মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩১ পি.এম
চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এতে ভর্তি হতে প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্যটি প্রকাশ করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘ভর্তি আবেদনের টেকনিক্যাল দিকগুলো বুয়েট দেখছে। আমরা তাদের কাছ থেকে একদম সুনির্দিষ্ট সংখ্যাটা জানতে পারিনি। আমাদের সিস্টেম অ্যানালিস্টরাও তথ্যটা হাতে পাননি। মৌখিকভাবে জেনেছি, প্রায় ১০ লাখের মতো শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তির আবেদন করেছে। আমরা শিগগিরই কোন শিক্ষার্থী কোন কলেজে মনোনয়ন পেল, সেই তালিকা প্রকাশ করব।’
বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২-১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইন আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়।
ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চয়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। অনলাইন আবেদন, ফল প্রকাশ, শিক্ষার্থী নির্বাচন ও নিশ্চয়ন প্রক্রিয়ার পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ২০-২২ সেপ্টেম্বর।
এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর সারাদেশে একযোগে ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে একই দিন ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ছুটি পড়লে পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর সারাদেশে একযোগে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘বার্নি অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ সিরিজের সেই ছোট্ট মেয়েটি, যিনি ২০০২ সালে টেলিভিশন জগতে প্রবেশ করেছিলেন, তখন হয়তো অনেকেই ধারণা করেননি যে তিনি একদিন রেড কার্পেটের ফ্যাশন আইকন হয়ে উঠবেন। তিনি সেলেনা গোমেজ। সময়ের সাথে সাথে অভিনয় এবং ফ্যাশন—দুই ক্ষেত্রেই যিনি নিজেকে রূপান্তরিত করেছেন এক অসাধারণ অভিজ্ঞতায়।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এমি অ্যাওয়ার্ডসের মঞ্চে যখন তিনি উপস্থিত হলেন, তখন সোনালি ধাতব পুঁতি খচিত ‘লুই ভিতোঁ’র কাস্টম মারমেইড গাউন তাকে রাজকন্যার মতো দেখাচ্ছিল। স্টাইলিস্ট এরিন ওয়ালশের দক্ষতার ছোঁয়া এবং টিফানি অ্যান্ড কোং-এর বিলাসবহুল হীরা ও সোনার অলঙ্কারে গোমেজের উপস্থিতি কেবল গ্ল্যামারের প্রকাশ নয়, বরং ক্যারিয়ারের দুই দশক পার করা এক পরিপক্ক শিল্পীর সাবলীল ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন।
জনপ্রিয় হুলু সিরিজ ‘অনলি মার্ডারস ইন দ্য বিল্ডিং’-এর সঙ্গে সেলেনার যাত্রা তার এমি জার্নিকে নতুন মাত্রা প্রদান করেছে। ২০২২ সালে প্রথমবার নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে এমি মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে প্রতি বছর রেড কার্পেটে তার উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া।
এবারের এমি আসরেও ‘লুই ভিতোঁ’র পোশাক ও বিশেষ কাস্টম গহনায় তিনি ছড়ালেন সেই পরিচিত দ্যুতি। তবে এই অনবদ্য ফ্যাশন যাত্রার আড়ালে রয়েছে এক ফোঁটা মনখারাপের সুর—‘অনলি মার্ডারস ইন দ্য বিল্ডিং’ সিরিজের শেষ সিজনের শুটিং শেষ হয়ে গেছে। এর মানে, রেড কার্পেটে গোমেজের এই পরিচিত গ্ল্যামার দেখার সুযোগ হয়তো এবার শেষ হতে চলেছে। বিনোদনপ্রেমীরা এখন নতুন কোনো কাজের অপেক্ষায় রয়েছেন, যেখানে আবারও দেখা মিলবে সেলেনার এই রূপালী আভিজাত্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৭৫ বছর বয়সী কিংবদন্তি অভিনেত্রী জিন স্মার্ট ‘হ্যাকস’ নামক জনপ্রিয় কমেডি সিরিজের মাধ্যমে টেলিভিশনের ইতিহাসে একটি নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তিনি এই শোটির পাঁচটি সিজনের প্রতিটিতে সেরা প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে এমি পুরস্কার জিতে নেওয়ার একটি অনন্য ও অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়েছেন। এটি প্রথমবারের মতো ঘটল, যেখানে কোনো শিল্পী তার অভিনীত সিরিজের প্রতিটি সিজনের জন্য এমিতে সেরা অভিনয়শিল্পীর খেতাব অর্জন করলেন।
লস অ্যাঞ্জেলেসে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত জমকালো আয়োজনে ‘হ্যাকস’-এ লাস ভেগাসের কমেডিয়ান ডেবোরা ভ্যান্স চরিত্রের জন্য জিন স্মার্ট এই স্বীকৃতি লাভ করেন। মঞ্চে ওঠার সময় দর্শকেরা দাঁড়িয়ে তাকে অভিবাদন জানান। তার ক্যারিয়ারে এটি মোট আটটি এমি ট্রফি, যা তাকে ক্লোরিস লিচম্যান ও জুলিয়া লুই-ড্রেইফাসের সাথে যৌথভাবে সর্বকালের সর্বোচ্চ এমিজয়ী পারফর্মারের আসনে বসিয়ে দিয়েছে।
প্রতিদ্বন্দ্বী এল ফ্যানিং ও লিসা কুড্রোদের পেছনে ফেলে জয়ী হওয়া জিন স্মার্ট তার পুরস্কারটি সিরিজের নির্মাতা দল—লুসিয়া অ্যানিয়েলো, জেন স্ট্যাটস্কি এবং পল ডব্লিউ ডাউনসকে উৎসর্গ করেন। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘সবকিছু তাদের দিয়েই শুরু এবং শেষ হয়। কী দারুণ এক যাত্রা ছিল এটি!’
