ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বায়ুদূষণের শীর্ষে কুয়েত সিটি, ঢাকার খবর কী?


বায়ুদূষণের শীর্ষে কুয়েত সিটি, ঢাকার খবর কী?

বিশ্বের জলাবায়ু পরিবর্তন এবং উন্নয়নমূলক কাজ চলাকালীন, দিন দিন বায়ুদূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে, আজ (শুক্রবার, ২১ আগস্ট) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বায়ুদূষণের তালিকার মধ্যে ১৮তম অবস্থানে রয়েছে।

ঢাকার বায়ুমান স্কোর ৮৯। বাতাসের এই পরিস্থিতির মানকে মাঝারিমানের হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এ তথ্য সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ু মান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান, এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (আইকিউএয়ার) এর সূচক অনুযায়ী জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

আসলেই, আইকিউএয়ারের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে বায়ুদূষণের তালিকায় ২৮৬ স্কোর নিয়ে কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটি সবচেয়ে শীর্ষে রয়েছে। এটি ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার শহর কুচিং, যার স্কোর ১৯৪। তৃতীয় অবস্থানে স্থান পেয়েছে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) রাজধানী কিনশাসা, যার স্কোর ১৮৯।

এছাড়া, বাহারাইনের মানামা, ভারতের দিল্লি, চীনের বেইজিং এবং ইন্দোনেশিয়ায় রাজধানী জাকার্তা মনে হচ্ছে দূষণের নির্দেশক শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর যদি শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকে, তবে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে এটি ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে গন্য করা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ মনে করা হয়। অন্যদিকে, স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত তবে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। পরবর্তীতে, স্কোর যদি ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকে, তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ আখ্যা পায়। তা ছাড়া, স্কোর ৩০১-এর অধিক হলে সেটি ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের আপিল মঞ্জুর করে সুখবর দিল আইসিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ এম


পাকিস্তানের আপিল মঞ্জুর করে সুখবর দিল আইসিসি

পাকিস্তান এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচের উইকেট সংক্রান্ত যে শাস্তি আরোপ করা হয়েছিল, তা তুলে নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) জোরালো আপিলের পর লাহোরের ঐতিহাসিক গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের ওপর আরোপিত একটি ডিমেরিট পয়েন্ট বাতিল করেছে আইসিসির আপিল প্যানেল।

গত জুন মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ ওয়ানডে ম্যাচে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের উইকেটকে ‘অসন্তোষজনক’ আখ্যা দিয়ে আইসিসি ওই ডিমেরিট পয়েন্ট প্রদান করেছিল। গাদ্দাফির ক্রিকেট ইতিহাসে এটি ছিল প্রথম ডিমেরিট পয়েন্টের অভিজ্ঞতা। সেই ম্যাচে সফরকারী অজিদের মাত্র ১৫৭ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৪ উইকেটে জয় লাভ করেছিল পাকিস্তান। ৪২ ওভারেই শেষ হয়ে যাওয়া সেই ম্যাচটিতে অতিরিক্ত স্পিন তৈরি হওয়া নিয়ে বেশ কিছু সমালোচনা প্রাপ্ত হয়েছিল।

এছাড়া পুরো সিরিজে একমাত্র এই ম্যাচেই ২০০ রান পেরোতে পারেনি কোন দল।

তবে পিসিবি হাল ছাড়েনি। তারা আইসিসিকে সাফ জানিয়েছিল যে কম রান শুকনো হয়ে যাওয়া বা দ্রুত ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার মানেই পিচ ‘খারাপ’ নয়। রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোরের উইকেটে স্পিন ফ্রেন্ডলি পিচ তৈরি করতে তারা ট্যাকটিক্যাল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যা তখনকার অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদিরও সমর্থন ছিল।

