শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪১ পি.এম
ওটিটির সীমা অতিক্রম করে এবার বড় পর্দায় ‘মির্জাপুর’-এর সিংহাসন দখলের লড়াই শুরু হয়েছে। বহু প্রতীক্ষার পর শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মুক্তি পেয়েছে ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’।
মুক্তির প্রথম দিনেই সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। উদ্বোধনী আয়ের দিক থেকে ২০২৬ সালের সর্বোচ্চ ব্যবসা করা সিনেমাগুলোর তালিকায় সেরা চারটি সিনেমার মধ্যে স্থান করে নিয়েছে কালীন ভাইয়া, গুড্ডু ও বাবলু পণ্ডিতদের এই নতুন অধ্যায়।
সিনেবাণিজ্য বিশ্লেষক স্যাকনিল্কের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, মুক্তির প্রথম দিনে শুধুমাত্র হিন্দি সংস্করণ থেকেই ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’ ২৪ কোটি ৬০ লাখ রুপি আয় করেছে। তেলুগু সংস্করণ থেকেও এসেছে ১৫ লাখ রুপি।
সব মিলিয়ে ভারতের বক্স অফিসে প্রথম দিনে সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৯ কোটি ৭০ লাখ রুপি। এই আয়ের ফলে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ইমরান হাশমির ‘আওয়ারাপন ২’-কে পিছনে ফেলে দিয়েছে ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’। প্রথম দিনে ‘আওয়ারাপন ২’ প্রায় ২২ কোটি রুপি আয় করেছিল। অর্থাৎ ওপেনিংয়ের দিক থেকে পঙ্কজ ত্রিপাঠী অভিনীত সিনেমাটি প্রায় ৮ কোটি রুপি এগিয়ে রয়েছে।
তবে ২০২৬ সালের সেরা ওপেনিংয়ের তালিকায় শীর্ষ তিনে স্থান পেতে পারেনি ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’। বক্স অফিস রিপোর্ট অনুযায়ী, ৯৯ কোটি রুপি আয় করে তালিকার শীর্ষে রয়েছে রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর : দ্য রিভেঞ্জ’। দ্বিতীয় স্থানে যশের ‘টক্সিক’, যার প্রথম দিনের আয় ৫৫ কোটি রুপি। আর ৩০ কোটি রুপি উদ্বোধনী ব্যবসা নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সানি দেওলের ‘বর্ডার ২’।
প্রথম দিনে ২৯ কোটি ৭০ লাখ রুপি আয় করে ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’ চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে।
সিনেমাটির সাফল্য নিয়ে দর্শক এবং অনুরাগীদের মধ্যে নতুন উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পঙ্কজ ত্রিপাঠীর জন্মদিনের ঠিক আগের দিন এই সাফল্য অভিনেতার জন্য বাড়তি আনন্দের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‘মির্জাপুর’ বললেই দর্শকদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে কালীন ভাইয়ার চরিত্র। এই চরিত্রে শুরু থেকেই নিজের দাপট দেখিয়েছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠী। এবার সিনেমাটির জন্য পারিশ্রমিকের দিক থেকেও নাকি অন্যদের টেক্কা দিয়েছেন তিনি।
খবর অনুযায়ী, কালীন ভাইয়ার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পঙ্কজ ত্রিপাঠী প্রায় ১৫ কোটি রুপি নিয়েছেন। পারিশ্রমিকের দিক থেকে তিনি হলিউডে কাজ করে ফেরা অভিনেতা আলি ফজলকেও পিছনে ফেলেছেন। অর্থাৎ ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’-তে কালীন ভাইয়ার দাপট কেবল গল্পেই নয়, পারিশ্রমিকের হিসাবেও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন মন্তব্য করেছেন, যখন জাতীয় সংসদ কার্যকরভাবে কাজ করছে, তখন আন্দোলনের নামে রাজপথে লং মার্চের মতো কর্মসূচি সাধারণ মানুষের গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী। তিনি উল্লেখ করেন, সংসদীয় রাজনীতিতে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের মাধ্যমে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় রাখার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সংসদের বিতর্ককে দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইনস্টিটিউট (বিলিয়া) মিলনায়তনে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে ‘সিটিজেন ফোরাম বাংলাদেশ’ এবং ‘বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ইনিশিয়েটিভস’ (বিসিএআই)।