ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০১:৫৭ পি.এম
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভাণ্ডারিয়া উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজনে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: হাসিবুল হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: জাহাঙ্গীর হোসেন।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, ভান্ডারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মণ্ডল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন আকন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান হাওলাদার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ মলাদ জমাদ্দার, সমাজসেবক জুলফিকার আলী হায়দার, অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ মাহমুদ তালুকদার, মো. আব্দুর রহিম, মোফাজ্জল হোসাইন, খান মো. ইলিয়াস হোসাইন, প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান, প্রধান শিক্ষক মিতুল চন্দ্র বেপারী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মনির হোসেন, প্রধান শিক্ষক সৈয়দ হাবিবুর রহমান রাজা, সহকারী অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন পলাশ এবং সহকারী শিক্ষক বাদল হোসেন।
সমাবেশে বক্তারা শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের জীবনযাত্রার মান নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্যে বিদ্যমান বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধার চরম বৈষম্য শিক্ষক সমাজকে নিরুৎসাহিত করছে। একই যোগ্যতা ও সমান পরিশ্রম করা সত্ত্বেও বেসরকারি শিক্ষকরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বক্তারা অবিলম্বে এই বৈষম্য দূরীকরণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান এবং শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সমগ্র বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত জাতীয়করণের আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নে ছত্রানাশক স্প্রে করে এক কৃষকের প্রায় সাড়ে চার বিঘা জমির ধান নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার দিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক সাদেকুল ইসলাম।
কৃষক সাদেকুল ইসলাম জানান, তিনি বর্গা নিয়ে ওই জমিতে ধান চাষ করেছিলেন। বীজ, সার, শ্রম ও পরিচর্যায় বেশ অর্থ ব্যয় করার পর ধান ঘরে তোলার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু ফসল কাটার আগেই জমির ধান শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। তার অভিযোগ, জমিতে ছত্রানাশক স্প্রে করে ধান নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
সাদেকুল ও তার পরিবারের দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে মিজান নামে এক ব্যক্তি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। এর আগেও তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিজান। তিনি দাবি করেন, ধানক্ষেতে তিনি কোনো ছত্রানাশক স্প্রে করেননি এবং এ ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এ ঘটনায় কৃষক সাদেকুল ইসলাম থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দিয়েছেন। ফসল নষ্ট হওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে জানান তিনি।
কৃষকের অভিযোগ ও অভিযুক্তের বক্তব্যের পর এখন ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের ওকিনাওয়া অঞ্চলের একটি হোটেল থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর সন্দেহভাজন হিসেবে এক মার্কিন মেরিন সেনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
বিবিসি সূত্রে জানা যায়, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ঘটনাটিকে ‘নৃশংস ও জঘন্য’ ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মার্কিন সেনাদের ওপর আরও কঠোর শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
জাপানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানায়, নিহত নারীর নাম ইয়াগি আন্না, যিনি ৩৯ বছর বয়সী। সন্দেহভাজন সেনার নাম ডেভিন জ্যাকব ব্যালার্ড, যিনি ২০ বছর বয়সী এবং মার্কিন মেরিন কোরের ফুতেনমা বিমানঘাঁটিতে কর্মরত।
মার্কিন মেরিন কোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, তারা জাপানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে একজন মেরিন সেনার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগের বিষয়ে। নিহত নারীর পরিবারের প্রতি তারা সমবেদনা জানায়।
জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি জানান, শনিবার ভোরে ওকিনাওয়ার রাজধানী নাহা শহরের একটি হোটেল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, ওকিনাওয়া জাপানের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ।
কোইজুমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন, এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, মার্কিন সেনাদের জড়িত কোনো ঘটনা বা দুর্ঘটনা স্থানীয় মানুষের মধ্যে বড় উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
টোকিওতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জানায়, তারা জাপান সরকার ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে। এ ঘটনায় আলোচনা করার জন্য রবিবার জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন রাষ্ট্রদূত জর্জ গ্লাসকে তলব করেছে।
ওকিনাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেখানে হাজার হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। ওকিনাওয়ার গভর্নর জেন্তা কোজা বলেন, এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধের জন্য প্রদেশটি বারবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তার মতে, এবারের ঘটনা মার্কিন সেনাদের মধ্যে শৃঙ্খলার অভাবকে সামনে এনেছে।
তিনি আরও বলেন, বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটায় সেনাদের শৃঙ্খলা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নেওয়া পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এটি ওকিনাওয়ায় মার্কিন সেনাদের জড়িত হওয়া সর্বশেষ ঘটনা। জাপানে দায়িত্ব পালনকারী প্রায় ৫৪ হাজার মার্কিন সেনার অর্ধেকের বেশি ওকিনাওয়ায় অবস্থান করছেন।
এর আগে মার্কিন সেনাদের জড়িত বিভিন্ন ঘটনায় ওকিনাওয়ায় ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা গেছে। ১৯৯৫ সালের একটি ঘটনা বড় বিক্ষোভের জন্ম দেয়, যখন ১২ বছর বয়সী এক মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েক হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।
২০২৪ সালেও ওকিনাওয়ায় মার্কিন সেনাদের জড়িত চারটি যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্য ব্রেনন ওয়াশিংটনের ঘটনা উল্লেখযোগ্য, যিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক এক মেয়েকে ধর্ষণ ও অপহরণের দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো, পেশা সুরক্ষা, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ গঠনে ৬০ বছর’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে মধুপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।
পরে উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশ এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাই শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁদের জন্য একটি সম্মানজনক ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তাঁরা আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারবেন। শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মধুপুর উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ওবায়দুল্লাহ।
এ সময় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুরের ফুটপাতগুলো, যা দীর্ঘদিন ধরে হকারদের দখলে ছিল, অবশেষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) দ্বারা দখলমুক্ত করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ অভিযানের ফলস্বরূপ, মিরপুরের প্রধান সড়ক ও ফুটপাতগুলোতে সুশৃঙ্খল পরিবেশ ফিরে এসেছে, যা সাধারণ পথচারীদের জন্য দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর স্বস্তির অনুভূতি নিয়ে হাঁটার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর, হোপ মার্কেট এলাকা, মিরপুর ১০ থেকে ১৪ নম্বর পর্যন্ত সড়ক, ১০ থেকে ১৩ নম্বর পর্যন্ত সড়ক, বিআরটিএর সামনের সড়ক এবং মিরপুর সুইমিং কমপ্লেক্স এলাকা সড়কের ফুটপাতগুলো দীর্ঘদিন ধরে হকারদের অবৈধ পসরা এবং স্থায়ী-অস্থায়ী দোকানে দখল হয়ে ছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষকে মূল সড়ক দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করতে হতো, যা মারাত্মক যানজট এবং পথচারীদের জন্য নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করেছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে, সিটি করপোরেশন বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিরপুর ও সংলগ্ন এলাকার ফুটপাতগুলো সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করেছে। অভিযানের পর ফুটপাতে পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
ফুটপাত মুক্ত হওয়ায় উচ্ছ্বাস ও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। নিয়মিত যাতায়াতকারী একাধিক পথচারী জানান, "আগে হেঁটে যাওয়া অসম্ভব হলেও এখন স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে চলাচল করা যাচ্ছে।" বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে গেছে।
তবে, ফুটপাত উচ্ছেদের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অতীতে বিভিন্ন সময় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কিছুদিন পর পুনরায় ফুটপাত দখলের ঘটনা ঘটেছে। তাই নগরবাসী নিয়মিত তদারকি ও পুলিশি টহল জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ফুটপাত থেকে উচ্ছেদ হওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও নির্ধারিত সময় সূচির আওতায় এনে স্থায়ী বা বিকল্প পুনর্বাসনের জোর দাবি জানিয়েছেন হকার প্রতিনিধিরা।
এর আগে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকার ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএনসিসি। এ সময় হকাররা সিটি করপোরেশনের লোকজন ও পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তারা সিটি করপোরেশনের একটি গাড়িতেও ভাঙচুর করে আগুন দেয় এবং সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশকে ধাওয়া করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