বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:২৩ পি.এম
বাংলাদেশ সিকিউরিটीज অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান জানিয়েছেন, উৎপাদন বন্ধ ও দীর্ঘদিন অচল থাকা কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) আয়োজিত ‘সিএমজেএফ টক’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
আসন্ন পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে, বিশ্বের কোথাও বন্ধ কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের সুযোগ নেই। তাই বাংলাদেশের পুঁজিবাজারেও দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব করতে আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণ, ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের সুযোগ সম্প্রসারণ, মার্জিন ঋণ নীতিমালায় পরিবর্তন, টি+১ সেটেলমেন্ট চালু, বন্ড বাজারকে মূল মার্কেটে আনা এবং ডেরিভেটিভস চালুর মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
মাসুদ খান আরও জানান, পুঁজিবাজারের ব্যবস্থাপনায় ইতোমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। বাজার তদারকিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) আরও বেশি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আগে কোনো শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বা লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিতে ডিএসইকে কমিশনের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হতো। এখন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ দিতে ডিএসইকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণের ক্ষমতাও স্টক এক্সচেঞ্জের হাতে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে হলে মিউচুয়াল ফান্ড খাতকে শক্তিশালী করা জরুরি। অধিকাংশ খুচরা বিনিয়োগকারীর পক্ষে ভালো কোম্পানি বাছাই করা কঠিন হওয়ায় বিদেশের আদলে ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজার সনদ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি মিউচুয়াল ফান্ড, মার্জিন ঋণ ও পাবলিক ইস্যু বিধিমালায় পরিবর্তন আনার কাজ চলছে।
বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে আইপিওতে আসতে উদ্যোক্তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় এবং বিপুল কাগজপত্র জমা দিতে হয়। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যাংকঋণকে সহজ বিকল্প হিসেবে বেছে নেয়। এ কারণে আইপিও প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বড় বেসরকারি কোম্পানিকেও ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের সুযোগ দেওয়া হবে। বর্তমানে শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি ২৫ শতাংশ শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে এ সুবিধা পায়। নতুন ব্যবস্থায় সব ধরনের কোম্পানি ১০ শতাংশ শেয়ার অফলোড করেই ডাইরেক্ট লিস্টিং করতে পারবে।
মার্জিন ঋণ নীতিমালা প্রসঙ্গে মাসুদ খান বলেন, বিদ্যমান নীতিমালায় এত বেশি শর্ত রয়েছে যে বিনিয়োগকারীদের জন্য ঋণ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। আগামী সপ্তাহেই এ-সংক্রান্ত নতুন বিধিমালার খসড়া প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের পর মার্জিন ঋণ পাওয়া আরও সহজ হবে।
তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর সমালোচনা সত্ত্বেও ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় গ্লোবাল ডিপোজিটরি রিসিপ্টস (জিডিআর) সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমানোর বিষয়েও উদ্যোগের কথা জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, বর্তমানে শেয়ার লেনদেনের নিষ্পত্তি দুই দিনে সম্পন্ন হয়। এটি কমিয়ে টি+১, অর্থাৎ একদিনে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে।
পুঁজিবাজারে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনি কাঠামোতেও পরিবর্তন আনার পরিকল্পনার কথা জানান মাসুদ খান। তিনি বলেন, বর্তমানে বিএসইসি জরিমানা করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা আদালতে আটকে যায়। অতীতের একটি কমিশন প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা জরিমানা করলেও আদায় হয়েছে মাত্র ৩৩ লাখ টাকা। এ পরিস্থিতি বদলাতে বিশেষ বেঞ্চ গঠন এবং পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনালে সরাসরি মামলা করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, বন্ড বাজারকে সক্রিয় করতে বর্তমানে অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে থাকা বন্ডগুলোকে মূল মার্কেটে তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি ডেরিভেটিভস চালুর প্রস্তুতিও চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধিত নাগরিকদের তথ্য চুরির ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নথি সংগ্রহ করার জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলসহ (বিসিসি) বিভিন্ন দফতরে চিঠি দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, অন্তত ১১ কোটি নাগরিকের তথ্য চুরি হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, এই ঘটনার সাথে সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুদকের সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
২০২২ সালের অক্টোবরে নাগরিক তথ্য সুরক্ষায় নির্বাচন কমিশন ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, কোনো নাগরিকের তথ্য অন্য কারো কাছে বিনিময় বা বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল।
দুদকে আসা অভিযোগে বলা হচ্ছে, ১১ কোটি নাগরিকের তথ্যের একটি মিরর কপি বিসিসিকে প্রদান করা হয়েছিল। তবে, সেই চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে ডিজিকন গ্লোবাল সার্ভিস লিমিটেড নাগরিকের ৪৬ ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য দেশ-বিদেশের ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দেয়।
এই অবৈধ তথ্য বিক্রির গোপন রহস্য উদঘাটনে নথিপত্র সংগ্রহের জন্য বিসিসি, নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন দফতরে চিঠি দিয়েছে দুদক।
তথ্য চুরির এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের অক্টোবরে কাফরুল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শুল্ক বহির্ভূত বাধা দূর করা, সংবেদনশীল পণ্যের তালিকা কমানো, শুল্ক হ্রাস এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই কথা জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
আজ সংসদে সরকারি দলের সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর সদস্য সেলিনা সুলতানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশন শুরু হয় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে।
মন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা। তিনি বলেন, ‘সার্কভুক্ত দেশগুলোর বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান শুল্ক বহির্ভূত বাধা দূর করার সঙ্গে সঙ্গে সংবেদনশীল পণ্যের তালিকা কমানো এবং শুল্ক হ্রাসে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’
মন্ত্রী জানান, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্য-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশের বাণিজ্য সচিব পর্যায় এবং ওয়ার্কিং গ্রুপ পর্যায়ে নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ), মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) সম্পাদনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চলতি বছরের ৯-১০ মার্চ ঢাকায় দুই দেশের বাণিজ্য সচিব পর্যায় ভূমিকা রাখার জন্য ১০ম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে আলোচনা হয় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিদ্যমান বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার নিয়ে।
তিনি জানান, ‘বাংলাদেশ-ভুটান অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় গঠিত যৌথ বাণিজ্য কমিটির প্রথম বৈঠক শিগগিরই ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়ন, বাস্তবায়নজনিত জটিলতা দূর এবং নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হবে।’
ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সাফটা এবং এপিটিএ কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হিসেবে ভারতের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার ভোগ করে আসছে। তিনি জানান, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ও ভারত পণ্য, সেবা এবং বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার বিষয়ে একমত হয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সুপারিশের ভিত্তিতে ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত শীর্ষ বৈঠকে সিইপিএ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। এর অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি উভয় দেশ আনুষ্ঠানিক আলোচনার সুবিধার্থে বাণিজ্য-সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় করবে।’
তিনি জানান, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ইতোমধ্যেই অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে তিন দফা আলোচনা সম্পন্ন করেছে এবং উভয় দেশ অগ্রাধিকার তালিকা বিনিময় করেছে। বর্তমানে ট্রেড নেগোসিয়েটিং কমিটির চতুর্থ বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে, যেখানে মার্জিন অব প্রেফারেন্স এবং অফার তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও নেপালও পিটিএ নিয়ে তিন দফা আলোচনা সম্পন্ন করেছে এবং চতুর্থ দফা আলোচনা আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে।
এ পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতির কথা তুলে ধরে মুক্তাদির বলেন, সাফটার প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ধাপে সার্কভুক্ত দেশগুলো ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকরভাবে তাদের সংবেদনশীল পণ্যের তালিকা ২০ শতাংশ কমিয়েছে। বর্তমানে তৃতীয় ধাপে এ তালিকা আরও কমানোর কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশসহ সার্কভুক্ত স্বল্পোন্নত দেশগুলোর সব পণ্যের জন্য তামাক ও মাদকজাত পণ্য ছাড়া শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দিয়েছে। এর ফলে ভারতে এবং অন্যান্য সার্ক দেশের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ-ভুটান অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বর্তমানে বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে। অন্যদিকে, ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেসি ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে পৌঁছালেও তার জাদু দেখানোর চর্চা শেষ হয়নি। তিনি প্রতিনিয়ত মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন। ৩৯ বছর বয়সেও লিওনেল মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখে পুলকিত লামিনে ইয়ামাল।
এ কারণে মেসিকে নিয়ে ভীষণ আনন্দিত ইয়ামাল। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের প্রতি মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যম এল মুন্দো দের্পোতিভোয়। স্পেনের প্লেমেকার বলেছেন, ‘অবিশ্বাস্য।
মেসিকে সকলেই জানে। কিন্তু এই বয়সে এসেও তার কাছ থেকে এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, এটা হয়তো কেউ আশা করে নি। এই কারণে আমি সত্যি আনন্দিত।’
২০২২ বিশ্বকাপে নিজের আজন্ম স্বপ্ন পূরণ করেছেন মেসি। স্বপ্নের বিশ্বকাপ জেতায় মনে করা হচ্ছিল তার আর কিছুই চাওয়া-পাওয়া নেই। কিন্তু এই বিশ্বকাপে যা করছেন, তাতে মনে হচ্ছে তার ক্ষুধা যেন শেষ হয়নি। কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারের বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনাকে একাই টানছেন ইন্টার মায়ামির স্ট্রাইকার। দলের ১৪ গোলের মধ্যে ৮টি গোল তিনি করেছেন।
এদিকে, বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া নেইমার ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে নিয়েও কথা বলেছেন ইয়ামাল। তিনি বলেছেন, ‘এখন যারা খেলছে তাদের শৈশব রাঙিয়ে দিয়েছে এমন কিংবদন্তী তারা। আলবৎ, যদিও তারা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে। তবে এখনও তাদের প্রতি আমার আনন্দ রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরে বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী প্রেরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি যোগ করেন, এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ৬টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি-সহ মোট ১১০টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৫৫টি কর্মসংস্থান উপযোগী স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি ট্রেড বা কোর্সে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
আজ জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম ধলুর তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
মন্ত্রী আরও বলেন, বৈদেশিক শ্রমবাজার সুসংহতকরণ, সম্প্রসারণ এবং সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা ও তাদের ভাষাগত সমস্যা দূরীকরণে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
বরিশাল-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য জয়নুল আবেদীনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এছাড়াও বলেন, নিরাপদ, নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন, অভিবাসন ব্যয় এবং দালালচক্রের প্রতারণা নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশগামী কর্মীদের দ্রুত সময়ে প্রেরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের ভর্তি, মনিটরিং, সনদায়ন, বিদেশে অবস্থিত শ্রম কল্যাণ উইং থেকে ডিমান্ড লেটার, ভিসা সত্যায়ন এবং বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের বহির্গমন ছাড়পত্র ইস্যুসহ অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সহজতর করতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্ম (ওইপি) চালু করা হয়েছে। ফলে অভিবাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে দালালদের দৌরাত্ম্য হ্রাস পেয়েছে। এতে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে।
এছাড়াও, মন্ত্রী আরও বলেন, দালাল বা সাব-এজেন্টদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার জন্য সরকার ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (রিক্রুটিং এজেন্ট লাইসেন্স এবং সাব-এজেন্ট নিবন্ধন ও আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ প্রণয়ন করেছে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে অভিবাসন সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নে জন্য জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটি এবং উপজেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