ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঘনিষ্ঠদের কাছ থেকেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি ট্রাম্প, বলছে বিবিসি


ঘনিষ্ঠদের কাছ থেকেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি ট্রাম্প, বলছে বিবিসি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য গত কয়েক দিন ছিল যথেষ্ট অস্বস্তিকর। যদিও তিনি প্রকাশ্যে তা স্বীকার করতে চান না, তবে একের পর এক ঘটনায় তাকে এমন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে, যা তার রাজনৈতিক অবস্থান ও নেতৃত্বের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

ওয়াশিংটনের একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা নিয়ে আইনি বিতর্ক, অ্যাটর্নি জেনারেল পদে তার মনোনীত প্রার্থীর নিয়োগে জটিলতা এবং ইরান যুদ্ধের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক ও সামরিক অনিশ্চয়তা- সব মিলিয়ে ট্রাম্পকে এমন সংকট মোকাবিলার সামনে দাঁড়াতে হচ্ছে, যার অনেকগুলোই তার নিজের সিদ্ধান্তের ফল বলে বিশ্লেষকদের মতে মনে হচ্ছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প বরাবরই বাস্তবতার চেয়ে নিজের অবস্থানকে জোরালোভাবে তুলে ধরতে অভ্যস্ত। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে এসে তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, বিরোধীদের নয়; বরং দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহযোগী ও রিপাবলিকান মিত্রদের কাছ থেকেই তিনি প্রশ্ন ও আপত্তির সম্মুখীন হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার জন্য ইশরাক হোসেনকে অস্ত্র হাতে রাস্তায় নামতে হলো’

ঘনিষ্ঠ সহযোগীর সিদ্ধান্তেও ট্রাম্প ক্ষুব্ধ। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল জিনিন পিরো ওয়াশিংটন মনুমেন্টের পাশে অবস্থিত রিফ্লেকটিং পুল ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগে সাবেক অলিম্পিয়ান ডেভিড হার্নের বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন।

আদালতে দাখিল করা ২০ পৃষ্ঠার আবেদনে পিরো জানান, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত ভাঙচুর ছিল না, বরং স্থাপনা সংস্কারের সময় ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে ক্ষতি হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতেই প্রথমে মামলা করা হয়েছিল।

কিন্তু ট্রাম্প শুরু থেকেই ঘটনাটিকে ভাঙচুর হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে তিনি প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানান। নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি পিরোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। পরে হোয়াইট হাউসেও একই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “তিনি ছাতার মতো ভেঙে পড়েছেন।”

বিশ্লেষকদের মতে, আদালতে টেকসই প্রমাণের অভাব থাকায় পিরোকে মামলা প্রত্যাহার করতে হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্প এখনও তার আগের অবস্থানেই অনড়।

আরও পড়ুন: বাগাতিপাড়ায় মাদক ও বাল্যবিবাহের কুফল নিয়ে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগেও রিপাবলিকানদের আপত্তি। ট্রাম্পের আরেক ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সাবেক ব্যক্তিগত আইনজীবী টড ব্ল্যাঞ্চকে স্থায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল করার উদ্যোগও বড় বাধার মুখে পড়ে।

রিপাবলিকান সিনেটর জন করনিন ও থম টিলিস ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যোগ দিয়ে ব্ল্যাঞ্চের মনোনয়নে আপত্তি জানান। তাদের দাবি ছিল, ব্ল্যাঞ্চকে লিখিতভাবে জানাতে হবে যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হওয়ার দাবি করা ব্যক্তিদের জন্য প্রস্তাবিত ১৮০ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ তহবিল পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ তিনি সমর্থন করবেন না।

বিশেষ করে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল ভবনে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ট্রাম্প-সমর্থকদের ক্ষতিপূরণ দিতে ওই তহবিল ব্যবহার হতে পারে- এমন আশঙ্কা থেকেই রিপাবলিকানদের একটি অংশ আপত্তি তোলে।

এ পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ব্ল্যাঞ্চকে তিনি ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবেই বহাল রাখবেন এবং ওই তহবিল অনুমোদনের জন্য কংগ্রেসে চাপ অব্যাহত রাখবেন। তিনি বলেন, “বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসবে এবং আমি এটি বাস্তবায়ন করব।”

