ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘ককটেলে’ অভিনয় করে কত পারিশ্রমিক পেলেন রাশমিকা


‘ককটেলে’ অভিনয় করে কত পারিশ্রমিক পেলেন রাশমিকা

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। কন্নড় সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জগতে পা রাখলেও ২০২১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ ছবিটির মাধ্যমে তার ক্যারিয়ার গভীর পরিবর্তন ঘটে।অল্লু অর্জুনের বিপরীতে ‘শ্রীভল্লী’ চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি দর্শকদের মন জয় করে নেন তিনি।‘পুষ্পা’র আকাশচুম্বী সাফল্যের পর রাশমিকার জনপ্রিয়তা যেমন গাণিতিক হারে বেড়েছে, তেমনই লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে তার পারিশ্রমিকও।

সেই ধারাবাহিকতায় এখন আলোচনা চলছে তার আগামী সিনেমা ‘ককটেল ২’ নিয়ে। বিটাউনে গুঞ্জন উঠেছে, এই ছবিতে সহ-অভিনেতা শাহিদ কপূরের পরেই সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পকেটে পুরেছেন রাশমিকা।বর্তমানে ছবিপ্রতি প্রায় ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক হাঁকাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। যা তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। যদিও রাশমিকার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

‘পুষ্পা’র প্রথম পর্বের সাফল্যের পর ছবিপ্রতি মাত্র ৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি করেছিলেন রাশমিকা। বর্তমানে দক্ষিণ ও বলিউড দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই সমানভাবে ব্যস্ত রাশমিকা। পরপর একাধিক বড় বাজেটের সিনেমা আর নামী ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের সুবাদে নিজেকে ভারতের অন্যতম শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন অভিনেত্রী হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আর সেই চাহিদারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে ‘ককটেল ২’ ছবির পারিশ্রমিকে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রণোদনার ওপর উৎসে কর দ্বিগুণের পরিকল্পনা, রফতানিকারকদের উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ এম


প্রণোদনার ওপর উৎসে কর দ্বিগুণের পরিকল্পনা, রফতানিকারকদের উদ্বেগ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রফতানি প্রণোদনার ওপর উৎসে কর দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে নগদ প্রণোদনার ওপর বিদ্যমান ১০ শতাংশ উৎসে কর বৃদ্ধি পেয়ে ২০ শতাংশ হতে পারে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরিকল্পনার আওতায় প্রণোদনার হার অপরিবর্তিত রেখে এই কর বৃদ্ধির মাধ্যমে অতিরিক্ত প্রায় ৯০০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বৈশ্বিক অর্থনীতির অস্থির পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে রফতানিকারকরা এ সিদ্ধান্তকে ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ মনে করছেন।

রাষ্ট্রীয় প্রত্যাহারের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ফলে রিজার্ভ ধরে রাখা এবং দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা লক্ষ্য পূরণের জন্য সরকার তৈরি পোশাক খাত, পাটজাত পণ্য, ফার্মাসিউটিক্যালসসহ প্রায় ৪৩টি রফতানি খাতে প্রণোদনা প্রদান করে। এসব খাতে প্রণোদনার হার শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে।

বর্তমান ২০২৫–২৬ অর্থবছরে রফতানি প্রণোদনার জন্য ৯ হাজার ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। রফতানিকারকরা বর্তমানে এই অর্থের ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর প্রদান করছেন। এনবিআর এই অর্থের পরিমাণ অপরিবর্তিত রাখতে চায়, কিন্তু উৎসে কর দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা করছে।

পোশাক রফতানিতে উদ্যোক্তারা শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ প্রণোদনা পান। কিন্তু স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সুতা ব্যবহার করলে প্রণোদনা ১ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি রফতানিকারকদের ২ শতাংশ এবং অপ্রচলিত বাজারে রফতানিতে ৩ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হয়ে থাকে।

কিন্তু এনবিআরের নতুন এই কর বাড়ানোর পরিকল্পনাকে ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে অভিহিত করছেন রফতানিকারকরা। বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু মন্তব্য করেন, মূল কারখানা একবার উৎসে কর দিচ্ছে, তারপরও যারা প্রক্রিয়াজাত করে সেখানেও ট্যাক্সেশন হচ্ছে, যা ডাবল ট্যাক্সেশন। তিনি আশাবাদী যে এনবিআর এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। প্রণোদনার অর্থ আট-নয় মাস ধরে বকেয়া থাকে, সেটি নিয়মিত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

বিজিএমইএর সহ-সভাপতি রোমান মিয়া জানান, গত একটি বছরে ৩৫০ থেকে ৪০০টির বেশি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং ব্যাংকিং সুবিধা না পাওয়াই বিষয়টির বড় কারণ। সরকারের এর প্রতি সজাগ দৃষ্টি দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

দ্বিতীয় বৃহৎ রফতানি খাত হিসেবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে ৬ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা প্রদান করা হয়। পাট ও পাটজাত পণ্যে ৩ থেকে ১০ শতাংশ প্রণোদনা রয়েছে। ব্যবসায়ীরা মন্তব্য করছেন যে, বাণিজ্যে বাধা দূর না করে প্রণোদনার অর্থের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপ করা ব্যবসায়িক পরিবেশের জন্য সহায়ক নয়।

