১১:৫১ এম
ইরানের সেনাবাহিনী স্বেচ্ছাসেবী বেসামরিক নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা ‘জাতীয় প্রতিরক্ষা’ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই তথ্যটি ইরানের পশ্চিম এশিয়া নিউজ এজেন্সি (ওয়ানা) প্রকাশ করেছে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা আলিয়ান-নেজাদ, যিনি সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিভাগের উপপ্রধান, তিনি জানান যে, আজ রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানী তেহরানের তিনটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ‘জানফাদা’ নামে এই কর্মসূচি শুরু হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সেনাবাহিনীর চারটি শাখার সদস্যদের নির্ধারিত কিছু ‘ফিল্ড-গ্যারিসন’ এলাকায় মোতায়েন করা হবে। সেখানে স্বেচ্ছাসেবীদের প্রথমে ‘মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ’ প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে তাদের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
আরও পড়ুন: ‘বর্তমান নিয়ন্ত্রণরেখায় যুদ্ধ স্থগিতে সম্মত ইউক্রেন’
তেহরানের হাফতে তির স্কয়ারে নতুন প্রশিক্ষণকেন্দ্রটি উদ্বোধন করা হয়েছে। এর আগে ইমাম হোসেইন স্কয়ারে প্রথম প্রশিক্ষণশিবির চালু হয়েছিল। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব কেন্দ্রে বেসামরিক নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় যে, সেনাসদস্যরা ছদ্মবেশী রঙ করা বিমানবিধ্বংসী সরঞ্জাম নিয়ে মহড়া দিচ্ছেন। এছাড়া, বাধাবিঘ্নের প্রশিক্ষণপথ অতিক্রম এবং অস্ত্র ব্যবহারের অনুশীলনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট ব্যবহারের দৃশ্যও দেখা যায়।
এক সংবাদ সম্মেলনে বাসিজ সংগঠনের প্রশিক্ষণ বিভাগের উপপ্রধান আলি কাওসারি জানান, প্রশিক্ষণের জন্য ১ হাজার ব্যাটালিয়ন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি সমাজের সর্বস্তরে বেসামরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারের গুরুত্বও তুলে ধরেন।
কাওসারি বলেন, "শত্রুপক্ষ যদি ‘আরেকটি ভুল হিসাব’ করে নতুন করে হামলা চালায়, তাহলে ইরানের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সেই হামলার মোকাবিলা করবে।"
আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর তুরস্কের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনার ইঙ্গিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন