ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় বিষয়ে আপিলের সারসংক্ষেপ দাখিল


বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় বিষয়ে আপিলের সারসংক্ষেপ দাখিল

বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয়ের রায়ের বিরুদ্ধে শুনানির জন্য আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং রিটকারী আইনজীবী শিশির মনির।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে মঙ্গলবার (১৬ জুন) আপিলটির শুনানি হতে পারে।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের প্রাণহানি

এর আগে, গত বছরের ২৫ আগস্ট অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী শিশির মনির।

রিটে অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের শৃঙ্খলা বিধান, কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি, ছুটি মঞ্জুরির দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত করার আবেদন জানানো হয়।

পরে ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন এবং তিন মাসের মধ্যে আলাদা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেন। এই রায়ের পর আনুষ্ঠানিকভাবে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় কাজও শুরু করে। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত না করায় বাতিল হয়ে যায় সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়।

এরপর গত ২১ মে সুপ্রিম কোর্টের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেয়া হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। ৯ জুন হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন আপিল বিভাগ।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বাবা-মেয়ের মৃত্যুর পর পুলিশের গাড়িতে হামলা ও বাসে আগুন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৩ পি.এম


এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশিত

আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা ও আসন বিন্যাস প্রকাশ করা হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে। পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড উভয়ই তাদের পরীক্ষাকেন্দ্রের কোড, কেন্দ্রের নাম, ভেন্যু এবং আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তারিত বিবরণ শিক্ষার্থীদের ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের জন্য প্রকাশ করেছে।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সারা দেশে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, এই তালিকায় ঢাকা জেলা ও মহানগরের অন্তর্গত বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র যেমন— ঢাকা (মূল কেন্দ্র), মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা-১ (আমুলিয়া), ডেমরা-২ (দারুন্নাজাত), উত্তরা, সাভার ও ধামরাইসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মাদরাসাগুলোকে সুনির্দিষ্ট কোড নম্বরসহ পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া ঢাকার সীমানা ছাড়িয়ে মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার আলিম পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম ও কোড তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা সফলভাবে পরিচালনা করার জন্য একটি বিস্তারিত আসনবিন্যাস ও বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বোর্ডের সংশোধিত ও প্রতিস্থাপিত চিঠিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের কাছ থেকে কেন্দ্র ফির টাকার মাধ্যমে গ্রহণ করবেন। এর পর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অলিখিত উত্তরপত্রসহ অন্যান্য গোপনীয় কাগজপত্র ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে সংগ্রহ করে পরীক্ষা পরিচালনা করতে হবে।

যথাযথভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করা নিশ্চিত করতে জেলা সদরে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পরীক্ষাকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর নীতিমালার কথা বলা হয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে। নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিদিনের পরীক্ষা শেষে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই ডাকযোগে ওএমআরের প্রথম অংশ ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কম্পিউটার কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে, উত্তরপত্রসমূহ পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা মোতাবেক সরাসরি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ভেন্যুকেন্দ্রসমূহ মূল কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় টাকা ও কাগজপত্র গ্রহণ করে পরীক্ষা পরিচালনা করবে এবং পরীক্ষা শেষে যাবতীয় নথিপত্র মূল কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দেবে। নির্বাচিত কলেজের অধ্যক্ষ বা সিনিয়র কোনো অধ্যাপক এই পরীক্ষার কেন্দ্র প্রধান বা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র তালিকায় এবার বেশ কিছু নতুন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীর উত্তরা অঞ্চলের ‘ঢাকা উইমেন্স কলেজ’ এবং খিলক্ষেতের ‘মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ও রয়েছে। এ ছাড়া রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মাইলস্টোন কলেজ, ক্যামব্রিয়ান কলেজ, নটর ডেম কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো অনেক বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট কেন্দ্র ও আসনবিন্যাস নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ পরিচালক বি.এম. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিলেট প্রতিনিধি

