মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৯ পি.এম
চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর কে জিতবে, তা নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা চলছে তুঙ্গে। সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম সামনে এলেও বিখ্যাত ফুটবল এজেন্ট হোর্হে মেন্দেজ মনে করেন, লামিন ইয়ামালই সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
ফুটবল ট্রান্সফার বিশেষজ্ঞ ফাব্রিজিও রোমানোর ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত মেন্দেজের বক্তব্য অনুযায়ী, ইয়ামালকে ব্যালন ডি’অরের জন্য তিনি স্পষ্টভাবে পছন্দ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষায়, এবারের পুরস্কারটি ইয়ামালেরই প্রাপ্য।
ইয়ামালের শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়ে আরও দৃঢ় অবস্থান জানিয়ে মেন্দেজ বলেন, ইয়ামালই সেরা এবং অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে তার ব্যবধানও বেশ স্পষ্ট। ফুটবলপ্রেমীরাও বিষয়টি জানেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এবারের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ইয়ামালের সঙ্গে জায়গা করে নিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে, পিএসজির ফাবিয়ান রুইজ ও উসমান দেম্বেলে। যদিও পুরস্কার জয়ের লড়াইয়ে একাধিক তারকা থাকলেও মেন্দেজের বিচারে ইয়ামালই সবচেয়ে বড় দাবিদার।
এদিকে, বার্সেলোনার একাধিক খেলোয়াড়ের এজেন্ট হিসেবে কাজ করা মেন্দেজ ১৪ সেপ্টেম্বর ক্লাবটির সভাপতি হোয়ান লাপোর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে বার্সেলোনাকে ঘিরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোর প্রতিবেদনে ক্লাবটির ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বৈঠকটির সঙ্গে আসন্ন ট্রান্সফার উইন্ডোর সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল না। গ্রীষ্মকালীন দলবদলের বাজার বন্ধ হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই লাপোর্তার সঙ্গে মেন্দেজের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র: গোল ডটকম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সরকারি জমিতে অবৈধ দখল ও স্থাপনা এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সরকারি জায়গা দখল করে নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট সরিয়ে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে এ অভিযান শুরু হয়। পরে সওজের আওতাধীন বিভিন্ন স্থানে সরকারি জমিতে অবৈধ দখল ও স্থাপনা এবং হাসপাতাল এলাকার অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।
জেলা প্রশাসনের এনডিসি শাকিব রহমান আকাশের নেতৃত্বে এবং ফরিদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলামের সমন্বয়ে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে র্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন।
অভিযান চলাকালে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সওজের সরকারি জমি দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা ও বিভিন্ন ধরনের কাঠামো সরিয়ে দেওয়া হয়। উচ্ছেদকাজে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতাল ও সড়কের আশপাশের সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। এসব দোকান ও স্থাপনার কারণে হাসপাতাল এলাকায় রোগী, রোগীর স্বজন, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে বিভিন্ন সময় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। একই সঙ্গে সড়কের পাশে জায়গা সংকুচিত হওয়ায় যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছিল বলে অভিযোগ ছিল।
বিশেষ করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ও আশপাশে অস্থায়ী দোকান বসায় হাসপাতালের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথের আশপাশে ভিড় তৈরি হতো। এতে জরুরি প্রয়োজনে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টিও প্রশাসনের নজরে আসে।
উচ্ছেদ অভিযানের ফলে হাসপাতাল চত্বর ও সড়কের পাশের বেশ কিছু জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছে। এতে রোগী ও স্বজনদের চলাচলের পথ প্রশস্ত হওয়ার পাশাপাশি সড়কসংলগ্ন এলাকায় যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
অভিযান পরিচালনাকারী প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে কোনো ধরনের স্থাপনা বা দোকানপাট স্থাপনের সুযোগ নেই। জনসাধারণের চলাচল ও সরকারি সম্পত্তির সুরক্ষার স্বার্থে অবৈধ দখল উচ্ছেদে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, উচ্ছেদ করা জায়গাগুলোতে যাতে পুনরায় দোকানপাট বা অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে নজরদারি করা হবে। কেউ সরকারি জায়গা পুনরায় দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে উচ্ছেদ অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, রোগী ও তাদের স্বজনরা। তাদের মতে, হাসপাতাল এলাকায় অস্থায়ী দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা থাকায় চলাচলে যে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছিল, অভিযানটির মাধ্যমে তা অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে সড়কের পাশের সরকারি জায়গা দখলমুক্ত থাকলে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল আরও নিরাপদ ও