শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:০২ এম
কক্সবাজারে সাগরে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর পর্যটক এসএম নাফিসুর রহমান নিবীড়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার ফলে মৃতের সংখ্যা পাঁচজন হলো।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ৮ টার দিকে সমুদ্রসৈকতের কলাতলী সংলগ্ন ভাঙ্গারমুখ এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নাফিসুর রহমান নিবীড় (২০) ঢাকার উত্তরা থানার আজিমপুর এলাকার নাবিবুর রহমানের ছেলে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে মেরিন ড্রাইভের হিমছড়ি এলাকার সৈকত থেকে নিখোঁজ থাকা মোহাম্মদ হারুন নামে আরেক পর্যটকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
জেলা প্রশাসনের বিচকর্মিদের সুপারভাইজার মাহবুব আলম জানান, বুধবার বিকেলে মেরিন ড্রাইভের পেঁচারদ্বীপ এলাকার মৎস্য জাদুঘর সংলগ্ন মেরিনা রিসোর্ট সৈকতে গোসলে নেমে ২ পর্যটক নিখোঁজ হয়েছিল। এই ঘটনার পর থেকে লাইফ গার্ড, বিচকর্মি, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রেখেছিল। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে হিমছড়ি সৈকতে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা মোহাম্মদ হারুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে রাত ৮ টার দিকে সৈকতের কলাতলী পয়েন্ট সংলগ্ন ভাঙ্গারমুখ এলাকায় জোয়ারের পানিতে একটি মরদেহ ভেসে আসতে দেখে স্থানীয়রা বিচকর্মি ও পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে বিচকর্মিদের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পরে স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করেন বলে জানান বিচকর্মিদের এই সুপারভাইজার।
মাহবুব আলম জানান, এ নিয়ে ঘটনায় ৫ জনের প্রাণহানি হলো।
এর আগে, বুধবার বিকালে পেঁচারদ্বীপ মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘর সৈকত সংলগ্ন সাগরে পর্যটকদের ৭ জন ও ৫ জনের পৃথক দুইটি দল গোসলে নেমেছিল। এসময় ভাটার স্রোতের টানে ভেসে যেতে দেখে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা ৩ জনকে মৃত অবস্থায় এবং একজনকে মুমূর্ষাবস্থায় উদ্ধার করে। ঘটনায় পর্যটকদের উভয়দলের একজন করে দুইজন নিখোঁজ ছিল।
এর মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে মোহাম্মদ হারুন নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়। মোহাম্মদ হারুন (২০) চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার মোহাম্মদ কবির আহমদের ছেলে।
এর আগে একই ঘটনায় আরও ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এরা হলেন, ঢাকা উত্তরার আল মাহিবুর ইবনে মোকাররম (২৪) ও সাইবুল হক জিসান (২৩) এবং চট্টগ্রাম বায়েজিদ এলাকার মোঃ আকাশ। নিহতের স্বজনেরা জানান, সাইবুল হক জিসান ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। আল মাহিবুর ইবনে মোকাররম ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মুকাররম হোসেনের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) বিবিএর শিক্ষার্থী ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন কবি ও সাংবাদিক রথো রাফি।
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের আইসিইউতে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে। তার বয়স ছিল ৫২ বছর।
গত সোমবার থেকে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন রথো রাফি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফুসফুস ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। তার ছোট ভাই মো. এহতেশামুল হক গণমাধ্যমকে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
এহতেশাম জানান, তিন দিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। লাইফ সাপোর্টেও নেওয়া হয়েছিল তাকে।
রথো রাফির মরদেহ আগামীকাল শুক্রবার তার জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হবে। জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে দক্ষিন তারুয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার পাশে তাকে দাফন করা হবে, জানিয়েছেন তার ভাই এহতেশামুল হক।
রথো রাফি কবিতা ও অনুবাদে একটি নিজস্ব ভাষাভঙ্গি তৈরি করেছিলেন। তার একমাত্র কাব্যগ্রন্থ ‘অক্ষর ও বালির পৃথিবী’। ৪৩২ পৃষ্ঠার এই বইয়ে স্থান পেয়েছে দুই শতাধিক কবিতা। ১৯৯৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দুই দশকে লেখা কবিতাগুলোর সংকলন এটি। তার কবিতায় মানুষের জন্ম-মৃত্যুর দর্শন থেকে শুরু করে কৃষ্ণের বাঁশি ও যিশুর ক্রুশযাত্রার মতো বিভিন্ন অনুষঙ্গ উঠে এসেছে। এছাড়া বিশ্বসাহিত্যের বিভিন্ন কবির অনূদিত কবিতা রয়েছে তার সংগ্রহে।
১৯৭৫ সালের ৩১ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন তারুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন রথো রাফি। তার মা-বাবা আগেই মারা গেছেন। তার বাবা আবুল কাশেম আশুগঞ্জ হাজি আব্দুল জলিল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক ছিলেন এবং মা জাহানারা বেগম সরকারি চাকরি করতেন। বর্তমানে তার দুই ভাই রয়েছে। পেশা ও কবিতার জগতে রথো রাফি হিসেবে পরিচিত হলেও তার মূল নাম মো. মোজাম্মেল হক। তিনি অবিবাহিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাঁহাতি মিডিয়াম পেসার স্যাম কারানের খারাপ রেকর্ডের জন্য কি ইংল্যান্ড পরাজিত হলো? এই প্রশ্নটি অনেকের মনে আসছে।
এর পেছনে রয়েছে ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বোচ্চ ৪২৯ রান করেও ইংল্যান্ডের জয়লাভ করতে না পারা। এক দিনের ম্যাচে ৪০০+ রান করে ব্রিটিশদের কখনো হারতে হয়নি অতীতে।
কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হ্যারি ব্রুকসের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরির ম্যাচেও পরাজিত হয় ইংল্যান্ড।
এই পরাজয়ের প্রধান কারণ ছিল বাজে বোলিং। এবং এজন্য দায়ী করা হচ্ছে স্যাম কারানকে। তিনি ৯ ওভার বল করে ১০৩ রান খরচ করে ২ উইকেট লাভ করেন। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের কোনো বোলারের জন্য এটি এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি রান খরচের রেকর্ড।
এই রেকর্ড গড়ার সময় স্যাম কারান নিজেকে ছাড়িয়ে যান। এর আগে ২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৯.৫ ওভারে ৯৮ রান খরচ করেছিলেন তিনি। ইংলিশ বোলারদের মধ্যে সেটাই ছিল সর্বোচ্চ রান খরচের নজির।
আজ ৯ ওভারে স্যাম কারান খরচ করেন ১০৩ রান। ৪৩তম ওভারে তিনি ২০ রান, ৪৭তম ওভারে ১৯ রান এবং ৩৮তম ওভারে ১৮ রান খরচ করেন। মোট ৩ ওভারে তিনি ৫৭ রান খরচ করেছেন।
আজ প্রথমে ব্যাটিং করে হ্যারি ব্রুকসের (২০২) ডাবল সেঞ্চুরি এবং উইল জ্যাকস (৬৬*), জো রুট (৫৯) ও টম ব্যান্টনের (৫০) ফিফটির সুবাদে ইংল্যান্ড ২ উইকেটে ৪২৯ রানের বিশাল স্কোর গড়ে।
৩০০ বলে ৪৩০ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে পবন রত্নায়েকের (১৩০) সেঞ্চুরি; আবিস্কা ফার্নান্দো (৯৭), দাসুন শানাকা (৯৭) ও জ্যানিথ লিয়ানাগের (৬১*) ফিফটির সুবাদে শ্রীলংকা দাপুটে জয় লাভ করে। রান তাড়া করতে নেমে এদিন শ্রীলংকা নতুন রেকর্ড গড়েছে। এর আগে ওয়ানডে ক্রিকেটে এত রান তাড়া করে জয়ী হতে পারেনি তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরির (২০২) রেকর্ড গড়েছেন হ্যারি ব্রুকস। তবে, তার রেকর্ড গড়া ডাবল সেঞ্চুরির ম্যাচে ৪ উইকেটে ৪২৯ রানের পাহাড় গড়েও ইংল্যান্ড জয় পেতে পারেনি।
অতীতে চারশো বা তার বেশি রান করার ম্যাচে ব্রিটিশদের জয় নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজন হয়নি। কিন্তু আজ ৪২৯ রান করেও পরাজয় এড়াতে পারেনি ইংল্যান্ড।
শ্রীলংকা ৪৩০ রানের বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো ক্রিকেট উপস্থাপন করে। লংকানরা ১ বল হাতে রেখে ২ উইকেটের জয় অর্জন করে।
আজ হ্যারি ব্রুকস মাত্র ১১৬ বলে ২১টি চার এবং ১০টি ছক্কার সাহায্যে ২০২ রানের রেকর্ডময় ইনিংস খেলেন। ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকালেন তিনি। এর আগে ওয়ানডে ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ১৮২ রানের ইনিংস খেলে ছিলেন বেন স্টোকস।
আজকের রেকর্ড গড়া ম্যাচে বাউন্ডারির সাহায্যে সর্বোচ্চ ১৪৪ রান করেন হ্যারি ব্রুকস। যা ওয়ানডে ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের কোনো ব্যাটসম্যান হিসেবে রেকর্ড সর্বোচ্চ। এর আগে এক দিনের ম্যাচে বাউন্ডারির সাহায্যে সর্বোচ্চ ১২৪ রান করেছিলেন জস বাটলার।
ইংল্যান্ডের ৪২৯ রান করার পথে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন উইল জ্যাকস। তিনি মাত্র ৩০ বল মোকাবেলা করে ৮টি চার এবং তিন ছক্কায় ৬৬ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। ৬৬ বলে ৮টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬৯ রান করেন জো রুট। ওপেনার টম ব্যান্টন ৫১ বলে ৯টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৫০ রান করেন। ৩৯ বলে ২৯ রান করেন বেন ডাকেট।
এমন রেকর্ডময় ম্যাচে অবিশ্বাস্য সুন্দর ব্যাটিং করেন শ্রীলংকান ওপেনার আবিস্কা ফার্নান্দো এবং দাসুন শানাকা। তারা মাত্র ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন। তবে পবন রত্নানায়েক হতাশ হতে হয়নি। তিনি ১০৬ বলে ১৫টি চার এবং তিন ছক্কায় ১৩০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসের সুবাদে বিশাল জয় নিশ্চিত করে শ্রীলংকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় সড়কের কাজ তদারকির সময় নূরই আকরাম নামের একজন উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছে দেড় লাখ টাকা পাওয়ার ঘটনায় অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের গিদালপাড়া এলাকায় স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। পরে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
নূরই আকরাম বোদা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাকোয়া-নয়াদীঘি ভায়া বোয়ালমারী পাকা সড়কের নির্মাণ কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। তারা বারবার অভিযোগ করার পরও কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী বিষয়টিতে গুরুত্ব দেননি। কাজের মান ও বরাদ্দ সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চাইলে প্রকৌশলী সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। স্থানীয়রা তার পথ আটকে ব্যাগ তল্লাশি করতে চাইলে এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আটক উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছে থাকা ব্যাগ নিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করছেন স্থানীয় কয়েকজন। একইসঙ্গে ব্যাগে টাকা থাকার দাবিও করা হয়। এসময় উপসহকারী প্রকৌশলী দাবি করেন, তার কাছে পার্সোনাল প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও টাকা রয়েছে।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সঙ্গে থাকা মোট দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করে এবং তাকে হেফাজতে নেয়।
ঘটনার সময় প্রকৌশলী নূরই আকরাম দাবি করেন, টাকাগুলো তার ব্যক্তিগত এবং ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য তিনি সঙ্গে রেখেছিলেন। তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন।
বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা সময় সংবাদকে বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। ঘটনার পর থেকে তাকে পুলিশের হেফাজতে থানায় রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে টাকার উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিষয়টি এলজিইডির জেলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) পঞ্চগড় জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম সময় সংবাদকে বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। প্রয়োজনে তদন্ত কমিটি গঠন করে পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