শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৩ পি.এম
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উল্লেখ করেছেন, মাদক, জুয়া, সন্ত্রাস এবং সামাজিক অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও এগিয়ে আসা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে এসব অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় আয়োজিত এক জনসভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, "আমি সব সময় মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলি। মাদক একটি জাতিকে ধ্বংস করে দেয়, একটি পরিবারকে নিঃস্ব করে দেয় এবং তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে।" তিনি আরও বলেন, যারা মাদক ব্যবসা করে, মাদক সেবন করে কিংবা অনলাইনে-অফলাইনে জুয়ার আসর বসিয়ে সমাজকে বিপথে পরিচালিত করছে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, "কোনো গ্রাম, ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডে যেন মাদক ব্যবসা, জুয়ার আসর কিংবা অন্য কোনো সামাজিক অপরাধের কেন্দ্র গড়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে একযোগে কাজ করতে হবে।" তিনি উল্লেখ করেন, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার চেয়ে অপরাধ প্রতিরোধ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন, "অন্যায়কারী যত শক্তিশালীই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।" তিনি মনে করিয়ে দেন, "অন্যায়ের শক্তি সাময়িকভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারলেও সত্য ও ন্যায়ের কাছে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়।" তিনি বলেন, "আমরা সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে কোনো অপরাধীই সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না।"
তিনি বলেন, "ভালো মানুষের সঙ্গে খারাপ মানুষের কখনো সমঝোতা হতে পারে না।" সমাজের শান্তি, শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের স্বার্থে ভালো মানুষদের আরও বেশি সংগঠিত হতে হবে। সচেতন নাগরিকদের ভূমিকা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, "দেশকে এগিয়ে নিতে হলে শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নই যথেষ্ট নয়, নৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নও নিশ্চিত করতে হবে।" তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের পথ থেকে দূরে রেখে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, "আমাদের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান যে মানবিক, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।" রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, তবে দেশের স্বার্থে, সমাজের স্বার্থে এবং আগামী প্রজন্মের স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, ধর্মীয় নেতা এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "সুন্দর সমাজ গঠনের দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, এটি আমাদের সবার।" সবাই মিলে কাজ করলে একটি নিরাপদ, মানবিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এআই ছাড়া মানুষ যেন ‘অদক্ষ বানর’, খোঁচা ইলন মাস্কের
কিছু জনপ্রিয় এআই সেবা একসঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে হঠাৎ করে অনেক ব্যবহারকারীকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ছাড়া কাজ করতে হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক রসিকতা করেছেন।
টুডের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, চ্যাটজিপিটি, ক্লদ এবং গ্রক—এই তিনটি জনপ্রিয় এআই প্ল্যাটফর্মে সাময়িক বিভ্রাট দেখা দেয়। এর ফলে অনেক ব্যবহারকারীকে এআই সহায়তা ছাড়া কাজ করতে বাধ্য হতে হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মজার প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়।
এই পরিস্থিতিতে মাস্ক একটি ভাইরাল ভিডিও শেয়ার করে মানুষের এআই-নির্ভরতা নিয়ে মজা করেন।
মাস্ক এক্সে একটি ভাইরাল ভিডিও শেয়ার করেন। ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি ওরাংওটাং পাথর দিয়ে পেরেক ঠোকানোর চেষ্টা করছে। কাঠমিস্ত্রির মতো কাজ করার চেষ্টা করলেও প্রাণীটি বেশ অদক্ষ ও তালগোল পাকানো অবস্থায় রয়েছে।
