শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৪ পি.এম
মো. আব্দুল্লাহ (৩০) সাত বছর ধরে সৌদি আরবে প্রবাসী জীবনযাপন করছিলেন, যেখানে তিনি স্বপ্নপূরণ ও পরিবারের স্বচ্ছলতার জন্য কাজ করছিলেন। দেশে থাকা অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, আড়াই বছরের কন্যাসন্তান এবং বৃদ্ধ মা-বাবা নিয়ে তার ভবিষ্যতের সব পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু কর্মস্থলে সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে বিষাক্ত কেমিক্যালের সংস্পর্শে এসে তার জীবন শেষ হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানী রিয়াদে কর্মস্থলে কেমিক্যাল দূষণের ঘটনায় আব্দুল্লাহসহ চারজন বিদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে, যা তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
নিহত আব্দুল্লাহ গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্বাটি গ্রামের সাবেক সেনাসদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনের তৃতীয় ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি প্রায় সাত বছর ধরে রিয়াদের ‘আব্দুল লতিফ কম্পানি’তে কর্মরত ছিলেন। এ সময়ের মধ্যে তিনি দুইবার ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। সর্বশেষ প্রায় এক মাস আগে ছুটি কাটিয়ে আবার সৌদি আরবে কর্মস্থলে ফিরে যান তিনি।
নিহতের বড় ভাই মো. আসাদুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার কর্মস্থলে হঠাৎ একটি কেমিক্যাল গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। এতে এক সহকর্মী গুরুতরভাবে আক্রান্ত হলে আব্দুল্লাহ কোনো কিছু না ভেবে তাকে উদ্ধারে এগিয়ে যান। এ সময় তিনি নিজেও বিষাক্ত কেমিক্যালের সংস্পর্শে আক্রান্ত হন। পরে ঘটনাস্থলেই আব্দুল্লাহসহ আরো তিনজন বিদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয় বলে পরিবারের কাছে খবর আসে।
তিনি বলেন, ‘আমার ভাই সব সময় খুব পরোপকারী ছিল। নিজের কথা না ভেবে বিপদে পড়া সহকর্মীকে বাঁচাতে এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেই চেষ্টাই শেষ পর্যন্ত তার প্রাণ কেড়ে নিল।’
আব্দুল্লাহর মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছানোর পর থেকেই তার গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। বৃদ্ধ মা-বাবার আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে দুর্বাটি গ্রামের বাড়ির পরিবেশ। স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, স্ত্রী-সন্তান ও মা-বাবার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন আব্দুল্লাহ। পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে পাড়ি দেওয়া এই যুবকের আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। আব্দুল্লাহর স্ত্রী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। তাদের আড়াই বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বাবার মৃত্যুর অর্থ বোঝার বয়সও হয়নি ছোট্ট মেয়েটির। অন্যদিকে অনাগত সন্তানটিও পৃথিবীর আলো দেখার আগেই বাবাকে হারিয়েছে।
এদিকে সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে আব্দুল্লাহর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রিয়াদে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকার্ত পরিবার আব্দুল্লাহর মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি তার অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করেছে।
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিডসে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছেন জস বাটলার। তিনি প্রথম ইংলিশ ব্যাটার হিসেবে ক্রিকেটের দুই ছোট ফরম্যাট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি, মিলিয়ে ১০ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করেছেন।
ম্যাচে, বাটলার দলের হয়ে ৪৯ বলে ৫টি চার ও ৫টি ছক্কা সহ ৬৯ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। ১৪০.৮২ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে, তিনি শেষ পর্যন্ত রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ত্যাগ করেন।
তবে, বাটলারের এই স্মরণীয় দিনে ইংল্যান্ড জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি। সফরকারী শ্রীলঙ্কার কাছে তারা ১৬ রানে পরাজিত হয়েছে। লঙ্কানদের গড়া ৩২১ রানের জবাবে, ইংল্যান্ডের ইনিংস ৩০৫ রানে শেষ হয়। ফলে, এই জয়ে সিরিজে সমতা ফেরায় শ্রীলঙ্কা।
