১১:০৮ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে র্যাবের ওপর হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে দস্যু শফিক বাহিনীর প্রধান ও ১৫ মামলার আসামি শফিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার পর রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে র্যাব-৯ এবং র্যাব-১০ এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে শফিককে গ্রেফতার করেন।
এ বিষয়ে র্যাব-৯ সিপিসি-১ এর অধিনায়ক মো. নুরুন্নবী জানান, গত ১১ মে বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া র্যাব-৯ সিপিসি-১ এর চার সদস্য গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য বাঞ্ছারামপুরে যাচ্ছিলেন। সেই সময় নবীনগর উপজেলার খাগাতুয়া গ্রামে পৌঁছানো মাত্র, আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা ডাকাত শফিক বাহিনীর প্রধান শফিক এবং তার বাহিনীর সদস্যরা র্যাবের ওপর আকস্মিকভাবে সশস্ত্র হামলা চালায়। এ সময় শফিক ডাকাত তাদের ৩ ঘণ্টা আটক রেখে নির্যাতন চালায় এবং পরে তাদের নির্যাতনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে।
আরও পড়ুন: ত্যাগীদের মধ্য থেকে একজনকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি মোঃ ফারুক আলীর
খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে অতিরিক্ত র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে গ্রামবাসীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে নবীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চার গোয়েন্দা সদস্যের মধ্যে তিনজন গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। এর মধ্যে কনস্টেবল মালেকের মাথায় আঘাত লাগে, হাবিলদার রাশেদ ডান হাত, কনস্টেবল কাজলের বাম হাত ভেঙে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার পর র্যাব রাতভর অভিযান চালিয়ে মোট ৯ জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে। তবে আগে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার শফিক পালিয়ে যায়। প্রায় দুই মাস পরে একটি বিকাশ একাউন্টের সূত্র ধরে র্যাব-৯ এর সদস্যরা শফিক ডাকাতের অবস্থান জানতে পারে। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে র্যাব-৯ ও র্যাব-১০ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে রাজধানীর ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকায় আউলাহাটির রিয়াজ উদ্দিনের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, ইতোপূর্বে নবীনগর থানা পুলিশ ও র্যাবের ওপর হামলা, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক ব্যবসা, হত্যা, ধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফি সহ ১৫টিরও অধিক মামলা শফিকের বিরুদ্ধে রয়েছে।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন