শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪৮ এম
সংসদ ভবন, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশের কারাগারে বর্তমানে ১০ হাজার ৬৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক বন্দি অবস্থায় রয়েছেন। সরকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে এসব বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।
আজ জাতীয় সংসদে যশোর-৫ আসনের বিরোধী দলের সদস্য কাজী এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন। মন্ত্রী বলেন, বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলো থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১০ হাজার ৬৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক বর্তমানে বিভিন্ন দেশের কারাগারে বন্দি রয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করা বাংলাদেশি নাগরিকরা ওই দেশের আইনি প্রক্রিয়ার অধীন থাকেন, তাই সরকারকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হয়।
তিনি আরও জানান, বিদেশের কারাগারে বন্দি বাংলাদেশি নাগরিকদের তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি দূতাবাস বা মিশন কারাগার অথবা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করে বন্দির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এরপর আটক ব্যক্তির প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ, মামলাসংক্রান্ত পরামর্শ এবং আইনি সুরক্ষা পাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, যদি কোনো বন্দির আইনজীবী নিয়োগের সক্ষমতা না থাকে, তবে আদালতের মাধ্যমে একজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি মিশন প্রচেষ্টা চালায়। বন্দির পরিবার যদি আলাদাভাবে আইনজীবী নিয়োগ করতে চান, তাহলে মিশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হয়।
তিনি উল্লেখ করেন, জরিমানা পরিশোধের প্রয়োজন হলে বন্দির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জরিমানা পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়। একইসাথে দেশে ফেরার জন্য বিমানের টিকিটের ব্যবস্থা করা হয়। যদি পরিবার প্রত্যাবাসন ব্যয় বহনে অসমর্থ হয়, তবে সরকারি অর্থে ওই ব্যয় বহন করা হয়।
মন্ত্রী আরও জানান, দেশে ফেরার ক্ষেত্রে বিমানবন্দরের প্রয়োজনীয় প্রটোকলসহ অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য দ্রুত ট্রাভেল পাস ইস্যুর ব্যবস্থা করা হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদেশস্থ বাংলাদেশের মিশনগুলো এই সেবাগুলো প্রদান করে, যা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
তিনি জানান, ক্ষেত্রবিশেষে স্বাগতিক দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সাধারণ ক্ষমা পাওয়ার জন্যও জোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হয়। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আটক বাংলাদেশি নাগরিক এবং মিয়ানমারে আটক তিন বাংলাদেশি জেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, বিদেশে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শিগগিরই একটি পোর্টাল চালু করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন বিষয়ক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ এবং ইউএন উইমেন বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে।
আজ ‘কেয়ার ইকোনমি অ্যান্ড দ্য লেবার মার্কেট : রি থিংকিং উইমেন্স ইকোনমিক এজেন্সি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই আলোচনা সভাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. সানজীদা আখতার। সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাহীন আনাম এবং উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তানিয়া হক বক্তব্য প্রদান করেন।
বক্তারা আলোচনা সভায় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নারীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গৃহস্থালি ও পরিবারের সদস্যদের যত্ন নেওয়ার মতো অবৈতনিক কাজ এখনও নারীদের ওপর নির্ভরশীল। এই ধরনের কাজ নারীর শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে যত্নমূলক কাজের গুরুত্বকে স্বীকার করতে হবে এবং এ বিষয়ে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র, সমাজ ও কর্মক্ষেত্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম নগরীর জনবহুল ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১০০টি পানির এটিএম বুথ স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এই বুথগুলো পাইলট প্রকল্পের আওতায় নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হবে।
এ উদ্দেশ্যে আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ওয়াসার বোর্ড কক্ষে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা ও ওয়াটারএইড বাংলাদেশ-এর মধ্যে।
চুক্তিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম এবং ওয়াটারএইড বাংলাদেশ-এর পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম মন্তব্য করেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা ও ওয়াটারএইড বাংলাদেশ শুধুমাত্র একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করছে না; বরং নগরীর পানি সেবাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনবান্ধব করার জন্য আগামী তিন বছরের একটি যৌথ পথচলার সূচনা করছে। নিম্ন আয়ের জনগণের জন্য, পানি সংকটাপন্ন এলাকা এবং নিরাপদ খাবার পানির সীমিত সুবিধাপ্রাপ্ত মানুষের জন্য এই অংশীদারিত্ব অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, পানির এটিএম বুথ কেবল পানি সরবরাহের একটি ব্যবস্থা নয়; এটি মানুষের প্রয়োজনের জায়গায় নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর উদ্যোগ। বিশেষ করে যেসব মানুষ প্রতিদিন পানি সংগ্রহে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় করেন, তাদের জন্য এই উদ্যোগ বাস্তব উপকার বয়ে আনবে।