পিসিবির আবেদনের ভিত্তিতে আইসিসির আপিল প্যানেল ম্যাচের ভিডিও ফুটেজ, ম্যাচ রেফারির রিপোর্ট এবং দুই দলের মতামত নতুন করে পর্যালোচনা করেছে। তারা পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনার পর জানিয়েছে, উইকেটে অতিরিক্ত অসমান বা অস্বাভাবিক স্পিন ছিল না। ফলে আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে গাদ্দাফিকে শাস্তিমুক্ত করা হয়েছে।

আইসিসির পিচ সংক্রান্ত শাস্তির বিরুদ্ধে এটি পিসিবির টানা দ্বিতীয় সাফল্য। এর আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের বিতর্কিত উইকেট নিয়ে দেওয়া ডিমেরিট পয়েন্ট পানির মতো তুলে নিয়েছিল পাকিস্তান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এএফসি থেকে বিদায় নিল রাজশাহী স্টারস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ এম


এএফসি থেকে বিদায় নিল রাজশাহী স্টারস

এএফসি উইমেনস চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা দুই ম্যাচ হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে রাজশাহী স্টারস। প্রথম ম্যাচে ভারতের ইস্ট বেঙ্গলের কাছে বড় ব্যবধানে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে মালয়েশিয়ার সাবাহ এফসির কাছেও হেরে গেছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী দলটি।

বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার লিকাস স্টেডিয়ামে সাবাহ এফসির বিপক্ষে ২-১ গোলে পরাজিত হয় গোলাম রব্বানী ছোটনের দল। ম্যাচের প্রথমার্ধে রাজশাহী ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই একটি করে গোল করে। রাজশাহীর হয়ে গোলের ব্যবধান কমান মোসাম্মৎ সুলতানা।

এর আগে প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচে ভারতের ইস্ট বেঙ্গলের কাছে রাজশাহী স্টারস ৪-০ গোলে হেরেছিল। ফলে দুই ম্যাচে কোনো পয়েন্ট না পাওয়ার জন্য গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের ক্লাবটির।

তবে টানা দুই ম্যাচে হারলেও দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রাজশাহীর প্রধান কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন।

গ্রুপ পর্বে রাজশাহী স্টারসের শেষ ম্যাচ আগামী ২৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। ওই ম্যাচে গুয়ামের ক্লাব রোভার্স এফসির মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশের দলটি। বিদায় নিশ্চিত হলেও শেষ ম্যাচে জয় নিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ করার সুযোগ রয়েছে রাজশাহীর সামনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অ্যাম্বুলেন্স উল্টে শিশুসহ আহত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ এম


ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অ্যাম্বুলেন্স উল্টে শিশুসহ আহত ৫

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বেপরোয়া গতির কারণে একটি রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যাওয়ার একটি ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন, এদের মধ্যে শিশু রোগীও রয়েছে। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার হাসাড়া এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে মাওয়ামুখী লেনে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনে দুর্ঘটনার খবর আসে। বেপরোয়া গতির কারণে অ্যাম্বুলেন্সটি সড়কের রেলিংয়ে ধাক্কা লেগে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।

খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাম্বুলেন্স থেকে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে আহতদের সুস্থ করার জন্য শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকা শিশু হাসপাতাল থেকে এক শিশু রোগীকে নিয়ে খুলনার দিকে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়।

এ দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন- শিশু রোগী মানহা (১০ মাস), জ্যোতি (২৮), লাকী আক্তার (৪৫), মশিউর রহমান (৪৫) এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক হিরা (৪০)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীর ওপর ক্ষোভ থেকে ৯ বছরের মেয়েকে নদীতে ফেলে দিলেন সৎ বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ এম


স্ত্রীর ওপর ক্ষোভ থেকে ৯ বছরের মেয়েকে নদীতে ফেলে দিলেন সৎ বাবা

‘মাদরাসায় ভর্তি করাতে নিয়ে যাচ্ছে’, ৯ বছরের শিশু তাসফিয়ার এমন কথাই হয়ে রইল তার জীবনের শেষ কথা। স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে মাদরাসায় ভর্তির কথা বলে শিশুটিকে করতোয়া নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার সৎ বাবার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত সৎ বাবা সাফিউল ইসলামকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে ২০ আগস্ট গাইবান্ধার পলাশবাড়ী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সাফিউল ইসলাম দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ভর্ণাপাড়া এলাকার মোসলেম উদ্দিনের ছেলে। শিশু তাসফিয়ার মৃত্যুর পর সে আত্মগোপনে চলে গিয়েছিল।

