বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৬ পি.এম
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, কর্মী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন, "বাংলাদেশের সাথে ভিয়েতনামের পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।" এই সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার জন্য এবং উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অংশীদারিত্বের ক্ষেত্র সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন রাষ্ট্রপতি। ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এই লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।
আজ সকালে বঙ্গভবনে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে আসা বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং-এর সাথে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসস-কে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত। তিনি রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে ভিয়েতনাম সফরের আমন্ত্রণও জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন এবং উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতি ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর ভিয়েতনাম সফরের কথা স্মরণ করেন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, "দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যকে আরো ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।" এসময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, বাইসাইকেল, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানিযোগ্য পণ্যের আমদানি বৃদ্ধির জন্য ভিয়েতনামের প্রতি আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বিদায়ী রাষ্ট্রদূতকে তাঁর সফল কর্মকাল এবং বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, রাষ্ট্রদূত নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরেও দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবেন।
রাষ্ট্রপতি ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূতের সুস্বাস্থ্য ও সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করেন এবং ভিয়েতনামের জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিববৃন্দ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভিয়েতনাম দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশাল-ফুলবাড়িয়া সড়কের খানাখন্দে ভোগান্তিতে রয়েছে লক্ষাধিক মানুষ দুই উপজেলার। দীর্ঘ সময় ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থা যানবাহন চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংস্কারকাজ শুরু হলেও তিন কিলোমিটারের মধ্যে দেড় কিলোমিটার কাজ শেষ করে বাকি অংশ ফেলে রাখায় ভোগান্তি আরো বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কে বড় গর্তে আটকা পড়েছে একটি মালবোঝাই ট্রলি। প্রতিদিন গর্তে পড়ে অটোরিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। স্থানীয় স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ত্রিশাল উপজেলা সদর থেকে ফুলবাড়িয়া উপজেলা পর্যন্ত ত্রিশাল-ধুরধুরিয়া সড়কটি কয়েক বছর ধরে খানাখন্দ ও ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। সড়কটির তিন কিলোমিটার সংস্কারের জন্য চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রায় দুই কোটি টাকা চুক্তিমূল্যে মেসার্স সাইফুল ইসলামকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ঠিকাদার মে মাস পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ করে বাকি অংশ ফেলে রাখেন।
সরেজমিনে আরো দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে বেরিয়ে পড়েছে মাটি ও খোয়া। খানাখন্দে ভরা সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় যানবাহন দুলতে থাকে। গর্তে পড়ে প্রায়ই অটোরিকশা ও সিএনজি উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে যাত্রী ও চালকদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বড় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ থাকায় মালামাল পরিবহনও ব্যাহত হচ্ছে।
সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ছলিমপুর এলাকার দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে শিক্ষকরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় অনেক শিক্ষার্থী অটোরিকশা ও ভ্যানে না গিয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার হেঁটে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
ছলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সোমাইয়া সাদমিন বলেন, ‘সড়কটির অবস্থা এতটাই খারাপ যে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার সময় আমাদের আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। অটোরিকশা বা সিএনজিতে চলাচলের সময় কোথায় গাড়ি উল্টে যায়, সেই ভয় থাকে। অনেক সময় গর্তে পড়ে গাড়ি কাত হয়ে যায়।’
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিনই আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। খানা-খন্দ ও বড় বড় গর্তের কারণে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে অটোরিকশা ও সিএনজি প্রায়ই গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার না হলে দুর্ভোগ আরো বাড়বে।’
এ বিষয়ে ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি অর্ধেকেরও বেশি রাস্তার কাজ শেষ করে জুন মাসে ৫০ লাখ টাকা বিলের আবেদন করেছি। এখন পর্যন্ত আমাকে এক টাকাও বিল দেওয়া হয়নি। তাছাড়া বিটুমিন না পাওয়ায় কাজ করা যাচ্ছে না। বৃষ্টি-বাদল শেষ হলে দ্রুতই কাজ শেষ করে ফেলব।’
