বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৩৭ পি.এম
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা হচ্ছে।
অনলাইন ডেস্কের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে ০২ জুলাই, ২০২৬ তারিখে সকাল ১২:১৫ মিনিটে।
বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগতভাবে বিস্তৃত হচ্ছে। এই বিস্তৃত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে।
দেশীয় বাজারে মার্কিন ডলারসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মূল্য সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আজকের (০২ জুলাই ২০২৬) মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম: বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার: ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা
ইউরো: ১৩৯ টাকা ৭৫ পয়সা
পাউন্ড: ১৬৩ টাকা ০৩ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার: ৮৬ টাকা ৪০ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ৮৪ টাকা ৬৫ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন: ১৮ টাকা ০৮ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার: ৯৪ টাকা ৭৪ পয়সা
ভারতীয় রুপি: ১ টাকা ২৮ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত: ৩০ টাকা ১৭ পয়সা
সৌদি রিয়াল: ৩২ টাকা ৮৩ পয়সা
কাতারি রিয়াল: ৩৩ টাকা ৮১ পয়সা
কুয়েতি দিনার: ৩৯৮ টাকা ৪৮ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম: ৩৩ টাকা ৫৬ পয়সা
মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলা বাজার ও অফিসিয়াল রেটের মধ্যে ব্যবধান অনেকটাই কমেছে। বিগত এক মাসে ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে। এই পরিস্থিতি আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক মনে হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে গত ১২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শুষ্ক জুন মাস অতিবাহিত হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯০১ সাল থেকে বৃষ্টি পরিমাণের হিসাব রাখা শুরু করার পর এটি পঞ্চম সবচেয়ে শুষ্ক জুন মাস ছিল। এক্ষেত্রে, জুলাই মাসেও স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টির পূর্বাভাস ঘোষণা করা হয়েছে, যা কৃষকদের মাঝে উদ্বেগ বৃদ্ধি করছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রকাশিত তথ্যে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের শেষ পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন ফসলের আবাদ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৩ শতাংশ কমে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ধান চাষে। এই বছরের শুরুতে, ধানের আবাদ প্রায় ২৫ শতাংশ কমে গিয়েছে।
ভারতের প্রধান গ্রীষ্মকালীন ফসলের অন্তর্ভুক্ত ধান, ডাল, মোটা শস্য, তৈলবীজ, তুলা, আখ এবং পাট। এগুলোর বড় অংশই মৌসুমি বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল। তবে এ বছর বর্ষা তিন দিন দেরিতে শুরু হয়েছে এবং পশ্চিম ভারতের কিছু অঞ্চলে প্রায় দুই সপ্তাহের জন্য বৃষ্টির অগ্রগতি ধীর ছিল। এই কারণে অনেক অঞ্চলে জমি প্রস্তুতি ও বীজ বপনে বিলম্ব ঘটে।
ভারতের কৃষি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ৩০ জুন পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ৮২ লাখ ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন ফসলের আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল দুই কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর।
ধানের চাষ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এই বছরের জন্য, এখন পর্যন্ত ২৫ লাখ ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে ধান রোপণ করা হয়েছে। যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩৪ লাখ ৪০ হাজার হেক্টর।
ভারতের কৃষিজমির প্রায় অর্ধেক অংশে সেচের স্থায়ী ব্যবস্থা নেই। তাই এসব জমি পুরোপুরি বর্ষার বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল থাকে। এ কারণে যদি সময়মতো বৃষ্টি না হয়, তাহলে কৃষি উৎপাদনে বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, কম বৃষ্টির কারণে তৈলবীজ উৎপাদনও কমে যেতে পারে, যার ফলে ভারত ভোজ্য তেল আমদানির ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
তবে মৌসুমি বৃষ্টি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে। ফলে আগামী মাসগুলোতে যথেষ্ট বৃষ্টি হলে কৃষকদের ক্ষতি কিছুটা কাটিয়ে উঠার আশা করা হচ্ছে।
এদিকে, সরকার জানিয়েছে, খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই। সরকারি গুদামে বর্তমানে প্রায় তিন কোটি ৯৭ লাখ টন চাল মজুত রয়েছে, যা প্রয়োজনীয় মজুতের প্রায় তিন গুণের মতো। এছাড়া, কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা ধান মিলিং শেষ হলে আরও প্রায় দুই কোটি ৯৮ লাখ টন চাল মজুত হবে।
ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের মহাপরিচালক মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বিবিসিকে জানিয়েছেন, জুন মাসে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম বৃষ্টি হয়েছে। ১৯০১ সাল থেকে মাত্র চারটি জুন মাসে এতো কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল।
