মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৬ পি.এম
মার্কিন সেনা ইরাক থেকে পুরোপুরি চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির পর এই প্রত্যাহারকে নিজেদের বিজয় হিসেবে দেখছে ইরান ও তার মিত্ররা। তবে ইরাকি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে যে, মার্কিন সেনা চলে গেলে ইরাকের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং দেশটিতে ইরানের প্রভাব বৃদ্ধি পেতে পারে।
বুধবারের মধ্যে মার্কিন বাহিনী ইরাকের শেষ ঘাঁটিগুলো থেকেও সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
ইরাকের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বর্তমানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের এই সময়ে মার্কিন সেনা চলে গেলে ইরান ও তার মিত্ররা ইরাকে নিজেদের প্রভাব আরও বাড়ানোর সুযোগ পেতে পারে। একই সঙ্গে ইসলামিক স্টেটসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্য প্রতিপক্ষরাও আবার সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেতে পারে।
ইরাকি নিরাপত্তা বিশ্লেষক জসিম আল-বাহাদলি মন্তব্য করেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের ইরাক ছাড়ার ফলে ইরান কৌশলগতভাবে লাভবান হবে। তিনি বলেন, মার্কিন সেনাদের দীর্ঘদিনের উপস্থিতি ইরানের প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি ভারসাম্য তৈরি করেছিল। এখন সেই সামরিক উপস্থিতি চলে যাওয়ায় ইরানের প্রভাব বৃদ্ধি পেতে পারে।
আল-বাহাদলি আরও জানান, ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এই সেনা প্রত্যাহারকে নিজেদের বিজয় হিসেবে প্রচার করবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে।
ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জোট ‘ইরাকি ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স’-এর কমান্ডার আবু মোজতবা আল-ইয়াসিরি মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে ‘ঐতিহাসিক বিজয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এটি ‘আমেরিকান প্রকল্পের চরম পরাজয়’।
রয়টার্সকে তিনি জানান, ‘৩০ সেপ্টেম্বর আমরা ইরাকের ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায়ের অবসান উদযাপন করব। একই সঙ্গে আমাদের দেশের ওপর বিদেশি শক্তির ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার বিষয়টিও উদযাপন করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরাক প্রমাণ করেছে, বিদেশি শক্তির মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা যায় না। বরং জনগণের প্রতিরোধ ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমেই সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব।’
এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত নয়
ইরাক থেকে মার্কিন সেনা পুরোপুরি চলে যাওয়াকে অনেক ইরাকি স্বাগত জানালেও, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর শক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। তাদের আশঙ্কা, মার্কিন সেনা চলে গেলে ইরাকে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।
ফালুজার সুন্নি গোত্রের নেতা আব্দুল রহমান আল-জোবাই রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা মনে করি, এই মুহূর্তে ইরাক নিজের নিরাপত্তার পুরো দায়িত্ব নেওয়ার জন্য এখনও প্রস্তুত নয়।’ তিনি আরও জানান, ‘সব ইরাকিই দেশের পূর্ণ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব চায়। এ নিয়ে কারও আপত্তি নেই। কিন্তু মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট এখন চলে গেলে দেশে নিরাপত্তার শূন্যতা তৈরি হতে পারে। এটাই ইরাকিদের সবচেয়ে বড় ভয়।’
ইরাকে মার্কিন সেনাদের দীর্ঘ উপস্থিতি
২০০৩ সালে সুন্নি মুসলিম শাসক সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতা থেকে সরাতে মার্কিন বাহিনী ইরাকে হামলা চালায়। এরপর তারা দেশটি দখল করে এবং শিয়া-নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনে সহায়তা করে। ২০১১ সালের শেষ পর্যন্ত মার্কিন সেনারা ইরাকে বিদ্রোহ দমনের অভিযান চালায়। এরপর তারা দেশটি থেকে চলে যায়।
তবে তিন বছরেরও কম সময়ের মধ্যে মার্কিন সেনারা আবার ইরাকে ফিরে আসে। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তারা ইরাকি বাহিনীকে সহায়তা করে। ওই যুদ্ধে ইসলামিক স্টেট পরাজিত হয়।
‘অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম’-এ প্রায় ৪ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা নিহত হন। আফগানিস্তানে চলা যুদ্ধের তুলনায় ইরাকে প্রায় দ্বিগুণ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিল। আফগানিস্তানের যুদ্ধ ২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের মাধ্যমে শেষ হয়।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মাঝখানে ইরাক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, দুই দেশের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে। একই সময়ে ইরান মাঝে মাঝে ইরাকের ভূখণ্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে।
২০২০ সালে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি নিহত হন। এরপর ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে বারবার হামলা চালায়। এসব হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
চলতি বছর ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিহত ১৮ জন মার্কিন সেনার মধ্যে ৭ জনই ইরাকে নিহত হন। সর্বশেষ জুলাই মাসে এরবিলের কাছে একটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় এক মার্কিন সেনা সার্জেন্ট নিহত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে উপজেলা ডেকোরেটর শ্রমিক ইউনিয়নের নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পাঁচবিবি পৌর কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।
এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা ডেকোরেটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ বাবু। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাসেল হোসেন সুমন ও ফাহিম হোসেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন পাঁচবিবি পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম হোসেন মন্ডল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট সদর উপজেলা ডেকোরেটর মালিক সমিতির সভাপতি মো. এনামুল হক সরকার, পাঁচবিবি উপজেলা ডেকোরেটর মালিক সমিতির সভাপতি মো. মারুফ হোসেন, কালাই উপজেলা ডেকোরেটর মালিক সমিতির সভাপতি এরফান আলী, ক্ষেতলাল উপজেলা ডেকোরেটর মালিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন তালুকদার, আক্কেলপুর উপজেলা ডেকোরেটর মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল আলিম মন্ডল, ঘোড়াঘাট উপজেলা ডেকোরেটর মালিক সমিতির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক, হাকিমপুর উপজেলা ডেকোরেটর মালিক সমিতির সভাপতি আতিকুর রহমান এবং বিরামপুর উপজেলা ডেকোরেটর মালিক সমিতির সভাপতি আজিজুল ইসলাম।
এছাড়া বিভিন্ন উপজেলার ডেকোরেটর মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে জয়পুরহাট সদর উপজেলার আজাদত হোসেন, পাঁচবিবি উপজেলার আব্দুল কদ্দুস প্রধান, কালাই উপজেলার মিজানুর রহমান, ক্ষেতলাল উপজেলার রওশন আলী, আক্কেলপুর উপজেলার লোটন চন্দ্র, হাকিমপুর উপজেলার আবুল কাশেম, ঘোড়াঘাট উপজেলার আনারুল ইসলাম ও বিরামপুর উপজেলার আতাউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা ডেকোরেটর শ্রমিকদের কল্যাণ, সংগঠনের ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘লুট গায়ে’ খ্যাত বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুবিন নটিয়াল বাবা হয়েছেন। তার স্ত্রী গত ১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থীর উৎসবের আবহে পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। নতুন অতিথির আগমনে জুবিন এবং তার পরিবার আনন্দে ভাসছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন। ইতিমধ্যে তারা হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছেন।