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ পরিচালক বি.এম. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ পরিচালক প্রকৌ. বি.এম. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি সিলেট টিটিসিতে কর্মরত দুনীর্তিবাজ ড্রাইভার বিল্লালের পক্ষে ঘুষ নিয়ে সাফাই গাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। এই উপ পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিচালনা) দায়িত্বরত প্রকৌ. বি.এম. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১ লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এটি একটি সামাজিক সংগঠন সিলেট নাগরিক অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে করা হয়েছে, যা ৮ জুন ২০২৬ইং (সোমবার) সকাল ১১ টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর কাছে স্বারকলিপি প্রেরণ করে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে, সিলেট টিটিসিতে ২০ বছর ধরে কর্মরত দুনীর্তিবাজ কোটি টাকার ড্রাইভারের নাম কাজি বিল্লাল হোসেন। তিনি ক্ষমতার ধাপট কাটিয়ে চাকরি করে আসছেন। স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট জেলার বেকারত্ব দূরীকরণে বিশেষ করে সিলেট সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি’র) অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অভিযোগ রয়েছে যে, কিছু সংখ্যক সিলেট বিদ্বেষী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আওয়ামী স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সিলেট টিটিসিতে আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমল থেকেই কাজি বিল্লাল হোসেন দলীয় ভাবে টিটিসিতে আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন। তিনি ২০০৬ সালের নভেম্বর থেকে বর্তমানে পর্যন্ত টিটিসিতে বহাল তাবিয়াতে রয়েছেন। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে স্থানীয় এমপি ও মন্ত্রীদের সুপারিশ কাজে লাগিয়ে টানা ২০ বছর ধরে কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘ দিন একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার ফলে দুর্নীতি, সিলেটের স্থানীয় জনসাধারণের সাথে দূর্ব্যবহার, সিলেটের আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে হাসি-টাট্টা, দেশী-বিদেশী পুরুষ, মহিলা তরুণীদের চরিত্র নিয়ে কটাক্ক করেছে। সিলেটে দীর্ঘ দিন কর্মরত থাকার কারণে টিটিসির আশ-পাশ এলাকা ও অফিসে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিশাল এক সিন্ডিকেট রয়েছে। তার রয়েছে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকায় ১ কোটি টাকার বাড়ি, ১০টি সিএনজি অটো রিক্সা এবং নানা ব্যবসা বাণিজ্য। ভর্তি বাণিজ্য থেকে শুরু করে সর্ব ক্ষেত্রে তাকে ভাগ বাটোয়ারা দিতে হয়। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সিলেট টিটিসিতে আসা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সচিব ও মন্ত্রীদের অনুসারীদের নিয়ে তার গাড়িতে সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরিয়ে দেখিয়ে এই ড্রাইভার কাজি বিল্লালের আঙ্গুল ফুলে কালা গাছ হয়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছেন।এই সময়টাতে তিনি টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছেন। একই প্রতিষ্ঠানে ২০ বছর ধরে কর্মরত তার স্ত্রী, ডিজেল/অটো ওয়ার্কশপ এটেনডেন্ট ফাতেমা আক্তারও রয়েছেন। আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিলেট নাগরিক অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমদ গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ইং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সম্প্রতি চলতি বছরের এপ্রিল ২০২৬ইং একজন তদন্ত কমিটির প্রতিনিধি সিলেট টিটিসিতে আসেন। দুর্নীতিবাজ কাজি বিল্লাল হোসেন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তার মনোনিত টিটিসি থেকে ৪ জনকে সাক্ষী হিসেবে নিয়ে উপ পরিচালক প্রকৌ. বি.এম. শরিফুল ইসলামকে ঘুষ দিয়ে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয় যে, কাজী বিল্লাল হোসেন উপ পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিচালনা) দায়িত্বে থাকা প্রকৌ. বি.এম. শরিফুল ইসলামকে যে কয় দিন সিলেটে থেকে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরিয়ে দেখেছেন, তার সমস্ত খরচ কাজি বিল্লাল হোসেনই বহন করেছেন। সিলেটে বদলীর দাবিতে সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে স্বারকলিপির মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নেত্রকোণায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নেত্রকোণায়