আরও পড়ুন: অ্যাপল গ্লোবাল টেলরের এমডি-চেয়ারম্যানকে ২২ বছরের কারাদণ্ড, ৯২৬ কোটি টাকা জরিমানা

তবে সিনেটে প্রয়োজনীয় সমর্থন না থাকায় শেষে ব্ল্যাঞ্চ আপত্তিকারী সিনেটরদের শর্ত মেনে দুটি লিখিত প্রতিশ্রুতিপত্র দেন। এরপর জন করনিন ও থম টিলিস জানান, তাদের উদ্বেগ দূর হয়েছে।

তবে ট্রাম্প কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে বলেন, তিনি ব্ল্যাঞ্চের দেওয়া নথি দেখেননি এবং কী বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে, সেটিও তিনি জানতেন না।

ইরান যুদ্ধে জটিলতা আরও বাড়ছে। আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে ইরান যুদ্ধ। রবিবার ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের অনুরোধ এবং কয়েকটি আরব দেশের মধ্যস্থতায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক হামলা তিনি শেষ মুহূর্তে স্থগিত করেছিলেন।

কিন্তু পরদিনই ইরান নতুন কোনও সরাসরি আলোচনা হচ্ছে- এমন দাবি অস্বীকার করলে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, “তারা বৈঠক চায়, কেউ কেউ বলবে অনুনয় করে। আলোচনা শুরু হয়, আরও বৈঠকের সময় নির্ধারণ হয়। এরপর প্রকাশ্যে বলে তারা কোনও আলোচনাই করছে না।”

আরও পড়ুন: গাড়ি থেকে সরকারি লোগো খুলে ফেললেন ইশরাক

তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে নতুন কোনও আলোচনা নির্ধারিত হয়নি। অন্যদিকে, এক ইরানি কর্মকর্তা বলেছেন, বর্তমানে ওমানের মাধ্যমে কেবল হরমুজ প্রণালিতে নৌপরিবহন-সংক্রান্ত বিষয়েই আলোচনা চলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ ও কূটনীতি ঘিরে এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সংঘাত নিরসনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই।

জনপ্রিয়তায়ও ধাক্কা। ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও কমছে বলে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে উঠে এসেছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) এক জরিপে তার জনপ্রিয়তার হার ৩৩ শতাংশে নেমে এসেছে। সিএনএন, কুইনিপিয়াক ও ইউগভের জরিপেও একই ধরনের ফল পাওয়া গেছে।

আধুনিক মার্কিন ইতিহাসে দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া রিচার্ড নিক্সন ছাড়া আর কারও জনপ্রিয়তা এতটা নিচে নামেনি বলে বিশ্লেষকেরা উল্লেখ করছেন। তবে ট্রাম্প এসব জরিপকে বরাবরের মতোই প্রত্যাখ্যান করেছেন।

আরও পড়ুন: নিউইয়র্কে বিনা খরচে ট্যাক্স ফাইলিং, বাংলায় সহায়তা পাবেন যেভাবে

তিনি ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, “ভুয়া সংবাদমাধ্যমের বানানো জরিপ নয়, আমার প্রকৃত জনপ্রিয়তা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।”

মধ্যবর্তী নির্বাচনই হবে বড় পরীক্ষা। আর মাত্র তিন মাস পর যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অতীতেও জনমত জরিপে পিছিয়ে থাকার পরও ট্রাম্প নির্বাচনী লড়াইয়ে শক্ত অবস্থান দেখিয়েছেন। তবে এবার ইরান যুদ্ধ, প্রশাসনিক বিতর্ক এবং রিপাবলিকানদের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

তাদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা প্রত্যাশিত ফল না পেলে সেটিই হবে ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতা- যা শেষ পর্যন্ত অস্বীকার করা তার পক্ষেও কঠিন হয়ে পড়বে।

আরও পড়ুন: ১ ডিসেম্বর ইউএনও সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সক্রিয় অংশগ্রহণেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সক্রিয় অংশগ্রহণেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; বরং এটি দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ধারাবাহিক পরিণতি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ আন্দোলনের পেছনে বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং দলটির নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এজন্য জুলাই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যাতে এ ইতিহাস সংরক্ষণ করা যায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরা যায়।

আজ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে পরিচালিত গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দলটির ভূমিকা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে পরিচালিত দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপি সামনের সারিতে থেকে ভূমিকা রেখেছে। বছরের পর বছর ধরে মামলাসহ গ্রেপ্তার, নির্যাতন এবং রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্য দিয়েও দলটির নেতাকর্মীরা আন্দোলন চালিয়ে গেছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কোনো গণআন্দোলন কখনো হঠাৎ করে সৃষ্টি হয় না। এর পেছনে থাকে দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, মানুষের অধিকার আদায়ের আকাঙ্ক্ষা, সামাজিক বাস্তবতা এবং অসংখ্য মানুষের ত্যাগ ও সংগ্রাম।” তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানও সেই ধারাবাহিকতারই ফলস্বরূপ।

তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান আকাশ থেকে পড়েনি, হাওয়া থেকেও আসেনি। এর একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট রয়েছে, বাস্তবতা রয়েছে এবং একটি দীর্ঘ সংগ্রামের পরিণতি রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপট, বাস্তবতা ও পরিণতির সঙ্গে বিএনপি ও এর নেতাকর্মীরা নিবিড়ভাবে জড়িত।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া থেকে শুরু করে দলের কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা এবং তৃণমূল পর্যায়ের অসংখ্য নেতাকর্মী কারাবরণ করেছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং অসংখ্য মামলা-হামলার মুখোমুখি হয়েছেন।

তিনি জানাচ্ছেন, ‘এই আন্দোলন করতে গিয়ে বেগম খালেদা জিয়া থেকে শুরু করে দলের একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরও নানা ধরনের নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। অনেকে কারাগারে গেছেন, অনেকে পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অসংখ্য নেতাকর্মী মামলা-হামলার মুখোমুখি হয়েছেন।’

প্রতিমন্ত্রী আরো যোগ করেন, গণতন্ত্রের আন্দোলনে বিএনপির বহু নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন, অনেকে গুম ও নিখোঁজ হয়েছেন। এসব আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই গণতান্ত্রিক আন্দোলন শক্তিশালী হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জন্য প্রেক্ষিত তৈরি হয়েছে।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা সময়ের দাবি। কারণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশের রাজনৈতিক আন্দোলন, গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং মানুষের আত্মত্যাগের প্রকৃত ইতিহাস জানতে হবে।

তিনি জানান, এ লক্ষ্যেই জুলাই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আগামীকাল এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এটি শুধু একটি জাদুঘর নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ দলিল সংরক্ষণের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই জাদুঘরের মাধ্যমে আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়, জনগণের অংশগ্রহণ, শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের বিভিন্ন দিক সংরক্ষণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানতে পারে কীভাবে দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একটি গণঅভ্যুত্থান গড়ে ওঠে।

তিনি বলেন, ইতিহাস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে বাদ দেওয়া উচিত নয়। একটি জাতির রাজনৈতিক ইতিহাস বিভিন্ন সময়ের আন্দোলন, সংগ্রাম এবং মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই গড়ে ওঠে। তাই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পেছনে যারা ভূমিকা রেখেছেন, তাদের অবদানও যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, জুলাই জাদুঘর গবেষক, শিক্ষার্থী, ইতিহাসবিদ এবং সাধারণ মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভাণ্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে এটি দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

তিনি বলেন, ‘একটি জাতির ইতিহাস শুধু বিজয়ের গল্প নয়; সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের গল্পও। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সেই সংগ্রামেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই ইতিহাস সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব।’

তিনি জানান, উদ্বোধনের পর থেকেই জুলাই জাদুঘর সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও চেতনা বিকাশে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা ও হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপজেলার সর্বস্তরের হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শত শত নারী-পুরুষ বিভিন্ন এলাকার ছিলেন। এ সময়, তারা হামলা, অপপ্রচার ও হয়রানির প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, সনাতন ধর্মাবলম্বী নিরীহ মানুষের ওপর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার, হামলা ও হয়রানি চালানো হচ্ছে। এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভাণ্ডারিয়া পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা ও দীর্ঘদিন ধরে অযৌক্তিক হয়রানির অভিযোগ তুলে স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

