ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বস্তাবন্দি যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজের ৩ দিন পর


বস্তাবন্দি যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজের ৩ দিন পর

বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের আমড়াঝুড়ি এলাকায় তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর শিপন হাওলাদার (২৫) নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের আমড়াঝুড়ি এলাকায় নিজ বাড়ির দক্ষিণ পাশে একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত যুবক শিপন হাওলাদার সোহরাব হাওলাদারের ছেলে।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়রা ডোবার মধ্যে বস্তাবন্দি অবস্থায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

পারিবারিক সূত্র জানাচ্ছে, গত ১১ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শিপন বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের তিনদিন পর সোমবার তার মরদেহ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার করা হলো।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরগুনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করাও হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যেতে পারে।

আরও পড়ুন: জামিনে মুক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়িতে পুলিশকন্যা তাসনিয়া রানা তামান্না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁ মহাদেবপুর থানা পুলিশের জোরদার অভিযানে গত ২৪ ঘন্টায় মোট গ্রেফতার ১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৭ পি.এম


নওগাঁ মহাদেবপুর থানা পুলিশের জোরদার অভিযানে গত ২৪ ঘন্টায় মোট গ্রেফতার ১৫

পুলিশ সুপার নওগাঁ নির্দেশনায় অপরাধ প্রতিরোধে মহাদেবপুর থানায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় মহাদেবপুর থানার অভিযানে ওয়ারেন্ট মূলে ৬ জন, গ্রেফতার করা হয়।

গতকাল বিকেলে মহাদেবপুর থানার স্পেশাল ড্রাইভে ৫৪ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ নিয়মিত মাদক মামলায় ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে মাদক প্রতিরোধে মাদকের আস্তানায় অভিযানে মাদক সেবনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ০৭ জন আসামি গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মোট ১৫ জন আসামিকে কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ ছেলের পাকা বাড়ি, বৃদ্ধা মায়ের ঠাঁই হলো খোলা আকাশের নিচে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৯ পি.এম


৪ ছেলের পাকা বাড়ি, বৃদ্ধা মায়ের ঠাঁই হলো খোলা আকাশের নিচে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে চার ছেলের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও ৭০ বছর বয়সী আরেসের নেছা খোলা আকাশের নিচে একটি ভাঙা চৌকিতে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছিলেন। টানা বৃষ্টিতে চৌকিটিও ভিজে যাওয়ায় তার দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বৃদ্ধার সেই ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তাকে ছেলের বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়।

ঘটনাটি উপজেলার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩০ বছর আগে স্বামী হযরত আলীর মৃত্যুর পর আরেসের নেছা একাই চার ছেলে ও এক মেয়েকে লালন-পালন করেছেন। অভাব-অনটনের মধ্যেও সন্তানদের বড় করেছেন এবং মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন। তাঁর চার ছেলে আব্দুর রহিম, মোমেন মিয়া, হুমায়ুন কবির ও ইয়াসিন মিয়া। এর মধ্যে ইয়াসিন মারা গেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, অন্য ছেলেরা পাকা বাড়িতে বসবাস করলেও আরেসের নেছা দীর্ঘ প্রায় দুই মাস ধরে তৃতীয় ছেলে হুমায়ুন কবিরের বাড়ির পাশের একটি পুরোনো চৌকিতে খোলা আকাশের নিচে ছিলেন। সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টিতে চৌকিটি ভিজে গেলে তার জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।

বৃদ্ধার এমন অবস্থার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। এলাকাবাসীর দাবি, মা-বাবার ভরণপোষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সন্তানের নৈতিক, সামাজিক এবং আইনগত দায়িত্ব। এমন ঘটনা যেন আর কোথাও না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসন ও সমাজের সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহ আলম মন্তব্য করেন, দুই ছেলের পাকা বাড়ি থাকলেও যদি মায়ের মাথা গোঁজার ঠাঁই না হয়, তার চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না। প্রবীণ বাসিন্দা সুরুজ মিয়া বলেন, মা-বাবার সেবা করা শুধু নৈতিক দায়িত্ব নয়, এটি সন্তানের কর্তব্য। এমন ঘটনা সমাজের জন্য লজ্জাজনক।

তৃতীয় ছেলে হুমায়ুন কবির দাবি করেন, তিনি সব সময় মায়ের দেখভাল করেছেন এবং অন্য দুই ভাই খোঁজখবর নেন না। বাড়িতে অতিথি থাকার কারণে গত দুই মাস মা বাইরে ছিলেন। এটিকে নিজের ভুল স্বীকার করে তিনি বলেন, এখন থেকে মায়ের পুরো দায়িত্ব নেবেন।

বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামের নজরে এলে তিনি রবিবার রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে আরেসের নেছাকে উদ্ধার করে হুমায়ুন কবিরের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম জানান, সোমবার ছেলেদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। তারা মায়ের যথাযথ দেখভাল করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। প্রশাসন বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি পড়ে যাচ্ছে, ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৯ পি.এম


ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি পড়ে যাচ্ছে, ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

এক হাতে ছাতা এবং অন্য হাতে কলম। সামনে পরীক্ষার খাতা এবং মাথার ওপর দিয়ে টপটপ করে ঝরছে বৃষ্টির পানি। এমন অস্বাভাবিক ও দুর্ভোগের মধ্যে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের।

