রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৮ পি.এম
আজ (রোববার) প্রায় দেড় মাস পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হোম ক্রিকেটে। এই সভায় দেশের ক্রিকেটের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতি-নির্ধারণী এবং ভবিষ্যতের বড় সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিসিবির সংশ্লিষ্ট পরিচালকদের সূত্র অনুযায়ী, আজকের এজেন্ডায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিশেষ করে জাতীয় দলের নেতৃত্ব, ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন ক্যালেন্ডার এবং বিপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আজকের সভা পুরো ক্রীড়াঙ্গনে তীব্র কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
এক নজরে আলোচনার শীর্ষ বিষয়সমূহ
বিপিএল নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত না হওয়ায় বোর্ডের নিজস্ব উদ্যোগে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি জমকালো টি-টোয়েন্টি লিগ আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, সে বিষয়ে আজ বোর্ড পরিচালকদের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর হাজার হাজার সন্দেহভাজন সদস্যের বিচার ও আইনি প্রক্রিয়ার দায়িত্ব ইরাক গ্রহণ করার প্রেক্ষাপটে রোববার দেশটিতে ছয় ফরাসি নাগরিকের বিচার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইরাকের কারাগারগুলোতে ইতোমধ্যে আইএসের বহু সন্দেহভাজন সদস্য আটক রয়েছে। গত বছর থেকে প্রতিবেশী সিরিয়ার কারাগারগুলো থেকে আরও হাজার হাজার বন্দিকে ইরাকে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এক বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার এএফপিকে জানান, ছয় ফরাসি নাগরিকের রোববার বিচার শুরু হবে।
তবে তাঁদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তাঁরা গত বছর সিরিয়া থেকে ইরাকে স্থানান্তরিত ৪৭ জন ফরাসি নাগরিকের একটি দলের সদস্য।
এই বড় দলের মধ্যে আদ্রিয়েন গিহালও রয়েছেন। তিনি ২০১৬ সালে ফ্রান্সের নিস শহরে হামলার দায় আইএসের পক্ষে স্বীকার করেছিলেন।
২০১৪ সালে আইএস সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়। ওই সময় গোষ্ঠীটি ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালায় এবং নারী ও কিশোরীদের যৌন দাসত্বে বাধ্য করে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সহায়তায় ইরাক ২০১৭ সালে আইএসের বিরুদ্ধে বিজয় ঘোষণা করে। এর দুই বছর পর কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) সিরিয়াতেও গোষ্ঠীটির সামরিক পরাজয় নিশ্চিত করে।
তবে আইএসের রেখে যাওয়া সহিংসতার উত্তরাধিকার এখনো ইরাককে মোকাবিলা করতে হচ্ছে। গণকবর এবং আইএসের নৃশংসতার বহু সাক্ষ্য এখনো তদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
বছরের পর বছর ধরে ইরাকের আদালত সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শত শত মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে। এসব দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে বিদেশি যোদ্ধারাও রয়েছেন।
বিতর্কিত বিষয়
২০১৯ সালে ১১ জন ফরাসি নাগরিককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁদের সাজা পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
কিছু মানবাধিকার সংগঠন ইরাকে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত বিচারকে তড়িঘড়ি করা এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার ঘাটতি রয়েছে বলে সমালোচনা করেছে।
ফ্রান্স নিজেও জিহাদি হামলার বারবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এ কারণে আইএসের সন্দেহভাজন সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দেশে ফিরিয়ে আনা বা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত হয়ে আছে।
বৃহস্পতিবার ফরাসি আইনজীবীরা ইরাকে আটক ফরাসি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের আশঙ্কা, ইরাকে এসব ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ৬০টিরও বেশি দেশের ৫ হাজার ৭০০-এর বেশি আইএস সন্দেহভাজন বন্দিকে ইরাকে স্থানান্তর করে।
এই বন্দিরা এর আগে কয়েক বছর ধরে কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা সিরিয়ার কারাগারে আটক ছিলেন।
স্থানান্তরিত বন্দিদের মধ্যে অন্তত পাঁচজন ফরাসি নাগরিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের বয়স নাবালক ছিল, যখন তাঁদের বাবা-মা আইএসে যোগ দিয়েছিলেন।
চলতি মাসের শুরুতে ইরাকের বিচার বিভাগ জানায়, এসব বন্দির জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো এখন বিচারের দিকে এগোবে।
ইরাকের বিচার বিভাগ আরও জানিয়েছে, তদন্তে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় ৪৫০ জনের বেশি সিরীয় নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হবে।
