্যাংক ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত, পুলিশ সতর্ক অবস্থানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


ইসলামী ব্যাংক ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত, পুলিশ সতর্ক অবস্থানে

রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে ঘিরে দুই পক্ষের পৃথক কর্মসূচির কারণে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থা আজও অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ব্যাংকটির দিলকুশার প্রধান কার্যালয়ের সামনে সচেতন গ্রাহক ফোরাম এবং শাপলা চত্বর এলাকায় চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। দুই পক্ষের কর্মসূচির কারণে মতিঝিল এলাকায় পুলিশ নিরাপত্তা জোরদার করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সকাল থেকে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার নিচে অবস্থান নিয়েছেন ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের নেতাকর্মীরা। তারা বিভিন্ন স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন। এর আগে টানা চার দিন ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি।

অন্যদিকে, শাপলা চত্বরের পাশে অবস্থান নিয়েছেন ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের স্লোগানের মধ্যে রয়েছে- ‘দফা এক, দাবি এক, চাকরি ফেরত চাই’। চট্টগ্রামের পটিয়া থেকেও চাকরিচ্যুত কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী এই কর্মসূচিতে যোগদান করেছেন।

এই কর্মসূচির কারণে মতিঝিল এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে পুলিশ।

ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেছেন, "ইসলামী ব্যাংককে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে গ্রাহকেরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন।" তিনি আরও বলেন, "গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।"

তিনি ব্যাংকের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং গ্রাহকদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবি জানান। একই সঙ্গে, এস আলম গ্রুপের বিদেশে পাচার করা সম্পদ উদ্ধার করে ব্যাংকের স্বার্থে তা বাজেয়াপ্ত করারও দাবি করেন তিনি। তার মতে, অবৈধভাবে নেওয়া ঋণ সুবিধাগুলো সমন্বয় করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ফোরামের সচিব মুতাসিম বিল্লাহ জানান, ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৪(খ) ধারা অনুযায়ী এস আলম গ্রুপের অবৈধভাবে ধারণ করা শেয়ার বাজেয়াপ্ত করে বাজারে বিক্রি অথবা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি বলেন, "এসব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।"

চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়ে মুতাসিম বিল্লাহ অভিযোগ করেন, এস আলম গ্রুপের সময় অনেককে যথাযথ নিয়োগপ্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই ব্যাংকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি ছিল না।

তিনি বলেন, পরে চাকরিতে রাখার সুযোগ তৈরির জন্য একটি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। যারা ওই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, তাদের অনেকেই বর্তমানে ব্যাংকে কর্মরত। তবে আন্দোলনরত চাকরিচ্যুতদের অনেকেই ওই পরীক্ষায় অংশ নেননি। তাই তাদের পুনর্বহালের দাবির বিষয়ে ফোরামের আপত্তি রয়েছে।

মুতাসিম বিল্লাহ আরও দাবি করেন, আন্দোলনরত চাকরিচ্যুতদের বড় একটি অংশ চট্টগ্রামের পটিয়ার বাসিন্দা এবং এস আলম গ্রুপের সময় ব্যাংক থেকে ঋণ বিতরণ ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ইসলামী ব্যাংকে চাকরি করার পর কোনো ধরনের নোটিশ বা যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তারা চাকরিতে পুনর্বহালের পাশাপাশি প্রাপ্য পদোন্নতি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।

চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা টিপু বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে চাকরি হারিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা, সন্তানদের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন খরচ চালাতে তাদের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।"

তিনি বলেন, "আমরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছি। চাকরি হারানোর পর পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম কষ্টে আছি। আমরা চাকরি ফেরত চাই। এ বিষয়ে আর কোনো তালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না।"

পরে তারা প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

দুই পক্ষের পৃথক অবস্থান ও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, দিলকুশা ও শাপলা চত্বর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে পাঁচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার প্রসঙ্গে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০১ পি.এম


আমতলীতে পাঁচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন গ্রেফতার প্রসঙ্গে

আমতলীতে মাদক বিরোধী অভিযানে মঙ্গলবার রাতে সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডস্থ দক্ষিণ পশ্চিম আমতলী গ্রামে আলিশার মোড়ে অবস্থিত মিরাজ টেলিকম দোকানে এসআই মো: শাহরিয়ার নাঈম রোমানের এর নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে মো: মিরাজ মোল্লা(২০)কে ০৫ (পাচ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতর বিরুদ্ধে আমতলীতে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, গ্রেফতারকৃতকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%