সোমবার (১৩ জুলাই) এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে পড়ে।

সম্প্রতি চিকনিকান্দি ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে টানা বৃষ্টির মধ্যে শিক্ষার্থীরা ছাতা মাথায় পরীক্ষা দেন। কেউ এক হাতে ছাতা ধরে অন্য হাতে লিখছেন, আবার কারও বেঞ্চ ও পরীক্ষার খাতা বৃষ্টির পানিতে ভিজে যাচ্ছে। এমন দৃশ্য দেখে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

সূত্র জানায়, চিকনিকান্দি ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসাটি ১৯২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হলেও কাজটি এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়ায় ভবনটি প্রায় ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

ভবনের ছাদে অসংখ্য ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে সেখান দিয়ে পানি ঢুকে পড়ে শ্রেণিকক্ষে। বিভিন্ন স্থানে পলেস্তরা খসে পড়ছে, দরজা-জানালাও নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনেই পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান ও পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল শেখ মুগ্ধ বলেন, 'প্রবল বৃষ্টির মধ্যে আমাদের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। ছাদ দিয়ে পানি পড়ে বেঞ্চ ও পরীক্ষার খাতা ভিজে যাচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে মাথার ওপর ছাতা ধরে পরীক্ষা দিচ্ছি।'

আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান বলেন, 'ভবনটির অবস্থা এতটাই নাজুক যে স্বাভাবিক সময়েও ক্লাস করা কঠিন। বৃষ্টির সময় পানি পড়ে এবং মাঝে মাঝে পলেস্তরাও খসে পড়ে। সব সময়ই দুর্ঘটনার ভয় নিয়ে ক্লাস করতে হয়।'

মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মো. ইয়াহিয়া খান বলেন, 'এই প্রতিষ্ঠানে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। অথচ তাদের জন্য নিরাপদ ও শিক্ষা-বান্ধব পরিবেশ নেই। টানা বৃষ্টিতে শিক্ষার্থীরা ছাতা মাথায় দিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। ভবনের বেহাল অবস্থার কারণে পাঠদান এবং পরীক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।'

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. নজির আহমেদ বলেন, 'আমরা অত্যন্ত বিব্রতকর ও অসহায় পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। বিষয়টি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নতুন ভবনের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করে হস্তান্তর করা হলে দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।'

এদিকে, প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি নতুন বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চলমান থাকলেও কাজের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। ধীরগতিতে কাজ চলায় কবে নাগাদ ভবনটি ব্যবহার উপযোগী হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা।

তবে এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, 'বিষয়টি আজই আমাদের নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলিয়ারচরে প্রকাশ্য দিবালোকে জুয়েল হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল লক্ষ্মীপুর! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩০ পি.এম


কুলিয়ারচরে প্রকাশ্য দিবালোকে জুয়েল হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল লক্ষ্মীপুর! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সড়ক অবরোধ

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলায় নির্মমভাবে নিহত অটোরিকশা চালকের পুত্র জুয়েল মিয়া (২০) হত্যার প্রতিবাদে এবং খুনিদের ফাঁসির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও জুয়েল হত্যার সাথে জড়িত কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও বিচারহীনতার আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আগরপুর-পোড়াদিয়া হাইওয়ে রাস্তার লক্ষ্মীপুর বাজার সংলগ্ন ব্রিজের ওপর ‘ঐক্যবদ্ধ লক্ষ্মীপুরের জনগণ’ ব্যানারে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে লক্ষ্মীপুর ও আশেপাশের এলাকার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তার ওপর বাঁশ বেঁধে ও শুয়ে এবং টায়ার ও কাঠে আগুন জ্বালিয়ে বিকেল সোয়া ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দিয়ে বিক্ষোভকারীরা জানান, খুনিরা ধরা না পড়লে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আবারও রাস্তা বন্ধ করে আরও কঠোর আন্দোলন শুরু করা হবে।

মানববন্ধনে উপস্থিত নিহতের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে একটি প্রভাবশালী মহল পুরো বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও প্রশাসন দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি।

"কোনো রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় বা প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে মামলা রুজু ও তদন্ত প্রক্রিয়া ব্যাহত করা যাবে না। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে যদি সকল খুনিকে আইনের আওতায় আনা না হয়, তবে কুলিয়ারচরে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।"

এর আগে গত ১১ জুলাই শনিবার জুয়েল মিয়ার জানাজা শেষে লাশ দাফনের আগে খাটিয়া কাঁধে নিয়ে শত শত মানুষ লক্ষ্মীপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে বুধাইবাড়ি পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন। দফায় দফায় বিক্ষোভ সত্ত্বেও কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জুলাই শুক্রবার বিকেলে জুয়েল মিয়া তার এক বন্ধুর ডিমের গাড়িতে চড়ে আগরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে লক্ষ্মীপুর বাজারের দিকে আসছিলেন। গাড়িটি গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের বড়চারা বাজারের ১০০ গজ পশ্চিমে পৌঁছালে ওত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত সেটির গতি রোধ করে। তারা জুয়েলকে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে নামিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তায় এলোপাতাড়ি মারধর করে চলে যায়। এসময় পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এলাকাবাসীর দাবি, লক্ষ্মীপুর ও বড়চারা এলাকার কয়েকজন যুবকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। তবে নিহত জুয়েল সম্পূর্ণ নিরপরাধ ছিলেন এবং ওই বিরোধের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। তিনি গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর বুধাইবাড়ি গ্রামের অটোরিকশা চালক মো. কুদ্দুস মিয়ার ছেলে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন জানান, "হত্যার কারণ উদঘাটন এবং প্রকৃত দোষীদের সনাক্ত ও গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%