আবিদ ইসলাম আশিক বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি
০২:৩৩ পি.এম
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ। উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, রাস্তাঘাট ও কালভার্ট নির্মাণ, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তারা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কার, বিভিন্ন স্থানে কালভার্ট নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও সংসদ সদস্যের কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা রয়েছে। পৌর বিএনপির ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি মিজানুর রহমান ফিরোজ বলেন, সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানের কঠোর তৎপরতায় এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে চাঁদাবাজির মতো অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই। দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজির অভিযোগ বন্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার প্রত্যাশা করছেন সাধারণ মানুষ।
অন্যদিকে, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয়তা ও মনোবল বৃদ্ধির বিষয়টিও ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে যোগাযোগ, সমন্বয় ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার হলে দল আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রাজনৈতিক সহনশীলতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলস শ্রম দিচ্ছেন সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান। তার এ উদ্যোগে বাকেরগঞ্জে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা আরও বেগবান হয়েছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।
তবে এসব উন্নয়ন ও শৃঙ্খলামূলক উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য উন্নয়ন নিশ্চিত করে বাকেরগঞ্জকে একটি শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও সম্ভাবনাময় জনপদ হিসেবে গড়ে তুলবেন সংসদ সদস্য আবুল হোসেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আবুল হোসেন খান এমপি খান জানান, এলাকার উন্নয়ন ও জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মডেল বাকেরগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলায় তার একমাত্র লক্ষ্য। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি জিরো টলারেন্স রয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি বা অন্যায়ের সাথে জড়িত থাকলে তাদেরকেও ছাড় দেয়া হবে না বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, বাকেরগঞ্জের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি সর্বদা সজাগ রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আহত হয়েছেন মনিরুল ইসলাম নামের এক বাংলাদেশি যুবক, এমন তথ্য স্থানীয় সূত্রে পাওয়া গেছে। বিএসএফ পরে তাকে আটক করে ভারতের ভেতরে নিয়ে গেছে। তার শারীরিক অবস্থা এবং তিনি জীবিত আছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামের বিপরীতে মেদিনীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। মনিরুল হরিহরনগর গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মনিরুলসহ কয়েকজন সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে গিয়েছিলেন। তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করে বিএসএফ সদস্যরা গুলি ও রাবার বুলেট ছোড়েন। এতে মনিরুলের পায়ে গুলি লাগে এবং পিঠের বিভিন্ন স্থানে রাবার বুলেটের আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় তার সঙ্গীরা পাশের খালের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিএসএফ সদস্যরা আহত মনিরুলকে আটক করে ভারতের ভেতরে নিয়ে যান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আরজাম হোসেন বলেন, "গ্রামের ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি মনিরুল বিএসএফের গুলিতে আহত হয়েছে এবং তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।" পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, মনিরুল বর্তমানে ভারতের ভেতরে চিকিৎসাধীন।
জীবননগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, মনিরুল ইসলাম নামে একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি তারা নিশ্চিত হয়েছেন এবং বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে গেছে। তবে তিনি জীবিত আছেন, নাকি মারা গেছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
হরিহরনগর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য টিটু জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার পর সীমান্তের কাঁটাতারের কাছ থেকে গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে তিনি জানতে পারেন বিএসএফ আহত অবস্থায় মনিরুলকে আটক করে নিয়ে গেছে। তবে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তিনি নিশ্চিত হতে পারেননি।
