০৫:০২ পি.এম
ক্রিকেটে বিতর্কিত বিষয় হিসেবে ব্যাটে বল লেগেছে কি না, তা নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে ক্যাচ আউটের আবেদনে আম্পায়ারদের জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়, কারণ বলটি ব্যাটকে ছুঁয়েছে কি না তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এমন অবস্থায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করার জন্য ক্রিকেটের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা পদ্ধতিতে (ডিআরএস) নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’ যুক্ত হয়েছে। চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতের বিপক্ষে এই প্রযুক্তিটি নিউজিল্যান্ডের তৈরি।
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (এনজেডসি), সম্প্রচার মাধ্যম স্কাই এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভার্চুয়াল আই একযোগে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো ডিআরএসের অংশ হিসেবে ‘সনিক’ ব্যবহৃত হচ্ছে। এই প্রযুক্তিটি শব্দ বিশ্লেষণ করে ব্যাট ও বলের সম্ভাব্য সংস্পর্শ শনাক্ত করতে সহায়তা করছে। এর ফলে টিভি আম্পায়ার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার জন্য অতিরিক্ত তথ্য লাভ করছেন।
আরও পড়ুন: ঢাকা টেস্ট বাংলাদেশের জন্য নিজেদের প্রমাণের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা
আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করে ‘সনিক’ ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার আগে প্রযুক্তিটির পরীক্ষা ও মূল্যায়ন করা হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সমর্থনও এই প্রক্রিয়ায় ছিল। ২০০৮ সাল থেকে বলের গতিপথ নির্ণয়ের জন্য আইসিসির স্বীকৃতি রয়েছে ভার্চুয়াল আইয়ের।
এনজেডসির বিপণন ও বাণিজ্য বিভাগের প্রধান গ্লেন ক্রিচলি মন্তব্য করেছেন, ‘সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার নির্ভরযোগ্যতা খেলাটির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই এত বিস্তৃত পরীক্ষা ও মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
ভার্চুয়াল আইয়ের প্রধান নির্বাহী বেন টেলর বলেছেন, ‘নির্ভুলতা, ধারাবাহিকতা এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের সর্বোচ্চ মান পূরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমাদের দল এই প্রযুক্তির উন্নয়ন ও পরিমার্জনে নিরলসভাবে কাজ করেছে।’
বর্তমানে নিউজিল্যান্ড-ভারত সিরিজে ‘সনিক’ ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে অন্য সিরিজে এর ব্যবহার আইসিসির অনুমোদন ও স্বীকৃতি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
আরও পড়ুন: স্টার্কের ছয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা চাপে, দিনের শেষে অলআউট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন