মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১২ পি.এম
ফিনল্যান্ড এবার প্রেমের সন্ধানে বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ প্রদান করছে। দেশটির পর্যটন সংস্থা ‘ভিজিট ফিনল্যান্ড’ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৬ জন অবিবাহিত ব্যক্তিকে বিনা খরচে চার দিনের ভ্রমণে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। এই আয়োজনের নাম ‘ফিনিশ ডিনার ডেট’। এতে ভ্রমণের পাশাপাশি ফিনল্যান্ডের খাবার ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এবং স্থানীয় অবিবাহিত মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ থাকবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আয়োজকদের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৯ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ ভ্রমণ আয়োজন করা হবে। নির্বাচিত ব্যক্তিদের যাতায়াত, থাকা ও খাবারের খরচ আয়োজকরা বহন করবেন।
কারা আবেদন করতে পারবেন?
আবেদনকারীদের অবশ্যই অবিবাহিত এবং কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী হতে হবে। ফিনল্যান্ডের নাগরিক বা দেশটির বাসিন্দারা এ আয়োজনে আবেদন করতে পারবেন না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যোগ্য আবেদনকারীদের মধ্য থেকে ১৬ জনকে বেছে নেওয়া হবে।
আবেদন করবেন যেভাবে
আগ্রহীদের প্রথমে ইংরেজিতে একটি ভিডিও তৈরি করতে হবে। ভিডিওতে নিজের পরিচয় দেওয়ার পাশাপাশি একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে—‘ডিনার ডেটে আপনি কী খাবার পরিবেশন করবেন এবং কেন?’
ভিডিওটি ইনস্টাগ্রাম, টিকটক অথবা ইউটিউবে প্রকাশ করতে হবে। এর সঙ্গে ‘#FinnishDinnerDate’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে ভিজিট ফিনল্যান্ডের নির্ধারিত অ্যাকাউন্টকে ট্যাগ করতে হবে। ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে ভিডিও দিলে অ্যাকাউন্টটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকতে হবে। তবে ইউটিউবে চাইলে ভিডিওটি ‘আনলিস্টেড’ হিসেবে প্রকাশ করা যাবে, যাতে শুধু লিংক থাকা ব্যক্তিরা সেটি দেখতে পারেন।
এরপর ভিজিট ফিনল্যান্ডের ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করে ভিডিওর লিংক জমা দিতে হবে। আবেদনের শেষ সময় ১০ নভেম্বর ২০২৬, ফিনল্যান্ডের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৫৯ মিনিট। নির্বাচিত ব্যক্তিদের নাম ১ ডিসেম্বর প্রকাশ করার কথা রয়েছে।
কোথায় হবে এই আয়োজন?
নির্বাচিত ১৬ জনকে দুটি দলে ভাগ করা হবে। আটজন যাবেন ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে, আর বাকি আটজন যাবেন লেকল্যান্ড অঞ্চলের তাম্পেরে শহরে। প্রতিটি দলের সঙ্গে স্থানীয় দুই অবিবাহিত ব্যক্তিও ডিনারে অংশ নেবেন।
চার দিনের এ ভ্রমণে স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়া, আঞ্চলিক সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ থাকবে। আয়োজনের মূল আকর্ষণ হবে মোমবাতির আলোয় বিশেষ ডিনার, যেখানে সবাই একসঙ্গে খাবার খাওয়ার পাশাপাশি পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
তবে আয়োজকরা কারও সঙ্গে কারো প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হওয়ার নিশ্চয়তা দিচ্ছেন না। এটি মূলত ভ্রমণ, খাবার ও নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার একটি আয়োজন।
উল্লেখ্য, আবেদনের আগে ভিসা, ভিডিও ধারণে সম্মতি এবং অন্যান্য শর্ত সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট ফিনল্যান্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, বিগত সময়ে অপরিকল্পিত ব্যবস্থা ও দুর্নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্য খাতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হয়নি। তিনি উল্লেখ করেছেন, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং চিকিৎসাব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সোসাইটি অব কোলন অ্যান্ড রেক্টাল সার্জনস আয়োজিত বিএসসিআরএস কংগ্রেস ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি এ মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার ধ্বংসস্তূপ থেকে কাজ শুরু করেছে, সেই বিবেচনায় স্বাস্থ্য খাতে অগ্রযাত্রা অনেক ভালো হচ্ছে। তবে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরো কার্যকর ও জনমুখী করার জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, বরং এই খাতে ব্যয় করা প্রতিটি অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে জনগণ আরো উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবে।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো মানুষ যেন চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। চিকিৎসা মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তাই অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কেউ যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেয়ে দুর্ভোগের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
সাধারণ মানুষের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য যেন মানুষকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিদেশমুখী হতে না হয়, সে লক্ষ্যে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বিশেষায়িত চিকিৎসার অবকাঠামো উন্নয়ন, দক্ষ জনবল তৈরি এবং আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতির প্রসারের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরো সমৃদ্ধ করা প্রয়োজন।
