ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিচ্ছেদের দুই বছর পর একসঙ্গে এশা দেওল ও ভারত তখতানি


বিচ্ছেদের দুই বছর পর একসঙ্গে এশা দেওল ও ভারত তখতানি

প্রায় দুই বছর আগে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছিলেন তারা। তবে আলাদা হওয়ার পরও বলিউড অভিনেত্রী এশা দেওল এবং তার প্রাক্তন স্বামী ভারত তখতানি একে অপরের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি দীপাবলির অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত হয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তারা।

৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে প্রবেশের আগে ছবিশিকারিদের ক্যামেরায় একসঙ্গে পোজ দেন এশা ও ভারত। তাদের হাতে হাত রেখে হাঁটতেও দেখা যায়। দুজনের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখে বিচ্ছেদের পরও তাদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে এশা প্যাস্টেল গোলাপি শাড়িতে ছিলেন, অন্যদিকে ভারত বেইজ রঙের বন্ধগলা পোশাক পরেছিলেন। ক্যামেরার সামনে দুজনকেই বেশ স্বচ্ছন্দ দেখাচ্ছিল।

আরও পড়ুন: ‘বাহুবলী’খ্যাত অভিনেত্রী আনুশকা শেঠির ৪৫তম জন্মদিন

তবে এটি তাদের একসঙ্গে দেখা হওয়ার প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে একাধিকবার তারা একসঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। চলতি বছরের শুরুতে এশা ও তার বন্ধুদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দিয়েছিলেন ভারত। সেই আড্ডার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন এশার ঘনিষ্ঠ বন্ধু স্মৃতি খান্না। ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছিলেন, “মজার একটা বিকেল আর জমিয়ে আড্ডা। ধন্যবাদ, এশা।”

এদিকে প্রাক্তন দম্পতিকে একসঙ্গে দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা নানা মন্তব্য করছেন। কেউ তাদের আবার কাছাকাছি আসার পরামর্শ দিয়েছেন, কেউবা দুই মেয়ের কথা ভেবে নতুন করে সংসার শুরুর প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, “ওদের একসঙ্গে দেখে খুব ভাল লাগছে। আশা করি, মেয়েদের কথা ভেবে ওরা আবার কাছাকাছি আসবেন এবং নতুন করে জীবন শুরু করবেন।” আরেকজন লিখেছেন, “আবার একসঙ্গে! মেয়েদের জন্য খুব ভালো হলো। আমার মনে হয়, ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর সময় ভারত ওর পাশে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।”

কিছু নেটিজেন অবশ্য তাদের বিচ্ছেদের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। একজন লিখেছেন, “ঈশ্বর তোমাদের দু’জনকে আশীর্বাদ করুন। আবার বিয়ে করে নাও। তোমাদের দু’জনকে একসঙ্গে দেখে ভালো লাগছে।” ফলে তাদের সম্পর্ক কি নতুন করে জোড়া লাগছে, নাকি সন্তানদের কথা ভেবেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন—এ প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ১২ বছরের দাম্পত্যের ইতি টানার ঘোষণা দেন এশা ও ভারত। যৌথ বিবৃতিতে তারা জানিয়েছিলেন, “আমরা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে এবং বন্ধুত্বপূর্ণভাবেই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জীবনের এই পরিবর্তনের মধ্যেও আমাদের দুই সন্তানের ভালো থাকা এবং তাদের স্বার্থই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় আমাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানালে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব।”

আরও পড়ুন: মালহোত্রার দীপাবলিতে কারিনার ব্যাকলেস লুক, সাইফের স্টাইলিশ উপস্থিতি

বিচ্ছেদের পরও দুই মেয়ে রাধ্যা ও মিরায়ার দায়িত্ব একসঙ্গেই পালন করছেন তারা। এক সাক্ষাৎকারে এশা জানিয়েছিলেন, তাদের সম্পর্কের সমীকরণে পরিবর্তন এলেও সন্তানদের ভালো থাকার ওপর যেন তার কোনো প্রভাব না পড়ে, সেটিই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সালে জন্ম নেয় তাদের প্রথম সন্তান রাধ্যা। ২০১৯ সালে পরিবারে আসে ছোট মেয়ে মিরায়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রমজান উপলক্ষে ১০ পণ্যের এলসি মার্জিন ন্যূনতম রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:০১ পি.এম


রমজান উপলক্ষে ১০ পণ্যের এলসি মার্জিন ন্যূনতম রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

আসন্ন রমজানের প্রেক্ষাপটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি মাথায় রেখে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের আমদানি সহজতর, সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং বাজারমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রবিবার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এই সম্পর্কিত সার্কুলার জারি করা হয়। সার্কুলারটি দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে বিতরণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনার অধীনে, চাল, গম (আটা), পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল (সয়াবিন ও পাম অয়েল), চিনি, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর, এই ১০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে সংরক্ষণযোগ্য নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এসব পণ্যের আমদানিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে এসব পণ্যের আমদানি ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে, যাতে অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার অধিকারভিত্তিক এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং আগামী ১৫ মার্চ ২০২৭ তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

এর আগে রমজান মাসের চাহিদার প্রেক্ষিতে কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার ন্যূনতম রাখার নির্দেশনা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই নির্দেশনার মেয়াদ ৩১ মার্চে শেষ হয়। নতুন এই সার্কুলার জারির ফলে রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনের অর্থনীতি ধ্বংসে রাশিয়ার জোরদার হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনের অর্থনীতি ধ্বংসে রাশিয়ার জোরদার হামলা

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আগামী ১০ ও ১১ নভেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই ইউক্রেনে হামলা আরও তীব্র করেছে রাশিয়া। খবর সিএনএন।

বিশেষভাবে, দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো, শিল্পকারখানা, বন্দর ও বাণিজ্যিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালানো হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের উদ্বেগ, আসন্ন শীতে ইউক্রেনের অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করে দেশটিকে আলোচনার টেবিলে আরও দুর্বল অবস্থানে নিয়ে যেতে চাইছে মস্কো।

পূর্ব ইউক্রেনের স্থলযুদ্ধে প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় রাশিয়া এখন আকাশপথে হামলার মাত্রা বৃদ্ধি করেছে। আগের বছরের তুলনায় এবার শীত আসার আগেই দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ, পানি ও তাপ সরবরাহব্যবস্থা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গত বছরের তুলনায় এবার হামলা আরো আগেই এবং আরো তীব্র আকারে শুরু হওয়ায় শীতকালে ইউক্রেনের পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের একটি স্বাধীন তদন্ত প্যানেল জানিয়েছে, বেসামরিক অবকাঠামোতে পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে রাশিয়া যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। বিশেষ করে ২০২৫-২৬ সালের শীতকালে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোয় চালানো হামলাগুলোকে এ অভিযোগের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

লন্ডনভিত্তিক থিংক ট্যাংক নিউ ইউরেশিয়ান স্ট্র্যাটেজিস সেন্টারের আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বিভাগের প্রধান জন লাউ বলেন, রাশিয়ার বিমান হামলার লক্ষ্য এখন স্পষ্টতই ইউক্রেনের অর্থনীতিকে ধ্বংস করা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে তিনি বলেন, ইউরোপে ইউক্রেনের অনেক মিত্র এখনো বুঝতে পারছে না, দেশটির পরিস্থিতি কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এর পরিণতিতে ইউরোপীয় অংশীদারদের ওপরও বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে।

জন লাউয়ের মতে, দনবাস অঞ্চলে আরো সেনা পাঠিয়ে কিংবা সম্মুখযুদ্ধে অগ্রসর হয়ে জয়ী হওয়া কঠিন বুঝতে পেরেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কারণ, গ্রীষ্মকালে ইউক্রেনীয় বাহিনী তুলনামূলকভাবে সফল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। তাই ইউক্রেনের সামরিক প্রতিরোধ ভাঙতে দেশটির অর্থনীতিকে দুর্বল করার কৌশল নিয়েছে মস্কো। পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা (এসিএলইডি)-এর তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম কয়েক মাসের পর ইউক্রেনে বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত রাশিয়ার হামলায় দেশটিতে ২ হাজার ৭০০-এর বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।

সংস্থাটির তথ্য বলছে, চলতি বছর ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। জানুয়ারিতে দেশটিতে ৩ হাজার ৬৫০টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। অক্টোবরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৩২টিতে।

অন্যদিকে রাশিয়ার ভূখণ্ডেও ইউক্রেনের পাল্টা হামলা বেড়েছে। অক্টোবরে রাশিয়ায় ২ হাজার ৩০২টি হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, গত মাসে অস্ত্র উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত রাশিয়ার অন্তত সাতটি প্রতিষ্ঠান, তিনটি সামরিক বিমানঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ রাডার ও সামরিক যোগাযোগ স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। চলতি বছরের গ্রীষ্মে রাশিয়ার বৃহত্তম অনলাইন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামগুলোতেও হামলা চালায় ইউক্রেন।