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্রকে গতিশীল ও অর্থবহ রাখতে সরকারি দলকে জবাবদিহির মধ্যে রাখা বিরোধী দলের দায়িত্ব। তবে সংসদীয় বিতর্ককে অহেতুক ও দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়া এবং লং মার্চের মতো কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়ে দেশের সচেতন মহলকে সজাগ থাকতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলো এসব বিষয় কতটা বুঝে করছে তা জানা নেই, কিন্তু এই ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার জন্য দেশি-বিদেশি নানান অপশক্তি অপেক্ষা করছে।
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মূল্যায়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, বিগত দুই দশকের ফ্যাসিবাদের চর্চা, ভঙ্গুর সমাজব্যবস্থা এবং দেউলিয়া অর্থনীতির চরম অচল অবস্থা থেকে দেশকে টেনে তুলে সরকার নতুন একটি সঠিক গতিমুখ নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে। সংকট এত গভীর ছিল যে, রাতারাতি কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়; তবে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধি সুনিশ্চিত করতে সরকার ইতিমধ্যে সুনির্দিষ্ট নীতি নির্ধারণী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি আমদানিনির্ভর ও ভুল নীতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মতো অপরিহার্য খাতে দেশ আজ হিমশিম খাচ্ছে।
তিনি বলেন, এতদিন ক্ষমতায় থেকেও প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনে স্থায়ী পদক্ষেপ না নেওয়া কেবল দুর্নীতিই ছিল না, বরং এটি ছিল জাতির সঙ্গে এক দীর্ঘমেয়াদি প্রতারণা। বর্তমান সরকার সংকটের কথা বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করছে না, বরং প্রধানমন্ত্রী জনগণের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করে বিকল্প উৎস সন্ধান এবং নিজস্ব গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছেন।
তিনি আরও বলেন, সুশাসন ও অর্থনৈতিক স্বস্তি ফেরাতে চীন ও ভারতের পাশাপাশি পণ্য আমদানির নতুন উৎস তৈরি, আমদানি ব্যয় হ্রাস এবং রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে সরকার বিশেষ জোর দিয়েছে।
সংসদে গঠনমূলক আলোচনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেবলমাত্র সরকারি দলকে ফাঁদে ফেলার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সংসদীয় রাজনীতি ধরে রাখা যায় না। কেবল কৃত্রিম ও ভাষাভাষা সমালোচনা না করে যেকোনো বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত পরামর্শ নিয়ে আসলে তা দেশ পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আলোচনাসভায় অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্তর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীসহ বিশিষ্ট রাজনীতিক, শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল (শুক্রবার) এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আজ (শনিবার) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
সেখানে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মতিঝিল থানা ৫ জন, পল্টন থানা ১০ জন, সবুজবাগ থানা ৫ জন, খিলগাঁও থানা ৬ জন, রামপুরা থানা ৮ জন, শাহজাহানপুর থানা ৯ জন এবং মুগদা থানার ৭ জন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মো. নজরুল ইসলাম মঞ্জু (৫২) নামের এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বাসনভাঙ্গা চরের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
পরে অন্য জেলেরা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নজরুল ইসলাম মঞ্জু তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কেয়ামূল্যাহ গ্রামের মৃত বদিউজ্জামালের ছেলে।
শশীগঞ্জ মাছঘাটের আড়তদার জামাল উদ্দিন জানান, তার আড়তের জেলেরা মাছ ধরে ঘাটে ফেরার সময় চরের মধ্যে একজনকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি অন্য জেলেদের জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. দিব্যেন্দু রায় রাজিব বলেন, বজ্রপাতে আহত অবস্থায় ওই জেলেকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরের একাংশ ঝলসে যাওয়ার মতো অবস্থায় ছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘বড় ছেলে’ নাটকের আবেদন ৯ বছরেও কমেনি।
বাংলা নাটকের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে পরিচিত ‘বড় ছেলে’। মিজানুর রহমান আরিয়ানের পরিচালনায় জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত এই নাটকটি মুক্তির পর দর্শকদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।
ইউটিউবের ভিউয়ের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি নাটকের গল্প ও অভিনয়ের আবেগ অসংখ্য দর্শককে কাঁদিয়েছে।
দেখতে দেখতে, নাটকটি এখন নয় বছর পেরিয়ে গেছে। ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়া ‘বড় ছেলে’ আজ নয় বছর পূর্ণ করেছে। এই বিশেষ দিনে নাটকটির স্মৃতি নিয়ে দর্শকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখেছেন অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব।
অপূর্ব তাঁর ফেসবুক পেজে ‘বড় ছেলে’র শেষ দৃশ্যের দুটি স্থিরচিত্র শেয়ার করেছেন। ছবিগুলোতে তাঁকে ও মেহজাবীনকে বিচ্ছেদের যন্ত্রণায় কাঁদতে দেখা যায়।
ছবিটি পোস্ট করে অপূর্ব লিখেছেন, ‘৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সালে রিলিজ পেয়েছিল ‘বড় ছেলে’। দেখতে দেখতে আজ এই টেলিফিল্মের ৯ বছর পূর্ণ হলো।
এরপর তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে লেখেন, ‘এই ৯ বছরে নাটকটি কতবার দেখেছেন?’
অভিনেতার এই প্রশ্নের পর দর্শকদের আবেগ মন্তব্যের ঘরে নেমে আসে। কেউ জানিয়েছেন, নাটকটি অসংখ্যবার দেখেছেন। আবার কেউ শতাধিকবার দেখার কথাও জানিয়েছেন।
অনেকের মন্তব্যে উঠে এসেছে যে, ‘বড় ছেলে’ দেখার পর তাঁদের বাংলা নাটকের প্রতি নতুন করে ভালোবাসা তৈরি হয়েছিল।
মুক্তির নয় বছর পরেও নাটকটির আবেদন যে একটুও কমেনি, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়াতেই পরিস্কার।
সময় পেরিয়ে গেলেও ‘বড় ছেলে’র গল্প, চরিত্র ও আবেগ এখনও দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে আছে।
এদিন নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ানও দর্শকদের উদ্দেশ্যে ভালোবাসা জানিয়েছেন। এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বড় ছেলে’র ৯ বছর, “নেটওয়ার্কার বাইরে”-র ৫ বছর, “ব্যাচ ২৭”-এর ৯ বছর, “বুকের বা পাশে”-র ৮ বছর।
তবুও এই কাজগুলো আজও আপনাদের হৃদয়ে বেঁচে আছে। আমি সত্যিই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি যে আপনারা আজও এত ভালোবাসা দিয়ে কাজগুলোকে স্মরণ করেন।
বর্তমানে ইউটিউবে ‘বড় ছেলে’ নাটকটির ভিউ ৫ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি ছাড়িয়েছে। অপূর্ব ও মেহজাবীন ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন খালেকুজ্জামান, শেলী আহসানসহ আরও অনেকে।
বাংলা নাটকের যে কয়েকটি সময়ের সীমানা পেরিয়ে দর্শকদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে, ‘বড় ছেলে’ নিঃসন্দেহে তার অন্যতম উদাহরণ। নয় বছর পরও সেই গল্পের আবেগে দর্শকদের চোখ ভিজে ওঠা যেন তার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