জিন স্মার্ট কর্মজীবনে মোট ১৫টি এমি মনোনয়ন পেয়েছেন এবং ‘হ্যাকস’-এর আগে ‘ফ্রেজিয়ার’ ও ‘সামান্থা হু?’-এর জন্যও এমি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছিলেন। উল্লেখযোগ্য যে, ২০২১ সালে শুরু হওয়া ‘হ্যাকস’ সিরিজটি একটি প্রবীণ কমেডিয়ান ও এক তরুণ লেখকের সম্পর্ক নিয়ে নির্মিত, যা সমালোচকদের কাছে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়ে গত মে মাসে পঞ্চম সিজনের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাইজেরিয়ার ধনকুবের আলিকো ডাঙ্গোটে একটি বিশাল তেল শোধনাগারের অংশ সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এই শেয়ার বিক্রি থেকে সর্বোচ্চ ২১০ কোটি ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, আফ্রিকার ইতিহাসে এটি হতে পারে সবচেয়ে বড় শেয়ার বিক্রির উদ্যোগ।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে ডাঙ্গোটে শোধনাগারটির প্রায় ৩ শতাংশ মালিকানা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করবেন। তার উদ্দেশ্য, বড় ব্যবসায়ী বা ধনী বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি সাধারণ নাইজেরীয়রাও যেন এই শোধনাগারের সাফল্যের অংশীদার হতে পারেন। ডাঙ্গোটে বলেছেন, "দেশের সাধারণ মানুষের জন্য এই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করাই আমার অন্যতম উদ্দেশ্য।" শেয়ার কেনার সুযোগ পেয়ে অনেক নাইজেরীয় আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তাদের মধ্যে একজন ইসাহ সালিসু। তিনি বিবিসিকে জানান, শেয়ার কেনার জন্য তিনি নিজের সঞ্চয় থেকে ৫০ হাজার নাইরা, যা প্রায় ২৮ ডলারের সমান, তুলে নিয়েছেন।
আরো পড়ুন
৯০০ বছর আগে যে পথে বদলে গেল মালদ্বীপ
সালিসু তার আশা প্রকাশ করেছেন যে, বর্তমানে অল্প যে টাকা বিনিয়োগ করছেন, ভবিষ্যতে সেটির মূল্য অনেক বাড়বে। তিনি বলেন, "আমার আশা, আমার এই অল্প টাকা একদিন অনেক বড় হবে। আমি এই সুযোগ হারাতে চাই না। কারণ, আমার পরিচিত অনেক মানুষও বিনিয়োগ করছেন।" শেয়ার বিক্রির প্রক্রিয়া এক মাস চলবে। একজন বিনিয়োগকারীকে কমপক্ষে ১০টি শেয়ার কিনতে হবে, যার জন্য খরচ হবে প্রায় ৪ ডলার। অর্থনীতি ও ব্যবসা বিশেষজ্ঞ ড. আবদুলরাজাক ইব্রাহিম ফাগে এই উদ্যোগকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি নতুন বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, "শেয়ারের দাম কমে যেতে পারে। তখন বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগ করা অর্থের একটি অংশ হারাতে পারেন।"
ফাগে আরও বলেন, যারা প্রথমবার শেয়ার কিনছেন, তাদের উচিত নয় নিজেদের সব সঞ্চয় বিনিয়োগ করা। তিনি পরামর্শ দেন যে, আগামী কয়েক মাসে যে অর্থ প্রয়োজন হতে পারে, সেটিও শেয়ারে বিনিয়োগ না করার। তিনি বলেন, "এমন টাকা বিনিয়োগ করা উচিত, যা আগামী তিন, চার বা পাঁচ বছর না থাকলেও চলবে।" শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে প্রতারণা থেকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এই বিশেষজ্ঞ। তার আশঙ্কা, শেয়ারবাজার সম্পর্কে ভালোভাবে না জানা মানুষের সুযোগ নিয়ে কিছু ব্যক্তি প্রতারণা করতে পারে। ফাগে বলেন, "আমি মানুষকে পরামর্শ দেব, তারা যেন শুধু তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গেই লেনদেন করেন।"
আরো পড়ুন
জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে রাজি রাশিয়া-ইউক্রেন : ট্রাম্প
নাইজেরিয়া আফ্রিকার সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে একটি। তবে দীর্ঘদিন ধরে দেশটি তার প্রয়োজনীয় জ্বালানির বড় অংশ আমদানি করতে বাধ্য হয়েছে। এর প্রধান কারণ ছিল দেশে পর্যাপ্ত তেল শোধনের সক্ষমতার অভাব। এই পরিস্থিতিতে ডাঙ্গোটে শোধনাগার চালু হওয়ার পর দেশটির জ্বালানি খাতে বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০২৪ সালে শোধনাগারটিতে উৎপাদন শুরু হবে। বর্তমানে নাইজেরিয়ার মোট জ্বালানি চাহিদার ৭০ শতাংশের বেশি এই শোধনাগার থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। শোধনাগারটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় শোধনাগারগুলোর মধ্যে একটি। এর নির্মাণে এক দশকেরও বেশি সময় লেগেছে।
