ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফিনিক্স সামিটে প্রদর্শিত এআইভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা প্রযুক্তি ব্রোটেকসের


ফিনিক্স সামিটে প্রদর্শিত এআইভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা প্রযুক্তি ব্রোটেকসের

ফিনিক্স সামিট ২০২৬-এ বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ব্রোটেকস টেকনোলজিস লিমিটেড কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা ও ইন্টেলিজেন্ট অপারেশনস ইকোসিস্টেম প্রদর্শন করেছে।

এটি শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সামিট। সামিটের এই পর্বে প্রতিষ্ঠানটির প্রদর্শনী স্টল পরিদর্শন করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

এ সময় ব্রোটেকসের এআইচালিত সাইবার ডিফেন্স ইকোসিস্টেম সম্পর্কে তাকে অবহিত করা হয়। এছাড়াও, বাংলাদেশে সাইবার সার্বভৌমত্ব ও ডেটা সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী করতে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: প্রতিমন্ত্রী টুকু: তিন মাসে ১৯৩ কোটি টাকার গরুর মাংস বিদেশে রপ্তানি

ব্রোটেকস জানিয়েছে, তারা মহাকাশ, বিমান চলাচল, টেলিযোগাযোগ, এন্টারপ্রাইজ এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি খাতে প্রায় দুই দশকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সাইবার নিরাপত্তা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার, প্রতিরক্ষা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিকম, এন্টারপ্রাইজ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো খাতকে নিরাপদ, সহনশীল ও স্বনির্ভর করে তোলার জন্য দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছে।

দুই দিনব্যাপী এই সামিটে ব্রোটেকস তিনটি ফ্ল্যাগশিপ প্রোডাক্ট উপস্থাপন করে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে: বুদ্ধিমান নেটওয়ার্ক ও অবকাঠামো পরিচালনার জন্য বিশ্বের প্রথম কথোপকথনভিত্তিক এজেন্টিক এআইঅপস; উন্নত নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য আইডিপিএস, ডিপিআই, এসপিআই ও ডব্লিউএএফ সমন্বিত নেক্সট-জেনারেশন ফায়ারওয়াল এবং সক্রিয় সাইবার প্রতিরক্ষার জন্য এজেন্টিক এআই-চালিত এসআইইএম, এসওএআর, এক্সডিআর ও কমপ্লায়েন্স ফ্রেমওয়ার্ক।

এই সমাধানগুলো একত্রে গঠন করে ব্রোটেকসের ওয়ান ইনটিগ্রিটেড সাইবার ডিফেন্স ইকোসিস্টেম, যা একটি একক বুদ্ধিমান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দৃশ্যমানতা, সুরক্ষা, অটোমেশন এবং কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

ব্রোটেকস টেকনোলজিস লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) নাহিদ হোসেন জানান, প্রায় দুই দশক ধরে তারা বৈশ্বিক মহাকাশ, বিমান চলাচল, এন্টারপ্রাইজ ও প্রতিরক্ষা খাতে মিশন-ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি তৈরি করে আসছে। এ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের সাইবার ও ডেটা সার্বভৌমিত্ব শক্তিশালী করতে একটি সমন্বিত সাইবার নিরাপত্তা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগের বড় প্রতিশ্রুতি, নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বাংলাদেশের সামনে

তিনি আরও বলেন, যদিও আমাদের সমাধানগুলো যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভাবিত ও প্রকৌশলগতভাবে উন্নয়ন করা হয়েছে, তবে এগুলো বিশ্বমানের বাংলাদেশি মেধার মাধ্যমে পরিচালিত এবং বাংলাদেশের পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারের নিরাপত্তা চাহিদা পূরণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানটি জানায় যে, সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে জাতীয় সাইবার ডিফেন্স ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে তারা প্রস্তুত রয়েছে। এ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অগ্রাধিকার খাতে প্রুফ-অব-কনসেপ্ট বাস্তবায়ন, স্থানীয় দক্ষতা উন্নয়ন, মানদণ্ড ও কমপ্লায়েন্স উন্নয়ন এবং দেশীয়ভাবে পরিচালিত নিরাপত্তা অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে বারবার সংকট থেকে উদ্ধার করেছে জিয়া পরিবার : ইয়াসের খান চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


বাংলাদেশকে বারবার সংকট থেকে উদ্ধার করেছে জিয়া পরিবার : ইয়াসের খান চৌধুরী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় সংকট মোকাবিলায় জিয়া পরিবার বারবার দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে জাতিকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি আজ শনিবার এসব মন্তব্য করেন।

ইয়াসের খান চৌধুরী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং তার (প্রতিমন্ত্রী) মরহুম পিতা, সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি নান্দাইলবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, তাদের আস্থা ও বিশ্বাসের কারণেই তিনি সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন। এসময় তিনি তাঁর মায়ের কথা বলতে গিয়েও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একটি গণতান্ত্রিক দল, যেখানে নিয়মিতভাবে জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক চর্চা অনুসরণ করা হয়। তিনি সংসদীয় দলের সভায় মন্ত্রীদের বিভিন্ন বিষয়ে সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দিতে হয় বলেও উল্লেখ করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটকে সময়োপযোগী, মানবিক ও সুদূরপ্রসারী উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই বাজেট দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাত পুনর্গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করার ভিত্তি তৈরি করবে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনা ও লুটপাটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতেই সরকার এ বাজেট প্রণয়ন করেছে।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বড় বাজেটের বিকল্প নেই। সরকার ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক কার্ড কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই উদ্যোগগুলো শুধু নিম্নআয়ের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবে না, বরং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলবে। ৪০ লাখ পরিবার এ কর্মসূচির আওতায় আসলে দেশের অর্থনীতির ভিত্তি আরও দৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা, সামাজিক সচেতনতা ও ইতিবাচক আচরণ গড়ে তুলতে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং ডিজিটাল কনটেন্ট বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব ৪৭ কোটি টাকায় কেনার পর এর মধ্যে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা বেসরকারি খাত থেকে আদায় করা সম্ভব হয়েছে। ফলে দেশের দর্শকদের জন্য বিশ্বকাপ উপভোগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে সম্প্রচার খাতে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ও অনিয়ম ভেঙে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক ট্রাইব্যুনাল গঠন ও সাইবার স্পেসে জুয়া বন্ধের বিধান রেখে সংসদে দু'টি বিল উত্থাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ পি.এম


মাদক ট্রাইব্যুনাল গঠন ও সাইবার স্পেসে জুয়া বন্ধের বিধান রেখে সংসদে দু

মাদক সংক্রান্ত মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ এবং সাইবার স্পেসে জুয়া প্রতিরোধের নতুন আইনের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় সংসদে দু'টি পৃথক বিল উত্থাপন করা হয়েছে।

আজ সংসদে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই বিল দুটি উত্থাপন করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ নামে একটি বিল উত্থাপন করেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, দেশে মাদকাশক্তি ও মাদক সংক্রান্ত অপরাধ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বিদ্যমান মামলার কারণে সাধারণ আদালতে এসব অপরাধের বিচারকার্য সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় লাগছে। সুতরাং, মাদক সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করার জন্য অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে পৃথক ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ প্রতিষ্ঠার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে, সাইবার স্পেসে সংঘটিত মাদক অপরাধ দমনে প্রযুক্তি নির্ভর নতুন বিধানও এই বিলে সংযোজন করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে অভিযান পরিচালনার জন্য এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের প্রাধিকার ও ডগ স্কোয়াড গঠনের বিধানও বিলে রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম সংসদে ‘সাইবার নিরাপত্তা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ নামের একটি বিল উত্থাপন করেন। এই বিলে বিদ্যমান সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা-২০ বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিলের বিবৃতিতে মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, দেশের সাইবার স্পেসকে নিরাপদ রাখতে সংকলিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা-২০ তে সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার বিষয়ে অপরাধ ও দণ্ডের বিধান ছিল। তবে, ইতোমধ্যে জুয়া এবং বেটিং সংক্রান্ত অপরাধসমূহ প্রতিরোধের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ নামে একটি সুনির্দিষ্ট এবং বিস্তারিত আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই আইনের উদ্যোগ নেওয়ায় সাইবার নিরাপত্তা আইন থেকে জুয়া সংক্রান্ত ২০ নম্বর ধারাটি বিলুপ্ত করার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধ্বংসস্তূপে প্রিয়জনের ‘গোঙানির’ শব্দ, পরিবার আশা ছাড়েনি জীবিত উদ্ধারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