তবে, ছেলের নাম কী রাখা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত করেননি জুবিন এবং তার স্ত্রী। আপাতত নাম ঠিক করার চেয়ে সন্তানকে ঘিরে প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতেই বেশি ব্যস্ত তারা। বাবা হওয়ার আনন্দ যে জীবনের অন্য সবকিছুকে ছাপিয়ে গেছে, গায়কের কথাতেই মিলেছে তার আভাস।
এক সাক্ষাৎকারে জুবিন জানিয়েছেন, এখন এক মুহূর্তের জন্যও ছেলেকে চোখের আড়াল করতে ইচ্ছা করে না তার। তবে কাজের প্রয়োজনে শিগগিরই সন্তানকে ছেড়ে দূরে যেতে হবে এই গায়ককে। আগামী ডিসেম্বরে রয়েছে তার যুক্তরাষ্ট্র সফর। আর সেই সফরের কথা ভাবতেই মন খারাপ হচ্ছে তার।
এত দিন গান, মঞ্চ আর বিভিন্ন দেশে সফর ঘিরেই ব্যস্ত ছিল জুবিনের জীবন। কিন্তু বাবা হওয়ার পর জীবনের অগ্রাধিকারে যে পরিবর্তন এসেছে, তা স্পষ্ট তার কথায়। আপাতত কাজের ব্যস্ততার চেয়ে ছেলের সঙ্গে কাটানো সময়ই বেশি উপভোগ করছেন তিনি।
জুবিনের ব্যক্তিজীবন বরাবরই আড়ালে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে উত্তরাখণ্ডে ছোটবেলার প্রেমিকাকে বিয়ে করেন তিনি। একেবারেই ঘরোয়া আয়োজনে সম্পন্ন হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। বিয়ের খবরও ভক্তরা জানতে পারেন পরে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশের মাধ্যমে।
স্ত্রীর নাম কিংবা পেশা নিয়ে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু জানাননি এই সংগীতশিল্পী। এমনকি বলিউডের পরিচিত মুখদের নিয়ে বড় কোনো আয়োজনও করেননি তারা। ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রাখতেই পছন্দ করেন জুবিন। তবে এবার বাবা হওয়ার আনন্দের খবরটি আর গোপন থাকেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের বড়বর্তা এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর ভাঙন পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহ।
ভাঙনের ভয়াবহতা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নজরে আনতে, ঘটনাস্থল থেকে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির সঙ্গে ভিডিওকলে যোগাযোগ করেন এবং এমপি শেখ মো. আব্দুল্লাহ ভাঙন কবলিত এলাকা সরাসরি দেখান। এ সময় মন্ত্রী দ্রুত নদীভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায়, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে নদীর তীব্র স্রোতে বসতবাড়ি ও আশপাশের স্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে পড়ার বিষয়টি তিনি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নদীভাঙনের কারণে তাদের আতঙ্ক ও দুর্ভোগের কথা এমপির কাছে তুলে ধরেন।
স্থানীয়রা আরও জানান, ধলেশ্বরী নদীর ভাঙনে ইতোমধ্যে দুটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি পরিবার আতঙ্কে রয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত স্থানীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুম্পা ঘোষ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হায়দার আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিক মোল্লা সহ বিএনপির নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অ্যাস্টন ভিলার প্রধান কোচ নাতালিয়া আরোয়ো হতাশাজনক মৌসুম শুরুর কারণে বরখাস্ত হয়েছেন। চলতি উইমেন্স সুপার লিগ মৌসুমের শুরুতে ভিলা এখনও পর্যন্ত কোনো জয় লাভ করতে পারেনি; প্রথম চারটি ম্যাচের মধ্যে তারা দুটি ড্র করেছে এবং দুটিতে পরাজিত হয়েছে। এই তথ্য ক্লাবটির বরাত দিয়ে বিবিসি স্পোর্টস নিশ্চিত করেছে।
বিবিসি স্পোর্টস জানায়, গত রবিবার ডব্লিউএসএলে টটেনহ্যামের কাছে ভিলা ৪-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয়। বুধবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৭টায় উইমেন্স লিগ কাপে নিউক্যাসলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে ভিলা পার্কের ক্লাবটি।
স্প্যানিশ কোচ আরোয়ো ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ভিলায় যোগদান করেছিলেন। এই মৌসুমে তিনি প্রথম কোচ যিনি বরখাস্ত হয়েছেন। তবে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক বস মার্ক স্কিনার এবং ব্রাইটনের সাবেক প্রধান কোচ দারিও ভিডোসিচ উভয়েই এই বছরের শুরুতে পদত্যাগ করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