৬৭ বছর বয়সী আলিকো ডাঙ্গোটে নাইজেরিয়ার অন্যতম ধনী ব্যক্তি। কানোতে জন্ম নেওয়া এই ব্যবসায়ীর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৮০০ কোটি ডলার বলে জানিয়েছে ফোর্বস সাময়িকী। সিমেন্ট ও চিনি ব্যবসার মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হন। পরে নাইজেরিয়ার বাইরে আফ্রিকার আরও ১৬টি দেশে তার ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ে। তার প্রতিষ্ঠান ডাঙ্গোটে সিমেন্ট বর্তমানে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় সিমেন্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। তেল শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনা ডাঙ্গোটে প্রথম ২০১৩ সালে ঘোষণা করেন। তখন প্রকল্পটির সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। তবে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে প্রকল্পটির কাজ আরও পিছিয়ে যায়।
আরো পড়ুন
৯০০ বছর আগে যে পথে বদলে গেল মালদ্বীপ
লাগোসের কাছে লেক্কি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে শোধনাগারটি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় সেখানে বিপুল পরিমাণ জমি ভরাট করতে হয়েছে। এ কাজে প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ ঘনমিটার বালু সরানো হয়েছে। শোধনাগারটিতে প্রতিদিন ৬ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল শোধন করার সক্ষমতা রয়েছে। সক্ষমতার দিক থেকে এটি বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম শোধনাগার। ডাঙ্গোটে শেয়ার বিক্রি করে পাওয়া অর্থ ব্যবহার করে শোধনাগারটির উৎপাদন সক্ষমতা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন। প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে শোধনাগারটির উৎপাদন সক্ষমতা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
আরো পড়ুন
জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে রাজি রাশিয়া-ইউক্রেন : ট্রাম্প
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ৯ বছরের বিরতি কাটিয়ে এমি অ্যাওয়ার্ডসের রেড কার্পেটে আবারও দেখা গেল হলিউডের তারকা নিকোল কিডম্যানকে। তিনি অ্যাপল টিভি প্লাসের জনপ্রিয় কমেডি সিরিজ ‘মার্গোস গট মানি ট্রাবলস’-এর নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে ‘আউটস্ট্যান্ডিং কমেডি সিরিজ বিভাগে’ মনোনীত হয়ে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘ সময় পর এমির মঞ্চে তার উপস্থিতি ফ্যাশনপ্রেমীদের মধ্যে বিশেষ উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
রেড কার্পেটে কিডম্যানের সাজপোশাক ছিল সত্যিই নজরকাড়া। সিল্ক ক্রেপ, সিল্ক অরগ্যাঞ্জা এবং রাফিয়ার সমন্বয়ে তৈরি ৪৬টি সাদার সূক্ষ্ম শেডের ফুল দিয়ে অলঙ্কৃত একটি বিশেষভাবে তৈরি সাদা বাস্টিয়ার ড্রেস পরিধান করেছিলেন তিনি। পোশাকটির কোমল ফুলের সাথে সুগঠিত গঠনের চমৎকার বৈপরীত্য উপস্থিত সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পোশাকের সঙ্গে কিডম্যানের গহনার নির্বাচনও ছিল মার্জিত। ১৮ ক্যারেট হোয়াইট গোল্ড ও হীরার সিগনেচার কানের দুল, একটি কালো ল্যাকারের প্রিন্ট আংটি এবং হীরার রুবান আংটিতে তার লুক সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে। তার পরিপাটি খোঁপা করা চুল গহনাগুলোর দ্যুতিকে আরো স্পষ্ট করে তোলে।
তবে, নিখুঁত পোশাক ও গহনার সাথে তার ব্যবহৃত কালো সাটিনের পাম্প জুতো জোড়া কিছুটা বেমানান মনে হচ্ছে ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের কাছে। তাদের মতে, কালো জুতোর পরিবর্তে একটি হালকা রুপালি স্যান্ডেল এই ধ্রুপদী সাজকে আরো বেশি পূর্ণতা দিতে পারত। তবুও, ৯ বছর পর এমির আঙিনায় নিকোল কিডম্যানের উপস্থিতি ছিল সন্ধ্যার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