ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মোসাদ্দেককে সঠিক সময়ে দলে নেওয়া হয়েছে: মিরাজ


মোসাদ্দেককে সঠিক সময়ে দলে নেওয়া হয়েছে: মিরাজ

বাংলাদেশ দলে প্রায় ৪ বছর পর ফিরেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ২০২২ সালের আগস্টে দেশের হয়ে তার সর্বশেষ ওয়ানডে খেলা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন তিনি। চলতি ডিপিএলে ভালো পারফর্ম করে তিনি দলে ডাক পেয়েছেন। সৈকতের দলে আগমনকে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বাড়তি পাওনা হিসেবে দেখছেন। তিনি জানান, সঠিক সময়ে মোসাদ্দেক দলে ফিরে এসেছেন।

বাংলাদেশ ১৫ বছর পর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে যাচ্ছে। আগামীকাল (৯ জুন) সিরিজের প্রথম ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে। সিরিজের আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন মিরাজ। তিনি জানান, মোসাদ্দেকের কাছে ভালো কিছুর প্রত্যাশা তার। মিরাজ বলেন, ‘ও (মোসাদ্দেক) ঘরোয়াতে অনেক বছর ধরে পারফর্ম করেছে এবং খুব ভালো ক্রিকেটও খেলছে, ছন্দেও আছে। আমার কাছে মনে হয় এটাই সঠিক সময় ওকে নেওয়ার এবং আমাদের যে জায়গাটা আমরা চিন্তা করেছি, সেই জায়গাটা যদি ও ভালো করতে পারে দলের জন্য অনেক ভালো হবে।’

বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক নির্বাচক গাজী আশরাফ লিপু বলেছিলেন, মিরাজ দলে থাকলে মোসাদ্দেককে নেওয়ার সুযোগ নেই। তার মতে, দুজনের ভূমিকা একইরকম, সে কারণে যেকোনো একজনকেই দলে নিতে হয়। কিন্তু মিরাজ জানালেন, তিনি এই বিষয়ে একদমই সহমত নন। তার মতে, দুজনের ভূমিকা পুরোপুরি ভিন্ন। মিরাজ মোসাদ্দেককে ব্যাটিং অলরাউন্ডার এবং নিজেকে বোলিং অলরাউন্ডার বলে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

মিরাজ বলেন, ‘আমি এবং মোসাদ্দেক কিন্তু একসঙ্গে বাংলাদেশ দলে অনেকদিন খেলেছি এবং ১৯ সালের বিশ্বকাপেও আমরা একসঙ্গে খেলেছি। মোসাদ্দেক তার ভূমিকাটা রাখবে, আমি আমারটা। মোসাদ্দেক হলো ব্যাটিং অলরাউন্ডার, আমি হলাম বোলিং অলরাউন্ডার, তাই দুজনের ভূমিকাটা আলাদা। যদি সে পারফর্ম করতে পারে, এটি আমার জন্য এবং দলের জন্য অনেক বিরাট উপকার হবে। দিনশেষে আমরা সবাই চিন্তা করি যে দলটাকে কোন জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী ওকে নিয়ে....যেভাবে সে ঘরোয়াতে ভালো পারফর্ম করেছে। যদি সুযোগ আসে, ভালো করবে।’

মোসাদ্দেকের বোলিংকে বাড়তি সুবিধা হিসেবে দেখছেন মিরাজ, ‘আমাদের এরকম একটা যদি বিকল্প থাকে দলের জন্য ভালো হবে। পাঁচটা বোলার নিয়ে যখন খেলবেন, একটি বাড়তি বোলার থাকবে, তখন অনেক আত্মবিশ্বাস থাকবে। একটি বোলারের খারাপ দিন যেতেই পারে। সুতরাং ব্যাকআপ হিসেবে বোলার থাকলে দলের ভারসাম্যটা খুব ভালো থাকে। আর সুযোগ থাকলে অবশ্যই ভালো করার চান্স থাকবে। সে ঘরোয়াতে অনেক ভালো বোলিং করেছে এবং সে প্রমাণিত। সে যদি ভালো জায়গায় বল করে ভালো হবে এবং অধিনায়ক হিসেবে আমারও অনেক আত্মবিশ্বাস থাকবে তাকে নিয়ে, যদি ভালো বল করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেলাল রা. এর সীমাহীন নবী প্রেম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


বেলাল রা. এর সীমাহীন নবী প্রেম

সুদূর আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ বেলাল রা. কৃতদাস হিসেবে এসেছিলেন আরবের অত্যাচারী নেতা উমাইয়ার ঘরে। নবীজি সা. নবুয়ত লাভের পর আবু বকর রা. বেলাল রা. এর কাছে দাওয়াত পৌঁছালে, কাল বিলম্ব না করে বেলাল ইসলাম ধর্মের সুশীতল ছায়াতলে চলে আসেন।

বেলাল রা. এর সাথে আবু বকরের আন্তঃসম্পর্ক উমাইয়াকে সন্দিহান করে তোলে। এক পর্যায়ে যখন উমাইয়া তার ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারে, তখন তার উপর নেমে আসে বর্বর উমাইয়ার পাশবিক নির্যাতনের স্টিম রোলার!

