বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০০ পি.এম
রাশিয়া ইরানের কাছে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা বিক্রির জন্য সম্মতি প্রদান করেছে। এই লঞ্চারগুলো হেলিকপ্টার থেকে পরিচালিত হয় এবং এর মাধ্যমে নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা সম্ভব। ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীও এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের উৎপাদনসংক্রান্ত নথিতে ‘এপিইউ-এল’ মডেলের ৯০টি লঞ্চারের রপ্তানির আদেশের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সেখানে ক্রেতার নাম সরাসরি উল্লেখ না করে ‘কে-১০’ সাংকেতিক পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নথিতে এই সংকেত দিয়ে ইরানকে বোঝানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, এসব সরঞ্জাম ইতোমধ্যে ইরানের কাছে পৌঁছেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
লঞ্চারগুলো রাশিয়ার এমআই-২৮ মডেলের আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে স্থাপন করা যায়। প্রতিটি লঞ্চারে দুটি করে ‘এলএমইউআর’ নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। আকাশে উড্ডয়নের সময়ও এসব ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পরিবর্তন করা সম্ভব। ফলে চলমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়।
এফটির প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছে মস্কো। ‘সি৪৩০এল’ নামের একটি গোপন প্রকল্পের আওতায় রুশ প্রকৌশলীরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করেছেন। সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ভবিষ্যতে পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এর আগে ইরানের কাছ থেকে শাহেদ ড্রোন সংগ্রহ করেছিল রাশিয়া। পাশাপাশি ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে মস্কো সহযোগিতা করছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই ঘনিষ্ঠ হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য প্রভাবশালী শক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাই ক্রেমলিনের অন্যতম লক্ষ্য।
এ কারণে রুশ সামরিক সহায়তায় ইরানের সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা আঞ্চলিক সংঘাতের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবশেষে এক টেবিলে উপস্থিত হলেন দুই ‘বব’। তারা উভয়ই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম অঞ্চলের বাসিন্দা। একজন ‘বব’ হলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী বব ডিলান, যিনি মিনেসোটায় জন্মগ্রহণ করেন। অপর ‘বব’ হলেন পোপ লিও চতুর্দশ, যিনি ইলিনয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন। পোপের পারিবারিক নাম রবার্ট প্রেভোস্ট, যাকে সাধারণত বব নামে ডাকা হতো। বুধবার ভ্যাটিকানের অ্যাপোস্টোলিক প্যালেসে কবি ববের সঙ্গে পুরোহিত ববের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পোপ ঐতিহ্যবাহী সাদা ধর্মীয় পোশাক পরিধান করেছিলেন এবং বব ডিলান পরেছিলেন একটি কালো কোট, কালো গ্লাভস ও একটি কালো হুডি।
ঐতিহাসিক এই সাক্ষাতের মধ্যস্থতা করেন রেভারেন্ড আন্তোনিও স্পাদারো। তিনি ভ্যাটিকানের একজন কর্মকর্তা, যিনি চার্চের সঙ্গে বৃহত্তর সংস্কৃতির সেতুবন্ধন তৈরির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। চলতি বছরের শুরুতে পোপ লিওর সঙ্গে পাত্তি স্মিথের একটি বৈঠকেরও ব্যবস্থা করেছিলেন স্পাদারো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘ইতিহাসের অংশ হওয়া এমন একটি ঐতিহাসিক সাক্ষাতের মুহূর্তটিতে আবেগময় হয়ে না পড়াটা কঠিন ছিল। অ্যাপোস্টোলিক প্যালেসের প্রতিটি পদক্ষেপে মনে হচ্ছিল, এখানে যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে!’
৭১ বছর বয়সী পোপ লিও, যিনি শিকাগোয় জন্মগ্রহণ করেছেন, বব ডিলানের গানের ভাণ্ডার সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত। গত জুলাই মাসে প্রকাশিত তার বক্তব্য ও চিন্তাভাবনার একটি বইয়ের ভূমিকায় তিনি ১৯৬৩ সালের ডিলানের একটি অপ্রকাশিত গান ‘গো অ্যাওয়ে ইউ বোম্ব’-এর উদ্ধৃতি দিয়েছিলেন। ১৯৬৩ সালের গানটি ছিল মূলত পারমাণবিক অস্ত্রবিরোধী একটি প্রতিবাদী গান। বর্তমান পোপ লিওও ইরান যুদ্ধের তীব্র সমালোচনা করে আসছেন এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে ক্যাথলিক চার্চের বিরোধিতার ওপর জোর দিয়েছেন।
এটি ডিলানের প্রথম পোপের সঙ্গে সাক্ষাৎ নয়। ১৯৯৭ সালে ইতালির বোলোনিয়ায় পোপ জন পল দ্বিতীয়-এর উপস্থিতিতে একটি চার্চের অনুষ্ঠানে ডিলান তার কিছু বিখ্যাত গান পরিবেশন করেছিলেন। সে সময় পোপ জন পল দ্বিতীয় ডিলানের একটি বিখ্যাত গানের লাইন উল্লেখ করে বলেছিলেন, “তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলে— একজন মানুষকে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আগে তাকে কতগুলো পথ পাড়ি দিতে হয়? আমি তোমাকে উত্তর দিচ্ছি : একটি! মানুষের জন্য কেবল একটি পথ রয়েছে আর তা হলো খ্রিস্ট, যিনি বলেছিলেন- ‘আমিই পথ’।”
ভ্যাটিকানের নিজস্ব সংবাদপত্রের পক্ষ থেকেও এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে ডিলানের প্রকৃত নাম ব্যবহার করে বলা হয়েছে যে, ’পোপ জনাব রবার্ট অ্যালেন জিমারম্যানকে এক ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে স্বাগত জানিয়েছেন।’ সূত্র: সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার নারায়ণপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব ও আলোচিত ইসলামি বক্তা পীর মুফতী গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরীর পূর্ব নির্ধারিত বহুল প্রচারিত মাহফিলের আয়োজনের বিরুদ্ধে উত্তেজনা ও বাধা সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালানো হয়। তবে শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মাহফিলটি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় কওমি আলেমদের এবং একটি পক্ষের তীব্র বিরোধিতা ও একই স্থানে পাল্টা মাহফিল ডাকার ফলে এলাকায় একপর্যায়ে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের ব্যাপক প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় সুন্নী মহাসম্মেলনটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
গত ৩ নভেম্বর কাঙ্গালিয়া মাদ্রাসা ময়দানে কওমি আলেম ও বেলাব থানা হেফাজতের সভাপতি মুফতী আনোয়ার হোসেন চিশতীর পক্ষ থেকে মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরীর মাহফিল বন্ধের দাবিতে একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। একই সাথে তাহেরীর মাহফিলের নির্ধারিত স্থানে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমানকে প্রধান অতিথি এবং মুফতী লুৎফর রহমান ফরায়েজীকে বিশেষ অতিথি করে পাল্টা হেফাজতে ইসলাম বেলাব শাখার উদ্যোগে ইসলামি মহাসম্মেলনের আহ্বান জানানো হয়, যা ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হলে নারায়ণপুরের সাধারণ বাসিন্দা ও আয়োজকেরা সবাইকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান। তারা পূর্ব নির্ধারিত কেন্দ্রীয় কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠের এই ১২তম বার্ষিক সুন্নী মাহফিল সফল করতে দৃঢ় অবস্থান নেন।
আয়োজক কমিটি প্রশাসনকে অবগত করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দিনের আলোতেই (সকাল ৯টা থেকে বাদ আছর পর্যন্ত) মাহফিলের কার্যক্রম এগিয়ে নেয়।
জোহর নামাজের পর পর ভৈরব থেকে বিশাল গাড়ি বহর নিয়ে হাজার সুন্নী জনতাকে নিয়ে মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরী মাহফিল স্থলে প্রবেশ করেন। তিনি ৩০ মিনিটের মতো ঈমান, ইসলাম ও ওলি আউলিয়াদের জীবন দর্শন থেকে শিক্ষনীয় আলোচনা উপস্থাপন করেন। বাংলাদেশের যুবসমাজকে উগ্রতা, প্রতিহিংসা, মাদক ও সন্ত্রাসের পথ ত্যাগ করে দেশ ও ধর্ম সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে নবী প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সুন্নতী জীবন গঠনের আহ্বান জানান।
মাহফিল শেষে ব্যক্তিগত ফেইসবুক আইডিতে ছবি ও ভিডিওসহ দুটি ভিন্ন ফেইসবুক পোস্টে তিনি লেখেন- “তাকে বলে দিও আমি এসেছিলাম। ধন্যবাদ নারায়নপুরবাসীসহ বেলাব, রায়পুরা, নরসিংদী জেলার আপামর সুন্নী জনতাকে। আগামীর প্রত্যেকটা জবাব এভাবেই হবে। ইনশাআল্লাহ”।
“উগ্রতা ও চরমপন্থাকে লাল কার্ড
“শান্তি ও সম্প্রীতিকে ইয়েস কার্ড”।
তাহেরীর ভক্ত ও মাহফিলে উপস্থিত সুন্নী জনতা বলেন, আমরা শান্তিপ্রিয় সুন্নী জনতা, সরকার ও প্রশাসন আমাদের সম্পর্কে অবগত আছেন। আমরা কখনোই সমাজ ও রাষ্ট্রে অশান্তি সৃষ্টি হোক, এমনটি চাই না। তবে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করে এই শান্তিপূর্ণ মাহফিল বন্ধ করা যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংগঠন এআইএস ক্লাবের ২০২৬-২৭ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. ইয়াসিন মাহাবুব রিয়াদ এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন একই ব্যাচের শাহ পরান পাপ্পু।
নির্বাচনে ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. রাজু আহমেদ কোষাধ্যক্ষ এবং তাহসিব হাসান জিহাদ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয় বিশ্বাস নির্বাচিত হতে পারেননি।
নবগঠিত কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্যদের মধ্যে ১৬তম ব্যাচ থেকে এআইএস ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং অ্যান্ড ডিবেটিং উইংয়ে (এআইএস এলএলডিডব্লিউ) মো. আতিউর ইসলাম, এআইএস স্পোর্টস উইংয়ে (এআইএস এসডব্লিউ) মো. আসিফ হাসান শুভ, এআইএস কালচারাল অ্যান্ড হেরিটেজ উইংয়ে (এআইএস সিএইচডব্লিউ) নাজমুস সাকিব এবং এআইএস ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট উইংয়ে (এআইএস সিডিডব্লিউ) মিখান দেবনাথ নির্বাচিত হয়েছেন।
১৭তম ব্যাচ থেকে এআইএস এলএলডিডব্লিউয়ে মাহিনুর আক্তার লিপি, এআইএস এসডব্লিউয়ে মো. রাসেল উদ্দিন, এআইএস সিএইচডব্লিউয়ে নিপন কাইরি এবং এআইএস সিডিডব্লিউয়ে রিয়াদ হাসান কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
এ ছাড়া ১৮তম ব্যাচ থেকে এআইএস এলএলডিডব্লিউয়ে মো. শাহাদাত হোসেন শাওন, এআইএস এসডব্লিউয়ে আবদুর রহমান, এআইএস সিএইচডব্লিউয়ে উজায়ের সাবিক এবং এআইএস সিডিডব্লিউয়ে জিহান আল ফুয়াদ নির্বাচিত হয়েছেন।
নবনির্বাচিত সহসভাপতি মো. ইয়াসিন মাহাবুব রিয়াদ বলেন, “এআইএস ক্লাবের নতুন কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়া আমাদের জন্য আনন্দের পাশাপাশি একটি বড় দায়িত্বও। ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও নেতৃত্বের বিকাশে কাজ করতে চাই। বিভাগের সব শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে একাডেমিক জ্ঞানচর্চা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও ক্যারিয়ার উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনারের স্বাক্ষরিত ফলাফলে এসব তথ্য জানানো হয়। নবগঠিত কমিটি ২০২৬-২৭ মেয়াদে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে না পারায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা, ২৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ প্রদান করেছে। পাশাপাশি, এসব প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদের বোর্ডের জরুরি সভায় সশরীরে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) কুদরাত-ই-খোদার স্বাক্ষরিত একটি নোটিশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের এই নির্দেশনা পাঠানো হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কেন বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। এ জন্য আগামী মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বোর্ডের সভাকক্ষে অধ্যক্ষদের সশরীরে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গত পাঁচ বছরের প্রশাসনিক ও একাডেমিক সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা বোর্ডের শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে— খিলগাঁওয়ের ই. হক কলেজ, সবুজবাগের সিটি মডেল কলেজ, এশিয়ান আইডিয়াল কলেজ, ফরিদপুরের কবি জসীমউদ্দীন হাই স্কুল, মেঘচামী আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কাজী সিরাজুল ইসলাম গার্লস হাই স্কুল, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গাজীপুরের জালাল উদ্দিন মাস্টার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গোপালগঞ্জের দূর্বাশুর মডেল হাই স্কুল, কিশোরগঞ্জের সিটি কলেজ, লে. কর্নেল (অব.) করিম ভূঁইয়া কলেজ এবং আবুল কাশেম কলেজ।
এছাড়া, মানিকগঞ্জের ড. আব্দুর রহিম খান মহিলা কলেজ ও গোলাম মনির হোসেন মহিলা কলেজ; মুন্সিগঞ্জের মেদিনীমণ্ডল গার্লস কলেজ, রাজদিয়া অভয় পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও হাসাড়া কালীকিশোর হাই স্কুল; নারায়ণগঞ্জের নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ; রাজবাড়ীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আবদুল জব্বার কলেজ ও কাচারীপাড়া হাই স্কুল; শরীয়তপুরের নাগেরপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং টাঙ্গাইলের আলোয়া হাই স্কুল, খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমি, সিমলা পাবলিক হাই স্কুল ও সূর্য তরুণ শিক্ষাঙ্গন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