০৯:১২ পি.এম
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে আজওয়া খেজুরের উপকারিতা। আজওয়া খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। এটি দেখতে জামের মতো কালো রঙের আবরণে মোড়া ছোট আকারের।
রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় ফল আজওয়া খেজুর ছিল। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে জানা যায়, রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
সকালে সবার আগে (খালি পেটে) (মদিনার) উঁচু ভূমির আজওয়া খেজুর খেলে তা (সর্বপ্রকার) জাদু অথবা বিষক্রিয়ার আরোগ্য হিসেবে কাজ করে। (মুসনাদে আহমাদ: ২৩৫৯২)
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর: জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে একদলীয় শাসন থেকে মুক্তির দিন
এখানে উঁচু ভূমি বলতে বোঝানো হয়েছে, মদিনার পূর্ব দিকের কয়েক মাইল দূরের কয়েকটি গ্রাম।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একইভাবে একটি হাদিসে বলা হয়েছে, রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
আজওয়া জান্নাতের ফল, এতে বিষক্রিয়ার প্রতিষেধক রয়েছে...। (তিরমিজি: ২০৬৬)
হজরত সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, তিনি বলেন,
আরও পড়ুন: যে দোয়া পাঠে জান্নাত অবধারিত হয়
আমি রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি ভোরে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোনো বিষ ও জাদুটোনা তার ক্ষতি করতে পারবে না। (বুখারি: ৫৭৬৮)
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আসতে দেখা যায় যে, রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘মদিনার উঁচু ভূমির আজওয়া খেজুরে আরোগ্য রয়েছে।’ অথবা তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন সকালে এই খেজুর খাওয়া বিষনাশক (প্রতিষেধক)।’ (মুসলিম: ৫১৬৮)
এছাড়া, হজরত আলি (রা.) জানান,
যে ব্যক্তি সাতটি আজওয়া খেজুর প্রতিদিন আহার করবে, তার পাকস্থলীর প্রতিটি রোগ নির্মূল হয়ে যায়। (কানজুল উম্মাল: ২৮৪৭২)
আরও পড়ুন: মুমিনের জীবনের আত্মজিজ্ঞাসা: আল্লাহর স্মরণ ও মানুষের অধিকার আদায়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন