জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০২:১৭ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ শুরুর আগে স্পেন শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে পেরুকে ৩-১ গোলে পরাজিত করেছে। বাংলাদেশসময় মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখিয়েছে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরুতেই, দ্বিতীয় মিনিটের মাথায়, স্পেনের পক্ষে গোল করেন মিকেল ওয়ারজাবাল। ডি-বক্সের বাইর থেকে তার শক্তিশালী শট জালে প্রবেশ করালে, দ্রুত লিড পেয়ে যায় স্প্যানিশরা। গোলের পর দলটি আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকে।
প্রথমার্ধের ৩২ মিনিটের সময় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রি। ফেরান তরেসের ক্রস থেকে বল পেয়ে, সহজেই গোল করেন বার্সেলোনার এই মিডফিল্ডার। তাই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই, আরও একটি গোল পায় স্পেন। ৫৩তম মিনিটে, ইয়েরেমি পিনোর ক্রস ঠেকাতে গিয়ে পেরুর গোলরক্ষক পেদ্রো গাইয়াসি একটি ভুল করেন। তিনি বলটি নিজের জালে পাঠিয়ে দেন, ফলে স্পেন ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
এদিকে, ৬৬তম মিনিটে পেরু একটি গোল শোধ করে। সতীর্থের পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে এগিয়ে এসে স্পেনের গোলরক্ষক ডেভিড রায়াকে পরাস্ত করেন ভেলেস।
এই জয়টি স্পেনের জন্য বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাসের একটি উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগামী সোমবার (১৫ জুন) ‘এইচ’ গ্রুপে নবাগত কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে দলটি, যেখানে স্পেনের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হবে সৌদি আরব ও উরুগুয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনা সদর উপজেলার নবম শ্রেণির এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের পর আসামিদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। নিহতরা সবাই প্রতিবেশী এবং আগুন লাগার পর সেখানে জড়ো হওয়া উৎসুক জনতা ছিলেন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়। এর আগে গতকাল সোমবার (৮ জুন) বিকেলে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্য একজনের মৃত্যু ঘটে।
নিহতরা হলেন- পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ, পার্শ্ববর্তী নতুন পাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার ইউসুফের ছেলে সাপু।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৩ জুন) বিকেলে পাবনার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পিরপুরে পদ্মা নদী থেকে রিয়া খাতুন (১৫) নামের ওই কিশোরীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরের দিন, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তার মরদেহ দাফন করা হয়। দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই উত্তেজিত জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং অভিযুক্ত আসামিদের বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।
অগ্নিসংযোগের একপর্যায়ে আসামিদের বাড়ির ভেতরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকজন প্রতিবেশী ও উৎসুক জনতা মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। ঘটনার সময় আসামিপক্ষের কোনো লোক বাড়িতে ছিলেন না। পরে স্থানীয় লোকজন দগ্ধদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থাটি আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল।
ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত রিয়া খাতুন স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় রিয়ার কথিত প্রেমিক নাইমসহ তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর আসামিরা রিয়াকে গণধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা পুলিশকে স্বীকার করেছে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, 'ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় দগ্ধ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল একজন এবং আজ সকালে দুজনের মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অগ্নিকাণ্ড ও মৃত্যুর এই ঘটনার বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