ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ববিতে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা, অফিসে তালা


ববিতে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা, অফিসে তালা

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হককে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। 

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চেয়ারম্যানের কক্ষ, শ্রেণিকক্ষ ও অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে ব্যানার টাঙিয়ে অবস্থান নেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিভাগটিতে দীর্ঘদিন ধরে সেশনজট ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা চলছে। সেশনজট নিরসনে চেয়ারম্যান একাধিকবার লিখিত আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা করে উন্নয়ন ফি নেওয়া হলেও গত ১০ বছরে শ্রেণিকক্ষে পর্দা লাগানো ছাড়া দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। এছাড়া শিক্ষা কার্যক্রমে পক্ষপাতিত্ব এবং শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যানের উদাসীনতাও রয়েছে। 

আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ, ৫ জনের কারাদণ্ড

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী কাজী মনোয়ার বলেন, ‘এর আগেও সেশনজট নিরসনের লিখিত আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। আজ প্রক্টরের মাধ্যমে উপাচার্যের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়েছে। তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের সাথে বসবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। তবে আমাদের মূল দাবি, চেয়ারম্যানকে বিভাগ থেকে অপসারণ করতে হবে।’

আরেক শিক্ষার্থী তাহসিন বলেন, ‘বহুবার যোগাযোগ করেও কোনো ফলপ্রসূ সমাধান পাইনি। আমাদের একটাই দাবি, তিনি সসম্মানে বিভাগ থেকে সরে দাঁড়ান।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মেহদী হাসান সোহাগ বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। তাদের নিয়ে আগামীকাল (সোমবার) বসব। তাদের সাথে আলোচনার পর বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

এ বিষয়ে বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, ‘মূলত শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষক সংকটের কারণেই এ জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক একটি বিষয় এত কমসংখ্যক শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হওয়ার নজির খুবই বিরল। প্রয়োজনের তুলনায় শিক্ষক সংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়ায় বিদ্যমান শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত অ্যাকাডেমিক চাপ তৈরি হচ্ছে এবং একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত অ্যাকাডেমিক সেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। সঠিক তথ্যের অভাবে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ভুল ধারণা করছে।’

আরও পড়ুন: বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকেরা বিএনপির রাজনীতিতে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, ব্যক্তি বা পদকে কেন্দ্র না করে না করে আমাদের উচিত মূল সমস্যাগুলো কী এবং সেগুলোর স্থায়ী সমাধান কীভাবে করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও অ্যাকাডেমিক স্বার্থই হওয়া উচিত আমাদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যাম্পাসের বুকে এক টুকরো সৌন্দর্য ‘রাবি কেন্দ্রীয় মসজিদ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


ক্যাম্পাসের বুকে এক টুকরো সৌন্দর্য ‘রাবি কেন্দ্রীয় মসজিদ’

বড় এক গম্বুজের ছায়ায় দাঁড়িয়ে থাকা অপূর্ব এক স্থাপত্য যেন ব্যস্ত ক্যাম্পাসের বুকে এক টুকরো প্রশান্তির ঠিকানা। দেয়ালের নকশা ভেদ করে ভেতরে এসে পড়ে নরম আলোর রেখা, খোলা পরিসরে মৃদু বাতাস বয়ে যায় আপন মনে। চারপাশের কোলাহল পেরিয়ে এখানে পা রাখলেই বদলে যায় পরিবেশ। নেমে আসে এক স্নিগ্ধ নীরবতা। মনে হয়, ব্যস্ততার ভিড় থেকে খানিকটা দূরে এসে মনও যেন খুঁজে পায় তার নিজস্ব শান্তির ঠিকানা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। প্রায় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই জামে মসজিদটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন, ইসলামি জ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃতি ও চর্চার কেন্দ্র হিসেবে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি এর আধুনিক স্থাপনা ও সুন্দর স্থাপত্যনকশা ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যকে করেছে অতুলনীয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক পেরোলেই চোখে পড়ে প্রশাসনিক ভবন। ভবনটির ডান পাশ ধরে একটু এগোলেই দৃষ্টিতে ধরা দেয় মুসলিম স্থাপত্যশৈলীর আদলে নির্মিত সুউচ্চ এক মিনার। মিনারের পাশেই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ। সূক্ষ্ম কারুকার্য ও নান্দনিক স্থাপত্যে নির্মিত এই মসজিদটি শুধু ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যই বাড়ায়নি, বরং এর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আবহে যুক্ত করেছে এক অনন্য মাত্রা। সময়ের সঙ্গে এটি হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যের এক গৌরবোজ্জ্বল প্রতীক।