ওয়াটারএইড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী জানান, এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ওয়াসা ও ওয়াটারএইড বাংলাদেশ-এর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে। এর সুফল সরাসরি চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) শারমিন আলম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রকৌশল) বিষ্ণু কুমার সরকার, সচিব শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সাজিয়া পারভীন, প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রুমন দে এবং ওয়াটারএইড বাংলাদেশ-এর প্রোগ্রাম অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর পার্থ হেফাজ সেখ, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর মো. তাহমিদুল ইসলাম ও জোনাল লিড বাবুল বালা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলোকে অকার্যকর করার চেষ্টা না করার জন্য বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা কার্যকর স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে সংসদে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চান।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, যদি স্থায়ী কমিটিগুলো কার্যকরভাবে গঠিত না হয়, তাহলে বিরোধীদলের পক্ষে সেগুলোর অংশীদার হওয়া সম্ভব হবে না। তিনি সংসদীয় কার্যক্রমের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে, কমিটিগুলোকে তাদের ইচ্ছামতো গঠন না করার আহ্বান জানান।
স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে নাহিদ বলেন, এর আগে বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা এ বিষয়ে সংসদে আলোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ অনুযায়ী স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ পাওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, এসব বিষয় বাদ দিয়েও ১০ সদস্যের একটি স্থায়ী কমিটিতে বিরোধী দল থেকে তিনজন করে সদস্য রাখার দাবি জানানো হয়েছিল। তবে সরকারদলীয় চিফ হুইপ বা সরকারের পক্ষ থেকে ২৬ শতাংশ হিসাব অনুযায়ী সদস্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সে অনুযায়ী, কিছু কমিটিতে তিনজন, আবার কিছু কমিটিতে দুজন বিরোধীদলীয় সদস্য রাখা হয়েছে।
নাহিদ অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে যেসব মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে কতজন সদস্য রাখা হবে, সে অনুযায়ী একটি তালিকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকা তৈরির সময় সেই কাঠামোতে পরিবর্তন করা হয়েছে। ফলে, কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে বিরোধী দলের সদস্যসংখ্যায় অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে এবং কোথাও কোথাও ভুল নামও এসেছে।
তিনি আরও বলেন, বিরোধীদলের সঙ্গে আলোচনা না করেই অনেক ক্ষেত্রে তাদের ইচ্ছামতো সদস্যদের বিভিন্ন কমিটিতে রাখা হয়েছে। কোনো কমিটিতে দুজন, আবার কোনো কমিটিতে তিনজন বিরোধীদলীয় সদস্য রাখা হয়েছে। এমনকি একটি মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত কমিটিতে বিরোধী দল থেকে চারজন সদস্য রাখা হয়েছে।
নাহিদ বলেন, চলতি অধিবেশনে সবগুলো স্থায়ী কমিটি পাস করার বিষয়ে চিফ হুইপের কিছুটা তাড়াহুড়া ছিল। তবে তিনি পরবর্তী অধিবেশনে এসব কমিটির তালিকা ও গঠনপ্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার জন্য স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর সংস্কার ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বিভাগীয় শাস্তির সম্মুখীন হওয়া আরও তিন কর্মকর্তার দণ্ডাদেশ সরকার বাতিল করেছে।
এছাড়া, তাদের বিরুদ্ধে চলমান সকল বিভাগীয় মামলার দায় থেকেও সম্পূর্ণ অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির কাছে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এনবিআর চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
দণ্ড মওকুফ করা তিন কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন, কর অঞ্চল-২ এর উপ কর কমিশনার নুশরাত জাহান শমী, চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-৪ এর যুগ্ম কর কমিশনার মেসবাহ উদ্দিন খান এবং কর অঞ্চল-৭ এর অতিরিক্ত কর কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা।
এনবিআর সংস্কার ও আন্দোলনের কারণে এর আগে একই ধরনের অভিযোগে শাস্তি পাওয়া ২১ কর্মকর্তার দণ্ডও পৃথক আদেশের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছিল। নতুন করে তিন কর্মকর্তার শাস্তি বাতিল হওয়ায় মোট ২৪ জন কর্মকর্তা বিভাগীয় দণ্ড থেকে মুক্তি পেলেন।
২০২৫ সালে এনবিআর সংস্কার ও আন্দোলনের প্রেক্ষিতে একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। আন্দোলনে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলার পর তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, যার ফলে তাদের বেতন স্কেল ২ থেকে ৩ ধাপ কমানো হয়েছিল।
পরে দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তা রাষ্ট্রপতির কাছে আপিল করেন। আপিলের পর রাষ্ট্রপতি তাদের আবেদন মঞ্জুর করার ফলে সংশ্লিষ্ট দণ্ডাদেশ বাতিল এবং কয়েকজনকে বিভাগীয় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