ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুষ্টিয়ায় অ্যাপসের মাধ্যমে নকল ওষুধ বিক্রির ঘটনায় জরিমানা


কুষ্টিয়ায় অ্যাপসের মাধ্যমে নকল ওষুধ বিক্রির ঘটনায় জরিমানা

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ফেরি করে অ্যাপসের মাধ্যমে নকল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে একজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে করা হয়েছে।

বুধবার বিকাল ৫টার দিকে কুমারখালী থানামোড় এলাকার এ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাভিদ সারওয়ার। এ কাজে সহযোগিতায় ছিলেন জেলা ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক মো. রহমতুল্লাহ ও থানা পুলিশ।

জানা গেছে, জরিমানাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মেডিগো নামক অ্যাপসের এসআর হিসেবে কাজ করছিলেন।

আরও পড়ুন: শীর্ষ মাদক ডিলার গ্রেফতার: ২ বোতল ভারতীয় সিরাপ দিয়ে আদালতে সোপর্দ করলো দামকুড়া থানা পুলিশ

মেহেদী হাসান কুমারখালী থানামোড় এলাকায় বিভিন্ন ফার্মেসির সাথে অ্যাপসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ কম মূল্যে বিক্রির জন্য প্রস্তাব দিতেন। তিনি ফার্মেসি মালিকদের ফোনে অ্যাপস সেটিং করতেন। বিষয়টি টের পেয়ে, ওষুধ কোম্পানির মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভের সংগঠন ফারিহা’র সদস্যরা মেহেদীকে আটক করে প্রশাসনকে খবর দেন।

কুমারখালী ফারিহা’র সভাপতি আব্দুর রশিদ জানান, অ্যাপসটির মাধ্যমে দেশের নামিদামি কোম্পানির ওষুধের লোগো ব্যবহার করে কম মূল্যে নকল ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছিল। যার ফলে ফার্মেসি মালিক ও অ্যাপসের লোকজন লাভবান হলেও রোগী ও স্বজনরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন।

অভিযুক্ত মো. মেহেদী হাসান বলেন, তিনি জানতেন না যে তিনি কী করছিলেন এবং চলতি মাসের ৪ জুন থেকে কুষ্টিয়া জেলায় এ কাজ করছেন। তবে কোম্পানির নাম ও ঠিকানা তাঁর জানা নেই। তিনি বরং কমিশনের মাধ্যমে কাজ করছিলেন।

জেলা ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক মো. রহমতুল্লাহ জানান, অ্যাপসের মাধ্যমে ফেরি করে ওষুধ বিক্রির প্রস্তাব করার অপরাধে একজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অ্যাপসটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে জানানো হবে।

আরও পড়ুন: রায়পুরায় বাসে পুলিশের অভিযান, ১৪০ রাউন্ড সিসা গুলিসহ নারী আটক

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার বলেন, এভাবে ফেরি করে ওষুধ বিক্রির কোনো নিয়ম নেই। জনস্বার্থে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেশনজট ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতির কক্ষে তালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩২ এম


সেশনজট ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতির কক্ষে তালা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতির কক্ষে তালা দিয়েছেন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

তারা সেশনজট, ফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা এবং উপস্থিতি গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগের দাবিতে তালা দেন। বুধবার (২৪ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজী ভবনে অবস্থিত বিভাগের সভাপতির কক্ষে তালা দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কক্ষটিতে তালা ঝুলছিল। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। সেগুলোর মধ্যে ছিল—‘ছাত্র-ছাত্রীদের বিভাগ না, শিক্ষকদের বিভাগ?’, ‘কিসের অর্ডিন্যান্স, সাড়ে ছয় বছরে অনার্স কেন?’, ‘৯ মাসে এক সেমিস্টার কেন?’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, করোনাকালীন শিক্ষাজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ না দিয়ে বিভাগটি নানা সময়ে ফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা করেছে। এ ছাড়া মাস্টার্সে উপস্থিতি ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম করেছেন কোর্স শিক্ষকেরা।

একটি ক্লাসের বিপরীতে একটি উপস্থিতি দেওয়ার কথা থাকলেও তিন-চারটি করে উপস্থিতি দেওয়া হয়েছে। এভাবে সেদিন ক্লাসে উপস্থিত না থাকা শিক্ষার্থীরা একদিন না থাকায় কয়েকটি উপস্থিতি হারিয়ে ফেলেছেন।

এসব কারণে কয়েকজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসার জন্য ন্যূনতম ৬০ শতাংশ উপস্থিতির কোটা পূরণ করতে পারেননি। তাঁদের দাবি সুযোগ না পাওয়া এসব শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু মুসা বলেন, ‘আমাদের অনার্স শুরু হয় ২০২০ সালে, কিন্তু শেষ হতে প্রায় ছয় বছর লেগেছে। মাস্টার্সও দেরিতে শুরু হয়েছে। কিছু শিক্ষক উপস্থিতি গণনায় অনিয়ম করেছেন। ফলে অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ৬০ শতাংশ উপস্থিতি পূরণ করতে পারেনি। বিষয়টি বিভাগীয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও সমাধান পাইনি, তাই আমরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিতের দাবিতে তালা দিয়েছি।’

একই শিক্ষাবর্ষের আরেক শিক্ষার্থী মোহসিনা আরাবি বলেন, ‘করোনাসহ বিভিন্ন কারণে চার বছরের অনার্স শেষ হতে আমাদের প্রায় ছয় বছর সময় লেগেছে। ফল প্রকাশেও বিলম্ব হয়েছে। অনার্স শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালে, কিন্তু শেষ হয়েছে ২০২৬ সালে। ফল প্রকাশের পরও কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে। একটি ক্লাসে একাধিকবার উপস্থিতি ধরা হচ্ছে, ফলে কিছু শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় উপস্থিতি পূরণ করতে পারছে না। এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে সমাধান চাই।’

তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিভাগের সভাপতি রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘কিছু শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ৬০ শতাংশের নিচে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। আজ বুধবার পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে তারা সবাইকে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার দাবি তুলেছে। বিষয়টি নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
তানোরে কৃষকের কান্না কেউ শোনে না

কৃষিপণ্যের দরপতনে বিপাকে তানোরের কৃষক, লোকসানের শঙ্কায় হতাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ এম


কৃষিপণ্যের দরপতনে বিপাকে তানোরের কৃষক, লোকসানের শঙ্কায় হতাশা

রাজশাহীর তানোরে কৃষিপণ্যর দরপতনে কৃষকরা দুঃখের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন ও চরম সংকটের মুখোমুখি। তাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দিনের পরদিন পরিশ্রম করে উৎপাদন করা কৃষিপণ্যগুলো এখন সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থার অভাবে ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। ফলে প্রতি মুহূর্তে তারা একের পর এক লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন। অবগত সূত্রে জানা গেছে, আলুর পর এবার আমের দরপতন ঘটেছে। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে দাম কম থাকায় কৃষকদের হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে। অনেকে ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। এমনও কিছু আছে যারা শেষ সম্বলটুকু হারিয়েছে। নতুন খবর হচ্ছে, এনজিও ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পারার কারণে কিছু কৃষক এলাকায় চলে গেছে।

এদিকে, তানোরে আলুর জমিতে রোপণ করা বোরো ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। তবে মাঠের নতুন ধানের পাশাপাশি গাছে পাকা আম ঝুললেও কৃষকদের মুখে হাসি নেই। ধান ও আমের দাম বাজারে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। উৎপাদন খরচ তুলতে পারার শঙ্কায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এখন ধান প্রতি মণ (৪০ কেজি) বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায়। কৃষকদের দাবি, বর্তমান উৎপাদন খরচের সাথে এ দাম কোনোভাবেই অপার্যाप्त নয়।