ভিডিওটি শেয়ার করে মাস্ক লেখেন, ‘ভবিষ্যতের এআইয়ের চোখে মানুষ কোড লিখছে।’
অর্থাৎ, ভবিষ্যতে এআই এত উন্নত হয়ে উঠতে পারে যে মানুষের হাতে কোড লেখার বিষয়টিকে তারা অদক্ষ ও পুরনো পদ্ধতি হিসেবে দেখবে—এমনটাই রসিকতা করেছেন তিনি।
এআই প্ল্যাটফর্মগুলোর সাময়িক বিভ্রাটের কারণে অনেক ব্যবহারকারীকে নিজেদের স্বাভাবিক কাজ নিজেরাই করতে হয়েছে। বিশেষ করে সফটওয়্যার ডেভেলপাররা নিয়মিত কোড লেখা, ভুল খুঁজে বের করা ও বিভিন্ন কাজের জন্য এআইয়ের সাহায্য নেন।
লেখালেখি, তথ্য খোঁজা কিংবা বিভিন্ন ধরনের কাজেও বর্তমানে এআই সহকারী ব্যবহারের প্রবণতা বেড়ে গেছে।
ফলে, হঠাৎ এসব সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকে নিজেদের নির্ভরতার বিষয়টি নতুন করে উপলব্ধি করেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ কেউ এমন মজাও করেছেন যে, এআই ছাড়া কোড লিখতে থাকা মানুষকে যেন প্রকৃতির মধ্যে কাজ করা কোনো প্রাণীকে পর্যবেক্ষণের মতো দেখাচ্ছে।
চ্যাটজিপিটি, ক্লদ ও গ্রক একই সময়ে সমস্যায় পড়লেও তিনটি সেবার বিভ্রাটের পেছনে একই কারণ ছিল—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ওপেনএআই জানিয়েছে, চ্যাটজিপিটি ও কোডেক্সে ত্রুটির হার বেড়ে গিয়েছিল। পরে সমস্যাটি শনাক্ত করে সমাধান করা হয়।
অ্যানথ্রপিকও ক্লদের কয়েকটি মডেলে ত্রুটির কথা জানায়। প্রতিষ্ঠানটি পরে সমস্যার সমাধান করে।
অন্যদিকে, গ্রকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান এক্সএআই জানিয়েছিল, তাদের সেবাতেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল। প্রায় কয়েক ঘণ্টা পর সেটি স্বাভাবিক হয়।
অর্থাৎ, তিনটি প্ল্যাটফর্ম একই সময়ে সমস্যায় পড়লেও একটি অভিন্ন প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সবগুলো বন্ধ হয়েছিল—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
এই ঘটনা কেবল একটি প্রযুক্তিগত বিভ্রাট নয়। এটি মানুষের দৈনন্দিন কাজে এআইয়ের ওপর বাড়তে থাকা নির্ভরতাও সামনে এনেছে।
এখন সফটওয়্যার তৈরি থেকে শুরু করে লেখালেখি, তথ্য অনুসন্ধান এবং নানা ধরনের সৃজনশীল কাজেও এআই ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে, এআই সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেলেই কিছু কাজ আগের তুলনায় কঠিন মনে হতে পারে।
ইলন মাস্কের মন্তব্য তাই কেবল একটি রসিকতা নয়, বরং ভবিষ্যতে মানুষ ও এআইয়ের সম্পর্ক কতটা নির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে, সেই প্রশ্নও সামনে আনছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ দীর্ঘকাল ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি লীলাভূমি। এই উদার পরিবেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ এবং খৃষ্টানরা একসাথে বসবাস করছেন। এখানে কোনো ধরনের সহিংসতার স্থান নেই।
মন্ত্রী আরও বলেন, যারা ধর্মের নাম ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়িয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে চায়, তাদের প্রতি সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি উল্লেখ করেন, "সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম নয়, ধর্মের রাজনীতিকরণ।"
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে লালমনিরহাট শহরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় বক্তৃতা করেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হকসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।
সভা শেষে শহরে একটি বর্ণিল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পৌঁছানোর আশা জিম্বাবুয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে ইনোসেন্ট কাইয়ার ব্যাটিং নৈপুণ্যে।
গত রাতে লিগ পর্বের নিজেদের চতুর্থ ও শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ে ৫ উইকেটে নামিবিয়াকে পরাজিত করেছে। ৪ ম্যাচে ২টি করে জয় ও হারে জিম্বাবুয়ের পয়েন্ট হলো ৪, যা তাদের টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে নিয়ে এসেছে। অপরদিকে, ৩ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে অবস্থান করছে নামিবিয়া।
