মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৩ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে স্পিডবোট ও স্টিলের বাল্কহেডের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের কাছে বেমালিয়া নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় গ্রামের রায়হান ভূঁইয়ার ছেলে দয়াল মিয়া এবং কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার বরারচর গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে সজীব মিয়া।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে দিয়ে স্পিডবোটটি যাত্রী নিয়ে চাতলপাড়ের দিকে ফিরছিল। পথে খাগালিয়া গ্রামের কাছে বেমালিয়া নদীতে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি স্টিলের বাল্কহেডের সঙ্গে স্পিডবোটটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে স্পিডবোটে থাকা তিনজন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দয়াল ও সজীবকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, দুজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। অপর আহত ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
নাসিরনগর থানার ওসি মো. শাহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের একটি অঞ্চলে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর, আহত অবস্থায় প্রায় ৫০ ঘণ্টা পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন এক মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্নেল। ভাঙা পিঠ, হাত ও কাঁধের চোট নিয়ে তিনি উদ্ধারের জন্য অপেক্ষা করেন, কোনো সহায়তা আসবে কি না—এমন অনিশ্চয়তার মধ্যে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানে প্রথম প্রকাশ্য সাক্ষাৎকারে ওই কর্মকর্তা তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন।
নিরাপত্তার কারণে ওই কর্মকর্তার প্রকৃত নাম প্রকাশ করা হয়নি। তিনি ছিলেন দুই আসনের এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের অস্ত্র ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, যার মিশন কল সাইন ‘ব্রাভো’ ছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ এপ্রিল ইরানের ইসফাহানের কাছে একটি অভিযানের সময় বিমানটি একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয়। বিমানটির মিশন কল সাইন ছিল ‘ডুড ৪৪’।
জানা যায়, বিমানটি ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প স্থাপনায় হামলা চালানোর মিশনে ছিল।
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের পর, দুই ক্রু সদস্যই বিমান থেকে বেরিয়ে প্যারাসুটে নামার চেষ্টা করেন। তবে আকাশে নামার সময় ব্রাভো এবং পাইলট ‘আলফা’ পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান।
ঠিকমতো খুলল না প্যারাসুট
ব্রাভোর বিপদ আরও বেড়ে যায় যখন তার প্যারাসুট ঠিকভাবে খুলতে ব্যর্থ হয়। তিনি ঘণ্টায় আনুমানিক ৭০ থেকে ১০০ মাইল বেগে মাটির দিকে পড়ে যান।
পাহাড়ি মরুভূমি এলাকায় আছড়ে পড়ার পর, তার পিঠ, হাত ও কাঁধে গুরুতর আঘাত লাগে।
‘৬০ মিনিটস’-কে ব্রাভো বলেন, ‘একসময় ওপরে তাকিয়ে যখন দেখলাম প্যারাসুট নেই, সেটিই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর মুহূর্ত।’
আহত হওয়া সত্ত্বেও তিনি দুর্ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। পরে প্রায় ৭ হাজার ফুট উঁচু একটি পাহাড়ি এলাকায় পৌঁছে ভূখণ্ডের আড়ালে লুকিয়ে থাকেন।
সেই সময় তিনি প্রার্থনা করে বলেন, ‘প্রভু, আপনার ইচ্ছাই পূর্ণ হোক। তবে যদি আমাকে এখান থেকে বের হতে হয়, আমার সাহায্য দরকার।’
উদ্ধারকারী দলও প্রথমে তাকে খুঁজে পায়নি।
ব্রাভো যে এলাকায় অবতরণ করেছিলেন, সেটি পাইলট আলফার অবস্থান থেকে প্রায় পাঁচ মাইল দূরে ছিল। আলফাকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী খুঁজে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও ব্রাভোকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
একপর্যায়ে উদ্ধারকারী দলকে ফিরে যেতে হয়। এরপর শুরু হয় সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিযান। কারণ একই এলাকায় ইরানি বাহিনীও ভূপাতিত মার্কিন বিমানকর্মীদের খুঁজছিল।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে বিমানটি হারানোর খবর জানানোর পর, তিনি ক্রুদের উদ্ধারে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন।
সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, তিনি বলেছিলেন, ‘তারা জীবিত থাকুক বা না থাকুক, আমরা তাদের ফিরিয়ে আনব।’
মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন জানান, ইরানি স্থলবাহিনী ব্রাভোর অবস্থানের মাত্র কয়েকশ মিটারের মধ্যে চলে এসেছিল।
ব্রাভোকে খুঁজে বের করতে সিআইএর অভিযান শুরু হয়।
একপর্যায়ে ব্রাভো মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হন। তিনি জানান, তিনি আহত হলেও এখনও চলাফেরা করতে পারছেন।
সিবিএস নিউজ বলছে, এরপর সিআইএ গোয়েন্দা তথ্য ও একটি বিভ্রান্তিমূলক অভিযান কাজে লাগিয়ে তার অবস্থান শনাক্ত করে।
উদ্ধার অভিযান শুরুর আগে, ব্রাভো যে এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন, তার কাছাকাছি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীর অবস্থানে মার্কিন হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযানে মাটিতে ৯০ জনের বেশি মার্কিন সেনা অংশ নেন। আকাশপথে আরও কয়েকশ সদস্য এবং সহায়তায় কয়েক হাজার সেনা যুক্ত ছিলেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ব্রাভোর কাছে পৌঁছাতে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী বিমান এবং ছোট হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়।
উদ্ধারকারীদের দেখে বলেছিলেন, ‘চলুন’
প্রায় ৫০ ঘণ্টা একা ও আহত অবস্থায় থাকার পর, অবশেষে ব্রাভো উদ্ধারকারী দলকে তার দিকে এগিয়ে আসতে দেখেন। সেই মুহূর্তকে তিনি ‘জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
উদ্ধারকারীরা তার কাছে পৌঁছালে ব্রাভোর মুখে ছিল মাত্র দুটি শব্দ—‘চলুন (লেটস গো)’।
তবে তখনও অভিযান পুরোপুরি শেষ হয়নি। সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, দুটি মার্কিন বিমান একটি অস্থায়ী মরুভূমির রানওয়েতে অবতরণ করলেও বালিতে আটকে যায়।
পরে সংবেদনশীল সামরিক সরঞ্জাম ইরানের হাতে পড়ার আশঙ্কায়, আটকে পড়া বিমান ও হেলিকপ্টারগুলো মার্কিন বাহিনী ধ্বংস করে দেয়।
অবশেষে ইস্টার সানডের সূর্য ওঠার সময়, ব্রাভোকে ইরান থেকে নিরাপদে বের করে আনা হয়। যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত হওয়ার প্রায় ৫০ ঘণ্টা পর শেষ হয় তার ভয়াবহ অপেক্ষা ও উদ্ধার অভিযান।
তথ্যসূত্র: মিন্ট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ ব্যাটার স্টিভ স্মিথ তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। আগামী বছর ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অ্যাশেজ সিরিজে তার অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি নিজেই নিশ্চিত নন। স্মিথ জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে সিরিজ ধরে ধরে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা করছেন। তার সামনে এখন প্রধান লক্ষ্য ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক।
৩৭ বছর বয়সী স্মিথ বর্তমানে ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগে (ইটিপিএল) খেলছেন। সেখানে তার দলে রয়েছে আমস্টারডাম ফ্লেমস। এই ডানহাতি ব্যাটার এখন পর্যন্ত ১২৫টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন এবং তার সেঞ্চুরির সংখ্যা ৩৭টি। বর্তমানে টেস্ট ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে তিনি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন, তার উপরে রয়েছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক।
সোমবার ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্মিথ বলেছেন, ‘আমি এখনও জানি না আমি সেখানে থাকব কিনা। অনেকদিন ধরেই আমি সিরিজ ধরে ধরে এগোচ্ছি, আর সেটা এখনও আমার কাছে বেশ দূরের ব্যাপার। তাই হ্যাঁ, ওখানে একটা জিততে পারলে ভালো লাগত বা আগেই জিতে ফেলতে পারলে ভালো হত। কিন্তু সেটা সত্যি হয় কিনা, দেখা যাক।’
অলিম্পিক নিয়ে তার ভাবনার কথাও স্মিথ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে সম্ভবত অলিম্পিকটাই (লক্ষ্য), ওটার অংশ হতে চাই। আমস্টারডামের হয়ে এখানে খেলতে চাওয়ার একটি বড় কারণ ছিল যতটা বেশি সম্ভব টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলে যাওয়া।’
অবসরের নির্দিষ্ট দিন এখনও ঠিক করেননি স্মিথ। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, সামনে তার খেলার ঝোঁক ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টির দিকে বেশি থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমার এখনও মনে হয় আমি আরও কিছুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলতে পারব। খেলা ছাড়ার পর আমার জন্য পরের ধাপ কী? সেটা আমি নিশ্চিত নই, তবে আশা করি খেলার জন্য আরও কিছুটা সময় বাকি আছে।’
নিজের ১৫ বছরের ক্যারিয়ার নিয়ে আবেগ প্রকাশ করেছেন স্মিথ। তিনি বলেন, ‘এই খেলায় আমি অনেক কিছু অর্জন করেছি। গত ১৫ বছর বা তার কাছাকাছি সময়টা দারুণ কেটেছে। আমি অনেক মজা করেছি। এখনও উপভোগ করছি, তাই আমার কোনও শেষ দিন ঠিক করা নেই, দেখা যাক কী হয়। তবে সময়টা ভালোই কেটেছে।’
আগামী অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা যাবে। ২০১৮ সালের বল টেম্পারিং কাণ্ডের পর এবারই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকা সফর টেস্ট খেলতে যাচ্ছেন স্মিথ। ওই ঘটনার কারণে তাকে এক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
তবে সেই অতীত নিয়ে আর ভাবছেন না স্মিথ। তিনি বলেন, ‘ওহ, আমার কাছে এটা আর পাঁচটা সিরিজের মতোই। যা হয়েছে অনেক আগে হয়েছে, আর আমরা এরপর অনেক ক্রিকেট খেলেছি — একদিনের ম্যাচ খেলতে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েওছি। ওরা এখন ভালো দল — বোঝাই যাচ্ছে, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওরা আমাদের হারিয়েছে। ওদের পেস আক্রমণও দারুণ। তাই সিরিজটা জমজমাট হওয়ার কথা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় আজও শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬৭ স্কোর নিয়ে ঢাকা বিশ্বের চতুর্থ দূষিত শহর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
অন্যদিকে, কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা ২২৫ স্কোর নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে আইকিউএয়ারের প্রকাশিত তাৎক্ষণিক বায়ুমান সূচকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।
বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর, যার স্কোর ২০১। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা, যার স্কোর ১৬৮। মালয়েশিয়ার শহর কুচিং তালিকার পঞ্চম স্থানে ১৫৪ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার একটি শহরের বাতাসের নির্মলতা বা দূষণের লাইভ সূচক প্রদান করে। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে ধরা হয়।
স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে সেটিকে মাঝারি বা সহনীয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে গণ্য হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ স্কোর হলে বায়ুকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এছাড়া, ৩০১-এর বেশি স্কোর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা তিন দফা কমার পর দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে সবশেষ ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ভালো মানের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সেদিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।
এর আগে গতকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সবশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী, মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
পুরোনো অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