ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকারি চাকরিজীবীদের সন্তানদের জন্য স্কুলে ৫% অতিরিক্ত আসন বরাদ্দ


সরকারি চাকরিজীবীদের সন্তানদের জন্য স্কুলে ৫% অতিরিক্ত আসন বরাদ্দ

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি হলে তাদের সন্তানদের জন্য আলাদা ভর্তির সুযোগ থাকবে। সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রতি শ্রেণির শাখায় মোট আসনের ৫ শতাংশ অতিরিক্ত আসন রাখা হবে। এই বিধান সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নীতিমালার ১৮ ধারায় বদলির কারণে ভর্তির সুযোগ ও শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। সুবিধাটি পেতে হলে, বদলির আদেশের তারিখ থেকে ১২ মাসের মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদনটি ভর্তি কমিটির সভাপতির কাছে করতে হবে এবং সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রমাণ প্রদান করতে হবে।

মহানগর, সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় শহরের জন্য একটি আলাদা শর্ত প্রযোজ্য। যদি নতুন কর্মস্থল আগের জায়গা থেকে ১০ কিলোমিটারের বেশি দূরে হয়, তাহলে সন্তান ভর্তির সুযোগ পাবে। দূরত্ব গুগল ম্যাপ অনুযায়ী মাপা হবে। ভর্তি হবে কর্মস্থলের নিকটবর্তী সরকারি বা বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। জেলা, উপজেলা ও থানার ক্ষেত্রেও সন্তান কর্মস্থলের নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে।

আরও পড়ুন: কবি নজরুল কলেজে পানির ফিল্টার নষ্ট, শিক্ষার্থীরা বিপাকে

সরকারি বিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা এই ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। যদি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী আগের কর্মস্থলে আবার বদলি হন, তাহলে তার সন্তান আগের স্কুলে পুনরায় ভর্তি হতে পারবেন। বিভিন্ন কোটায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মূল কাগজপত্র যাচাই করবেন প্রতিষ্ঠান প্রধান। এরপর ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে।

একই শ্রেণিতে পারস্পরিক বদলির সুযোগও বিদ্যমান। এজন্য দুই বিদ্যালয়ের সম্মতি প্রয়োজন। শিক্ষার্থী বা অভিভাবককে ভর্তি কমিটির সভাপতির কাছে আবেদন করতে হবে। কমিটি নীতিমালা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্যও অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত থাকবে। ভর্তির উপযুক্ত সন্তানের সংখ্যার সমান আসন রাখা হবে। শিক্ষক যদি বালক বিদ্যালয়ে কাজ করেন এবং সন্তান মেয়ে হয়, তাহলে কাছের সরকারি বালিকা বা সহশিক্ষা বিদ্যালয়ে আসন রাখতে হবে। একইভাবে, শিক্ষক যদি বালিকা বিদ্যালয়ে কাজ করেন এবং সন্তান ছেলে হয়, তাহলে কাছের সরকারি বালক বা সহশিক্ষা বিদ্যালয়ে আসন রাখতে হবে। শিক্ষক সহশিক্ষা বিদ্যালয়ে থাকলে সন্তানের আসন সেই বিদ্যালয়েই রাখা হবে। যদি সেই স্কুলে কাঙ্ক্ষিত শ্রেণি না থাকে, তাহলে কাছের অন্য উপযুক্ত বিদ্যালয়ে আসন রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান ব্যবস্থা নিয়ে ভর্তি কমিটিকে জানাবেন।

কর্মরত অবস্থায় যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী মারা যান, তাহলে তার সন্তান ভর্তির সুযোগ পাবেন। সন্তান যে এলাকায় স্থায়ীভাবে থাকবে, সেখানকার সরকারি স্কুলে ভর্তি হতে পারবেন। ভর্তি কমিটি এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন: নভেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭ ও ৮ নভেম্বর টানা ৩ দিনের ছুটি

সরকারি স্কুলের যে শিক্ষার্থীর বাবা-মা নেই, তার জন্যও সুযোগ রাখা হয়েছে। সে যদি বাসস্থান বদলায়, তাহলে নতুন এলাকার সরকারি স্কুলে একই শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে। বাবা-মায়ের মৃত্যুর কারণে বাসস্থান বদলালেও একই সুযোগ পাওয়া যাবে। ভর্তি কমিটি এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তর কোরিয়া সাবমেরিন থেকে কৌশলগত ক্রুজ ক্ষে-প-ণা-স্ত্র ছু-ড়-ল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


উত্তর কোরিয়া সাবমেরিন থেকে কৌশলগত ক্রুজ ক্ষে-প-ণা-স্ত্র ছু-ড়-ল

উত্তর কোরিয়া তাদের পূর্ব উপকূলের নিকটবর্তী সমুদ্রে সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য দুই ধরনের কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানায়।

কেসিএনএ উল্লেখ করেছে, বুধবারের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধ-প্রতিরোধক ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা এবং কৌশলগত মিশন পরিচালনার ক্ষেত্রে নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিক্ষেপিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি ছিল ‘পুলহওয়াসাল-৩-৩১’ (Pulhwasal-3-31), যা একই ধরনের কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, যা পূর্বে উত্তর কোরিয়া স্থলভাগ থেকে পরীক্ষা করার কথা জানিয়েছিল।

পূর্ব উপকূলের অদূরে সমুদ্রে পরিচালিত পরীক্ষাগুলো পর্যবেক্ষণ করেছেন দেশটির উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা। কেসিএনএ আরও জানায়, এই পরীক্ষাগুলোর ফলে প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তার ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হয়নি।

এটি ধারণা করা হচ্ছে যে, উত্তর কোরিয়া এখন পর্যন্ত কোনো আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন সম্পূর্ণ কার্যকর অবস্থায় মোতায়েন করেনি। তবে, এটি দেশের নেতা কিম জং উনের সামরিক অগ্রাধিকারের তালিকার শীর্ষে রয়েছে; তিনি নিজে বিভিন্ন ধরনের কৌশলগত ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির বিষয়টি তদারকি করে আসছেন।

গত বছর কিম জং উন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক সাবমেরিন চুক্তির সমালোচনা করেন। এ সময় তিনি নিজের দেশের একটি সাবমেরিন উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন; রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে সেখানে ৮ হাজার ৭০০ টন ওজনের পারমাণবিক শক্তিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রবাহী একটি সাবমেরিন নির্মাণাধীন অবস্থায় দেখা যায়।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লবণ শিল্প সংকটে, উৎপাদনে বাড়তি খরচ ও আর্থিক চাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


লবণ শিল্প সংকটে, উৎপাদনে বাড়তি খরচ ও আর্থিক চাপ

উৎপাদনে বাড়তি খরচ, আর্থিক সংকট এবং বাজারের প্রতিযোগিতার কারণে খুলনা অঞ্চলের লবণ মিলগুলো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এক সময় ৩২টি মিল সক্রিয় ছিল, বর্তমানে টিকে আছে মাত্র নয়টি। এই মিলগুলোতেও নিয়মিত উৎপাদন না হওয়ার ফলে শ্রমিকদের কাজ ও আয় কমে যাচ্ছে।

উদ্যোক্তারা শিল্পটি পুনরুজ্জীবিত করতে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর, সহজ শর্তে ঋণ এবং আধুনিকায়নে সহায়তা চাচ্ছেন। তাদের মতে, অপরিশোধিত লবণ আমদানির সুযোগ থাকলেও এই সুবিধা দীর্ঘমেয়াদী সংকট সমাধান করবে না। কাঁচামাল সংগ্রহ, পরিবহন, পরিশোধন এবং বাজারজাতকরণের ব্যয় কমানো প্রয়োজন। স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করা জরুরি।

ভৈরব নদীর তীরে গড়ে ওঠা লবণ কারখানাগুলো ভোজ্য এবং শিল্প লবণ উৎপাদন করে, যা নদীপথে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাজারে পৌঁছায়। তবে বাড়তি ব্যয়ের চাপের কারণে সেই বাজার ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

পুরবী সল্টের ম্যানেজার আখিল হোসেন জানিয়েছেন, কক্সবাজার থেকে কাঁচামাল আনতে বাড়তি পরিবহন খরচ বহন করতে হয়। অনিয়মিত সরবরাহ এবং পরিশোধনের ব্যয় যুক্ত হওয়ায়, যদিও সক্ষমতা রয়েছে, নিয়মিত উৎপাদন চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। কারখানাগুলো আধুনিকায়নেও পিছিয়ে রয়েছে।

উদ্যোক্তাদের মতে, ভ্যাকুয়াম পদ্ধতিতে লবণ উৎপাদনে বড় বিনিয়োগের প্রয়োজন, কিন্তু আর্থিক সংকটে থাকা স্থানীয় অনেক প্রতিষ্ঠানের সেই সামর্থ্য নেই। গ্যাসের অভাবও একটি বাধা হিসেবে কাজ করছে। ফলে বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে খুলনার মিলগুলো।

রমনা সল্টের স্বত্বাধিকারী সালাহ উদ্দিন আহমেদ কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও আনুষঙ্গিক ব্যয় কমানোর দাবি জানিয়েছেন। তার মতে, সহজ শর্তে ঋণ এবং সাশ্রয়ী জ্বালানির ব্যবস্থা করা গেলে উদ্যোক্তাদের সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করা সম্ভব।

পুরবী সল্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কামরুল ইসলাম আধুনিকায়নে বিনিয়োগের সংকটের কথা তুলে ধরেন। তিনি মনে করেন, স্থানীয় মিলগুলোর উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নত করা প্রয়োজন, যাতে তারা বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।

শ্রমিকদের সংসারে এই শিল্পের সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে। কারখানায় গুদাম থেকে কাঁচা লবণ বহন, পরিশোধনের যন্ত্রে দেয়া এবং প্যাকেটজাত করার কাজ চললেও আগের কর্মব্যস্ততা নেই। এক সময় যেখানে শতাধিক শ্রমিক কাজ করতেন, বর্তমানে সেখানে হাতে গোনা কয়েকজন কাজ করছেন।

শ্রমিকদের অভিযোগ, মাসে ১৫ দিনও কাজ পাওয়া যায় না। কাজের সঙ্গে আয় কমে যাওয়ায় সংসারের খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। যদি চলমান মিলগুলোও বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তাদের জীবিকা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।

রাজাপুর সল্ট কারখানার শ্রমিক আবুল হাসান জানিয়েছেন, আগে মাসে ২৫ দিন কাজ থাকতো, কিন্তু এখন মাসে ১৫ দিনও কাজ মেলে না। কাজ কমে যাওয়ায় আয়ও কমেছে এবং সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

একই মিলের আরেক শ্রমিক হারুনুর রশীদ বলেন, গত কয়েক বছরে ভৈরব নদীর তীরে বেশ কয়েকটি লবণ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আগে এসব মিলে তিন হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করতেন, কিন্তু কিছু মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকের সংখ্যা নেমে এসেছে কয়েকশ’তে। বর্তমানে চালু থাকা মিলগুলোতে নিয়মিত কাজ না থাকায় পরিবারের খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি আশা করেন, কারখানায় উৎপাদন বাড়লে কাজের সুযোগও বাড়বে।

গফুর হাওলাদার নামের আরেক শ্রমিক বলেন, ‘আমরা তো আর কোনো কাজ জানি না। ৮-১০ বছর ধরে লবণ ফ্যাক্টরিতেই কাজ করছি। এখন যদি কাজ বন্ধ হয়ে যায়, আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) খুলনা অঞ্চলের লবণ শিল্পের সংকট স্বীকার করছে। সংস্থাটির খুলনার উপ-মহাব্যবস্থাপক গোলাম সাকসায়েন জানান, উদ্যোক্তাদের সমস্যা সরকারের উচ্চপর্যায়ে তুলে ধরা হবে। তিনি সহায়তা ও সংকট সমাধানে উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দেন।

গোলাম সাকসায়েন বলেন, ‘আমরা নিয়মিত উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। তাদের সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা মাঝে মধ্যেই মতবিনিময় করি। তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। ঋণ বা অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাড়াতে আমরাও চেষ্টা করছি। এজন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের উদ্যোগ নেব। আশা করছি খুলনা অঞ্চলের লবণ শিল্প আবারও হারানো দিনের ঐতিহ্য ফিরে পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিগ ব্যাশের জন্য রিশাদকে ধরে রেখেছে হোবার্ট হারিকেন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


বিগ ব্যাশের জন্য রিশাদকে ধরে রেখেছে হোবার্ট হারিকেন্স

হোবার্ট হারিকেন্স বিগ ব্যাশে রিশাদ হোসেনের অসাধারণ পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে তাকে আগামী আসরের জন্য দলে ধরে রেখেছে। অস্ট্রেলিয়ার এই ফ্র্যাঞ্চাইজির দলের হাই পারফরম্যান্স মহাব্যবস্থাপক স্যালিয়ান বিমস জানিয়েছেন, হোবার্ট রিশাদকে ফেরাতে আগ্রহী ছিল।

বিগ ব্যাশের ১৬তম আসর আগামী ১২ ডিসেম্বর শুরু হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে ২৪ বছর বয়সী রিশাদের অস্ট্রেলিয়ায় যোগ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

গত মৌসুমে বিগ ব্যাশে অভিষেকেই রিশাদ তার সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি ১২ ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে হোবার্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে মৌসুম শেষে তিনি দলের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার অর্জন করেন।

হোবার্টের দলে ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার অ্যাডাম জ্যাম্পা রয়েছেন। দু'জন বিশেষজ্ঞ লেগ স্পিনারকে একসঙ্গে খেলানোর পরিকল্পনা নিয়ে কিছু প্রশ্ন থাকলেও, রিশাদের সামর্থ্যে দলের আস্থা রয়েছে।

বিমসের মতে, রিশাদের ফিরে আসার দৃঢ় ইচ্ছা নতুন চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি মনে করেন, দু'জনের বোলিংয়ের ধরন আলাদা হওয়ায় প্রতিপক্ষ ও কন্ডিশনের ভিত্তিতে দল বাড়তি বিকল্প পাবে।

এবার হোবার্টে রিশাদের সতীর্থ হিসেবে থাকবেন শাই হোপ, টিম ডেভিড, ন্যাথান এলিস ও রাইলি মেরেডিথের মতো ক্রিকেটাররা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের সংঘর্ষে ২০০ হতাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪১ এম


ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের সংঘর্ষে ২০০ হতাহত

ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা তীব্র আকার ধারণ করেছে। দেশটির সেনাবাহিনী দাবি করেছে, এই সংঘর্ষে অন্তত ২০০-এর বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত ও আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিনভর তাইজ প্রদেশের বিভিন্ন রণাঙ্গনে সংঘর্ষের পাশাপাশি একাধিক বিমান হামলা পরিচালিত হয়। এই হামলাগুলোর ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবরটি আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে।

তাইজ সামরিক কমান্ডের একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রদেশটির রাজধানী তাইজ শহরের পশ্চিমে দুবাব ফ্রন্ট এবং দক্ষিণে আল-আকরুদ ও আল-শাকাব ফ্রন্টে বুধবার সকাল থেকে তীব্র লড়াই শুরু হয়। বিকালের দিকে সংঘর্ষের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পায়।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, আল-মিসরাখ জেলার রাস আল-নাজদ এলাকায় হুথিদের ট্যাংক ও সামরিক যানবাহনের একটি বহর লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এ ছাড়া, বুধবার ভোরে তাইজ শহরের পূর্বাঞ্চলে সোফিতেল পাহাড়ের কাছে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে দুটি বিমান হামলা করা হয়।

ইয়েমেনের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, বুধবার রাতে শহরের পশ্চিমে দুবাব ফ্রন্টে একটি ট্যাংক ও একটি সামরিক যান লক্ষ্য করে আরও দুটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। দিনভর সংঘর্ষ ও হামলায় ২০০-এর বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত ও আহত হয়েছেন। এ সময় একটি সামরিক যান ধ্বংস, দুটি ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত, একটি ড্রোন ভূপাতিত এবং সশস্ত্র যানবাহনের একটি বহর ধ্বংস করার কথাও জানায় সরকারি বাহিনী।

তবে, নিহত ও আহতের সংখ্যা এবং সামরিক ক্ষতির এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে হুথিদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে, চলতি মাসের শুরুতে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকা পুনর্দখলের লক্ষ্যে ‘ডন অব ইয়েমেন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন এলাকা পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত এই অভিযানে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থন প্রদান করছে।

অভিযান শুরুর পর থেকে দেশটির বিভিন্ন রণাঙ্গনে সংঘর্ষ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে তাইজে কৌশলগত অবস্থান ও সরবরাহপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকারি বাহিনী এবং হুথিদের মধ্যে লড়াই তীব্র আকার ধারণ করেছে।

২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়ার পর থেকে ইয়েমেনে সংঘাত চলমান রয়েছে। ২০১৫ সালে সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%