পুলিশের তথ্যমতে, রাতের অন্ধকারে রাণীগঞ্জ বাজার থেকে ভ্যানে করে কবিরপুর, তার পর গোবিন্দপুর হয়ে মুসিপাড়ার ঘাট পর্যন্ত যায় সাফিউল। এরপর নদীর বাঁধ ধরে ভর্ণাপাড়া টঙ্গী ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন করতোয়া নদীতে নৌকা নিয়ে প্রবেশ করে। সে সময় রাত ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ছিল। নৌকা নদীর মাঝামাঝি পৌঁছালে তাসফিয়াকে পানিতে ফেলে দেয় সাফিউল। কিছুক্ষণ পর শিশুটির প্রতি মায়া অনুভব হলে সে তাকে নিয়ে আবার নৌকায় উঠায় এবং বুকে জড়িয়ে ধরে। এরপর নৌকা নিয়ে তীরে ফিরে আসে।

কিন্তু তীরে ফেরার পর মোবাইল ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে সাফিউলের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ার মধ্যে ক্ষুব্ধ হয়ে তাসফিয়াকে তীরের কাছে নদীতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় সে। এরপর করতোয়ার কালো পানিতে শিশুটি হারিয়ে যায়।

পরদিন সোমবার সন্ধ্যায় ১৭ আগস্ট করতোয়া নদীতে তাসফিয়ার মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়রা এটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশের ভাষ্য হলো, ঢাকায় থাকা অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। গত ৯ আগস্ট ঢাকা থেকে বাড়িতে ফেরেন সাফিউল। এরপর ১৪ আগস্ট শুক্রবার সে তাসফিয়াকে মাদরাসায় ভর্তি করানোর জন্য বিন্যাগাড়ি রোডের জোবাইদা মহিলা মাদরাসায় রেখে আসে। পরে রোববার বিকেলে ভর্তি-সংক্রান্ত ছবি তোলার নাম করে তাসফিয়াকে সেখান থেকে নিয়ে আসে সাফিউল। ওই দিন রাত ৯টা ১৬ মিনিটে তাসফিয়া নিজেই ফোন করে আগের মাদরাসায় জানায়, তাকে অন্য একটি মাদরাসায় রাখা হয়েছে। কিন্তু এরপর মাদরাসার পথে না গিয়ে শিশুটিকে একের পর এক জায়গা বদলাতে থাকে সাফিউল।

তাসফিয়ার জীবন ছিল ভাঙা সংসারের গল্পে মোড়া। তার মা লিজার সঙ্গে আপন বাবা মমিনুলের বিচ্ছেদ ঘটে ২০২২ সালে। এরপর তাসফিয়া বাবার কাছে থাকত। পরে লিজা সাফিউল ইসলামকে বিয়ে করেন। ২০২৫ সালের দিকে পরিবারের অগোচরে তাসফিয়াকে দ্বিতীয় স্বামীর কাছে নিয়ে আসেন তিনি।

তারপর শিশুটিকে সৎ দাদা-দাদির কাছে রেখে জীবিকার তাগিদে ঢাকায় চলে যান লিজা ও সাফিউল। লিজা পোশাক কারখানায় কাজ করতেন এবং সাফিউল রিকশা চালাতেন। অভাবের সংসারে ধীরে ধীরে দাম্পত্য কলহ বাড়তে থাকে, যার নির্মম শিকার হয়ে যায় ছোট্ট তাসফিয়া।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শিশু তাসফিয়া হত্যার ঘটনায় তার সৎ বাবা সাফিউল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় শিশুটির নিজের বাবা বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%