উপজেলা প্রকৌশলী জুবায়েত হোসেন জানান, ‘ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য একাধিকবার তাগিদপত্র দিয়েছি। বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় বিটুমিনের কাজ করা কঠিন।’
বিলের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে অর্থ ছাড় না পাওয়ায় ঠিকাদারের বিল দেওয়া সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দুই শতাব্দীরও অধিক সময় ধরে মার্কিন সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন নীতি ও গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের ওপর আলোকপাত করে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস’ উদযাপন করেছে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস।
সিনেট হলে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালাম, সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
অনুষ্ঠানে ক্রিস্টেনসেন উল্লেখ করেন, অব্যাহত বিতর্ক এবং ঐকমত্যে পৌঁছানোর নিরন্তর প্রচেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দৃঢ়তা ও স্থায়িত্ব বজায় রাখতে সহায়ক হয়েছে।
মার্কিন মিশনের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাইয়ের দেওয়া এক বিবৃতিতে, তিনি সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ— যেমন ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সংশোধনী আনার সুযোগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, এসব সাংবিধানিক নীতি দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে মার্কিন সংবিধানকে টিকিয়ে রাখতে এবং বিশ্বের বিভিন্ন গণতন্ত্রকে অনুপ্রাণিত করতে সহায়তা করেছে।
অনুষ্ঠানমালায় অন্তর্ভুক্ত ছিল একটি উন্মুক্ত সভা, প্যানেল আলোচনা, রচনা প্রতিযোগিতা, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং ‘আমেরিকান ফাউন্ডার্স মিউজিয়াম’ শীর্ষক প্রদর্শনী।
গণতন্ত্রের ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। এর অংশ হিসেবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া সড়ক এলাকায় দীর্ঘ ১৯ বছরের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসতবাড়ির বেড়া ভাঙচুর ও ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জিয়া সড়ক এলাকার বাসিন্দা বাবুল হাওলাদার, কাওছার হাওলাদার ও রিপন হাওলাদারের সঙ্গে খোকন ভূঁইয়া, সালাম ভূঁইয়া ও হান্নান ভূঁইয়ার দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ১৯ বছর ধরে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, জমি সংক্রান্ত মামলায় বরিশালের বিজ্ঞ আদালত তাদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। পরবর্তীতে প্রতিপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করেন এবং একটি রায় পান বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই রায় পাওয়ার পর প্রতিপক্ষ কাওছার ও রিপন হাওলাদারের বসতবাড়ির বেড়া ভেঙে ফেলেন এবং বাড়ির ফলের গাছ কেটে দেন।
ভুক্তভোগীদের আরও দাবি, উচ্চ আদালতের রায়ে ৪৫ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষকে একত্রে বসে স্থানীয় পর্যায়ে মীমাংসার চেষ্টা করার নির্দেশনা রয়েছে। মীমাংসা সম্ভব না হলে আইনগত প্রক্রিয়ায় বিরোধ নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছে।
তবে অভিযোগকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, আদালতের রায়ের পরও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, পরিবারের নিরাপত্তা এবং আইনগত প্রতিকার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। এবং তারা বরিশাল কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে খোকন ভুঁইয়া হান্নান ভূইয়া ও সালাম ভাইয়া অস্বীকার করেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন মো. ইদ্রিস মিয়া, যিনি চট্টগ্রামের পটিয়ার বাসিন্দা। সরকার তাকে তিন বছরের জন্য এই পদে নিয়োগ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের পানি সরবরাহ-৩ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারীসচিব মোছা. আকতারুন নেছার সই করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী মো. ইদ্রিস মিয়াকে চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে তিন বছরের মেয়াদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। সরকারি আদেশটি জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর চট্টগ্রাম নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, গ্রাহকসেবার মান বৃদ্ধি এবং ওয়াসার চলমান প্রকল্পগুলোকে আরো কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস মিয়া বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরবাসীর প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার সেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পয়োনিষ্কাশন অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াসার চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন এবং সংস্থার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর দিকেও নজর থাকবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নগরবাসীর পানি ও পয়োনিষ্কাশন সেবা আরো জনবান্ধব করতে ভূমিকা রাখবেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার সামনে বর্তমানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পানি সরবরাহের পাশাপাশি পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি, গ্রাহকসেবা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা সবগুলো ক্ষেত্রেই নতুন চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ হবে। সাম্প্রতিক ওয়াসার বকেয়া আদায়েও বিশেষ তৎপরতা চলছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী সাধারণ গ্রাহক ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে মোট ২৫৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