তবে ইউক্রেনের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলা। কৃষ্ণসাগরে দেশটির রপ্তানি কার্যক্রম, দানিউব নদীর বন্দর, শিল্পকারখানার গুদাম, রেলপথ এবং ইস্পাতশিল্প এখন রুশ হামলার লক্ষ্যবস্তু। এসব অবকাঠামোর কয়েকটির সামরিক ও বেসামরিক—দুই ধরনের ব্যবহার থাকলেও বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক অনেক হামলায় সরাসরি বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করা হচ্ছে।

গত সোমবার জাপোরিঝিয়ায় আশ্রয়কেন্দ্র ও ত্রাণ বিতরণকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুল ভবনে রাশিয়ার বোমা হামলায় অন্তত ৫৫ জন ইউক্রেনীয় নিহত হন। পাঁচ বছরে গড়ানো যুদ্ধে এটি অন্যতম প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা। তবে বরাবরের মতোই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে মস্কো।

গত আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্রিভি রিহ ও জাপোরিঝিয়ার প্রধান ইস্পাত কারখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সেগুলো বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। ক্রিভি রিহ শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাজার হাজার পরিবারের আয়ের পথ বন্ধ হয়েছে। এতে শহরটিতে গুরুতর সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে।

এসিএলইডির পূর্ব ইউরোপবিষয়ক গবেষক ক্রিস্টিয়ান ভ্লাস বলেন, এসব হামলা কেবল শিল্পকারখানার ক্ষতি করছে না, সরাসরি ইউক্রেনের রাজস্ব ও করব্যবস্থায় আঘাত হানছে। এর প্রভাব পড়ছে শ্রমিকদের বেতনের ওপরও। কৃষি ও শস্য রপ্তানির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতেও হামলা চালিয়ে রাশিয়া ইউক্রেনের অর্থনীতিতে একযোগে একাধিক সংকট তৈরির চেষ্টা করছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের রাশিয়া টিমের প্রধান কাটেরিনা স্টেপানেঙ্কো বলেন, রাশিয়া এখন বিপণিবিতান, দোকান, পণ্য সংরক্ষণের গুদামসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে। এতে পণ্য সরবরাহ ও বিক্রির কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

আগে রাশিয়া মূলত রাতে হামলা চালালেও এখন দিনের বেলাতেও হামলার প্রবণতা বাড়িয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্টেপানেঙ্কো বলেন, দিনের বেলায় বিমান হামলার সতর্কসংকেত বাজলে সরকারি ভবন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অনেককে আইন অনুযায়ী কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়। ফলে উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় রাশিয়ার হামলার প্রভাবও ক্রমেই বাড়ছে। বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা পর্যন্ত বিপর্যস্ত হচ্ছে। স্টেপানেঙ্কো জানান, রুশ বাহিনী এখন পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর রিভনের মতো এলাকাতেও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। আগে এসব এলাকা হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল না। এতে ইউক্রেনের দুর্বল বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর নতুন চাপ তৈরি হয়েছে।

ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেগুলো আর মেরামত করা সম্ভব নয়। জন লাউ বলেন, দীর্ঘদিনের যুদ্ধের পুঞ্জীভূত প্রভাব এবং ইউক্রেনীয়দের শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। দেশটির অর্থনৈতিক কাঠামো যেভাবে ভেঙে পড়ছে, তাতে পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

কিয়েভের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার পর্যন্ত শহরের প্রায় ৪০ শতাংশ ভবনে গরম পানির ব্যবস্থা ছিল না। এর মধ্যে ইউক্রেনে বছরের প্রথম তুষারপাত শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিকা সতর্ক করে বলেছেন, শীত ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মস্কো পরিকল্পিতভাবে লাখ লাখ ইউক্রেনীয়কে বিদ্যুৎ, উত্তাপ ও পানিবিহীন অবস্থায় ফেলার চেষ্টা করছে। যুদ্ধক্ষেত্রে যে লক্ষ্য অর্জন করতে পারছে না, রাশিয়া তা ঠান্ডা ও অন্ধকারের মাধ্যমে অর্জনের চেষ্টা করছে।

