ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্রিকেটের নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’-এর কার্যক্রম কী?


ক্রিকেটের নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’-এর কার্যক্রম কী?

ক্রিকেটে বিতর্কিত বিষয় হিসেবে ব্যাটে বল লেগেছে কি না, তা নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে ক্যাচ আউটের আবেদনে আম্পায়ারদের জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়, কারণ বলটি ব্যাটকে ছুঁয়েছে কি না তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

এমন অবস্থায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করার জন্য ক্রিকেটের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা পদ্ধতিতে (ডিআরএস) নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’ যুক্ত হয়েছে। চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতের বিপক্ষে এই প্রযুক্তিটি নিউজিল্যান্ডের তৈরি।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (এনজেডসি), সম্প্রচার মাধ্যম স্কাই এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভার্চুয়াল আই একযোগে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো ডিআরএসের অংশ হিসেবে ‘সনিক’ ব্যবহৃত হচ্ছে। এই প্রযুক্তিটি শব্দ বিশ্লেষণ করে ব্যাট ও বলের সম্ভাব্য সংস্পর্শ শনাক্ত করতে সহায়তা করছে। এর ফলে টিভি আম্পায়ার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার জন্য অতিরিক্ত তথ্য লাভ করছেন।

আরও পড়ুন: ঢাকা টেস্ট বাংলাদেশের জন্য নিজেদের প্রমাণের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা

আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করে ‘সনিক’ ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার আগে প্রযুক্তিটির পরীক্ষা ও মূল্যায়ন করা হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সমর্থনও এই প্রক্রিয়ায় ছিল। ২০০৮ সাল থেকে বলের গতিপথ নির্ণয়ের জন্য আইসিসির স্বীকৃতি রয়েছে ভার্চুয়াল আইয়ের।

এনজেডসির বিপণন ও বাণিজ্য বিভাগের প্রধান গ্লেন ক্রিচলি মন্তব্য করেছেন, ‘সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার নির্ভরযোগ্যতা খেলাটির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই এত বিস্তৃত পরীক্ষা ও মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

ভার্চুয়াল আইয়ের প্রধান নির্বাহী বেন টেলর বলেছেন, ‘নির্ভুলতা, ধারাবাহিকতা এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের সর্বোচ্চ মান পূরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমাদের দল এই প্রযুক্তির উন্নয়ন ও পরিমার্জনে নিরলসভাবে কাজ করেছে।’

বর্তমানে নিউজিল্যান্ড-ভারত সিরিজে ‘সনিক’ ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে অন্য সিরিজে এর ব্যবহার আইসিসির অনুমোদন ও স্বীকৃতি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।

আরও পড়ুন: স্টার্কের ছয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা চাপে, দিনের শেষে অলআউট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জেলা প্রশাসকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জেলা প্রশাসকের

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য প্রত্যেক ব্যক্তির, পরিবারের এবং সমাজের সচেতনতা অপরিহার্য। বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি, পানি জমে মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি না হওয়ার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

রাজশাহী জেলা সুইমিং প্রাঙ্গণে শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল “ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন”।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের উদ্যোগ একা যথেষ্ট নয়; সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রাম এবং অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। মশার বংশবিস্তার রোধে সবাইকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানোর জন্য পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। এজন্য ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা জোরদার করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (উপসচিব) নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ভূমি অধিগ্রহণ শাখা) মো. আরিফ হোসেন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. বোরহান উদ্দিন অন্তর এবং জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেনসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুট পারমিট ছাড়া কোন গাড়িকে সড়কে চলতে দেওয়া হবে না: মানিকগঞ্জের ডিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


রুট পারমিট ছাড়া কোন গাড়িকে সড়কে চলতে দেওয়া হবে না: মানিকগঞ্জের ডিসি

মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন আরা সুলতানা মন্তব্য করেছেন, ‘রুট পারমিট ছাড়া কোন গাড়ীকে আর সড়কে চলতে দেওয়া হবে না’।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে, মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক আরও উল্লেখ করেন, সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসে চালক, যাত্রী ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, 'তিন চাকার গাড়ী ও বাইক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। তাই তিন চাকার গাড়ীগুলিকে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক মহাসড়কে চলতে দেওয়া হবে না। রুট পারমিট ছাড়া কোন গাড়ীকে সড়কে চলতে দেওয়া হবে না।'

এ সময় সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মো. খায়রুল ইসলাম, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রাণী কর্মকার, মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ঢাকা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক প্রকৌশলী মোবারক হোসেন, জেলা কৃষকদলের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া সাইদ, জেলা পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক লিটন, সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি খন্দকার তুহিনসহ বিভিন্ন বাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির প্রতিনিধিবৃন্দ, হাইওয়ে পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের প্রতিনিধিবৃন্দ।

সভায় নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্টদের করণীয়, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২৮তম বার্ষিক সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, তালাশ বিডি,

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২৮তম বার্ষিক সম্মেলন

বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার ২৮তম বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ তরায়হান কবির। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব এ কে এম আবুল কালাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জনাব মোঃ ইসমাইল হোসেন।

জেলা শিল্পকলা একাডেমি, নারায়ণগঞ্জ || ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি.

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে লক্ষ্মী প্রতিমার মেলা, ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


গোপালগঞ্জে লক্ষ্মী প্রতিমার মেলা, ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

দুর্গোৎসবের আনন্দ এখনো শেষ হয়নি। আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে লক্ষ্মীপূজা। তাই গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে লক্ষ্মীপূজার প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে প্রতিমার হাট জমে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হাটে ক্রেতারা প্রতিমা ও পূজার প্রয়োজনীয় উপকরণ কিনতে ভিড় করছেন। অন্যদিকে, মৃৎশিল্পীরা প্রতিমা বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

তথ্য অনুসারে, রবিবার (২৫ অক্টোবর) লক্ষ্মীপূজা শুরু হতে যাচ্ছে, তাই গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে প্রতিমার হাট এখন জমজমাট হয়ে উঠেছে। প্রতিবছরের মতো এবারও আশ্বিন মাসের কোজাগরী পূর্ণিমা তিথিতে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করবেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। ঘরে ঘরে মণ্ডপ তৈরি করে দেবীর প্রতিমা বসানো হবে। পূজামণ্ডপ ও আঙিনা ঢাক-ঢোল ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠবে।

পূজার তিথি অনুযায়ী, কোজাগরী পূর্ণিমা রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে শুরু হবে এবং শেষ হবে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৪২ মিনিটে।

লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে গোপালগঞ্জ শহরের খাটরা সার্বজনীন কালীবাড়ী, বেদগ্রাম, ঘোনাপাড়া, সাতপাড়, বৌলতলী, গান্ধিয়াশুর বাজার, কাশিয়ানীর সিংগা, রাহুথর বাজার, রামদিয়া, কাশিয়ানী সদর, কোটালীপাড়া, টুঙ্গিপাড়া ও মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে লক্ষ্মী প্রতিমার হাট বসেছে।

হাটে প্রতিমার পাশাপাশি পূজার নানা উপকরণও পাওয়া যাচ্ছে। সোলার ফুল, নৌকা, কলাগাছ, মালা, নলডুগলি লতা, হলুদগাছ, পদ্মফুলসহ বিভিন্ন সামগ্রী সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। আকার ও মানভেদে ছোট প্রতিমার দাম ২০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বড় ও কারুকার্যখচিত প্রতিমার দাম দুই হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

প্রতিমার উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে উৎপাদন খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন মৃৎশিল্পীরা। ফলে তাদের প্রতিমা বিক্রির মূল্য আগের তুলনায় কিছুটা বেশি। প্রতিমাশিল্পী নেপাল পাল জানান, উপকরণের দাম বৃদ্ধির কারণে প্রতিমা তৈরির খরচ বেড়েছে। তাই বিক্রয়মূল্যও কিছুটা বাড়াতে হয়েছে।

এদিকে, প্রতিমার হাটে ক্রেতাদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। অনেকেই বাড়িতে পূজার আয়োজন করতে হাটে ঘুরছেন; পছন্দের প্রতিমা দেখে দরদাম করে কিনছেন। সাধ্যের মধ্যে প্রতিমা কেনার পাশাপাশি একই জায়গা থেকে পূজার উপকরণ সংগ্রহ করতে পারায় ক্রেতারা স্বস্তি প্রকাশ করছেন।

গোপালগঞ্জ শহরের বটতলা রোডের বাসিন্দা প্রিয়ম মণ্ডল বলেন, ‘আড়াই শ টাকা দিয়ে প্রতিমা কিনেছি মায়ের পূজা করব বলে। মা আমাদের সবাইকে ভালো রাখবেন, এই আশায় পূজার আয়োজন করছি।’

দুর্গাপূজার পর কোজাগরী পূর্ণিমায় বাঙালি হিন্দু পরিবারে লক্ষ্মীপূজা পালিত হয়। সংসারে সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি ও আর্থিক উন্নতির জন্য দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করেন ভক্তরা।

‘কোজাগরী’ শব্দটি সংস্কৃত ‘কো জাগর্তি’ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘কে জেগে আছো?’ প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পূর্ণিমা রাতে দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে পরিভ্রমণ করেন এবং যারা জেগে থেকে তার আরাধনা করেন, তাদের আশীর্বাদ করেন। তাই কোজাগরী পূর্ণিমায় রাত জেগে দেবীর পূজা করার রীতি প্রচলিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%