ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চিকিৎসকদের মানবিক হওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন: সালেহউদ্দিন আহমেদ


চিকিৎসকদের মানবিক হওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন: সালেহউদ্দিন আহমেদ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, চিকিৎসকদের মানবিক হওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। এজন্য চিকিৎসকদের দর্শন পড়া দরকার, কারণ মানবশরীর শুধু শরীর না। 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে বারডেম জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্বর্ণপদক (মরণোত্তর) প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের যে ডেডিকেশন, উনি ছিলেন মিশনারি এবং ভিশনারি। মানুষের কল্যাণে সর্বত নিয়োজিত ছিলেন। তিনি যা করে গেছেন তা অত্যন্ত মানবিক এবং প্র্যাকটিক্যাল।

আরও পড়ুন: শাহজালালের রানওয়ে-অ্যাপ্রোন এলাকায় যানবাহনের অবাধ চলাচল

দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ডা. ইব্রাহিমের মতো আরও মানুষের প্রয়োজন আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তার স্মৃতিকে ধরে রাখার অনুরোধও জানান ড. সালেহউদ্দিন।

মেধা, নিষ্ঠা, অবদান এবং মানবকল্যাণের প্রতি অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্মরূপ ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্বর্ণপদক (মরণোত্তর) পেয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম এইচ খান (মোশাররফ হোসেন খান)। 

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম এইচ খানের পুত্র প্রকৌশলী মোজাদ্দেদ হোসেন খানের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী সম্মাননাও প্রদান করা হয়। 

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট, বারডেমের বোর্ড অব অ্যাডভাইজরসের চেয়ারম্যান ও ন্যাশনাল কাউন্সিল সদস্য আব্দুল মুয়িদ চৌধুরী এবং বারডেমের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. মো. নাছির উদ্দীন আহমেদ।

আরও পড়ুন: মনপুরায় কোস্টগার্ডের হাতে ১৩ মণ মা ইলিশ জব্দ

বারডেম অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মো. মোর্শেদ উদ্দীন আকন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আনোয়ারুল ইসলাম। এতে স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক (ক্লিনিক্যাল সার্ভিসেস) অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. এটিএম মাওলাদাদ চৌধুরী। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বারডেমের বোর্ড অব অ্যাডভাইজার্সের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাজেরা মাহতাব।

অনুষ্ঠানে ডা. মো. ইব্রাহিম এবং স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক এম এইচ খানের জীবন, কর্ম ও অবদানের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবলিশ আল্লাহর ইবাদতকারী ও জ্ঞানী ছিল, কিন্তু শয়তান হলো কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ মাইদুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার:

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ এম


ইবলিশ আল্লাহর ইবাদতকারী ও জ্ঞানী ছিল, কিন্তু শয়তান হলো কেন?

ইবলিশ আল্লাহর অস্তিত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে জানত। আল্লাহর সঙ্গে তার কথোপকথনের কথাও কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর একটি নির্দেশ অমান্য করে অহংকারের কারণে সে অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত হয়। কোরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, তার পতনের মূল কারণ ছিল আল্লাহর আদেশ অমান্য করা ও অহংকার।

 
আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর ফেরেশতাদের তাঁকে সিজদা করার নির্দেশ দেন। তখন সবাই সিজদা করলেও ইবলিশ সিজদা করতে অস্বীকৃতি জানায়। কোরআনে বলা হয়েছে, “সে অস্বীকার করল এবং অহংকার করল; আর সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।” —সূরা আল-বাকারা: ৩৪।
 
ইবলিশ কেন সিজদা করেনি—এ বিষয়ে আল্লাহ তাকে প্রশ্ন করলে সে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের দাবি করে। সে বলে, “আমি তার চেয়ে উত্তম। আপনি আমাকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ১২।
 
অর্থাৎ, ইবলিশ আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের যুক্তিকে প্রাধান্য দিয়েছিল। সে মনে করেছিল, আগুনের তৈরি হওয়ার কারণে সে মাটির তৈরি আদম (আ.)-এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এই অহংকারই তার পতনের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
 
তবে কোরআনের বর্ণনায় একটি বিষয় স্পষ্ট—ইবলিশ ফেরেশতা ছিল না; সে ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। সূরা আল-কাহফের ৫০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, “ইবলিস ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। অতঃপর সে তার প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল।”
 