ধ্বংসস্তূপে প্রিয়জনের ‘গোঙানির’ শব্দ, পরিবার আশা ছাড়েনি জীবিত উদ্ধারের

ভেনিজুয়েলায় পরপর দুটি ভূমিকম্পের আক্রমণে অন্তত ৯২০ জন মারা গেছেন এবং ৩,৩৬০ জনের বেশি ব্যক্তি আহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান মূর্ণ আলোচনায় তৃতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে।

একটি পরিবার তাদের প্রিয়জন বেঁচে আছেন কিনা, সেই উদ্বেগে কান পেতে অপেক্ষা করছে। তারা বিবিসি মুন্ডোকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে তারা তার ‘গোঙানির’ শব্দ শুনেছেন।

৩১ বছর বয়সী কার্লোস এদুয়ার্দো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন। তার পরিবার দুই দিন ধরে তাকে ডাকছে।

তার চাচাতো ভাই উদ্বিগ্নভাবে তুলে ধরেছেন, ‘কমবেশি দেড় ঘণ্টা আগে আমরা তার আওয়াজ শুনতে পাই। প্রকৃতপক্ষে, সে সঠিকভাবে কথা বলেনি, শুধু গোঙাচ্ছিল।’

এরপর থেকে সে আর কোনো সাড়া দেয়নি।

স্প্যানিশ উদ্ধারকারী দল এবং গন্ধ শুঁকে শনাক্তকারী কুকুর ভবনটিতে পৌঁছালেও প্রাণের কোনো চিহ্ন না পেয়ে তারা ফিরে আসে। তবে কার্লোসের পরিবার সেখানে রয়ে গেছে এবং ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

তারা এখনো তাকে জীবিত উদ্ধার করার আশায় অটল ও দৃঢ় অবস্থায় রয়েছে।

৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প দুটি এক মিনিটেরও কম সময়ের ব্যবধানে আঘাত করেছে, যখন বেশিরভাগ মানুষ জাতীয় ছুটির কারণে বাড়িতে ছিলেন।

ভূমিকম্পের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোর মধ্যে একটি হল লা গুয়াইরা রাজ্য।

এদিকে, ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের পরে তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া জীবিতদের সন্ধান করছেন।

তাদের মধ্যে একটি নবজাতক শিশুও রয়েছে, যাকে এক আবেগঘন উদ্ধার অভিযানটির মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিত করা হয়, যা দেখে ত্রাণকর্মীরা আনন্দে ফেটে পড়েন।

অন্যদিকে, জাতিসংঘ জানিয়েছে, অন্তত ২০টি আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দেলসি রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সর্বশেষ তথ্য শেয়ার করেছেন, তিনি জানান, লা গুয়াইরা রাজ্যে ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎ পরিষেবা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এবং ১৪,০০০ কর্মী রাস্তায় টহল দিচ্ছে।

গত বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার দাবি আবদুস সালাম পিন্টুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


টাঙ্গাইলকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার দাবি আবদুস সালাম পিন্টুর

টাঙ্গাইল-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য আবদুস সালাম পিন্টু টাঙ্গাইল পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার দাবি জানিয়েছেন।

তিনি আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে টাঙ্গাইলবাসীর দীর্ঘদিনের এই প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

পিন্টু বলেন, টাঙ্গাইলের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, নগরায়ণ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিবেচনায় একটি পরিকল্পিত সিটি করপোরেশন গঠন এখন সময়ের দাবি।

আবদুস সালাম পিন্টু বলেন, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে ক্ষুদ্র ঋণ ও সহজ শর্তে অর্থায়ন চালুর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতে এ খাতে সহায়তা দেওয়া হলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে তাঁতিরা সংকটে পড়েছেন এবং অনেকেই কর্মসংস্থানের জন্য দেশ ছেড়ে অন্য অঞ্চলে চলে যাচ্ছেন।

এমপি সালাম পিন্টু টাঙ্গাইল শাড়ির ঐতিহ্য রক্ষায় তাঁতিদের পুনরায় শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সরকারের কাছে এ খাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইলে অবস্থিত মাওলানা ভাসানীর স্মৃতি সংরক্ষণ ও তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারি স্বীকৃতি প্রয়োজন। এছাড়াও, স্থানীয় শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়নেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়াও বাজেটে সঞ্চয়পত্র ও আয়কর সীমা পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। তার মতে, এটা করলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ উপকৃত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%