স্বাভাবিক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় রাত্রীকালীন বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আদালতের বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলার চিন্তার খামার এলাকার গণেশ চন্দ্র রায়ের ছেলে রিপন চন্দ্র রায়, সিংগীর ভিটা শ্রীপুর এলাকার সেকেন্দার আলীর ছেলে রাশেদুল ইসলাম রাশেদ এবং শিংগীর ভিটা হাসনাবাদ এলাকার মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে জামাল হোসেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, রিপন চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে কুড়িগ্রাম আদালতের সিআর মামলা নং-২৬৫/২৬ (নাগঃ), নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(গ)/৩০ ধারায় ওয়ারেন্ট রয়েছে। রাশেদুল ইসলাম রাশেদের বিরুদ্ধে সিআর মামলা নং-৮৬৩/২৫ (কুড়িঃ), নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা রয়েছে।
অপরদিকে, জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে জিআর মামলা নং-৪৭/১৭, স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-২৩০/১৮, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-বি(১)(বি) ধারায় ওয়ারেন্ট রয়েছে।
পুলিশ জানায়, আদালতের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল, দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন এবং অসহায় উপকারভোগীদের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় ক্লাব ও খেলার মাঠের জন্য ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে পোরশা উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বাস্তবায়নাধীন ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত)’ শীর্ষক কর্মসূচির ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের আওতায় এসব সহায়তা বিতরণ করা হয়। এ সময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল এবং ৩০ জন দুস্থ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, দুস্থ মহিলা ও শিশু কল্যাণ তহবিল থেকে মঞ্জুরীকৃত অনুদানের আওতায় ১০ জনের মাঝে মোট ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এমপি।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের মাদক ও বিভিন্ন ধরনের সামাজিক নেশা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষা ও কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি নারীদের স্বাবলম্বী করতে কর্মমুখী উদ্যোগও প্রয়োজন। সেলাই মেশিনসহ বিভিন্ন সহায়তা কাজে লাগিয়ে নারীরা নিজেদের পরিবার ও সমাজের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোতাহার রহমান সুপি শাহ, সাধারণ সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ হাফিজুর রহমান, নিতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা উপকারভোগীদের হাতে বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন ও আর্থিক সহায়তার অর্থ তুলে দেন। একইসঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় ক্লাব ও খেলার মাঠের প্রতিনিধিদের হাতে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।সরকারি এ ধরনের সহায়তা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি দুস্থ নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার কাজির শিমলায় প্রান্তিক গরুর খামারিদের জন্য সরকারি উদ্যোগে কৃত্রিম প্রজনন (এআই) ও প্রাণিসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ত্রিশাল উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের অধীন কৃত্রিম প্রজনন ও প্রাণিসেবা উপকেন্দ্র থেকে নিয়মিতভাবে এ সেবা দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কাজির শিমলা কৃত্রিম প্রজনন ও প্রাণিসেবা উপকেন্দ্রে গরুর খামারিদের কৃত্রিম প্রজনন সেবা প্রদান করা হয়। বিশেষ করে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিরা এ সরকারি সেবার মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন।
কৃত্রিম প্রজননের ক্ষেত্রে উন্নতমানের বীজ (সিমেন) ব্যবহার করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর ফলে খামারিরা উন্নত জাতের বাছুর উৎপাদনের সুযোগ পাচ্ছেন এবং গবাদিপশুর জাত উন্নয়নের পাশাপাশি খামারিদের আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ছে।
স্থানীয় গরুর খামারিরা জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাতের নাগালে কৃত্রিম প্রজনন ও প্রাণিসেবা পাওয়ায় তাদের সময় ও খরচ দুটোই কমছে। একই সঙ্গে ভালো মানের বীজ ব্যবহারের ফলে ভবিষ্যতে উন্নত জাতের গবাদিপশু পালনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নাজনীন সুলতানা বলেন, “প্রান্তিক গরুর খামারিদের উন্নত জাতের গবাদিপশু পালনে উৎসাহিত করা এবং তাদের উৎপাদন ও আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগে কৃত্রিম প্রজনন ও প্রাণিসেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে। খামারিরা যাতে সহজেই প্রয়োজনীয় সেবা পান, সে বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”
তিনি আরও বলেন, উন্নত জাতের বাছুর উৎপাদন, গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং আধুনিক পদ্ধতিতে খামার পরিচালনায় খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগের
এ ধরনের সরকারি সেবা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা গেলে ত্রিশালের প্রান্তিক খামারিদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