০৯:৫০ পি.এম
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের ‘নেওড়ারজুরা’ খালের ওপর তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের পুলটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
একজন স্থানীয় অটোচালক শাহাদাত জানাচ্ছেন, ‘আমাগো রাস্তার কাঠের পুলটা নড়াচড়া করে। অঠো (অটো) নইয়া পুলের উপরে উঠলে ডর করে। কোন সুম (সময়) জানি ভাইংগ্যা পইরা যায়, আত-পাও ভাঙে। পুলে উঠফার পেসেনজারেরা ডরে অঠো থিকা নাইম্যা পরে। তাও, এই পুলের উপুর দিয়াই আমাগো যাতায়ত করুন নাগে। কারণ, এই নড়বড়া পুলের উপুর ছাড়া আমাই-গ চলাচলের আর কুনু পত (পথ) নাই।’
এটি যেন এক বাস্তবতা, যেখানে একই সুরে কথা বললেন ঢালুয়া গ্রামের অন্যান্য অটোচালকরা, সোহেল, বারেক এবং আঙ্গারগাড়া গ্রামের ভেনচালক কাশেম।
আরও পড়ুন: তিন প্রতিবন্ধীকে নিয়ে অসহায় ফয়সালের পরিবার, এক আয়ে চলে আটজনের সংসার
তারা সকলেই জানান, ডাকাতিয়া ইউনিয়নের আঙ্গারগাড়া-কতলামারী সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সড়কের পাশে রয়েছে ঢালুয়া, ছিটাল ও কালিয়াজুরি গ্রামে শত শত ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগির খামার।
খামারে উৎপাদিত মুরগি, ডিম, এবং তাদের খাবার নিতে প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করেন। স্থানীয় ভূমি অফিস, হাসপাতাল, ইউনিয়ন পরিষদও এখানকার জনগণের জন্য এই রাস্তাটির মাধ্যমে পরিসেবা প্রদান করে।
তবে, ‘নেওড়ারজুরা’ খালের ওপর ১৪-১৫ বছর আগে নির্মিত কাঠের পুলটির বর্তমানে অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা প্রতিদিনই বাধ্য হয়ে এই পুলের উপর দিয়ে যাতায়াত করছেন।
আঙ্গারগাড়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনির উদ্দিন জানান, এ বিষয়ে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। এ ধরনের একটি ব্রিজ নির্মিত হলে স্থানীয়রা যথেষ্ট উপকৃত হবেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহত
ডাকাতিয়া ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মহিদুল আলম জানাচ্ছেন, তিনি কাঠের পুলটির বিষয়ে অবগত নন। পরিদর্শন করে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন