০১:১৫ এম
পাহাড়ের যেসব এলাকার মধ্যে গাছ নেই, সেই সমস্ত এলাকা চিহ্নিত করে নীতিমালা প্রণয়ন করে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে, এ কথা জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী এবং রাঙ্গামাটি সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এমপি। তিনি সোমবার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা বাংলাদেশে ৫ বছরের মধ্যে ২৫ কোটির অধিক গাছ লাগানোর যে কর্মসূচী চলছে, তা বাস্তবায়নে সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান করেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে, রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসন এবং বন বিভাগের আয়োজনে শহরের কুমার সমিত রায় জিমনেসিয়াম মাঠ প্রাঙ্গণে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান এবং বৃক্ষ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে, বৃক্ষ রোপণ অভিযান এবং বৃক্ষ মেলা উপলক্ষে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে কুমার সমিত রায় জিমনেসিয়াম মাঠ প্রাঙ্গণে পৌঁছায়। রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী মনিস্বপন দেওয়ান, রাঙ্গামাটি সদর জোন কমান্ডার মো: একরামুল রাহাত পিএসসি, জেলা বন সংরক্ষক আব্দুর আউয়াল সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: ইকবাল হোছাইন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. মামুনুর রশীদ মামুন, পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও বৃক্ষরোপণ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব এস এম সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয় এবং অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানস্থলে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।
আরও পড়ুন: দিরাই থানা রোডের বর্তমান অবস্থা বেশ ভালো, সামান্য যানজটেই মানুষের ভিড়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
’ ৩৯ বছর বয়সী মেসি এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে তুলেছিলেন। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি ৮ গোল করেছেন এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলকে জয়ের পথে সহযোগিতা করেছেন। তবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে, স্পেনের শক্তিশালী রক্ষণভাগের সামনে মেসি অনেকটাই নিষ্প্রভ ছিলেন। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে পরিশেষে ১-০ ব্যবধানে আর্জেন্টিনা হেরে যায়। ম্যাচ শেষে আবেগঘন মুহূর্তে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি মেসি। তার সেই মুহূর্ত বিশ্বজুড়ে আলোচনা তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মাঝেই গত ৩০ জুন মেসি ও আন্তোনেল্লা তাদের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করেছেন। ২০১৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতির সংসারে রয়েছে তিন সন্তান- থিয়াগো, মাতেও ও সিরো। বিশ্বকাপজুড়েই তিন সন্তানকে নিয়ে গ্যালারিতে বসে আর্জেন্টিনার প্রতিটি ম্যাচে মেসিকে সমর্থন করেছেন আন্তোনেলা। মেসি ও আন্তোনেল্লার পরিচয় শৈশবে ঘটে, আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে। আন্তোনেল্লার চাচাতো ভাই এবং মেসির বন্ধু লুকাস স্কালিয়ার মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মাত্র ১৩ বছর বয়সে ফুটবল ক্যারিয়ার গড়তে বার্সেলোনায় চলে যাওয়ায় তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়, তবে যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়নি। ২০০৫ সালে, আন্তোনেল্লার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী উরসুলা নটজ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে, সমবেদনা জানাতে রোজারিওতে থাকা আন্তোনেল্লার পাশে দাঁড়ান মেসি। সেই সময় থেকেই তাদের সম্পর্ক নতুন মোড় নেয়। কয়েক বছর পর তারা প্রকাশ্যে প্রেমের সম্পর্কের কথা জানান এবং পরে একসঙ্গে সংসার শুরু করেন। যদিও বিশ্বকাপের ট্রফি হাতছাড়া হয়েছে, তবুও আন্তোনেল্লার বার্তা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মাঠের সাফল্য এবং ব্যর্থতার বাইরে মেসির সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে তার পরিবার। কোটি সমর্থকের মতোই তার স্ত্রীও বিশ্বাস করেন, একটি ম্যাচ বা একটি ফাইনালের ফলাফল লিওনেল মেসির কিংবদন্তি মর্যাদাকে একটুও কমাতে পারে না। তার কাছে মেসি ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন- সবসময়ই সেরা।