বিটিএর সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান জানান, ৬ শতাংশ প্রণোদনার ওপর ১০ শতাংশ উৎসে কর কাটা হতো। এখন যদি সেটি ২০ শতাংশ হয়ে যায়, তাহলে প্রণোদনার প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন উঠবে। তিনি দাবি করেন যে উৎসে কর সম্পূর্ণভাবে মওকুফ করা উচিত।

অর্থনীতিবিদরা সরকারি কোষাগারে থাকা প্রণোদনার অর্থের সক্ষমতা বিবেচনায় অগ্রাধিকার খাতে নীতিসহায়তা অব্যাহত রাখার তাগিদ দিয়েছেন। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, প্রণোদনার অর্থ সরকারকে বাজেট থেকে দিতে হয়। সেই অর্থ আহরণে সরকারের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে এবং যেখানে ট্রেড-অফ হবে সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ১০ শতাংশ প্রণোদনা বর্তমানে রয়েছে, সেটি বাড়িয়ে সরকার রাজস্ব আহরণ থেকে কীভাবে সামলাবে তা নিয়েও খারাপ প্রশ্ন দেখা দেয়।

নতুন অর্থবছরে সরকারের পক্ষ থেকে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এনবিআরকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, ৪ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ এম


ফরিদপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, ৪ জন নিহত

ফরিদপুরের ভাঙ্গার এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে একটি প্রাইভেট কারের ধাক্কা লেগে প্রাইভেটকারের ৪ যাত্রী নিহত হন।

এটি ঘটে মঙ্গলবার (২ জুন) ভোররাত পৌনে ৪টার দিকে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রাম এলাকায়।

এ সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করে শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, একটি দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে এবং চার যাত্রীর মৃত্যু ঘটে।

বিস্তারিত আসছে...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ছুটি শেষে বাসার গেটেই আক্রান্ত দুই নারী

মোহাম্মদপুরের ১০৮টি স্পটে সক্রিয় ২০৫ ছিনতাইকারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ এম


মোহাম্মদপুরের ১০৮টি স্পটে সক্রিয় ২০৫ ছিনতাইকারী

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে ঠাকুরগাঁও থেকে বাসে করে রাজধানীর শ্যামলীতে নামেন দুই নারী। এরপর তারা রিকশায় মোহাম্মদপুরের নুরজাহান রোড এলাকায় নিজেদের বাসার সামনে পৌঁছান। হঠাৎ করেই তাদের সামনে দুই ছিনতাইকারী দাঁড়িয়ে যায়। হাতে চাপাতি ছিল। পরনে লুঙ্গি ছিল তাদের। চাপাতির কোপ দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই দুই নারীর সঙ্গে থাকা লাগেজ, ব্যাগসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মোহাম্মদপুরের অপরাধ জগতের কালো অধ্যায় আবার সামনে আসে।

এর আগে গত ৭ মার্চ রাতে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে হাঁটাহাঁটি করছিলেন দুদকের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন। এ সময় তিনজন ছিনতাইকারী চাপাতি ও সামুরাইয়ের ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে দুটি আইফোন, ২০ হাজার টাকাসহ মানিব্যাগ, দুটি ভিসা কার্ড ও হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেয়। আইফোনের পাসওয়ার্ড জানার জন্য ছিনতাইকারীরা তাকে আঘাত করলে তিনি মারাত্মক আহত হন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে মোহাম্মদপুরে ছিনতাই, ডাকাতি, লুট, খুনসহ সব ধরনের অপরাধ অন্য সময়ের তুলনায় বেড়েছে। এছাড়াও ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দিলে গুরুতর জখম এবং খুনের ঘটনাও ঘটছে। ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে গিয়ে পুলিশও হামলার শিকার হচ্ছেন। যৌথবাহিনী নিয়মিত ব্লক রেইড এবং বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি।

গোয়েন্দা তথ্যে দেখা গেছে, রাজধানী ও আশপাশে ৪৩২টি ছিনতাই স্পটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০৮টি মোহাম্মদপুরে। এসব স্পটে ছিনতাইয়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ২০৫ জনের নাম গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এসেছে। যদিও অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংখ্যা আরও বেশি। তাদের মতে, বেশির ভাগ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা হয়রানির ভয়ে মামলা করতে চান না। যারা মামলা করেন, তারাও যথাযথ প্রতিকার পান না। এছাড়া, ছিনতাইয়ের ঘটনা ভাইরাল না হলে থানাও গুরুত্ব দেয় না বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ভুক্তভোগী।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যানের নবীনগর হাউজিং, চাঁদ উদ্যান, চন্দ্রিমা হাউজিং, তিন রাস্তার মোড়, জেনেভা ক্যাম্প এবং এর আশপাশ, মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড ও টাউন হল, বছিলা বেড়িবাঁধ ও বছিলা ব্রিজ এলাকায় অধিকাংশ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। চাপাতি বা সামুরাই দিয়ে ভয় দেখিয়ে প্রকাশ্যে দিবালোকে কিংবা অন্ধকারে সাধারণ মানুষের সর্বস্ব কেড়ে নিচ্ছে তারা। অনেক সময় অটোরিকশা বা মোটরবাইকে এসে চোখের সামনে সব ছিনিয়ে নিচ্ছে। হামলার ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পান না।

এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে অনেকে হামলার শিকার হয়েছেন। এমনকি বাড়িওয়ালাদের বাসার সিসিটিভি খুলে ফেলতেও হুমকি দিয়েছে অপরাধীরা। তাদের ভয়ে অনেক বাড়িওয়ালা সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলেছেন। কাঁটাসুর এলাকায় বিভিন্ন বাসা-বাড়ির গেটের সিসিটিভি ভাঙতে দেখা গেছে ছিনতাই চক্রের সদস্যদের।

নবী উল্লাহ নামে চাঁদ উদ্যান এলাকার একটি নিরাপত্তাকর্মী যুগান্তরকে জানিয়েছেন, ছিনতাইকারীরা তাদের বাসার সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলতে বলেন। ক্যামেরা না খুললে তাকে এবং তার ছেলের রক্ত দিয়ে গোসল করবে-এমন হুমকি দেয়। চাকরি রক্ষায় নিজের কিংবা ছেলের জীবন শেষ করতে পারবেন না বলে তিনি বাড়িওয়ালাকে জানান। পরে সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলা হয়।

শুধু বাসিন্দারাই নন, পুলিশও ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হচ্ছেন। গত ১১ মে ভোরে মোহাম্মদপুর টাউন হল এলাকায় অভিযানের সময় পুলিশের ওপর হামলা চালায় ছিনতাইকারীরা। এ সময় পুলিশ পালটা গুলি ছুড়লে এক ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয় এবং चক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে, ঈদের ছুটি শেষে বাসায় পৌঁছানোর আগেই ছিনতাইয়ের শিকার দুই নারীর বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাকিবুজ্জামান রাকিব সোমবার যুগান্তরকে জানিয়েছেন, ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত তিনজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একজনকে শনাক্ত করা গেছে। চক্রের সবাইকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। খুব দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডিএমপির তথ্যমতে, মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে অর্ধশতাধিক অপরাধী দল বা গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি বড় এবং প্রধান গ্যাং রয়েছে, যাদের প্রত্যেকটিতে ১৫ থেকে ২০ জন করে সদস্য কাজ করে। ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত গ্রুপগুলোর মধ্যে পাটালি, লেভেল হাই, ডাইল্লা, অ্যালেক্স, গাংচিল, লও ঠেলা, কবজি কাটা আনোয়ার, ফরহাদ, আর্মি আলমগীর এবং আকবর গ্রুপের নাম শীর্ষে রয়েছে। নিয়মিত অভিযানে এসব চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর থানার একতা হাউজিং এলাকায় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা রুবেল ওরফে মাওরা রুবেলকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে র‌্যাব। আদাবর এলাকায় এক ডেলিভারিম্যানকে মারধর করে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেন তিনিসহ চক্রের সদস্যরা।

গোয়েন্দা সংস্থার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় ৪৩২টি ছিনতাইয়ের স্পটে কমপক্ষে ৯৭৯ জন ছিনতাইকারী সক্রিয়। যাদের বেশির ভাগই ফৌজদারি মামলার আসামি। ছিনতাইয়ের হট স্পট হিসাবে তালিকায় রয়েছে মোহাম্মদপুর এলাকা। এ এলাকায় সবচেয়ে বেশি ১০৮টি ছিনতাইয়ের স্পট রয়েছে। এ এলাকায় ছিনতাইয়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ২০৫ জনের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) এনএম নাসিরুদ্দিন যুগান্তরকে জানিয়েছেন, মোহাম্মদপুরে পুলিশসহ যৌথবাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতার করছে। তবে এলাকাটি নদী এবং বেড়িবাঁধের কাছাকাছি হওয়ায় অপরাধীরা সহজেই আশপাশে পালিয়ে যেতে পারে। সব ধরনের অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১০ এম


মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

রাজধানীতে কেনাকাটার প্রয়োজনে হয়তো আপনি প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে, রাজধানীর যেকোনো মার্কেটে যাওয়ার আগে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি জানা খুবই জরুরি। তা না হলে আপনাকে বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে হতে পারে।

এমতাবস্থায়, সোমবারের (২ জুন) ঘটনাক্রমে রাজধানীর কোন কোন এলাকার শপিংমল ও মার্কেটগুলো বন্ধ থাকবে, তা দেখে নেওয়া যাক।

কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কাওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।

বিশেষভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে, বসুন্ধরা সিটি, মোতালিব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমন্ডি হকার্স, বদরুদ্দोजা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অর্চিড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমন্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কাওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট এবং অর্কিড প্লাজা বন্ধ থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%