ইবলিশের সঙ্গে আল্লাহর কথোপকথনের বর্ণনাও কোরআনে রয়েছে। সিজদার নির্দেশ অমান্য করার পর সে আল্লাহর কাছে কিয়ামত পর্যন্ত অবকাশ প্রার্থনা করে। আল্লাহ তাকে অবকাশ দেন এবং সে মানুষকে আল্লাহর সরল পথ থেকে বিচ্যুত করার ঘোষণা দেয়। —সূরা আল-আ‘রাফ: ১৪-১৭।
 
অন্যদিকে আদম (আ.) ভুল করার পর নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, “হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ২৩।
 
ইবলিশের ঘটনা তাই মানুষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। জ্ঞান, মর্যাদা কিংবা ইবাদত থাকলেও অহংকার ও আল্লাহর আদেশের অবাধ্যতা মানুষকে বিপথে নিতে পারে। অন্যদিকে নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা মানুষের জন্য তওবার পথ খুলে দেয়।
 
কোরআনের এসব বর্ণনায় ইবলিশের পতনের মূল শিক্ষা হলো—আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের অহংকার, যুক্তি ও শ্রেষ্ঠত্বের দাবি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে আ-ক্রা-ন্ত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃ-ত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ এম


ডেঙ্গুতে আ-ক্রা-ন্ত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃ-ত্যু

ইবলিশ আল্লাহর অস্তিত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে জানত। আল্লাহর সঙ্গে তার কথোপকথনের কথাও কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর একটি নির্দেশ অমান্য করে অহংকারের কারণে সে অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত হয়। কোরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, তার পতনের মূল কারণ ছিল আল্লাহর আদেশ অমান্য করা ও অহংকার।

 
আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর ফেরেশতাদের তাঁকে সিজদা করার নির্দেশ দেন। তখন সবাই সিজদা করলেও ইবলিশ সিজদা করতে অস্বীকৃতি জানায়। কোরআনে বলা হয়েছে, “সে অস্বীকার করল এবং অহংকার করল; আর সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।” —সূরা আল-বাকারা: ৩৪।
 
ইবলিশ কেন সিজদা করেনি—এ বিষয়ে আল্লাহ তাকে প্রশ্ন করলে সে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের দাবি করে। সে বলে, “আমি তার চেয়ে উত্তম। আপনি আমাকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ১২।
 
অর্থাৎ, ইবলিশ আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের যুক্তিকে প্রাধান্য দিয়েছিল। সে মনে করেছিল, আগুনের তৈরি হওয়ার কারণে সে মাটির তৈরি আদম (আ.)-এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এই অহংকারই তার পতনের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
 
তবে কোরআনের বর্ণনায় একটি বিষয় স্পষ্ট—ইবলিশ ফেরেশতা ছিল না; সে ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। সূরা আল-কাহফের ৫০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, “ইবলিস ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। অতঃপর সে তার প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল।”
 
ইবলিশের সঙ্গে আল্লাহর কথোপকথনের বর্ণনাও কোরআনে রয়েছে। সিজদার নির্দেশ অমান্য করার পর সে আল্লাহর কাছে কিয়ামত পর্যন্ত অবকাশ প্রার্থনা করে। আল্লাহ তাকে অবকাশ দেন এবং সে মানুষকে আল্লাহর সরল পথ থেকে বিচ্যুত করার ঘোষণা দেয়। —সূরা আল-আ‘রাফ: ১৪-১৭।
 
অন্যদিকে আদম (আ.) ভুল করার পর নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, “হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ২৩।
 
ইবলিশের ঘটনা তাই মানুষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। জ্ঞান, মর্যাদা কিংবা ইবাদত থাকলেও অহংকার ও আল্লাহর আদেশের অবাধ্যতা মানুষকে বিপথে নিতে পারে। অন্যদিকে নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা মানুষের জন্য তওবার পথ খুলে দেয়।
 
কোরআনের এসব বর্ণনায় ইবলিশের পতনের মূল শিক্ষা হলো—আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের অহংকার, যুক্তি ও শ্রেষ্ঠত্বের দাবি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলায় জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ এম


নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলায় জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার

নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াতের এমপি মোহাম্মদ আব্দুল গফুরের জামাতা মিজানুর রহমানকে (৫৯) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগ।

ডিবি গুলশান বিভাগের একটি দল সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এমপির বাসা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের সময় এমপি আব্দুল গফুর বাসাতে উপস্থিত ছিলেন। তার সামনে থেকেই ডিবি পুলিশ মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা মামলায় মিজানুর রহমান এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

এই মামলাটি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবি কর্মী বায়েজিদ কোথায়? সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল:

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ এম


রবি কর্মী বায়েজিদ কোথায়? সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ

বরিশাল নগরীতে রবি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগে কর্মরত মো. বায়েজিদ সরদার (২৯) নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে তাঁর পরিবার। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ৭টার দিকে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাঁর আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। একই দিন বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে বাবার সঙ্গে মুঠোফোনে সর্বশেষ কথা হয় তাঁর। এরপর থেকে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরটিও।


বায়েজিদ বরিশাল নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড, মানিক মিয়ার গ্যারেজ এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবা সুলতান সরদার (৬৫এবং মা কাজল বেগম।

পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিনের মতো ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার দিকে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন বায়েজিদ। তাঁর কর্মস্থল সদর রোড এলাকার একটি অফিসে। রবি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগের কর্মী হিসেবে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পণ্য ও রিচার্জ লোড সরবরাহের কাজেও তাঁর যাতায়াত ছিল।

পরিবারের তথ্যমতে, সম্ভাব্য যাতায়াতের রুটের মধ্যে সদর রোডের হোটেল এরিনা সংলগ্ন অফিস এলাকা থেকে সোনা মিয়ার পোল হয়ে পপুলার এলাকার দিকে যাওয়ার বিষয়টি রয়েছে। তবে নিখোঁজ হওয়ার দিন তিনি ঠিক কোন পথে গিয়েছিলেন এবং সর্বশেষ কোথায় ছিলেন—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

২৮ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে বায়েজিদের সঙ্গে তাঁর বাবা সুলতান সরদারের সর্বশেষ মুঠোফোনে কথা হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও মুঠোফোন বন্ধ পান।

নির্ধারিত সময়ে বাসায় ফিরে না আসায় প্রথমে কর্মস্থল, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবার। পরে আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হয়। কিন্তু কোথাও তাঁর সন্ধান না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।

পরবর্তীতে বায়েজিদের বাবা সুলতান সরদার কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ* করেন। তাঁর সন্ধানে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান ও আইনগত কার্যক্রমের প্রত্যাশা করছে পরিবার।


বায়েজিদের সন্ধানে সদর রোড, হোটেল এরিনা সংলগ্ন এলাকা, সোনা মিয়ার পোল ও পপুলার এলাকার আশপাশে ২৮ সেপ্টেম্বর দিনের বিভিন্ন সময়ে তাঁর চলাচল সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দেখে বা জেনে থাকলে তা পরিবারকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

বিশেষ করে কোনো ব্যক্তি তাঁকে ওইসব এলাকায় দেখে থাকলে, তাঁর সঙ্গে কথা বলে থাকলে কিংবা তাঁর পরবর্তী গন্তব্য সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকলে দ্রুত তা জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে পরিবার।


নিখোঁজ বায়েজিদ সরদারের সন্ধান পেতে পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। তাঁর অবস্থান সম্পর্কে সামান্য কোনো তথ্যও পাওয়া গেলে তা পরিবারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

কেউ বায়েজিদকে কোথাও দেখে থাকলে, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ হয়ে থাকলে অথবা তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে *দেরি না করে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।

বায়েজিদের সন্ধান পেলে যোগাযোগ করুন:
📞 ০১৮১১-৯৯৯৯৮৯

এছাড়া তাঁর সন্ধানসংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে *নিকটস্থ থানা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার* অনুরোধ করা হয়েছে।


নাম: মো. বায়েজিদ সরদার
বয়স: ২৯ বছর
পিতা:সুলতান সরদার
মাতা: কাজল বেগম
পেশা: রবি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগে কর্মরত
ঠিকানা: ১১ নম্বর ওয়ার্ড, ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড, মানিক মিয়ার গ্যারেজ এলাকা, কোতোয়ালি থানা, বরিশাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%