ইউক্রেনে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পেছনে রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির জেটচালিত শাহেদ ড্রোন ও লইটারিং মিউনিশনের ব্যবহার বৃদ্ধিকেও বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এসব অস্ত্র শনাক্ত ও ভূপাতিত করা ইউক্রেনীয় বাহিনীর জন্য তুলনামূলক কঠিন। এগুলো প্রতিরোধের সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে কিয়েভ। তবে বর্তমানে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারে রাশিয়া সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

এ ছাড়া রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার অন্যতম প্রধান অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের সংকটেও পড়েছে ইউক্রেন। ফলে রুশ হামলা ঠেকাতে দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরো চাপে পড়েছে।

ক্রিস্টিয়ান ভ্লাস বলেন, গত এপ্রিল থেকে ইউক্রেনে বেসামরিক মানুষের হতাহতের সংখ্যা প্রায় নিয়মিত বাড়ছে। তবে অক্টোবরের শুরুতে এই সংখ্যা যেভাবে বেড়েছে, তা বিস্ময়কর।

যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের সাধারণ মানুষের আর্থিক সংকটও তীব্র হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটির (আইআরসি) এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেক বেসামরিক মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ আয় ধরে রাখতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। এমনকি কিছু অঞ্চলের কৃষকেরা স্থলমাইন থাকার আশঙ্কা রয়েছে, এমন জমিতেও চাষাবাদ করছেন।

মিকোলাইভ অঞ্চলের কয়েক’শ পরিবারের ওপর চালানো জরিপে দেখা গেছে, ৯১ শতাংশ পরিবার জরুরি আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনের কথা জানিয়েছে। দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ৪২ শতাংশ পরিবার তাদের আর্থিক প্রয়োজনকে জরুরি বলে উল্লেখ করেছে।

ইউক্রেনে আইআরসির ফিল্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উপপরিচালক ওলগা কাশুবা বলেন, আর্থিক সংকট কেবল বিল পরিশোধের সমস্যায় সীমাবদ্ধ নেই। এটি মানুষকে জীবন বদলে দিতে পারে, এমন ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে। পূর্ব ইউক্রেনের অনেক বেসামরিক মানুষের জীবন ও জীবিকা ২০১৪ সাল থেকেই সংঘাতের কারণে বিপর্যস্ত। অর্থাৎ, এক দশকের বেশি সময় ধরে তারা এই চাপ সহ্য করছেন।

কিয়েভে বসবাসকারী ওলগা কাশুবা নিজেও মানুষের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক দুরবস্থা প্রত্যক্ষ করছেন। তার এলাকার একটি স্থানীয় কাঁচাবাজার রুশ হামলায় ধ্বংস হওয়ার পর বন্ধ হয়ে গেছে। সাম্প্রতিক আরেকটি হামলায় কাছের একটি গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ক্ষুদ্র বই বিক্রেতাদের মজুত করা অনেক বই নষ্ট হয়েছে।

সিএনএনকে কাশুবা বলেন, মুদি দোকান বা গুদাম পুড়িয়ে দেওয়া হলে শুধু পণ্যের ক্ষতি হয় না, একই সঙ্গে হাজার হাজার মানুষের আয়ের উৎসও ধ্বংস হয়ে যায়।

সব মিলিয়ে, ইউক্রেনের সামনে এখন সামরিক লড়াইয়ের পাশাপাশি অর্থনীতি ও মানবিক সংকট মোকাবিলার বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। একদিকে শীতের তীব্রতা বাড়ছে, অন্যদিকে জ্বালানি ও শিল্প অবকাঠামোয় হামলা অব্যাহত রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আবুধাবির শান্তি আলোচনা কতটা কার্যকর হয়, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বাহুবলী’খ্যাত অভিনেত্রী আনুশকা শেঠির ৪৫তম জন্মদিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


‘বাহুবলী’খ্যাত অভিনেত্রী আনুশকা শেঠির ৪৫তম জন্মদিন

দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির প্রখ্যাত অভিনেত্রী সুইটি শেঠি, যিনি আনুশকা শেঠি নামেও পরিচিত, শনিবার (৭ নভেম্বর) তার জন্মদিন উদযাপন করেছেন। ১৯৮১ সালে ভারতের কর্নাটকের ম্যাঙ্গালুরুতে তার জন্ম হয়। এভাবে, ‘বাহুবলী’খ্যাত এই অভিনেত্রী ৪৫ বছরে পদার্পণ করলেন।