কখনো দিনের প্রখর রোদে, মরুভূমির জলন্ত বালিতে শুইয়ে, কখনো পাথর চাপা দিয়ে, আবার কখনো গলায় রশি দিয়ে মক্কার অলিগলিতে হাঁটানোর মাধ্যমে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হতো! তখন তাকে বলা হতো, মুহাম্মদকে ছাড়ো, লাত-উজ্জাকে মানো। কিন্তু নবী প্রেমী, আল্লাহ প্রেমী বেলালের মুমুর্ষ কন্ঠে একটিমাত্র শব্দ উচ্চারিত হতো, "আহাদ, আহাদ!" নির্যাতনে মৃত্যুর দোয়ারে যাওয়ার সময়, বেলাল একটি বারও তার রবের নাম মুখে থেকে রাখতে পারেনি। তিনি তার নবী মুহাম্মদকে ভুলে যাননি।

বেলালের উপর এহেন বর্বরতা আবু বকরের কোমল হৃদয়ে তীব্র দাগ কাটলো। এসব দেখে নবীজীর এই মহান সহচর তার আবেগকে আর ধরে রাখতে পারেননি। পরক্ষণে তিনি উমাইয়াকে প্রস্তাব দিলেন বেলালকে কিনে নেওয়ার জন্য। দর কষাকষির মাধ্যমে আবু বকর রা. বেলালকে মুক্ত করলেন।

আজ বেলাল রা. স্বাধীন। আজ তাকে তপ্ত দুপুরে পাথর ফাটা বালিতে শুইয়ে রাখার কেউ নেই। আজ তার কোনো দুঃখ নেই, নেই কোনো বিয়োগ বেদনা। আছে শুধু নবীজীর পরম মমতা ও আবু বকরের অহর্নিশ ভালোবাসা। সেই পরম মমতা এবং অহর্নিশ ভালোবাসা বেলালকে নবী প্রেমে ডুবিয়ে রেখেছিল।

আজানের নির্দেশনা এসে পড়লে, বেলাল রা. হয়ে যান মুমিনদের নামাজে আহ্বানকারী মুয়াজ্জিন। নবীজি সা. এর নির্দেশে বেলাল আজান দিতেন। বেলালের আজানের সুর মুমিনদেরকে মুগ্ধ করতো। মদিনার অলিগলিতে তার সুরের মুর্ছনায় মাতোয়ারা হতো মুমিনদের ক্বলব।

মুমিনদের জীবনের সবচেয়ে কঠিনতম দিনটি এসে উপস্থিত হলো। সেদিন উমরের মতো শক্ত হৃদয়ের অধিকারী, যিনি কঠিন থেকে কঠিন মুহূর্তেও হিমালয়ের মতো অটল থাকেন, তিনি জ্ঞানশূন্য হয়ে মদিনার পথে পথে ঘুরছেন নবীজির ইন্তেকালের দিনে।

নবীজি ইন্তেকাল করলে, বেলাল নিজেকে ঠিক রাখতে পারেননি। তার মনে হল, যার জন্য তিনি এতদিন আজান দিতেন, যাকে ঘিরে তার সুরের মূর্ছনা—আজ তিনি নেই। এই আজান দিয়ে কী লাভ? যেন বেলালের এক মুহূর্তও থাকতে ইচ্ছে হচ্ছে না। নবীজির বিয়োগ বেদনায় মর্মাহত বেলাল, এক মুহূর্তও অপেক্ষা না করে মদিনা ছেড়ে সুদূর দামেস্কে পাড়ি জমালেন।

সেখানে অবস্থানরত তার প্রায় ছয় বছর কাটতে চললো। একদা, বেলাল স্বপ্নে দেখলেন, নবীজি তাকে বলছেন, "বেলাল, তোমার কি আমার কথা একটুও মনে পড়ছে না? তুমি কি আমাকে এভাবে ভুলে গেছো? তোমার কি মন চায় না আমার রওজায় এসে হাজিরা দাও?" সকালে ঘুম থেকে উঠেই বেলাল পুটলিটা কাঁধে নিয়ে মদিনার পথে বেরিয়ে পড়েন। নবীজির প্রেমে বিভোর বেলাল ফিরে আসেন সেই চিরচেনা মদিনায় রওজায়ে হাবিবে।

পরক্ষণে নামাজের সময় হলে, উপস্থিত লোকেরা তাকে আযান দিতে পীড়াপীড়ি শুরু করলো। কিন্তু নবীজির অনুপস্থিতিতে, বেলাল আযান দেবার পাত্র ছিলেন না। পরবর্তীতে উমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর অনুরোধে তিনি আযান দিতে শুরু করেন।

সেই আযান! সেই মধুময় সময়! রসুলুল্লাহর স্মৃতি! এগুলো সব একসাথে ভেসে আসা শুরু হলো মানুষের মনে। সব মানুষ মনে করলো, যেন নবীজি আবার ফিরে এসেছেন!

মদিনার ঘর থেকে লোকজন বেরিয়ে আসতে লাগলো। যখন হযরত বেলাল আযানে, "আশহাদু আন্না মুহাম্মদার রসুলুল্লাহ" বলতে গিয়ে প্রচণ্ড কান্নায় ভেঙে পড়লেন, তখন পুরো মদিনা জুড়ে হুঁ হুঁ কান্নার শব্দ ছাড়া আর কিছুই শোনা যায়নি! আমরা তো নিজেদের নবী প্রেমিক বলি, আমরা কি কখনো তার জন্য কান্না করেছি?

আচ্ছা, মনে করুন, শেষ কবে কেঁদেছিলেন? ঠিক কবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২৯৮০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২৯৮০

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের ফলে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৭২ হাজার ৯৮০ জনে পৌঁছেছে। পাশাপাশি, আহত জনসংখ্যার সংখ্যা ১ লাখ ৭৩ হাজার ১৭১ জনেও পৌঁছেছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ আপডেটে এই তথ্যটি জানানো হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টার প্রতিবেদনকালে উপত্যকার বিভিন্ন হাসপাতাল ৯টি নতুন মরদেহ এবং ৪৩ জন আহত ব্যক্তিকে গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রণালয়টি আরও জানাচ্ছে, গত বছরের অক্টোবরে 'যুদ্ধবিরতি' কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৯৭০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং ৩০৬৩ জন আহত হয়েছে।

সূত্র : আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন করে উত্তেজনায় আবারও তেলের দাম বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


নতুন করে উত্তেজনায় আবারও তেলের দাম বৃদ্ধি

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে পাল্টাপাল্টি বিমান হামলার পর আবারও তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৯৭ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

এর আগে গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণের সময় ১২০ ডলার পৌঁছায় তেলের দাম।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর শান্তি আলোচনার আশা তৈরি হওয়ায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তেলের দাম কিছুটা কমে এসেছিল।

তবে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা চালানো ও এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। এ হামলার পর সংঘাত সমাধানের সেই আশা ভেস্তে গেছে।

এদিকে, সোমবার ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এতে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশাও ক্ষীণ হয়েছে।

এর আগে, রবিবার ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, সংঘাতের অবসানে একটি চুক্তি এখনও সম্ভব।

অন্যদিকে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করাকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির অন্যতম শর্ত হিসেবে দেখছে ইরান। মার্চে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর হামলার পর ইসরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান শুরু করে। পরে ওয়াশিংটনে আলোচনার মাধ্যমে গত ৩ জুন উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

এদিকে, সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় রবিবার ওপেক প্লাস টানা চতুর্থবারের মতো তেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা এবং বিভিন্ন উৎপাদনকারী দেশের সক্ষমতা সংকটের কারণে এই সিদ্ধান্তের বাস্তব প্রভাব খুবই সীমিত হবে।

সূত্র : আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভুয়া এএসপি পরিচয়ে প্রতারণা, যুবক গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


ভুয়া এএসপি পরিচয়ে প্রতারণা, যুবক গ্রেফতার

মৌলভীবাজারে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ও সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (৭ জুন) রাতের দিকে তাকে আটক করে পুলিশ।

গ্রেফতার হওয়া যুবকের নাম মো. সাজু আহমেদ শোভন। তিনি রংপুরের কোতোয়ালি থানার পশ্চিম বাবু খাঁ এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত শুক্রবার (৫ জুন) রাতে বড়লেখা থানাধীন নিউ সমনবাগ চা বাগানের বাসিন্দা চা শ্রমিক যতিন চাষার কাছে সাজু আহমেদ শোভন নিজেকে সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয় দেন। স্বাক্ষর করে ওই সময়ে তিনি মামলার বিষয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তিনি ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নিষ্পত্তির আশ্বাস দেওয়ার পর গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে তিন হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

রোববার (৭ জুন) বিকালে যখন নিউ সমনবাগ চা বাগান বাজারে আসামিকে দেখা যায়, তখন ভুক্তভোগী তাকে শনাক্ত করেন। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানালে তারা তাকে আটক করে এবং বড়লেখা থানায় খবর দেন।

পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এসময়ে তিনি নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তা দাবি করে একটি পরিচয়পত্র দেখান। সেই পরিচয়পত্রে তার নামের পাশে ‘এএসপি’ পদবি ছিল। পরে পুলিশের যাচাই-বাছাইয়ে নিশ্চিত হয়, তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য নন এবং ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণা করেছে।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশ তার কাছ থেকে একটি ভুয়া পুলিশ পরিচয়পত্র ও দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক মামলার তথ্যও পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় অভিযোগকারীকে বড়লেখা থানায় দিয়ে মামলা রুজু করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%