উপজেলার কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) বিল্লী গ্রামের কৃষক সারোয়ার জাহান চলতি মৌসুমে ২০ বিঘা জমিতে ব্রি-৭৬ জাতের বোরো ধান চাষ করেছেন। তিনি বলেন, “মঙ্গলবার আমি ধান কেটে মাড়াই সম্পন্ন করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রির জন্য যাই। কিন্তু কেউ কেনার আগ্রহ দেখায়নি। শেষে একজন ব্যবসায়ী ৮০০ টাকা মণ দরে কিনতে রাজি হয়।” তিনি জানালেন, এ দামে ধান বিক্রি করলে উৎপাদন খরচও উঠবে না। বরং তার এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা লোকসান হবে।

তানোর, গোদাগাড়ী, মোহনপুর, পবা ও নওগাঁর মান্দা উপজেলার হাজারো কৃষকও উপঢৌকনে একই অবস্থায়। তারা বলছেন, সেচ, সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের খরচ বাড়ায় ধানের উৎপাদনের ব্যয়ও বেড়েছে। অথচ তারা বর্তমানে বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার কারণে চরম আর্থিক সংকটে পড়ছেন।

অন্যদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও রাজশাহী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আম উৎপাদনকারী অঞ্চল হলেও বর্তমান মৌসুমে আমের বাজারে ভয়াবহ দরপতন ঘটেছে। চাষিরা অভিযোগ করেন, গত এক দশকের মধ্যে এবার আমের দাম সবচেয়ে কম। বাজারে ক্রেতার অভাব থাকার কারণে অনেক বাগানে পাকা আম গাছেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে বিভিন্ন জাতের আম প্রতি কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে কৃষকরা জানাচ্ছেন, যদি চলতি মৌসুমে বাজার পরিস্থিতির উন্নতি না হয়, তাহলে অনেক বাগান মালিক বড় ধরনের লোকসানের মুখোমুখি হয়ে পড়বেন।

তানোর পৌরসভার কালীগঞ্জহাট মহল্লার কৃষক রনি চলতি মৌসুমে ৩০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছিলেন। বর্তমানে তার আলু হিমাগারে সংরক্ষিত রয়েছে। তিনি বলেন, “এখন প্রতি কেজি আলু মাত্র সাড়ে ১৭ টাকা। অথচ উৎপাদন খরচ ও হিমাগার ভাড়া মিলে আমার প্রতি কেজিতে খরচ হয়েছে প্রায় ২৪ টাকা। দাম না বাড়লে আমার প্রায় ২০ লাখ টাকা লোকসান হবে।”

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছরও আলুর ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার কারণে বহু কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। অনেকেই ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে না পেরে আর্থিক সংকটে পড়েছেন। চলতি বছরেও একই পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, পেঁয়াজ ও রসুন চাষেও হতাশা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় এবং রসুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। কৃষকদের দাবি, এ দামে উৎপাদন খরচ উঠানো সম্ভব নয়।

তানোর উপজেলার পাঁচন্দর গ্রামের দুই রসুন চাষি সাদেক ও তার সহযোগীরা জানান, গত বছর দুই বিঘা জমিতে তারা রসুন চাষ করে লোকসানের মুখে পড়েছিলেন। এবারও দুই বিঘা জমিতে রসুন চাষ করেছেন, তবে বাজারমূল্য কম থাকার কারণে তারা রসুন বিক্রি না করে বাড়িতে সংরক্ষণ করছেন। তারা জানান, “গত বছরের মতো এবারো দাম না পেলে আমরা আগামীতে আর রসুন চাষ করবো না।”

স্থানীয় কৃষকগণ রসুন উৎপাদন করলেও বিদেশি রসুন আমদানির কারণে তারা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। রসুন চাষিদের মতে, দেশে উৎপাদিত রসুন দিয়েই অভ্যন্তরীণ চাহিদার বড় অংশ পূরণ করা সম্ভব। কিন্তু আমদানি নির্ভর নীতির কারণে স্থানীয় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কৃষকদের অভিযোগ, একটির পর এক ফসল কার্যকর লোকসান হচ্ছে বলে তারা ব্যাংক ক্লোজিংয়ের কারণে ধান ক্রয়ে ধীরগতি অবলম্বন করছেন। এর ফলে বাজারে ধানের চাহিদা কমে যাচ্ছে এবং দাম নিম্নমুখী হচ্ছে। তাদের দাবী, জুলাই মাস থেকে ধানের বাজারে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

তবে কৃষকেরা বলছেন, প্রতি বছর একই ধরনের অজুহাত দেখানোর মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হচ্ছে না। কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মন্তব্য করছেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারকে আরো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রয়োজন। বাজার ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধি, সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সরকারি ক্রয় এবং আমদানি নীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করা প্রয়োজন। কৃষকদের মত অনুযায়ী, তাদের যদি ধারাবাহিকভাবে লোকসানের মুখে পড়তে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে কৃষি উৎপাদন কমে যেতে পারে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ১৯০ হেক্টর, যা গতবারের চেয়ে ১২০০ হেক্টর কম। গত মৌসুমে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৩ হাজার ১১৫ হেক্টর। দামের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানালেন, তাদের কাজ হচ্ছে চাষাবাদে রোগ বালাই আছে কি না এবং রোগ বালাই হলে দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। দামের বিষয় কৃষি বিপণন বিভাগের কাজ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তানোরে চলতি মৌসুমে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৪ হাজার ২০০ হেক্টর, কিন্তু চাষাবাদ হয়েছে ১৪ হাজার ১৩০ হেক্টর, ৭০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাঙ্গুড়ায় কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও চারা বিতরণের অনুষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ এম


ভাঙ্গুড়ায় কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও চারা বিতরণের অনুষ্ঠান

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা এবং কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৪ জুন) উপজেলার কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান।

এ সময় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন জাহান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এফএম কামারুম মুনিরা প্রমুখ। অনুষ্ঠান চলাকালীন বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে চারা ও কৃষি সহায়তার প্রদান অব্যাহত আছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার নির্বাচিত কৃষকদের মধ্যে উন্নত জাতের বীজ, ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়ে থাকে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখার আহ্বান করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত কৃষকদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। কৃষকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সাঁথিয়ায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক

সড়ক অগ্রাধিকার ও তথ্য যাচাইকরণ কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ এম


সড়ক অগ্রাধিকার ও তথ্য যাচাইকরণ কর্মশালা

পাবনার সাঁথিয়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের(এলজিইডি) আয়োজনে ও বেটস কনসাল্টিং সার্ভিসেস লিমিটেডের পরামর্শে গ্রামীণ সড়ক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন(জিআইএস-ভিত্তিক) আরসিআইপি, গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক, সড়ক অগ্রাধিকার ও তথ্য যাচাইকরণ বিষয়ক কর্মশালা বুধবার (২৪ জুন) উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাঁথিয়া উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. জহুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলজিইডি পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজু তামান্না। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিআইএস স্পেশালিষ্ট, বেটস এর প্রকৌশলী শিমুল কুমার কুন্ডু।

কর্মশালায় জানানো হয়, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়ন ও এলজিইডির বাস্তবায়নে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর থেকে সাঁথিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু হবে। এসব সড়ককে পর্যায়ক্রমে প্রশস্ত ও আধুনিকায়ন করা হবে, যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত ও নিরাপদ হয়।

বক্তারা বলেন, কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণ গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সড়ক উন্নয়নের ফলে সাঁথিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগ সহজ হবে, যাতায়াতের সময় কমবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সরকারের এ উন্নয়ন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে উপস্থিত সকলে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী ও এলজিইডি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%