নেত্রকোণা, ১৫ জুন, ২০২৬ : জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাটি জেলায় মাদক উদ্ধার ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য আয়োজন করা হয়।

রোববার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই সভাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ রাখতে জেলা প্রশাসক সকল বিভাগ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিত ও আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুখময় সরকার, জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ এবং জেলার ১০টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ।

গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি সভায় বিস্তারিতভাবে জানানো হয়। এর মধ্যে বিশেষ অভিযানে ৯৪টি মামলা দায়ের, ৩৭ জনকে কারাদ- প্রদানসহ মোট ৮ হাজার ৮৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অন্যান্য অভিযানে ১৬০টি সফল তৎপরতা পরিচালনা করে ২৯টি মামলার মাধ্যমে প্রায় ৩৯ লাখ ৪৩ হাজার ৩৫০ টাকার অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মদন উপজেলার চাঞ্চল্যকর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের অগ্রগতি নিয়েও সভায় আলোচনা করা হয়।

এছাড়া সভায় পৌরসভা ও বিআরটিএ-এর সহায়তায় রাস্তার পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং বাসস্ট্যান্ডসমূহের যানজট নিরসনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।

বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। মে মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ১৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২৯টি মামলায় ২ লাখ ৩৪ হাজার ৯শ’ টাকা ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অফিসার কর্তৃক ১২টি অভিযানে ২০টি মামলায় ১ লাখ ২২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

এ সময় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি ও সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্তানের দায়িত্ব না নেওয়ায় বিশ্বকাপে ১৩ হাজার আর্জেন্টাইন সমর্থকের ওপর নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩১ পি.এম


সন্তানের দায়িত্ব না নেওয়ায় বিশ্বকাপে ১৩ হাজার আর্জেন্টাইন সমর্থকের ওপর নিষেধাজ্ঞা

সন্তানের ভরণপোষণ না দেওয়া প্রায় ১৩ হাজার আর্জেন্টিনা সমর্থককে ২০২৬ বিশ্বকাপের স্টেডিয়ামে প্রবেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যে তাদের তালিকা যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে হস্তান্তর করেছে আর্জেন্টিনা সরকার।

সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো, কোনোভাবেই এই খেলাপি অভিভাবকেরা যেন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেডিয়ামগুলোতে ঢুকে ম্যাচ উপভোগ করতে না পারেন।

বুয়েনস আইরেসের মেয়র এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়ে বলেছেন, ‘যারা নিজেদের সন্তানদের দায়িত্ব নিতে পারে না, তাদের স্টেডিয়ামে ঢোকার কোনো অধিকার নেই।’

এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে আর্জেন্টিনার ‘সেফ স্ট্যান্ডস’ নামক জাতীয় কর্মসূচির আওতায়।

কর্মসূচিটির উদ্দেশ্য হলো, যারা সন্তানের মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ, অথচ ফুটবল দেখতে অর্থ ও সময় ব্যয় করেন, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা।

নিরাপত্তা মন্ত্রী আলেহান্দ্রা মন্তেওলিভা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘যারা সন্তানদের ভরণপোষণ দেয় না, স্টেডিয়াম থেকে তাদের ছুটি।’

আদালতের রায়ে চাইল্ড সাপোর্ট দিতে ব্যর্থ হিসেবে প্রমাণিত ব্যক্তিদের নামই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এসব খেলাপি অভিভাবককে চিহ্নিত করতে অভিযান জোরদার করেছে প্রশাসন।

এরই ধারাবাহিকতায় তালিকাটি মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ভাগ করা হয়।

সরকারের এই সিদ্ধান্ত আর্জেন্টিনার সাধারণ মানুষের মধ্যে, বিশেষ করে নারীদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।

বহুদিন ধরে সন্তানের অধিকার আদায়ে লড়াই করা মায়েদের জন্য এটি শক্ত বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, পারিবারিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিশ্বকাপের গ্যালারিতে তাদের কোনো স্থান নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%