সাদা বলের ক্রিকেটে, ৩৬৭ ম্যাচের ৩২৬ ইনিংসে বাটলারের মোট রান এখন ১০০৬২। এর মধ্যে ১৩টি শতক এবং ৬০টি অর্ধশতক রয়েছে। ইংলিশ ব্যাটারদের মধ্যে, সাদা বলের দুই ফরম্যাট মিলিয়ে এই অর্জন আর কারো নেই।
ফরম্যাটভিত্তিক পরিসংখ্যানে, ওয়ানডেতে ২০৪ ম্যাচে ৫৬৭৮ রান নিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রাহক। আর টি-টোয়েন্টির ১৬৩ ম্যাচে তার রান ৪৩৮৪।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় মো. মহিউদ্দিন (২৪) নামে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত মুজিবুর নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের মাস্টারহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত মহিউদ্দিন শিকলবাহা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আহছানিয়া পাড়া এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মুজিবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে তিনি আবারও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে কয়েক দিন আগে আহছানিয়া পাড়ায় একটি সামাজিক সংগঠন গঠন করা হয়। মহিউদ্দিন ওই সংগঠনের সদস্য ছিলেন এবং এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। বৃহস্পতিবার মাস্টারহাট এলাকায় মহিউদ্দিনের সঙ্গে ইব্রাহিম নামে এক ব্যক্তির মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইব্রাহিম ধারালো অস্ত্র দিয়ে মহিউদ্দিনকে কুপিয়ে জখম করেন।
স্থানীয়দের দাবি, ইব্রাহিম মুজিবুর রহমানের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে একদল উত্তেজিত জনতা মুজিবুর রহমানের ভাড়া বাসায় গিয়ে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ঘরের একটি গবাদিপশু পুড়ে মারা যায়।
আহত মহিউদ্দিনের ফুফাতো ভাই শিহাব উদ্দিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ইব্রাহিম আমার ভাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়েছে। বর্তমানে সে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মহিউদ্দিন ও ইব্রাহিমের মধ্যে বিরোধের জেরে মহিউদ্দিনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে উত্তেজিত জনতা মুজিবুর রহমানের বাড়িতে আগুন দেয়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবস্থাপনা ‘স্থবির পর্যায়ে’ ছিল এবং সেই 'স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে আনার পথ উন্মুক্ত' করা হয়েছে মর্মে নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের বক্তব্যকে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম বাস্তবতা-বিবর্জিত ও বিভ্রান্তিকর বলে মন্তব্য করেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার ও সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টু বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো সচল, গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক টার্মিনাল বিদেশিদের কাছে দীর্ঘমেয়াদে ইজারা চুক্তি থেকে জাতীয় স্বার্থে বিরত থাকতে হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ‘স্থবির’ ছিল- নৌমন্ত্রীর এমন দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং দীর্ঘদিন ধরে বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও দেশীয় দক্ষ জনশক্তির নিরলস শ্রম, অভিজ্ঞতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম বন্দর তার কার্যক্রম সচল রেখেছে এবং কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে ধারাবাহিকভাবে সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।
বিবৃতিতে তারা বলেন, বৈরী আবহাওয়া, সমুদ্রের সতর্ক সংকেত ও নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীরা ঝুঁকি নিয়ে বন্দরের কার্যক্রম সচল রেখেছেন। চট্টগ্রাম বন্দরের আয় ও হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি থাকলে সেটিকে ‘স্থবিরতা’ হিসেবে চিহ্নিত করা বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। বন্দরের এই অর্জনের পেছনে শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম ও দক্ষতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
বন্দর রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও সক্ষমতা সম্প্রসারণ অবশ্যই প্রয়োজন। তবে উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক কনটেইনার টার্মিনাল দীর্ঘমেয়াদি ইজারার মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠিত হয় না।
তারা বলেন, বিদেশি প্রযুক্তি, কারিগরি জ্ঞান বা ব্যবস্থাপনা সহযোগিতা গ্রহণের বিরোধিতা বন্দর রক্ষা কমিটির নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তি ও দক্ষতা নেওয়া যেতে পারে।