এদিকে শুক্রবার রাতে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে মেদিনীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তে মেইন পিলার ৬৩/১-এস-এর কাছে শূন্য রেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ ভারতের ভেতরে কাঁটাতারের বেড়ার পাশে গুলির শব্দ শোনা যায়। খবর পেয়ে মেদিনীপুর ক্যাম্পের বিজিবি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সীমান্তবর্তী জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পাল্টা ফায়ার করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একজন বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করলে ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীন টুঙ্গী ক্যাম্পের টহল দল তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিএসএফের সঙ্গে অধিনায়ক পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত আছে এবং কম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে সীমান্তের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির সতর্ক ও পেশাদার অবস্থানের কথা বলা হয়। একই সঙ্গে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমসহ সীমান্ত এলাকায় অননুমোদিত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাগুরায় নানা আয়োজনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) এই দিবস উপলক্ষে সকালে মাগুরা জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর বেলা ১১ টার সময় স্থানীয় নোমানী ময়দানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আলী আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আক্তার হোসেন, আহসান হাবিব কিশোর, খান হাসান ইমাম সুজা, আলমগীর হোসেন, ফারুকুজ্জামান ফারুক, সদস্য কুতুব উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিল।
সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর যে ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান ঘটে, তার চেতনা দেশপ্রেমিক মানুষকে বারবার দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। বক্তারা বলেন, জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ৭ই নভেম্বরের কোন বিকল্প নেই। বর্তমানে বাংলাদেশকে নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে। সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এসব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, দেশপ্রেমিক মানুষ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে কোন পরাজিত শক্তি দেশের অগ্রযাত্রা রুখতে সক্ষম হবে না।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে দুপুর ১২ টায় স্থানীয় নোমানী ময়দান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
র্যালিতে অংশ নেয় মাগুরা জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদলসহ মহিলা দলও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। জেলার শ্রীপুর, মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলায় পৃথকভাবে দিবসটি পালন উপলক্ষে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। সরকারি ভাবে দিবসটি পালন উপলক্ষে নির্ধারিত কর্মসূচি গ্রহণ করে জেলা প্রশাসন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৭ নভেম্বর ২০২৬ বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত হল বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায় মোঃ সাখাওয়াত ইসলাম রানার নেতৃত্বে, ঢাকার উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে বিশাল এক গাড়ি বহর নিয়ে রওনা দিল সকল নেতৃবৃন্দদের নিয়ে মোঃ শাখা ইসলাম রানা, উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ জনি, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জুলহাস মিয়াজী, জহিরুল ইসলাম হারুন, মাস্টার দিলুর সহ আরো বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বেতন ও অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১০ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, গ্রাম পুলিশ প্রধানদের বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা করা হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব ঘোষণা প্রদান করেন।
এছাড়া, সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের অবসরকালীন আনুতোষিক ৭০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানদের জন্য ৮০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই সরকারের এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল পর্যায়ে কোথায় কী ঘটছে, কারা কোন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছে কিংবা কোথাও পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সুবাদে আগেভাগেই কিছু তথ্য জানতে পারেন। এসব তথ্য যথাসময়ে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে জানালে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়ন নিরাপদ থাকলে বাংলাদেশও নিরাপদ থাকবে। তৃণমূল জনগোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি ও স্বস্তি বজায় থাকলে তার ইতিবাচক প্রভাব পুরো দেশেই পড়বে। তাই স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহরায়ন ও নগরায়ন বাড়লেও দেশের অধিকাংশ মানুষের শিকড় এখনো গ্রামকেন্দ্রিক। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে গ্রামীণ জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ফলে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শুধু রাজনৈতিক ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, রাষ্ট্র ও সমাজেও ব্যাপক সামাজিক অবক্ষয় ঘটেছিল। পরিকল্পিতভাবে হীনস্বার্থ ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব উসকে দিয়ে দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের মূল্যবোধ বিনষ্ট করা হয়েছিল। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় পরিবারে পরিবারেও বিরোধ ও বিবাদ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। তৃণমূল পর্যায়েও প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।
এ ধরনের সামাজিক পরিস্থিতির উন্নয়নে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার সংস্কৃতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। সমাজে এসব মূল্যবোধ পুনর্জীবিত হলে সামাজিক অপরাধের মাত্রা অনেকাংশে কমে আসবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি হিসেবে গ্রাম পুলিশের কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