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ ম্যাচ খেলে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে এগিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে। লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে যদি নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়লাভ করে, তাহলে জিম্বাবুয়ে নিয়ে ফাইনালে উঠবে প্রোটিয়ারা। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা যদি হারায়, তাহলে তিন দলের পয়েন্ট সমান হবে। এ অবস্থায় রান রেটের ভিত্তিতে এগিয়ে থাকা দুই দল ফাইনালে প্রবেশ করবে।
উইন্ডহুকে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং শুরু করে নামিবিয়া। তারা ২৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে অধিনায়ক জেরার্ড এরাসমাস ও আলেকজান্ডার বুসিং-ভোলশেঙ্ক চতুর্থ উইকেটে ৬৩ বল খেলে ৮৩ রান যোগ করে নামিবিয়াকে একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে যান। বুসিং-ভোলশেঙ্ক ৩১ বলে ২৯ রান করে আউট হন।
এরপর, ইনিংসের শেষ পর্যন্ত খেলতে গিয়ে নামিবিয়াকে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৬ রানের সংগ্রহ এনে দেন এরাসমাস। তিনি টি-টোয়েন্টিতে তার ১৬তম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ৮টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪৮ বলে অপরাজিত ৮৮ রান করেন।
জিম্বাবুয়ের ব্রাড ইভান্স ও কুন্দাই মাতিগিমু ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।
জবাবে, জিম্বাবুয়ে ৯ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর, কাইয়া ব্রায়ান বেনেটের সাথে ৩৪ বলে ৬১ রান এবং অধিনায়ক সিকান্দার রাজার সাথে ৩৮ বলে ৫৪ রান যোগ করেন। বেনেট ২২ ও রাজা ২৯ রানে আউট হন, তবে কাইয়া তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন। তিনি ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ৪২ বলে ৭২ রান করেন।
১২৪ থেকে ১৩২ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারালেও ষষ্ঠ উইকেটে রায়ান বার্ল ও তাদিওয়ানশে মারুমানি ১৯ বলে ২৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জিম্বাবুয়ে। বার্ল ১২ ও মারুমানি ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। নামিবিয়ার রুবেন ট্রাম্পেলম্যান ২ উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন কাইয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ৬ মাস অতিক্রান্ত হয়েছে, এবং এই সময়ের মধ্যে সব কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, "২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কি হয়ে গেছে?" তিনি বলেন, "বলবার সুযোগ আছে?" এবং উল্লেখ করেন যে, এটি বিরোধী দলের বোঝা উচিত। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ৬ মাসের মধ্যে তারা লংমার্চের আয়োজন করছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌর এলাকায় রহমতখালী খাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও জেলা কৃষকদলের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। পৌর শহরের মাদামব্রিজ এলাকা থেকে তেরকেবী পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার খাল পরিষ্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
পানিসম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, "২০ হাজার কিলোমিটার পুনঃখাল আমরা খনন করবো, অনেক নেতাই ছিলেন, অনেকে নিজেদের দুরদর্শী নেতা মনে করেন, কিন্তু ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করে দেশের জনগণকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কাজ কেউ করেননি।" তিনি উল্লেখ করেন যে, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে ইতিমধ্যে আমরা সুবিধা পাচ্ছি এবং উপকারিতাও অনুভব করছি। তারেক রহমানের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি ও দুরদর্শী চিন্তা থেকে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের কাজ আমরা শুরু করেছি।
তিনি বলেন, "আমরা ফটোশেসনের রাজনীতি করি না। ফটো শো'র রাজনীতিও আমরা করি না।"
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জেলা কৃষকদলের সভাপতি মাহাবুব আলম মামুন ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