বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৩ পি.এম
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে ধর্মহীনতার বিরুদ্ধে এবং ধর্ম ব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বলে। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিএনপি বামের ডানে এবং ডানের বামে মধ্যম পন্থার একটি রাজনৈতিক দল। এটি লাল সবুজের পতাকা ও সবুজ পাসপোর্টের ধারক এবং মূল্যায়ন করতে সবসময় বদ্ধপরিকর।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা আইনজীবী সমিতি কর্তৃক আয়োজিত পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “আমরা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতে চাই না। ধর্ম আমার বিশ্বাসের জায়গা, ধর্ম আমার শ্রদ্ধার জায়গা, ধর্ম আমার ইহকাল-পরকালের জায়গা। কিন্তু সেই ধর্ম রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিয়ে এসে মানুষের রক্তপাত আমরা ঘটাতে চাই না।”
আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনারা (আইনজীবীরা) এখানে অনেক মুসলিম সমাজের আইনজীবী আছেন, হিন্দু সমাজের আইনজীবী আছেন, কেউ কেউ খ্রিস্টান সমাজের আইনজীবী আছেন। কিন্তু যখন আপনি আদালতের সামনে দাঁড়ান, তখন আপনার পরিচয় কিন্তু মুসলিম কিংবা খ্রিস্টান কিংবা হিন্দু নয়। তখন আপনি কালো কোর্ট পরা একজন আইনজীবী।”
তিনি আরো বলেন, “একটি সাম্প্রদায়িকতাহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য ক্ষেত্রমতো যেখানে যেরকম আচরণ করা প্রয়োজন আমরা সে ধরনের আচরণ করব।”
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, “সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থানের ভিত্তিতে যে ধরনের একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব, আমরা সেটি নিয়ে এগিয়ে যাব। যে বাংলাদেশে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ভূমি হিসেবে গড়ে যেতে পারব।”
অনুষ্ঠানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম, মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাহবুবুর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বীর উত্তম, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎকালে কাদের সিদ্দিকী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। এ সময় রাষ্ট্রপতি কাদের সিদ্দিকীকে ধন্যবাদ জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি কাদের সিদ্দিকীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। তারা একে অপরের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় খেলার সুযোগ তৈরি করা এবং ক্রীড়া চর্চাকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া সরকারের প্রতিশ্রুতি। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা খেলার মাঠগুলো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ (আবাহনী মাঠ) এবং ধানমন্ডি মাঠের সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমঝোতা স্মারকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খান, এনডিসি স্বাক্ষর করেন।
গণপূর্তমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাব রয়েছে। যদি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা মাঠগুলোকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় দেওয়া হয়, তবে এগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জাকারিয়া তাহের জানান, রাজধানীর খেলার মাঠগুলোতে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীসহ সকল স্তরের মানুষের জন্য খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য। এতে মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, গত ১৭ বছরে ক্লাবগুলোর রাজনৈতিকীকরণ দূর করে নিরপেক্ষ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া অবকাঠামো তৈরি এবং মাঠগুলো সাধারণ মানুষ ও তরুণদের জন্য উন্মুক্ত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, ধানমন্ডি মাঠে আর্চারি ও শুটিংয়ের অবকাঠামো এবং আবাহনী মাঠের খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা সংস্কার করে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পিপিপি মডেলে এসব উন্নয়নকাজ শুরু হলে ঢাকার অন্যান্য গণপূর্ত মাঠও পর্যায়ক্রমে আধুনিকায়ন করা হবে।
তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণের উদ্যোগ তুলে ধরে আমিনুল হক জানান, দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে ১০টি ইভেন্টে দল গঠন করা হচ্ছে। দ্বিতীয় আসরে ইতোমধ্যে ১৫ লাখের বেশি অনলাইন নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এ সংখ্যা ২০ লাখে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ধানমন্ডি মাঠে আবাহনী অনুশীলন ও ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম সমঝোতা স্মারকের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। তাঁরা উল্লেখ করেন, মাঠ দুটি দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আগামী পাঁচ বছর মাঠ দুটি সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির মেয়াদ নবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ হাসানসহ দুই মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তারা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ চার বছরের প্রেমের পর, অবশেষে এক হওয়ার সময় এসেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে, আগামী ৪ ডিসেম্বর লখনউয়ের একটি হোটেলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার রিংকু সিং এবং দেশটির লোকসভার সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য প্রিয়া সরোজ।