কিন্তু দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর অবকাঠামোর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জাতীয় অর্থনীতি, নিরাপত্তা, শ্রমিকস্বার্থ, রাজস্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় স্বার্থের ওপর এর প্রভাব প্রকাশ্যে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ও চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনালের (সিসিটি) মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অতীত সরকারের সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত কিংবা পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে নেওয়া উদ্যোগ- কোনোটিই জনস্বার্থ ও জাতীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে হতে পারে না।
তারা বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকতে হবে। একই সঙ্গে বন্দরের প্রকৃত সক্ষমতা, আয়, কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং এবং দেশীয় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা নিয়ে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন প্রকাশ করা প্রয়োজন।
বন্দর রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আমরা বন্দরের আধুনিকায়ন চাই, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন চাই, সক্ষমতা বৃদ্ধি চাই; কিন্তু জাতীয় স্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ বিসর্জন দিয়ে নয়। চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন দেশের শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও দেশীয় দক্ষ জনশক্তিকে সঙ্গে নিয়েই করতে হবে।
তারা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ বাতিল এবং বন্দরের জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের দাবিতে চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
আগামী ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিসহ ধারাবাহিক কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।
উল্লেখ্য যে, ফ্যাসিবাদী পতিত হাসিনা আমলে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান স্থাপনা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দীর্ঘ মেয়াদি ইজারা চুক্তিতে ছেড়ে দেওয়ার পদক্ষেপ বাতিলের দাবিতে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম এবং বিভিন্ন শ্রমিক কর্মচারী সংগঠন, শ্রমিক জোট, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠনের ঐক্যবদ্ধ চলমান আন্দোলন কর্মসূচিতে বিক্ষোভ মিছিল, মশাল মিছিল, অবরোধ, ঘেরাও, সভা সমাবেশ, প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান, চট্টগ্রাম বন্দর অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল, সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছোটপর্দার সীমানা অতিক্রম করে বড়পর্দায় নিজের অবস্থান প্রতিষ্ঠা করা সহজ ছিল না, তবে টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইধিকা পাল নিজগুণে সেই স্থানটি তৈরি করেছেন। দেবের সঙ্গে একাধিক সিনেমায় জুটি বেঁধে তিনি ইতোমধ্যে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এখন শোনা যাচ্ছে, টালিপাড়ার আরেকজন প্রথম সারির নায়কের সঙ্গে একটি ছবিতে দেখা যাবে এই অভিনেত্রীকে। জানা গেছে, দেবের পর এবার জিতের নায়িকা হিসেবে ইধিকা পালকে দেখা যাবে।
গণমাধ্যমের সূত্রমতে, পরিচালক পথিকৃৎ বসুর আসন্ন সিনেমায় জিতের বিপরীতে অভিনয় করবেন ইধিকা পাল। সিনেমাটি এসকে মুভিজের প্রযোজনায় নির্মিত হবে বলে জানা গেছে।
তবে এই সিনেমার বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। অভিনেতা জিৎ কিংবা ইধিকাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
উল্লেখ্য, অভিনেতা দেবের সঙ্গে ইধিকার জুটি ইতোমধ্যে দর্শকদের নজর কেড়েছে। একের পর এক সিনেমায় পাগলুখ্যাত অভিনেতার বিপরীতে তাকে দেখা গেছে। সেই সিনেমাগুলোর সাফল্যের পর টালিপাড়ায় ইধিকা পালের চাহিদা বেড়ে গেছে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
সম্প্রতি নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সিনেমা ‘কুইন ভিক্টোরিয়া ও গোয়েন্দা কানাইচরণ’-এর শুটিং শেষ করেছেন ইধিকা পাল। সেখানে যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে একফ্রেমে দেখা যাবে এই অভিনেত্রীকে। নতুন সিনেমার সবকিছু এখন আলোচনা পর্যায়ে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