বক্তারা বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউ মন্দিরের সভাপতি কিরণ চন্দ্র বসু, শিক্ষক মিনতি রানী, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নান্টু সিংহ, কোষাধ্যক্ষ রণণ বলসহ আরও অনেকে।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে বৃক্ষপ্রেমী আনোয়ারের সবুজ বিপ্লব, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


কুড়িগ্রামে বৃক্ষপ্রেমী আনোয়ারের সবুজ বিপ্লব, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ শুরু

"বৃক্ষ দিয়ে সাজাই দেশ, সমৃদ্ধ করি বাংলাদেশ" এই প্রতিপাদ্যে কুড়িগ্রামে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বৃক্ষপ্রেমী আনোয়ার হোসেনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসার কার্যালয়ের সামন থেকে শুরু করে সরকারি মহিলা কলেজের সামন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক (উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ) শাহনাজ বেগম এবং ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক সাইদুল আবেদীন ডলার। এতে স্কুল শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, বরং মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। বর্তমান জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রত্যেক নাগরিকের উচিত অন্তত একটি করে গাছ রোপণ এবং তার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা।

বৃক্ষপ্রেমী আনোয়ার বলেন, “আজকের একটি গাছ আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশের ভিত্তি। আমরা যদি সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসি, তাহলে দেশ আরও সবুজ ও বাসযোগ্য হবে।” তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কর্মসূচি শেষে অতিথিরা এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মহান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের আত্মত্যাগ এবং প্রত্যাশার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, আসুন, মহান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি। একই সঙ্গে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্বপ্ন, আদর্শ এবং আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।

বাণীতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে দীর্ঘদিনের বৈষম্যমূলক এবং ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে এবং প্রবল গণরোষের কারণে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বীর জুলাই যোদ্ধাসহ দেশপ্রেমিক সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

তিনি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, ফারহান, নাফিজ, তাইম, নাঈমা, শিশু রিয়া গোপ ও আহাদসহ আত্মোৎসর্গকারী হাজারো বীর শহিদকে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনে পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিও গভীর সম্মান ও আন্তরিক সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন।

তিনি বলেন, তাঁদের বিরল আত্মত্যাগ, অসীম সাহস এবং অসামান্য অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ করবে এবং তা অনন্তকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে গত দীর্ঘ দেড় দশকের দুঃশাসন, বৈষম্য, সীমাহীন দুর্নীতি, শোষণ, গুম-খুন, দলীয়করণ, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং বাকস্বাধীনতার হরণ এবং জেল-জুলুমের বিরুদ্ধে জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের অপ্রতিরোধ্য বহিঃপ্রকাশ বলে উল্লেখ করেন।

বাণীতে উল্লেখ করা হয় যে, দীর্ঘ সময়ের রাষ্ট্রীয় অনিয়ম, নিপীড়ন এবং দুর্নীতির ফলে জনমনে সঞ্চিত ক্ষোভ ও তীব্র অসন্তোষ কোটা সংস্কার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় নিরস্ত্র শিক্ষার্থী-জনতার ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর সর্বব্যাপী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকলকে জুলাই যোদ্ধা হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এই গণ-অভ্যুত্থানে সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী-শিক্ষক, তরুণ-যুবসমাজ, রাজনৈতিক কর্মী, শ্রমজীবী, কর্মজীবী, ভ্রাতা-ভগ্নি, কন্যা-জায়া, জননীসহ সর্বস্তরের মানুষ অসীম সাহস এবং ত্যাগের প্রতিজ্ঞা নিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসেন এবং তাঁরা সবাই জুলাই যোদ্ধা।

তিনি বলেন, জনগণই সকল রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এই চিরন্তন সত্য আবারও সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় এমন একটি মানবিক ও গণমানুষের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে আর কখনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার এবং উগ্রপন্থার ঠাঁই হবে না। একই সঙ্গে বৈষম্য, দুর্নীতি, দুঃশাসন এবং অন্যায়ের অবসান, ভোটাধিকার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে সুশাসন, জনস্বার্থ, জবাবদিহি এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

আন্দোলনে শহীদ এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান প্রদানের বিষয়ে, তাঁদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ড এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।

বাণীর শেষে তিনি বাংলাদেশকে শান্তি, সাম্য, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির পথে আরও দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহিদের রুহের মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%