দীর্ঘ দুই দশকের অভিনয় জীবনে আনুশকা শেঠি একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তিনি অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। তেলুগু ও তামিল সিনেমায় সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করা এই অভিনেত্রীর জন্মদিনে সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত, অনুরাগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। ‘রুদ্রামাদেবী’, ‘বাগমতী’, ‘সিংহাম’ এবং ‘মিস শেঠি মিস্টার পলিশেট্টি’ সিনেমায় অভিনয় করে তিনি তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছেন।

আনুশকা শেঠি অভিনয়ে আসার পূর্বে যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন। ২০০৫ সালে তেলুগু সিনেমা ‘সুপার’-এর মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় অভিষেক করেন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তার অভিনয় দক্ষতা দর্শকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়।

২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অরুন্ধতী’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। এরপর ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’ এবং ‘বাহুবলী: দ্য কনক্লুশন’ সিনেমায় দেবসেনা চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ভারতজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গার্ডিয়ান ও সিদীপের নতুন স্কিমে সঞ্চয়ের সঙ্গে ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


গার্ডিয়ান ও সিদীপের নতুন স্কিমে সঞ্চয়ের সঙ্গে ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষা

গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এবং সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস (সিদীপ) নতুন ‘গোল-বেজড সেভিংস স্কিম’ চালু করেছে, যা সঞ্চয়ের পাশাপাশি ইন্স্যুরেন্স সুবিধা প্রদান করবে।

এই স্কিমের অধীনে সদস্যরা তিন বা পাঁচ বছর মেয়াদি ডিপোজিট পেনশন স্কিমের (ডিপিএস) মাধ্যমে নির্দিষ্ট আর্থিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য টাকা জমা করতে পারবেন। সঞ্চয়ের পাশাপাশি, স্কিমের মেয়াদে ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। ফলে, গ্রাহকেরা ভবিষ্যতের জন্য টাকা সঞ্চয় করার পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত আর্থিক সুরক্ষা লাভ করবেন।

গত ১৪ অক্টোবর, এই স্কিম চালুর জন্য দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। গার্ডিয়ানের পক্ষ থেকে চুক্তিতে সই করেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ টেকনিক্যাল অফিসার আমির ফয়সাল মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং সিদীপের নির্বাহী পরিচালক মিফতা নাঈম হুদা।

আমির ফয়সাল মোহাম্মদ জাকারিয়া এই উদ্যোগের বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, ‘নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য সামনে রেখে সঞ্চয় করলে নিয়মিত টাকা জমাতে মানুষ উৎসাহ পায়। তবে সঞ্চয়ের পথে হঠাৎ কোনো ঘটনা পরিবারের আর্থিক অবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে, সেটিও ভাবতে হয়। সঞ্চয়ের সঙ্গে ইন্স্যুরেন্স সুবিধা যুক্ত হওয়ায় এই দুই প্রয়োজনই পূরণ করা সম্ভব হবে।’

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ানের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ এন্টারপ্রাইজ বিজনেস অফিসার সানিয়াত রহমান, মাইক্রো ইন্স্যুরেন্স ও ডিজিটাল চ্যানেলের প্রধান আবদুল হালিম, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. নওশাদুল করিম চৌধুরী এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার মো. শাহরিয়ার জামিল আবির।

সিদীপের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিএম ও ডিজিটাইজেশন বিভাগের প্রধান অমিত কুমার রায়, মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির প্রধান আবু খালেদ, জিএম ও হেড অফ প্রোগ্রাম আমিনুল হক ভূঁইয়া এবং এজিএম (এমএফ) আবু সালেহ নূর মোহাম্মদ। এছাড়া, প্রতিষ্ঠানটির ডিজিটাইজেশন ও এমআইএস বিভাগের অন্যান্য প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

মিফতা নাঈম হুদা বলেন, ‘সঞ্চয়ের নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকলে পরিবারগুলো ভবিষ্যতের খরচের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে পারে। এতে নিজেদের অর্থের ব্যবস্থাপনাও ভালোভাবে করা যায়। সঞ্চয়ের সঙ্গে আর্থিক সুরক্ষা যুক্ত হলে মানুষ নিজের ও পরিবারের ভবিষ্যৎ আরও ভালোভাবে সামলাতে পারবে।’

এই উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবারে পরিকল্পিত সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যতের খরচের জন্য আর্থিক প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করাই উভয় প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%