মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৪ এম
রাজধানীর আদাবরে ছাত্রদল নেতার মহানুভবতায় হারানো মোটরসাইকেল ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিক। রোববার রাতে আদাবর থানা এলাকার শ্যামলী রিং রোডে এ ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলের মালিক মো. রাসেল মিরপুরের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন পাঠাও চালক।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রোববার রাতে যাত্রী নিয়ে মোহাম্মদপুরে যান রাসেল। যাত্রী নামিয়ে তিনি বিজলী মহল্লার একটি চায়ের দোকানে যান। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বখাটে সেখানে গিয়ে তাকে নানা অবান্তর প্রশ্ন করতে থাকে। একপর্যায়ে তাদেরই একজন রাসেলের মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
তবে রাস্তায় যানজট থাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ে বেশি দূর যেতে পারেনি ওই ব্যক্তি। পরে বাধ্য হয়ে শ্যামলী রিং রোড এলাকায় ‘আবার খাবো’ ফুড কার্টের পাশে মোটরসাইকেলটি রেখে পালিয়ে যায় সে।
আদাবর থানার ৩০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ‘আবার খাবো’ ফুড কার্টের মালিক মো. রনি হোসেন জানান, দীর্ঘ সময় ধরে মোটরসাইকেলটি সেখানে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। গভীর রাত পর্যন্ত কেউ মোটরসাইকেলটি নিতে না আসায় বিষয়টি নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত হন রনির বন্ধু ও আদাবর থানা ছাত্রদল নেতা বোরহান রব্বানী। পরে তিনি মোটরসাইকেলটির ছবি তুলে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন এবং উপযুক্ত প্রমাণ দেখিয়ে প্রকৃত মালিককে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্ট দেখে বোরহান রব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন মিরপুরের বাসিন্দা রাসেল। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণ যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিক রাসেলের কাছে মোটরসাইকেলটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
পরে এ বিষয়ে নিজের ফেসবুকে আরেকটি পোস্ট দেন ছাত্রদল নেতা বোরহান রব্বানী। সেখানে তিনি জানান, সবার সহযোগিতায় মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ দেওয়ার পর রাসেলকে তার মোটরসাইকেল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটিতে হারানো সম্পদ প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে স্থানীয়দের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিস্তারের লক্ষ্যে ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই বিষয়টি তুলে ধরেন।
অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, "আপনারা চিন্তা করতে পারেন কীভাবে একটা ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড’ গড়ে তোলা যায়। সেখানে কীভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি, কোম্পানি ফান্ড দিতে পারে। যদি ব্যক্তিখাত রাজি থাকে নিঃসন্দেহে সরকার এই ক্ষেত্রে রাজস্ব ব্যবস্থায় কি ধরনের পরিবর্তন আনা যায় সেগুলো দেখবে।"
তিনি আরও বলেন, "পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড রয়েছে। এটার মাধ্যমে আপনারা গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী বারবার এটা উল্লেখ করছেন। ফান্ড থেকে টাকা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের কাউন্সিল থাকতে পারে। যাতে করে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ওই ফান্ডগুলো বিতরণ করা যেতে পারে।"
অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থা থেকে সমৃদ্ধির পথে যেতে রূপরেখা তুলে ধরে উপদেষ্টা জানান, সরকার ‘থ্রি-আর’ কৌশল বাস্তবায়ন করছে। এই কৌশলের প্রধান তিনটি ধাপ হলোÑরিকভারি (অর্থনীতির প্রাথমিক পুনরুদ্ধার), রিস্টোরেশন (স্থিতিশীলতায় পুনঃপ্রতিষ্ঠা) এবং রিকনস্ট্রাকশন (দ্রুততার সঙ্গে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন)।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা, এলডিসি থেকে টেকসই উত্তরণ এবং পিছিয়ে পড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন; এই তিনটি প্রধান লক্ষ্যকে একসঙ্গে সুসমন্বিত করে আমাদের সামনের দিকে এগোতে হবে।
বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র বা ম্যানুফ্যাকচারিং হাব ও গেটওয়ে হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ওমান সরকার ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে যৌথ সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে। এ ছাড়া ইউরোপ, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও পশ্চিম ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভূ-অর্থনৈতিক সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে, যাতে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ শৃঙ্খল অক্ষুণ্ন রাখা যায়।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় প্রথম শিল্পমেলার মাধ্যমে দেশে প্রথম উদ্যোক্তা শ্রেণির বিকাশ ঘটেছিল এবং তৈরি পোশাক খাতের ভিত তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আমলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ভিত মজবুত করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়ে তরুণদের মেধাকে কাজে লাগানোর এখনই উপযুক্ত সময়।
গবেষণা ও প্রযুক্তির বিকাশকে কোনো ক্ষণিকের প্রদর্শনী বা ইভেন্টে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তরুণদের উদ্ভাবনী ভাবনাকে ‘গ্যারেজ থেকে গ্যালাক্সি’ পর্যন্ত বিস্তৃত করে একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ কল্যাণ রাষ্ট্র গড়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, "ছোট পরিসরে বা ছোট টেবিলে শুরু হওয়া উদ্ভাবন থেকেই বিশ্বজুড়ে বড় বড় শিল্প ও প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটেছে। তাই কোনো উদ্ভাবক যেন তাদের ধারণাকে ছোট বা কম গুরুত্বপূর্ণ মনে না করেন। উপস্থাপিত ও অনুপস্থাপিত প্রতিটি ধারণাই অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।"
তিনি জানান, মেলায় অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করলেও ৫০টিকে চূড়ান্ত প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এর মধ্য থেকে সেরা ১০টি উদ্ভাবনকে পুরস্কৃত করা হবে। শীর্ষ ৫০টি উদ্ভাবনের প্রত্যেকে সনদপত্র এবং মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক স্বীকৃতি পাবেন। পাশাপাশি চমৎকার পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নে তিনটি সারের দোকান ও এক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার গোডাউনে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। অভিযানে প্রায় ৬০ বস্তা বিভিন্ন ধরনের সার জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের সময় দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য ফারুক শেখের গোডাউনসহ তিনটি সারের দোকানে তল্লাশি চালানো হয়।
এ সময় গোডাউন ও দোকানগুলোতে মজুত করা বিভিন্ন ধরনের সার যাচাই-বাছাই করা হয়। পরে নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করা প্রায় ৬০ বস্তা সার জব্দ করে প্রশাসন।
উপজেলা কৃষি অফিসার মাজেদুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে সার মজুত ও বিক্রির অভিযোগের ভিত্তিতে তিনটি দোকান ও একটি গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে প্রায় ৬০ বস্তা বিভিন্ন ধরনের সার জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি যাচাই করে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালকুঠি নর্থব্রুক হল, যা ১৪০ বছরেরও বেশি পুরনো, সংস্কার ও সংরক্ষণ কাজ শেষে নতুন রূপে ফিরে এসেছে। এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি ঢাকার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২০২৩ সালের জুনে শুরু হওয়া কাজটি ২০২৬ সালের ৩১ মে শেষ হয়।
বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুটসহ ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সংস্কার শেষে স্থাপনাটি পরিদর্শন করেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদের পুরো স্থাপনাটি ঘুরে দেখান। এ সময় ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদসহ স্থানীয় সুশীল সমাজ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মো. আবদুস সালাম বলেন, "বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে করা এ প্রকল্পে শুধু ভবন সংস্কার নয়, এর ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য ধরে রেখে তৈরি করা হয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাও।" তিনি আরও বলেন, "ঘনবসতিপূর্ণ পুরান ঢাকার ১০ লাখ মানুষের মুক্ত নিঃশ্বাস নেওয়ার জায়গা হবে এই নর্থব্রুক হল।" আবদুস সালাম উল্লেখ করেন, "ঢাকার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে লালকুঠির এ সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।" তিনি বলেন, "লাল কুঠি কেবল একটি স্থাপনা নয়, বরং ১৫০ বছরের ইতিহাসের বিরল সাক্ষী।" ১৮৭৪ সালে ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল জর্জ ব্যারিং নর্থব্রুক ঢাকায় এলে তার সফর স্মরণীয় করে রাখতে এই ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। শুরুর দিকে ভবনটি নগর মিলনায়তন ছিল। পরে একে গণগ্রন্থাগারে রূপান্তর করে এর সঙ্গে জনসন হল নামে একটি ক্লাবঘর সংযুক্ত করা হয়। ভবনটির নির্মাণকলায় মোগল স্থাপত্যরীতির সঙ্গে ইউরোপীয় রেনেসাঁর সংমিশ্রণ ঘটেছিল। এই ভবনেই আয়োজন করা হতো তৎকালীন উচ্চপদস্থ রাজকর্মচারী ও ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সভা এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। ১৯২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এখানেই কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ঢাকা পৌরসভার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বিশ্বব্যাংকের পরিদর্শন টিমের প্রধান ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুট বলেন, "বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংস্কারের অংশ হতে পেরে গর্বিত বিশ্বব্যাংক।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, "দেশের বর্তমান নাগরিকগণ তাদের পূর্বপুরুষদের ইতিহাস চর্চা করে নিজেদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করবে।" তিনি আরও বলেন, "লেখক, গবেষকগণ এখানকার লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করে দেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।"
পুরান ঢাকার বাসিন্দা এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের আহ্বায়ক সুমন ভূঁইয়া স্মৃতিচারণ করে বলেন, "আমরা ছোটবেলায় পাল তোলা নৌকায় চড়ে দেখতাম আহসান মঞ্জিল, লালকুঠি ও রূপলাল হাউজসহ নদীর দুই পাড়ের অপরূপ দৃশ্য।" তিনি বলেন, "মধ্যে এসব প্রায় বিলীন হয়ে গিয়েছেন। বর্তমান সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে আমরা আমাদের হারানো গৌরব ফিরে পেতে যাচ্ছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জে সার ডিলারদের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সার নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো, কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে। সভায় ডিলাররা নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি এবং কৃষকদের কোনো ধরনের হয়রানি না করার অঙ্গীকার করে শপথ গ্রহণ করেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভাটি পরিচালনা করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শাজাহান সিরাজ। এতে সদর উপজেলার বিসিআইসি, বিএডিসি ও খুচরা সার ডিলাররা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় সারের বরাদ্দ, মজুদ, সরবরাহ ও বিতরণসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় ডিলারদের সতর্ক করা হয় যে, নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রি না করা এবং কৃষকদের কোনো ধরনের হয়রানি না করার বিষয়ে। পরে ডিলাররা হাত তুলে নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি ও কৃষক হয়রানি না করার অঙ্গীকার করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী নাসরিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুম ভূঁইয়া, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বাদল, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি গোলাম আবেদিন কায়সার, কৃষক প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান খান দোলন এবং বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন খান শামীম।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শাজাহান সিরাজ জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর জেলায় সারের বরাদ্দ বেশি রয়েছে। তবে কৃষকদের চাহিদা বিবেচনায় আরও অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, জেলায় সারের কোনো সংকট নেই। তিনি কৃষকদের অন্য জেলার খবরের ভিত্তিতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সার মজুদ না করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, কৃষকদের কোনো নির্দিষ্ট ধরনের সার কিনতে বাধ্য করা যাবে না। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি বা সার বিক্রিতে কোনো ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