এর আগে এপ্রিল মাসে সন্দেহ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর ইরাক দুই বিদেশি নাগরিককে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠায়। তাঁদের একজন ফিনল্যান্ডের এবং অন্যজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যানবাহন বিকল হওয়া এবং সাধারণ পথচারীদের আহত হওয়ার ঘটনা এখন প্রতিদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কের ছোট-বড় খানাখন্দে গাড়ির উল্টে পড়া যেন একটি নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। প্রকাণ্ড গর্তে পড়ে বিকল হয়ে একটি কাভার্ডভ্যানসহ দুটি যাত্রীবাহী গাড়ি দিনভর আটকে থাকার ঘটনাও ঘটেছে। ঈশ্বরদী ইপিজেডে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান টিপু সুলতান সড়ক-এ প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। পৌর প্রশাসনে বছরের পর বছর পরিবর্তন এলেও প্রথম শ্রেণির এই পৌর শহরের অবহেলিত সড়কটির ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। অত্যন্ত ব্যস্ততম এই সড়কটি এখন স্থানীয় এবং পথচারীদের জন্য এক আতঙ্কের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, দেশে যখন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে, ঠিক তখনই সেই অঞ্চলে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান এই সড়কটি অবহেলায় পড়ে রয়েছে। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ঈশ্বরদী ইপিজেডে কর্মরত হাজার হাজার দেশি-বিদেশি শ্রমিক ও কর্মকর্তা চলাচল করেন। এ ছাড়া গণপরিবহন, পণ্যবাহী ট্রাক, বালুবাহী ড্রামট্রাকসহ হাজার হাজার যানবাহন দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা এই পথ দিয়ে যাতায়াত করে।
কিন্তু গত ১০ বছর ধরে রাস্তাটির সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। গত ৬ মাস ধরে টেন্ডার আহ্বানের কথা বলা হলেও কার্যত তার কোনো অগ্রগতি নেই। সড়কের পাশে কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। মাসের পর মাস ধরে হাঁটু পানি ও কাদায় একাকার হয়ে থাকা এই সড়কে আরও একটি বর্ষাকাল পার হতে চললেও স্থায়ী কোনো সমাধান মেলেনি।
স্থানীয় বাসিন্দা তানজিরুল আলম মিটো বলেন, "এমনিতেই রাস্তা ভাঙাচোরা, তার ওপর ঝোপঝাড়ের কারণে সন্ধ্যার পর চলাচল করা যায় না।" ড্রেন না থাকায় বৃষ্টির পানি রাস্তাতেই জমে থাকে। গর্তে পানি জমে থাকার কারণে প্রায়ই যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনাকবলিত হচ্ছে।
জানা গেছে, টিপু সুলতান রোডটি ঈশ্বরদী শহর থেকে সাঁড়াগোপালপুর, বকশিরচক তালতলা হয়ে ঈশ্বরদী ইপিজেড, পাকশী পেপার মিল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং লালন শাহ সেতু পর্যন্ত বিস্তৃত। সড়কটির প্রায় ২ কিলোমিটার অংশ পৌরসভার, কিছু অংশ রেলওয়ের এবং অবশিষ্ট অংশ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন।
ইপিজেডে যাতায়াতকারী চালক ও শ্রমিকরা জানান, প্রতিদিন ভাঙা রাস্তায় গাড়ি উল্টে বা বিকল হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে থাকে, যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল জব্বার জানান, "ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ওজনের ভারী যানবাহন চলাচলের কারণেই মূলত রাস্তাটি দ্রুত নষ্ট হচ্ছে।" এ ছাড়া কয়েক বছর আগে রাস্তার পাশ দিয়ে নতুন রেললাইন স্থাপনের সময়ও সড়কটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঈশ্বরদী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার বিশ্বাস জানান, "প্রকল্পের আওতায় সড়কটির সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে। বর্ষা মৌসুম পার হলেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাস্তা নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হবে।"
ঈশ্বরদী পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (পিএনও) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, "এই সড়কের যান চলাচলের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ২০ টন। অথচ প্রতিদিন অতিরিক্ত ওজনের বালুবাহী ড্রামট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তাটি মেয়াদের আগেই ধ্বংস হয়ে গেছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বাবা-মাকে সন্তানের কোথায় যাওয়া, কার সঙ্গে মিশছে এবং বন্ধুমহল সম্পর্কে খোঁজখবর রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার একমাত্র সন্তান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে এই আহ্বান জানান।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান উল্লেখ করেন, "সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, তার বন্ধু সার্কেল কেমন, সেটার খোঁজখবর রাখা আমাদের প্রত্যেক বাবা-মায়ের দায়িত্বও বটে।" কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার একমাত্র সন্তান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড সেটি আমাদের আরও স্মরণ করিয়ে দেয়।
