১২:০০ পি.এম
একসময় বলিউডে সম্ভাবনাময় অভিনেতা হিসেবে বিবেক ওবেরয়ের অবস্থান ছিল বেশ ভালো। তিনি ‘কোম্পানি’, ‘সাথিয়া’ এবং ‘শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা’ সিনেমাগুলোতে অভিনয় করে প্রশংসা অর্জন করেছিলেন। তবে, ক্যারিয়ারের সেই উত্থানের মধ্যেই সালমান খানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এরপর থেকেই তাঁর পেশাগত জীবন নাকি পরিবর্তিত হতে শুরু করে।
সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেল রেলার্নকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিবেক বলিউডের অভ্যন্তরীণ পক্ষপাত এবং প্রভাবশালী গোষ্ঠীর ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইন্ডাস্ট্রির একটি ক্ষমতাশালী মহল তাঁকে একঘরে করে রেখেছিল। এমনকি, পূর্বে চুক্তিবদ্ধ কিছু সিনেমা থেকেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়।
বিবেকের ক্যারিয়ারের মোড় ২০০৩ সালের ১ এপ্রিল পরিবর্তিত হয়। ওই দিন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সালমান খানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেন তিনি। বিবেকের দাবি, এক রাতে সালমান তাঁকে ৪১ বার ফোন করেছিলেন। ফোনে গালিগালাজের পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই সময় ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে বিবেকের সম্পর্ক নিয়ে বলিউডে ব্যাপক আলোচনা চলছিল। সালমানের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার বিচ্ছেদের পর বিবেকের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার খবর প্রকাশিত হলে দুই অভিনেতার বিরোধ আরও আলোচিত হয়ে ওঠে। তবে, সালমান বিবেকের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
আরও পড়ুন: পরীমনিকে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও জাতীয় সংগীত অবমাননার জন্য নোটিশ
বিবেকের দাবি, এই ঘটনার পর বলিউডে কাজ পাওয়া তাঁর জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি, ২০০৭ সালে ‘শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য প্রশংসা ও পুরস্কার পাওয়ার পরও নতুন কাজের প্রস্তাব পাচ্ছিলেন না তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৪ থেকে ১৫ মাস তিনি বাড়িতে বসে থাকতে বাধ্য হন। একপর্যায়ে অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসায় মনোযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
নতুন সাক্ষাৎকারে বিবেক আরও দাবি করেছেন, শুধু তিনি নয়, তাঁর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী কয়েকজনকেও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছিল। এমনকি, তাঁদের নিজেদের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিয়েও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাঁর। বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি আবাসন খাত এবং বিভিন্ন ব্যবসায় যুক্ত রয়েছেন এই অভিনেতা। ল্যাব-গ্রোন হীরার গয়নার ব্যবসাতেও তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন