বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৪ পি.এম
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, গত আগস্ট মাসটি বিশ্বব্যাপী এযাবৎকালের সর্বাধিক উষ্ণ মাস হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই সময়কালে সমুদ্রের তাপমাত্রাও নজিরবিহীন উচ্চতায় পৌঁছেছে। পশ্চিম ইউরোপে, মাসটি ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রীষ্মকাল।
বৃহস্পতিবার, এই তথ্য প্রকাশ করেছে ইইউ জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা।
জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের মূল্যায়নের পর, মানবজাতি যদি জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার থেকে সরে না আসে, তবে পৃথিবী আরও গভীরভাবে অজানা পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাবে।
কোপার্নিকাসের পর্যবেক্ষণের তথ্য ১৯৪০ সাল পর্যন্ত রয়েছে। তবে বরফের স্তর, গাছের বলয় ও প্রবালের কঙ্কালের মতো অন্যান্য প্রমাণ বিজ্ঞানীদের বর্তমান জলবায়ুকে আরো দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তুলনা করার সুযোগ দেয়।
ইউরোপীয় সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফরকাস্টসের সামান্থা বার্গেস বলেন, "মানুষ আজকের মতো এতো উষ্ণ তাপমাত্রা দেখেনি। যুক্তিসঙ্গতভাবে বলা যায়, অন্তত গত ১ লাখ বছরে এমনটা ঘটেনি।"
কোপার্নিকাস জানিয়েছে, আগস্টে বৈশ্বিক গড় বায়ুর তাপমাত্রা ছিল ১৬.৯৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা ২০২৩ সালের জুলাইয়ে রেকর্ড হওয়া আগের সর্বকালের মাসিক রেকর্ডকে ০.০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। তবে, ব্যবধান খুবই সামান্য হওয়ায় কোপার্নিকাস দুই মাসকেই যৌথভাবে সর্বোচ্চ উষ্ণ বলে বিবেচনা করেছে।
বিজ্ঞানীরা উল্লেখ করেছেন, মানব কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে কয়লা, তেল ও গ্যাস পোড়ানোর কারণে প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রায় ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। একই সঙ্গে চরম আবহাওয়ার তীব্রতা ও সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে তাপ আটকে রাখা গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ ২০২৫ সালে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
সূত্র: এএফপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তরভাগে অবস্থিত লাদাখ অঞ্চল, যা দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে, এবার সংবিধানের ৩৭১ ধারার আওতায় সুরক্ষা প্রদানের জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মতি পেয়েছে। একইসঙ্গে, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটিতে একটি নির্বাচিত পরিষদ গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এটি প্রচলিত কোনো রাজ্য বা বিধানসভাসম্পন্ন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আদলে প্রতিষ্ঠিত হবে না; বরং এটি ‘সুই-জেনারেস’ বা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র একটি মডেলে পরিচালিত হবে।
লাদাখের মুখ্য সচিব আশিস কুন্দ্রা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, লাদাখকে পর্যাপ্ত সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদানের জন্য ভারতীয় সংসদ সংবিধানের ৩৭১ ধারায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে লাদাখকে সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং একটি নির্বাচিত পরিষদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
আশিস কুন্দ্রা বলেন, "আমরা একটি অনন্য মডেল নিয়ে কাজ করছি। এটি পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি সুই-জেনারেস বা স্বতন্ত্র মডেল হবে। লাদাখে একটি নির্বাচিত পরিষদ থাকবে, কিন্তু এটি বিধানসভাসহ কোনো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বা রাজ্যের মতো হবে না।"
‘সুই-জেনারেস’ একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ ‘নিজস্ব ধরনের’ বা ‘অনন্য’। বিশেষ ও স্বতন্ত্র কোনো পরিস্থিতি পরিচালনার জন্য এমন আইনি কাঠামো তৈরি করা হয়।
লাদাখের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের যে দলটি কাজ করছে, আশিস কুন্দ্রা সেই দলের সদস্য। মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকার ও লাদাখের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর এবং রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার সময়, লাদাখকে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে গঠন করা হয়। শুরুতে লাদাখের একাংশের মানুষ কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও পরবর্তীতে সরাসরি আমলাতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়। স্থানীয়রা পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা এবং সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের আওতায় সাংবিধানিক সুরক্ষার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক ফুটবল টুর্নামেন্ট ‘ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬’-এ বাংলাদেশ আমন্ত্রিত অতিথি দল হিসেবে অংশগ্রহণ করবে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে নতুন আশার কথা জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো। তিনি উল্লেখ করেন, এই আয়োজন আঞ্চলিক ফুটবলের মান উন্নয়নের পাশাপাশি সমর্থকদের আন্তর্জাতিক ফুটবলের চমৎকার অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।
আন্তর্জাতিক ম্যাচ ক্যালেন্ডারের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর উইন্ডোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশসহ তিনটি আমন্ত্রিত অতিথি দল অংশগ্রহণ করবে। আয়োজক ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি মূল পর্ব বা ‘ডিভিশন ১’-এ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুরের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলবে।
ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো টুর্নামেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচ ক্যালেন্ডারের নির্ধারিত সময়ে জাতীয় দলগুলোকে অর্থবহ ও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যেই ফিফা আসিয়ান কাপের সূচনা। এটি খেলোয়াড়দের তীব্র আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেবে। এই টুর্নামেন্ট দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে ফুটবলের মেলবন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি সমর্থকদের জন্য আন্তর্জাতিক ফুটবলের অসাধারণ সব মুহূর্ত উপহার দেবে।’
২৪ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ৫ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে ১৪ দলের এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে। প্রায় ২০০ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী দেশগুলোর মধ্যে ফুটবলের জনপ্রিয়তা ও মান আরও বাড়াতে এই আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। জাকার্তার গেলোরা বান কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় জামাল ভূঁইয়ার দল মালয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর একই ভেন্যু ও সময়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।
গ্রুপপর্বে বাংলাদেশ মোট তিনটি ম্যাচ খেলবে। ১ অক্টোবর একই মাঠে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে তাদের শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ওই ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ১ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তিত হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬০৮ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। নতুনভাবে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ২০৭ জন। এছাড়া, ৩৩৬ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পাপিয়া আক্তার কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
বোর্ডের সূত্র থেকে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিভিন্ন বিষয়ের জন্য ৩৫ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী মোট ৯১ হাজার ৪৯৪টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ উল্লেখ করেন, পুনর্নিরীক্ষণের নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন করা উত্তরপত্রগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করার পর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর কলেজে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান মন্তব্য করেছেন যে, গণমাধ্যমের শক্তিশালী অবদানের ফলে দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ সম্ভব হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, "সংবাদ মাধ্যম আছে বলেই আমরা আজ এই জায়গায় আসতে পেরেছি। দেশে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও সার্বিক অর্জনে গণমাধ্যম সমান অংশীদার। বর্তমান সরকারের মেয়াদে আপনারা সম্পূর্ণ স্বাধীন গণমাধ্যম পাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে সংবাদ মাধ্যম বা সাংবাদিকতার পেশাগত কাজে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করার ইচ্ছা নেই।"
তিনি আরও বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বিশ্বাস করেন যে-সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করলেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