তিনি জানান, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে পুলিশ যে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে, তারা এলাকায় কিশোর গ্যাং হিসেবে পরিচিত। সিসিটিভি ফুটেজে হত্যাকাণ্ডের শিকার অপ্রতিমকে ঘাতক তুহিনের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে দেখা যায়।
রাশেদ খান আরও বলেন, "আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, অপ্রতিম একটু সিনিয়র ক্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে পছন্দ করত।" সেই জায়গা থেকে তুহিনদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয়। তিনি জানান, "আমরাও ছোটবেলায় এলাকার বড় ভাইদের সঙ্গে ওঠাবসা করেছি। কিন্তু এলাকার খারাপ ছেলেদের থেকে সবসময় দূরে থাকার চেষ্টা করেছি।" এ ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের শাসন ও নৈতিক নির্দেশনাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তিনি বলেন, দেশের সব এলাকাতেই তুহিনদের মতো কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত রয়েছে। তারা ফেসবুকে চটকদার ছবি ও সিনেমাটিক ভিডিও প্রকাশ করে অল্পবয়সী তরুণদের আকৃষ্ট করে নিজেদের দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করে।
রাশেদ খান বলেন, গণমাধ্যমের খবরে এসেছে, আইফোনের লোভ দেখিয়ে ছবি তোলার কথা বলে তারা শিশু অপ্রতিমকেও বিভ্রান্ত করে ঘর থেকে বের করে আনে। তিনি উল্লেখ করেন, "বাবা-মায়ের কর্মব্যস্ততার কারণে হয়তো শিশুটির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ তৈরি হওয়ার বিষয়টি বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি।"
তিনি বলেন, অপ্রতীমের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কিশোর গ্যাং নির্মূলের বার্তা দেয়। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। "নতুবা আগামীকাল আপনার-আমার সন্তানের পরিণতিও অপ্রতীমের মতো হতে পারে।"
এরপর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব নিয়ে মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, "সব ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়ী করতে পারেন, যেহেতু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে।" কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বর্তমানে বিরোধী দলের দেশব্যাপী নিত্যনতুন কর্মসূচির নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত থাকবে, নাকি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা রোধে মনোযোগ দেবে, নাকি সামাজিক অপরাধ বন্ধে বেশি গুরুত্ব দেবে? কোথায় অগ্রাধিকার থাকা দরকার?
কারণ, জনসংখ্যার অনুপাতে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। ১৬ বছরে বাহিনীগুলোকে দলীয়করণ করার অপচেষ্টার ইতিহাসও কারও অজানা নয়।
তিনি বলেন, "এ কারণে যেখানে বিরোধী দলের দায়িত্ব ছিল ১৬ বছর ধরে তৈরি হওয়া জঞ্জাল, অপসংস্কৃতি, অপরাধ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দমনে সরকারকে সহযোগিতা করা, সেখানে উলটো অসহযোগিতার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক করে ক্ষমতায় যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।" আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ বাসে আগুন দিচ্ছে, ককটেল মারছে। আবার জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল এক দফার হুমকি দিয়ে রাজপথ গরম করছে।
রাশেদ খান বলেন, "অর্থাৎ বিএনপি সরকারকে একসঙ্গে দুটি বিরোধী দলের অপতৎপরতা সামলিয়ে দেশ চালাতে হচ্ছে।" এটি সরকার ও রাষ্ট্রের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে সরকারকে সহযোগিতার বিকল্প নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বাসটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে। তবে, এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকার পলিটেকনিকের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রায় ২০ মিনিটের চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র অফিসার মো. হাবিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানিয়েছেন, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কেউ আগুন দিয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত জব্দ করেছে। তদন্ত শেষে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, দুর্বৃত্তরা বাসে আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। তাদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