এখন আমাদের নজর জুলাই মাসের দিকে রয়েছে। কারণ বর্ষা মৌসুমের মধ্যে সাধারণত সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি জুলাই মাসে হয়ে থাকে এবং এই সময়ে অধিকাংশ ফসলের বীজ বপন সম্পন্ন হয়।
সম্ভাব্য দুর্বল বর্ষা এবং এল নিনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সরকার ইতোমধ্যে প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কম বৃষ্টিপ্রবণ ৩১৫টি জেলা চিহ্নিত করে সেখানকার জন্য স্বল্পমেয়াদি ফসল, কম পানি ব্যবহৃত হয় এমন জাত এবং পানি সংরক্ষণ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
ভারতের কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বিবিসিকে জানিয়েছেন, সংকটের জন্য অপেক্ষা না করে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এখনও ঝুঁকির সম্মুখীন হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের শার্শায় একটি ফাজিল মাদরাসার প্রধান শিক্ষক (সুপার) এর বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে কু-প্রস্তাব দেওয়া এবং হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বুধবার (১ জুলাই) ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার সামটা ছিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার এক ছাত্রীকে একই প্রতিষ্ঠানের সুপার মমিনুল ইসলাম নানা সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ভুক্তভোগী ছাত্রীর জন্য এই বিষয়টি এত সময় ধরে ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায় যে সে পরিবারের কাছে কিছুই বলতে পারেনি। পরে অভিযুক্তের আচরণ অসহনীয় হয়ে উঠলে, তিনি অবশেষে পরিবারের সদস্যদেরকে বিষয়টি জানালেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তের প্রস্তাবে রাজি না হলে পরীক্ষা দিতে না দেওয়া, বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এমনকি ১৮ জুন রাতে অভিযুক্ত ব্যক্তিটি ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা আটকালে তিনি জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন এবং ছাত্রীর হাত ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এরপর, ২৯ জুন অভিযুক্ত মাদরাসার সুপার ছাত্রীর বাবার হাতে টিসি (স্থানান্তর সনদ) দিয়ে জানান যে, তাঁর মেয়ের নাম প্রতিষ্ঠান থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী ছাত্রী এবং তাঁর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লিখিত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও একই সুপারের বিরুদ্ধে নিজ প্রতিষ্ঠানের দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। এতে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। নতুন করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার কারণে বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।
এ প্রসঙ্গে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনার একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ বন্ধে আইন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেছেন, ভবিষ্যতে এমন একটি ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ, যার মাধ্যমে শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন। আর যদি কেউ নির্বাচন করতে পারেন, তাহলে তাদের আগে শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার আয়োজিত শিক্ষা খাতের এক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের নির্বাচনগুলোতে শিক্ষকরা যেন অংশ না নেন, সেটির জন্য সরকারের আইন করতে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে শিক্ষকদের তাদের চাকরি ছেড়ে দিতে হবে, বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, শিক্ষা খাতে যে বিনিয়োগ করা হচ্ছে, তা সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে নেওয়া উদ্যোগগুলো কার্যকরীভাবে বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষকদের উন্নয়নের জন্য যে বিনিয়োগ করা হচ্ছে, তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে একটি দক্ষ ও সুন্দর জাতি গড়ে তোলার কাজ করা সম্ভব হবে।
তিনি এক্ষেত্রে বলেন, দেশের উন্নয়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিক্ষা খাতকে যেকোনো মূল্যে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত পরোক্ষ আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ অর্জিত হয়েছে। ইরানের সদ্যপ্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর পরবর্তী দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। কাতারের পর Buitenlandse Zaken মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এই তথ্য প্রদান করেছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে বলেন, ‘কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরা আজ দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচক দলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষ করেছেন। ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। লেক লুসার্ন সম্মেলনের ফলাফলের ভিত্তিতেই এই অগ্রগতি এসেছে।’
দোহা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী সময়ে আলোচনা অব্যাহত রাখতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। সাবেক ইরানি সর্বোচ্চ নেতার শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব পরবর্তী বৈঠকের সময় নির্ধারণ করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