মসজিদে প্রবেশ করতেই প্রাণ জুড়িয়ে যায় মুসল্লিদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীসহ নামাজ পড়তে আসেন হাজারো মুসল্লি। মসজিদের সৌন্দর্য বাড়াতে চারদিকে স্থাপন করা হয়েছে লাইটপোস্ট। নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন স্থাপনাও। সুবিশাল অভ্যন্তরীণ এই মসজিদে নেই কোনো পিলার। মূল কাঠামোর মধ্যবর্তী স্থানে ওপরে নির্মাণ করা হয়েছে বিশালাকার গম্বুজ। শ্বেত-শুভ্র ঝাড়বাতিগুলো এতই মনোরম যে, নির্মাণের প্রতিটি স্তরের সঙ্গে তা একেবারে মিশে গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭০ সালের ১৩ এপ্রিল প্রায় তিন একর জায়গায় এই মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং শেষ হয় ১৯৭৪ সালের মার্চ মাসে। এর মূল কাঠামোর দৈর্ঘ্য ৫২ গজ ও প্রস্থ ৫২ গজ। তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের নকশাপ্রণেতা ‘থারিয়ানি’র নকশার আলোকে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের মার্চ মাসে। রাবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটির নির্মাণব্যয় তৎকালীন সময়ে ৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে পরে কাজ শেষ করতে ব্যয় হয়েছিল প্রায় আট লাখ টাকা।

মসজিদের বারান্দা ও বারান্দার বাইরের যে অংশ রয়েছে, তা মূল কাঠামোর প্রায় দ্বিগুণ। মূল ভবনের অভ্যন্তরে প্রায় ৫০০ মুসল্লির ধারণক্ষমতা রয়েছে। তবে বাইরের ফাঁকা জায়গাসহ এই মসজিদে প্রায় আড়াই হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের আঙিনাকে মূল ক্যাম্পাস থেকে পৃথক রাখা ও পবিত্রতা রক্ষার্থে চারপাশে রয়েছে দেয়াল। আঙিনাজুড়ে রয়েছে সারিবদ্ধ ঝাউগাছ। দক্ষিণ-পূর্ব পাশে রয়েছে ফোয়ারা, নারী-পুরুষের জন্য পৃথক অজুখানা, অফিসকক্ষ, শৌচাগার ও ইমামের থাকার ব্যবস্থা। এছাড়া রয়েছে হরেক রকমের ফলের গাছ ও ঈদগাহ।

মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা ইমাম ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মাওলানা জামাল উদ্দিন। মসজিদে একজন সিনিয়র পেশ ইমাম ও একজন মুয়াজ্জিন দায়িত্ব পালন করছেন। মসজিদের সার্বিক তত্ত্বাবধানের জন্য রয়েছেন দুজন সহকারী রেজিস্ট্রার ও একজন সেকশন অফিসার। মসজিদের অজুখানার পাশেই রয়েছে সমৃদ্ধ পাঠাগার। পাঠাগারটি মুসল্লিদের জন্য আসরের নামাজের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত খোলা থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদটি অনেক সুন্দর। প্রতিদিন এখানে শত শত মুসল্লির সমাগম হয়। ক্যাম্পাসে যারা ঘুরতে আসেন, তারা একবার হলেও মসজিদটিতে নামাজ পড়ে যান। আমি মনে করি, রাবি ক্যাম্পাসের অন্যান্য সব দৃষ্টিনন্দন জায়গার মধ্যে কেন্দ্রীয় মসজিদ অন্যতম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী মো. জুনায়েদ সোবহান বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সুন্দর একটি স্থান। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাইরের অনেক মানুষও প্রতিনিয়ত নামাজ আদায় করতে আসেন। মসজিদটি এর ভিন্নধর্মী স্থাপত্যশৈলীর জন্য বেশ পরিচিত।

মসজিদটিতে বর্তমানে সিনিয়র পেশ ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মাওলানা ফাহিম মাহমুদ। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি মাদরাসা শিক্ষায়ও পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন। তিনি বলেন, মসজিদটির ভেতরের অংশ তুর্কি স্থাপত্যশৈলীতে নকশা করা। একসময় মসজিদে জুমার নামাজে খুব ভিড় হতো, যা মুসল্লিদের জন্য কষ্টকর ছিল। তবে বর্তমানে তা হয় না। কারণ, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা, বিজয়-২৪ ও মতিহার হলে জুমার নামাজ চালু হওয়ায় মুসল্লিদের চাপ অনেকটাই কমে গেছে।

মসজিদের দু’পাশে নামাজের স্থান সম্প্রসারণের বিষয়ে তিনি বলেন, সম্প্রসারিত নামাজের স্থান মূল মসজিদের সৌন্দর্যে কোনো ব্যাঘাত ফেলবে না; বরং দূর থেকে তা দেখতে মসজিদের একটি অংশের মতোই মনে হবে। মূল মসজিদের সঙ্গে সমন্বয় করেই এটি তৈরি করা হচ্ছে।

তবে এতকিছুর পরেও ঐতিহ্যের এই প্রাণকেন্দ্রে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে বলে জানান মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা। তারা বলেন, মসজিদের পাশেই রয়েছে শহীদ মিনার ও মুক্তমঞ্চ। প্রায়ই আসর ও মাগরিবের সময় এই মঞ্চে উচ্চস্বরে মাইক বাজিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করা হয়। এর কারণে নামাজরত মুসল্লিরা মারাত্মক অসুবিধায় পড়েন।

এছাড়া এখানে শৌচাগার ও অজুর জন্য যে ব্যবস্থা রয়েছে, তা মুসল্লিদের জন্য অপ্রতুল। শৌচাগারগুলোর অধিকাংশই ব্যবহারের অনুপযোগী। অজুখানায় মাত্র ৪২ জন একসঙ্গে অজু করতে পারেন। এ সময় দ্বিগুণসংখ্যক মুসল্লিকে অজু করার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। ফলে অনেক মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করতে পারেন না। এ কারণে মসজিদের ফোয়ারার চারপাশে অজু করার ব্যবস্থা করা হলে সমস্যা কিছুটা হলেও দূর হবে বলে জানান তারা।

একই সঙ্গে মসজিদের পাঠাগারটিকে আরও সমৃদ্ধ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বইয়ের সংখ্যা বাড়িয়ে পাঠাগারটি উন্নত করার পাশাপাশি অধ্যয়নের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও যুগোপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন মসজিদের ইমাম। এদিকে, মসজিদের পাঠাগারটি আসরের নামাজের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত খোলা থাকলেও জোহরের নামাজের পর থেকে এশার নামাজের পূর্ব পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন মুসল্লিরা।

এছাড়া জুমার নামাজে অতিরিক্ত মুসল্লির চাপে বারান্দায় যারা নামাজ আদায় করেন, তাদের রোদে কষ্ট করে নামাজ পড়তে হয়। এক্ষেত্রে বারান্দায় ছাদ নির্মাণ করা হলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলে মনে করেন মুসল্লিরা। তবে বর্তমানে মূল মসজিদের দক্ষিণ পাশে নারীদের জন্য আলাদাভাবে মসজিদ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে মসজিদের উত্তর পাশে পুরুষদের নামাজের স্থান সম্প্রসারণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। 

এক ছাদের নিচে যখন আড়াই হাজার মানুষ সিজদায় নত হন, তখন মসজিদটি যেন শুধু একটি স্থাপত্য হয়ে থাকে না; হয়ে ওঠে বিশ্বাস, প্রার্থনা ও আত্মিক প্রশান্তির মিলনস্থল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নান্দনিকতার ভুবনে তাই কেন্দ্রীয় মসজিদ একদিকে যেমন ইবাদতের পবিত্র স্থান, অন্যদিকে তেমনি ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রতীক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এবার আওয়ামী লীগের পক্ষে ওকালতি করলে রুমিন ফারহানার ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

সারোয়ার তুষার বলেন, এখানে নৌকাডুবি হয়ে গেছে। নৌকাডুবি হওয়ার পর হাঁস (রুমিন ফারহনার হাঁস) যদি ডুব দিয়ে নৌকা খুঁজতে যায়, তাহলে হাঁসকে কি বাংলাদেশের জনগণ আস্ত রাখবে? ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণ হাঁস আস্ত রাখবে? হাঁস কিন্তু জনগণ খেয়ে ফেলবে। কাজেই সাধু সাবধান।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের পক্ষে কোনো ওকালতি আমরা শুনতে চাই না৷ আপনি আওয়ামী লীগের বিচার চান না কেন? বিচার চান না, কিন্তু আপনি বলেন যে আওয়ামী লীগকে আসতেই হবে।

তিনি আরও বলেন, একটা নির্বাচন জিতে যদি আপনি মনে করেন এখন আপনি যা খুশি তা করার লাইসেন্স পেয়ে গেছেন, ব্যাপারটা এত সহজ না। আপনাকে আমরা ভালোবাসি, পছন্দ করি, কিন্তু সমস্ত কিছুর একটা সীমা আছে। দয়া করে আওয়ামী লীগকে নিয়ে কোনো ধরনের জাস্টিফিকেশন দিতে আসবেন না। হাঁস যদি নৌকা খুঁজতে থাকে, তাহলে হাঁসতো খেয়ে ফেলব আমরা।

এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন মাহদি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক বাকের মজুমদার প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরাজগঞ্জের পিপুলবাড়িয়া বাজারে বাসদের মানববন্ধনে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ ও মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জহুরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


সিরাজগঞ্জের পিপুলবাড়িয়া বাজারে বাসদের মানববন্ধনে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ ও মানববন্ধন

সার ও বিদ্যুৎ সংকট নিরশন, নিত্যপন্যের দাম নিয়ন্ত্রণ

সারাদেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা রংপুরের। হত্যার বিচার এবং মাদক রোধের দাবীতে মানববন্ধনে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৩০ আগষ্ট) বিকেলে গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্টের উদ্যোগে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব চত্বরে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।

মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক কমরেড নব কুমার কর্মকার, সিপিবি সভাপতি কমরেড ইসমাইল হোসেন, সাইফুল ইসলাম শফি, বাসদ নেতা তারিকুজ্জামান টরিক, সঞ্জয় কুমার গৌর এবং শুনিল কুমার। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। নেতৃবৃন্দ সার ও বিদ্যুৎ সংকট নিরশন করে কৃষি শিল্প রক্ষার জন্য জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার পিপুলবাড়িয়া বাজারে বাসদের মানববন্ধন চলাকালে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে প্রায় ৬ জন নেতা কর্মীকে আহত করে। এর প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্টের উদ্যোগে এক মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষকসহ ৪ জনকে হত্যাকাণ্ডে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে : ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


শিক্ষকসহ ৪ জনকে হত্যাকাণ্ডে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে : ত্রাণমন্ত্রী

রংপুর, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে। তিনি বলেন, হত্যার ঘটনায় অধিকতর তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেবে।

আজ রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনা রোমহর্ষক ও মর্মান্তিক। 

এ ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। মাদকাসক্ত হয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রায়ই ওই বাড়িতে গিয়ে গণপতি চক্রবর্তীকে বিরক্ত করতেন। তাদের বাধা দিতে গিয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরপরই পুলিশ মূল দুই আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমান সরকার এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি ঘটনায় সরকার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রামিসা হত্যার ঘটনায় দ্রুত অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং এর বিচারকাজও শেষ হয়েছে।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাই এ ঘটনায় আর সন্দেহের কিছু নেই। এ সময় রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু ও রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%