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের পাশাপাশি বিশেষ অতিথি হিসেবেও অনেকেই বিয়েতে উপস্থিত থাকবেন। রিংকুর বিয়ের অনুষ্ঠানে ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদেরও অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে একটি সাক্ষাৎকারে রিংকু প্রিয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন। তিনি জানান, সমাজবাদী পার্টির সামাজিক মাধ্যমে প্রিয়ার ছবি দেখে তিনি প্রেমে পড়েন। তবে প্রিয়াকে বার্তা পাঠানোর ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। কিন্তু প্রিয়া তার ছবিতে ‘লাইক’ করার পর বিষয়টি এগোতে শুরু করে।
রিংকু বলেছিলেন, করোনাকালীন সময়ে আইপিএল মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তখন গ্রামের একটি ভোটের সময় তিনি প্রিয়ার ছবি একটি ফ্যান পেজে দেখেছিলেন। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, প্রিয়া তার জন্য একদম সঠিক। তবে নিজে থেকে বার্তা পাঠানোর ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। কিন্তু প্রিয়া তার দুই-একটি ছবিতে লাইক করার পর তিনি তাকে বার্তা পাঠান। এভাবেই তাদের প্রেমের শুরু। এরপর তারা নিয়মিত কথা বলতে শুরু করেন। ম্যাচের আগেও তাদের কথা হতো। ২০২২ সাল থেকে তিনি প্রিয়ার প্রতি ভালোবাসা অনুভব করতে শুরু করেন।
প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর ১৯৯৮ সালে প্রিয়া সরোজের জন্ম। তিনি উত্তর প্রদেশের একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী। তিনি তফশিলি জাতি সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত মছলিশহর লোকসভা আসনের সংসদ সদস্য। ২০২৪ সালে ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টির প্রতিনিধিত্ব করে নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে, ১২ অক্টোবর ১৯৯৭ সালে উত্তর প্রদেশের আলীগড়ে জন্মগ্রহণ করেন রিংকু সিং। তিনি বর্তমানে ভারতীয় দলের নিয়মিত মুখ। আইপিএলে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে তিনি ভারতীয় দলে সুযোগ পান। ইতোমধ্যে তিনি ৪৮টি টি-টোয়েন্টি এবং দুটি ওয়ানডে ম্যাচে অংশ নিয়ে ভারতের জয় নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, কর্মী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন, "বাংলাদেশের সাথে ভিয়েতনামের পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।" এই সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার জন্য এবং উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অংশীদারিত্বের ক্ষেত্র সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন রাষ্ট্রপতি। ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এই লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।
আজ সকালে বঙ্গভবনে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে আসা বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং-এর সাথে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসস-কে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত। তিনি রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে ভিয়েতনাম সফরের আমন্ত্রণও জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন এবং উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতি ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর ভিয়েতনাম সফরের কথা স্মরণ করেন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, "দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যকে আরো ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।" এসময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, বাইসাইকেল, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানিযোগ্য পণ্যের আমদানি বৃদ্ধির জন্য ভিয়েতনামের প্রতি আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বিদায়ী রাষ্ট্রদূতকে তাঁর সফল কর্মকাল এবং বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, রাষ্ট্রদূত নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরেও দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবেন।
রাষ্ট্রপতি ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূতের সুস্বাস্থ্য ও সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করেন এবং ভিয়েতনামের জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিববৃন্দ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভিয়েতনাম দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