০৮:৫৩ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকার গ্রাহকদের জন্য এক জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২২ জুন) রাতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে এক জরুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আরএলএনজি সরবরাহ হ্রাস পাওয়ার কারণে আজ রাত থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকার সকল শ্রেণির গ্রাহকদের প্রান্তে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে। সম্মানিত গ্রাহকবৃন্দের সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, আজ রাত থেকে শুরু করে আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত এই গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যা অব্যাহত থাকবে। তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকার আওতাধীন সব ধরনের গ্রাহক এতে আক্রান্ত হবে, যার মধ্যে আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং শিল্প-কারখানাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ফলে রান্নাবান্না থেকে শুরু করে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার কারণে গ্রাহকদের এ সাময়িক ও আকস্মিক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে। একই সাথে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা সত্ত্বেও ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। তারা যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তেহরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের উপ-সচিব গাদির নেজামি।
সোমবার (২২ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদন অনুসারে, গত এক বছরে শান্তি আলোচনা চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দুই দফা ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ কারণে তেহরান এখনো ওয়াশিংটনের প্রতি আস্থাহীনতা পোষণ করে বলে বারবার উল্লেখ করেছেন ইরানি কর্মকর্তারা।
সোমবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চীনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন নেজামি। বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-ও উপস্থিত ছিলেন।
ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেজামির ওই বৈঠকের ছবি প্রকাশ করেছে। বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং চলমান কূটনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংলাপ অব্যাহত থাকলেও তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও সামরিক প্রস্তুতির বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না।
সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের দেশে পুনরায় আমন্ত্রণ জানাতে সম্মত হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনার প্রথম দফার পর সোমবার (২২ জুন) মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ খবর জানান।
ভ্যান্স বলেন, এই আলোচনায় লেবানন সংকট নিরসনে ‘খুব ভালো অগ্রগতি’ হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক রিসোর্টে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ইরানিরা আইএইএ পরিদর্শকদের তাদের দেশে পুনরায় আমন্ত্রণ জানাতে সম্মত হয়েছে।’
জাতিসংঘের পারমাণবিক পরিদর্শকদের প্রতি ইরানের এই আমন্ত্রণকে তিনি আমেরিকান জনগণের জন্য একটি বড় মাইলফলক এবং ইরানে স্থায়ীভাবে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ বা পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি স্থায়ীভাবে বন্ধ করার প্রথম পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন।
ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা একটি সফল চূড়ান্ত চুক্তির জন্য খুব ভালো ভিত্তি স্থাপন করেছি।’ চূড়ান্ত চুক্তিটিই হলো সেই বাড়ি… আমরা বাড়িটি এখনও তৈরি করিনি, কিন্তু আমেরিকান জনগণের জন্য একটি ভালো অবস্থানে পৌঁছানোর সফল ভিত্তি স্থাপন করেছি।’
গত জুনে ১২ দিনব্যাপী ইসরাইল-ইরান جنگের সময় যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলায় তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়। এরপর, পরিদর্শনে বাধা দেয়া এবং নিজেদের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের পূর্ণাঙ্গ হিসাব দিতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করেছে আইএইএ।
এদিকে, জেডি ভ্যান্স আরও বলেছেন, ইরান পারমাণবিক পরিদর্শকদের দেশে ফিরে আসার অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে—যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটি প্রধান দাবি ছিল—এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএএইএ) সঙ্গে আলোচনা আজই শুরু হতে পারে।
জাতিসংঘের পারমাণবিক নজরদারি সংস্থার পারমাণবিক পরিদর্শকরা কখন ইরানে ফিরবেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, তিনি আশা করছেন প্রক্রিয়াটি কমপক্ষে এই সপ্তাহে শুরু হবে, তবে পরিদর্শক এবং আইএইএ-এর সঙ্গে আলোচনা আজই হতে পারে।
তেহরান অনেক দিন থেকেই দাবি করে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না, কিন্তু বহু দেশ—এমনকি বৈশ্বিক পারমাণবিক নজরদারি সংস্থা আইএইএ-ও ইরানের এই দাবি মেনে নেয় না।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বাংলা বিভাগ এবং বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে কবি সুফিয়া কামাল ও কবি এবং গীতিকার আবু হেনা মোস্তফা কামালের স্মরণে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সেমিনারের দ্বিতীয় দিনে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘আবু হেনা মোস্তফা কামাল : জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।
প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি বক্তব্যে বলেন, আবু হেনা মোস্তফা কামাল বাংলা সাহিত্যাঙ্গনের একটি অনন্য প্রতিভা ছিলেন। তার সাহিত্যকর্মে গভীর চিন্তাশীলতা, সৃজনশীলতা এবং প্রজ্ঞার এক অনন্য সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়। নতুন প্রজন্মের কাছে এই ধরনের গুণী সাহিত্যিকদের জীবন ও কর্ম তুলে ধরতে এ ধরনের সেমিনারের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের উচিত সাহিত্য ও সংস্কৃতির ধারাকে ধারণ করে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের বিকশিত করা। শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যতে নিজেদের কর্ম ও সৃষ্টির মাধ্যমে পূর্বসূরিদের ছাড়িয়ে যেতে পারে, সে প্রত্যাশাও তিনি ব্যক্ত করেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. চঞ্চল কুমার বোসের সভাপতিত্বে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এ সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আরজুমন্দ আরা বানু।
সেমিনারের দ্বিতীয় দিনের মূল প্রবন্ধ ‘কবিতা ও গানে কবি আবু হেনা মোস্তফা কামাল’ উপস্থাপন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীম আরা। এই প্রবন্ধের ওপর গবেষণামূলক আলোচনা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সুমন সাজ্জাদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সোহানা মাহবুব। আলোচকরা আবু হেনা মোস্তফা কামালের কবিতা, গান এবং সামগ্রিক সাহিত্যকর্মের নান্দনিকতা, ভাষাশৈলী এবং সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
নোট হিসেবে উল্লেখ্য, দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের প্রথম দিনে ‘সুফিয়া কামাল : জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক আলাদা একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। দুই দিনব্যাপী সেমিনারে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের দুই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের জীবন, সাহিত্যকর্ম এবং সমাজ ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
গ্রহণকৃত সেমিনারে বাংলা বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সাহিত্য-সংস্কৃতিমনা অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