কোলন ও রেক্টাল সার্জারিসহ বিশেষায়িত চিকিৎসাক্ষেত্রে দক্ষ চিকিৎসক তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি নতুন প্রজন্মের সার্জন ও চিকিৎসকদের প্রতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, নতুন সার্জন ও চিকিৎসকদের হাত ধরেই দেশের স্বাস্থ্য খাত আরো এগিয়ে যাবে এবং জনগণ উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবে।
বিএসসিআরএস কংগ্রেস ২০২৬-এর মতো পেশাগত আয়োজন চিকিৎসকদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি, বিশেষায়িত সার্জারির অগ্রগতি এবং চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কে নিরপেক্ষতার বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাদের সন্দেহ রয়েছে এবং তারা জানিয়েছে, যদি নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা না হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে জোটের পক্ষ থেকে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে রাজধানীতে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষনেতাদের বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক।
এ সময় তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটি সফল হবে।
এছাড়াও, ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নেতারা যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা দেখা দিলে তা প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার নিরালা আবাসিক এলাকায় জাপান টোব্যাকো কম্পানির এক কর্মীকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। দুর্বৃত্তরা এসময় তার কাছে থাকা ব্যাগও ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে সদর থানার নিরালা আবাসিক এলাকার ১৭ নম্বর রোডে সবুজবাগের নাসিম ট্রেডার্সের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।
গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির নাম সালমান (২৩)। তিনি নিরালা সবুজবাগ এলাকার জাহাঙ্গীরের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুটি মোটরসাইকেলে আসা চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্ত সালমানকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে ল্যাপটপের ব্যাগ নিয়ে যায়। গুলিটি তার পেটের ডান পাশে লাগে। পরে তার সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, গুলির ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইথিওপিয়ার ওরোমিয়া অঞ্চলে পৃথক দুটি হামলায় অন্তত ৬০ জন অর্থোডক্স খ্রিষ্টান নিহত হয়েছেন। হামলার ঘটনা ঘটে ২০ ও ২৪ অক্টোবর। ২০ জনের বেশি গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া, ২০টি বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই তথ্যগুলো জানিয়ে দিয়েছে ইথিওপিয়ান অর্থোডক্স তেওয়াহেদো চার্চের কর্মকর্তারা।
চার্চটির পবিত্র সিনড সোমবার এক বিবৃতিতে হত্যাকাণ্ডগুলোকে ‘নাগরিকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া চরম নিষ্ঠুরতা ও দুর্ভোগ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সিনড বলেছে, এসব হত্যাকাণ্ড মানুষের জীবন ও ধর্মীয় স্বাধীনতার সাংবিধানিক সুরক্ষা লঙ্ঘন করেছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
চার্চের তথ্য অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মের্তি জেলার আঙ্গাদা কেবেলের গোরার সিলিঙ্গো এলাকায় ১৪ জনকে হত্যা করা হয়। এর চার দিন পর ২৪ অক্টোবর শিরকা জেলার তেরেতা, চোলে ও বিরবো গ্রামে আরও ৪৬ জন নিহত হন। দুটি জেলাই মধ্য ইথিওপিয়ার ওরোমিয়া অঞ্চলের আরসি জোনে অবস্থিত।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রকাশ্যে নিন্দা জানানোর আহ্বান জানিয়েছে চার্চের পবিত্র সিনড। তারা বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা জোরদার করার এবং হামলার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া এবং নতুন করে সহিংসতা ঠেকাতে আগাম পদক্ষেপ নিতে।
ওরোমিয়া আঞ্চলিক সরকার জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তবে হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কেউ স্বীকার করেনি। গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় এক কর্মকর্তা হামলার জন্য নতুন গঠিত একটি বিদ্রোহী জোটকে দায়ী করেছেন। অভিযোগ করা হয়েছে যে ওই জোটে ওরোমো লিবারেশন আর্মি (ওএলএ) রয়েছে। তবে বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ এর আগেও অস্বীকার করেছে ওএলএ।
ওরোমিয়ায় দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাহীনতা
ইথিওপিয়ার সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক রাজ্য ওরোমিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতা চলছে। প্রায় চার কোটি মানুষের বসবাস এই অঞ্চলে। সেখানে বছরের পর বছর ধরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করছে সরকারি বাহিনী।
গত জুলাইয়ে ইথিওপিয়ান হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১-২২ সাল থেকে চলতি বছরের ১ জুন পর্যন্ত পূর্ব আরসির বিভিন্ন স্থানে লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় অন্তত ৪৩২ জন বেসামরিক নাগরিক ও স্থানীয় মিলিশিয়া বাহিনীর চার সদস্য নিহত হয়েছেন।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে চার্চের পবিত্র সিনড। নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে সোমবার বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা অর্থোডক্স চার্চ ও মঠগুলোকে মঙ্গলবার ধর্মীয় উপাসনা শেষে একই ধরনের প্রার্থনা আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে চার্চ। তারা জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যাতে অনুসারীরা ভয় ছাড়াই বসবাস ও ধর্মীয় উপাসনা করতে পারেন।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